
জীবন ইতিবাচকভাবে বদলাতে জীবনধারাতেও পরিবর্তন আনা জরুরি। এই ব্যাপারটা বলিউড তারকারা কঠোরভাবে বিশ্বাস করেন। বি টাউনের আলোচিত নায়িকাদের অনেকে নতুন বছরে নিজেদের জীবনধারায় পরিবর্তন এনেছেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন, এসব পরিবর্তন তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনে বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
দীপিকা পাড়ুকোন

পর্দায় শক্তিশালী চরিত্র ও লালগালিচায় আত্মবিশ্বাসী পায়ের ছাপ ফেলেন তিনি। এই আত্মবিশ্বাসী অভিনেত্রী যে নিজের অভ্যন্তরীণ জগৎকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন, তা বুঝতে কারও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। থেরাপি, ধ্যান এবং খুব ভেবেচিন্তে সাজানো রুটিন তাঁর দিনের মেরুদণ্ড বলা চলে। তাঁর সকাল শুরু হয় গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া এবং হালকা স্ট্রেচিংয়ের মাধ্যমে। হন্তদন্ত হয়ে শুরু করার বদলে দীপিকা স্লো মর্নিং বা ধীরেসুস্থে দিন শুরু করায় বিশ্বাসী। সকালে একটু চুপচাপ বসে নিজের মতো কাটাতে ভালোবাসেন। তিনি মনে করেন, কাজে ভালোভাবে মনোযোগ দেওয়ার জন্য মানসিকভাবে স্থির হওয়া জরুরি। মানসিক স্বাস্থ্য বরাবরই তাঁর কাছে গুরুত্ব বহন করে। তাই উদ্বেগ ও বিষণ্নতা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলতে বেশি ভালোবাসেন দীপিকা। দৈনন্দিন জীবনে মানসিক সুস্থতা আনতে যা যা করা প্রয়োজন—সবটাই তিনি করেন বলে জানা যায়। আর এটাই তাঁর বড় পরিবর্তন।
আনুশকা শর্মা

তিনি এখন এমন জীবন যাপন করেন, যেখানে খাবার, মেজাজ এবং শক্তি সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে চলে। তিনি মনে করেন, এই প্রতিটি জিনিস পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তাই নিজের খাদ্যাভ্যাসে যোগ করেছেন প্রচুর ভেষজ খাবার। দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করেছেন যোগব্যায়াম এবং মনোযোগী হয়েছেন অন্ত্রের স্বাস্থ্যের বিষয়ে। পাশাপাশি তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিজের মাতৃত্ব, স্ক্রিন ফ্রি সন্ধ্যা, খুব ভালো বিশ্রাম এবং সম্পর্কের সীমারেখা মেনে চলার ওপর। প্রকৃতি ও জীবের প্রতি সহানুভূতি, নিজের শারীরিক সুস্থতা ও খোলামেলা কথা বলার বিষয়েও নিজে জোর দিচ্ছেন বলে জানা যায়। এই সবকিছু নিয়ে তিনি নতুন আনুশকা হয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।
কিয়ারা আদভানি

তাঁর কাছে ভারসাম্য মানেই সুন্দর জীবন। প্রতিটি ছন্দ মিলে গেলেই একটা নির্ভার জীবন যাপন করা যায় বলে বিশ্বাস করেন কিয়ারা। জিম ও ইয়োগা—দুটোই তাঁর জীবনে যুক্ত হয়েছে। ফলে নির্ধারিত ডায়েট প্লেট মেনে চললেও জম্পেশ পারিবারিক ডিনারকে ‘না’ বলার মতো নিষ্ঠুর তিনি নন। পরিবার সুন্দর জীবন যাপনের জন্য খুব জরুরি বলে তিনি মনে করেন। শুটিং সেটে অস্থিরমতি এই তারকা এবার একটু নতুন করে ভাবছেন। তিনি মনে করেন, শান্ত ও কৃতজ্ঞ মনোভাব জীবনে শান্তি এনে দেয়।
কৃতি শ্যানন

