সানজিদা সামরিন, ঢাকা

মেকআপ আর বিভিন্ন রকমের ভেষজ বা রাসায়নিক প্রসাধনী মেখে বলিউডের নায়িকারা সুন্দর হয়ে ওঠেন! এমন গুঞ্জন হামেশা শোনা যায়। কিন্তু একবার তাঁদের অন্তঃপুরে উঁকি দিয়ে দেখুন, জীবনযাপনের এক আলাদা জগতের সন্ধান পাবেন। হ্যাঁ, প্রসাধনী যে তাঁরা মাখেন না, তা নয়। মেকআপ তাঁদের করতেই হয় সাধারণ নারীদের চেয়ে বেশি। সেসবের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই তাঁদের মেনে চলতে হয় এক নিয়মতান্ত্রিক জীবনধারা। খাবার থেকে ঘুম, ব্যায়াম থেকে বিশ্রাম—সবকিছুতেই তাঁদের থাকতে হয় একেবারে শতভাগ নিয়মনিষ্ঠ। এ সবকিছুই তাঁদের ত্বক, চুল, চোখ, ঠোঁট, দাঁত সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করে। আর সৌন্দর্য এ সবকিছুর স্বাস্থ্যকর সঠিক বিন্যাস।
বলিউড সুন্দরীদের জেল্লা ছড়ানো ত্বকের রহস্য কিন্তু তাঁদের ডাইনিং টেবিলেই রয়েছে। ঘুম থেকে উঠে কী পান করছেন আর সারা দিন কী খাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে ত্বক কতটা সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকবে। বিষয়টি বলিউডের সুন্দরী নায়িকারা খুব ভালোই জানেন। তাঁদের ফিটনেসের বিষয় অনেকটা নির্ভর করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ওপরই। চলুন, জেনে নেওয়া যাক বি-টাউন তারকারা কোন ধরনের খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন।
দিনের শুরু ডিটক্স ওয়াটারে

বি-টাউনের প্রায় সব নায়িকাই দিনের শুরুটা করেন ডিটক্স ওয়াটার দিয়ে। আলিয়া ভাট দিনের শুরু করেন লেবু-মধু পানি পান করে। অন্যদিকে প্রিয়াংকা চোপড়ার দিন শুরু হয় ডাবের পানি পান করে। এ ছাড়া চিয়া সিড ভেজানো পানি ও আপেল সিডার ভিনেগার মেশানো কুসুম গরম পানি পানেরও অভ্যাস রয়েছে অনেকের।
ডায়েটে থাকে আঁশজাতীয় খাবার

বলিউড ডিভারা ডায়েটে আঁশজাতীয় খাবার রাখার গুরুত্ব বোঝেন। সে জন্যই শাকসবজি ও ফলমূলের ছড়াছড়ি থাকে তাঁদের খাদ্যতালিকায়। নিয়ম করে তাঁরা গ্রিল করা শাকসবজি ও ফলমূল রাখেন পাতে। বিপাক ক্রিয়া ঠিক রাখতে এগুলোর জুড়ি নেই। তা ছাড়া আঁশজাতীয় খাবার খেলে পেটও পরিষ্কার থাকে। ফলে মুখে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা কমে।
শরীরে প্রোটিনের অভাব ঘটতে দেন না

শুধু আঁশজাতীয় খাবারই নয়, শরীরে প্রোটিনের চাহিদা যাতে পূরণ হয়, সেদিকেও নজর রাখেন বলিউড হার্টথ্রবরা। প্রোটিনের উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে ডিমের সাদা অংশ, অল্প তেলে ভাজা মাছ ও কম মসলায় রান্না মুরগি সব সময় খান তাঁরা। প্রয়োজনীয় মাত্রার প্রোটিন গ্রহণে বারবার ক্ষুধা লাগে না। ফলে মুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।
দুপুরে দেশীয় খাবার

বেশির ভাগ বলিউড তারকা দুপুরে দেশীয় খাবার খেতে ভালোবাসেন। ভাত, রুটি, সবজি, সালাদই তাঁরা দুপুরের সেরা খাবার বলে মনে করেন। যত ব্যস্ততাই থাকুক, বি-টাউন তারকারা কখনো কোনো বেলার খাবার বাদ দেন না। শুটিংয়ে জায়গা পরিবর্তন হলেও এই নিয়ম জারি রাখেন। আর ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবারই তাঁদের কাছে গুরুত্ব পায়।
চিট ডায়েট সপ্তাহে এক দিন