জীবনের একটি পর্যায়ে এসে তিনি বুঝতে পেরেছেন, সব সমস্যার সমাধান ঝটপট করা সম্ভব নয়। হলেও তার ফল দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই ক্র্যাশ ডায়েট থেকে বেরিয়ে এসে তিনি শক্তি ক্ষয়ের প্রশিক্ষণ শুরু করেছেন; পাশাপাশি বাড়িতে তৈরি সুষম খাবার খাচ্ছেন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করাবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছেন। মানুষ যে প্রাকৃতিকভাবেই সুন্দর—এ কথায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন। তাই তিনি ফিল্টারবিহীন জিম ক্লিপ, রোদমাখা মেকআপহীন মুখের ছবিও অহরহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন। কৃতি নতুন করে ‘আমি টাইমকে’ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেখানে যোগ হচ্ছে বই পড়া, দিনের একটা সময় একা থাকা এবং ডিজিটাল ডিটক্সের মতো ব্যাপারগুলো। এতে তিনি উপকারও পাচ্ছেন।
আলিয়া ভাট

এই সহজ ও মিষ্টি হাসির মানুষটি ভেতর থেকে হালকা থাকায় বিশ্বাসী। তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে নেওয়া, স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়ামের সেশনগুলো তাঁকে কঠিন শুটিং সময়সূচির মধ্যেও উজ্জীবিত রাখে। ক্যামেরা থেকে দূরে যাওয়ার পর তিনি হয়ে ওঠেন অন্য এক আলিয়া। পর্যাপ্ত ঘুম, বই পড়া এবং সাধারণ স্ক্রিন ফ্রি সন্ধ্যা নিয়েই তাঁর বাকি জীবন। আর এই সাধারণ রুটিন তাঁর জীবনকে সুশৃঙ্খল এবং চাপমুক্ত রেখেছে বলে মনে করেন তিনি।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও অন্যান্য
ছবি: ফেসবুক

সকালের বেঁচে যাওয়া বাসি রুটি অনেক সময় আমরা খাওয়ার অনুপযোগী ভেবে ফেলে দিই কিংবা গৃহপালিত পশুকে খাইয়ে দিই। কিন্তু জেনে নিন, এই বাসি রুটিই হতে পারে আপনার ঝকঝকে ও প্রাণবন্ত ত্বকের রহস্য? রাসায়নিকযুক্ত দামি কসমেটিকসের পেছনে হাজার টাকা খরচ না করে বাসি রুটি দিয়ে ঘরে বসেই সুন্দরভাবে ত্বকের যত্ন নিতে...
৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাজার থেকে দুটি ৮০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ (প্রতিটি ১,২০০ টাকা দরে) কিনেছিলেন নারায়ণ চন্দ্র। চলতি মৌসুমে এটাই ছিল তাঁর প্রথম ইলিশ কেনা। রাতে পাতে প্রিয় মাছটির স্বাদের কথা মনে মনে কল্পনাও করছিলেন তিনি...
৬ ঘণ্টা আগে
সকালে ধোঁয়া ওঠা এক কাপ কফি ছাড়া অনেকেরই দিন শুরু হয় না। ওয়েলনেস ও স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনায় কফি নিয়ে নানা মতামত রয়েছে—কারও মতে এটি মেটাবলিজম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস, আবার কারও মতে এটি পাকস্থলী জ্বালাপোড়া ও মানসিক চাপ বা কর্টিসল হরমোন বাড়ানোর কারণ।
১০ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণের আনন্দ শুধু ঐতিহাসিক স্থাপত্য কিংবা প্রকৃতির শোভা দর্শনেই সীমাবদ্ধ নয়। এর এক বড় অংশজুড়ে থাকে স্বাদের অভিজ্ঞতা। আর যদি বিষয় হয় ‘পিৎজা’, তবে তো কথাই নেই। রোম থেকে শুরু করে কাসের্তার মতো ঐতিহ্যবাহী শহরে এখনো গড়ে উঠছেন বিশ্বের তাবড় তাবড় পিৎজা কারিগর।
১২ ঘণ্টা আগে