তবে কখনোই কি বলি, তারকারা ডায়েটে চিট করেন না? শরীর ঠিক রাখতে নিজের পছন্দের খাবারকে অবহেলা করে যেতে হবে, এমনটাও মনে করেন না তাঁরা। তবে তা-ও করেন নিয়ম মেনে। শিল্পা শেঠি সপ্তাহে এক দিন ‘চিট মিল’ করেন। তাতে আইসক্রিম থেকে বার্গার—সবই থাকে। তবে সপ্তাহে এক দিনই এই চিট মিল চলে। গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে এক দিন চিট মিল ও সারা সপ্তাহ স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি দ্রুত পোড়ানো সহজ হয়। তবে এই চিট মিলকে সামাল দিতে জিমেও একটু বেশি সময় কাটান তাঁরা।
ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যে বাদাম

শুধু তেল-শ্যাম্পু আর প্যাক দিলেই ত্বক ও চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে ওঠে না, তার জন্য চাই ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডসহ অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ। সৌন্দর্য বাড়াতে বলিউড নায়িকারা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণের প্রতি গুরুত্ব দেন। হালকা নাশতায় তাঁরা বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেয়ে থাকেন। আর এসব বাদামেই থাকে এই পুষ্টিগুণ। স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে তাঁরা বিভিন্ন ধরনের ফলও খান। চেষ্টা করেন প্রতিদিন অন্তত একটি ফল যেন খাওয়া হয়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ছবি: ইনস্টাগ্রাম ও পেক্সেলস

মেকআপ আর বিভিন্ন রকমের ভেষজ বা রাসায়নিক প্রসাধনী মেখে বলিউডের নায়িকারা সুন্দর হয়ে ওঠেন! এমন গুঞ্জন হামেশা শোনা যায়। কিন্তু একবার তাঁদের অন্তঃপুরে উঁকি দিয়ে দেখুন, জীবনযাপনের এক আলাদা জগতের সন্ধান পাবেন। হ্যাঁ, প্রসাধনী যে তাঁরা মাখেন না, তা নয়। মেকআপ তাঁদের করতেই হয় সাধারণ নারীদের চেয়ে বেশি। সেসবের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই তাঁদের মেনে চলতে হয় এক নিয়মতান্ত্রিক জীবনধারা। খাবার থেকে ঘুম, ব্যায়াম থেকে বিশ্রাম—সবকিছুতেই তাঁদের থাকতে হয় একেবারে শতভাগ নিয়মনিষ্ঠ। এ সবকিছুই তাঁদের ত্বক, চুল, চোখ, ঠোঁট, দাঁত সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করে। আর সৌন্দর্য এ সবকিছুর স্বাস্থ্যকর সঠিক বিন্যাস।
বলিউড সুন্দরীদের জেল্লা ছড়ানো ত্বকের রহস্য কিন্তু তাঁদের ডাইনিং টেবিলেই রয়েছে। ঘুম থেকে উঠে কী পান করছেন আর সারা দিন কী খাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে ত্বক কতটা সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকবে। বিষয়টি বলিউডের সুন্দরী নায়িকারা খুব ভালোই জানেন। তাঁদের ফিটনেসের বিষয় অনেকটা নির্ভর করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ওপরই। চলুন, জেনে নেওয়া যাক বি-টাউন তারকারা কোন ধরনের খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন।
দিনের শুরু ডিটক্স ওয়াটারে

বি-টাউনের প্রায় সব নায়িকাই দিনের শুরুটা করেন ডিটক্স ওয়াটার দিয়ে। আলিয়া ভাট দিনের শুরু করেন লেবু-মধু পানি পান করে। অন্যদিকে প্রিয়াংকা চোপড়ার দিন শুরু হয় ডাবের পানি পান করে। এ ছাড়া চিয়া সিড ভেজানো পানি ও আপেল সিডার ভিনেগার মেশানো কুসুম গরম পানি পানেরও অভ্যাস রয়েছে অনেকের।
ডায়েটে থাকে আঁশজাতীয় খাবার

বলিউড ডিভারা ডায়েটে আঁশজাতীয় খাবার রাখার গুরুত্ব বোঝেন। সে জন্যই শাকসবজি ও ফলমূলের ছড়াছড়ি থাকে তাঁদের খাদ্যতালিকায়। নিয়ম করে তাঁরা গ্রিল করা শাকসবজি ও ফলমূল রাখেন পাতে। বিপাক ক্রিয়া ঠিক রাখতে এগুলোর জুড়ি নেই। তা ছাড়া আঁশজাতীয় খাবার খেলে পেটও পরিষ্কার থাকে। ফলে মুখে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা কমে।
শরীরে প্রোটিনের অভাব ঘটতে দেন না

শুধু আঁশজাতীয় খাবারই নয়, শরীরে প্রোটিনের চাহিদা যাতে পূরণ হয়, সেদিকেও নজর রাখেন বলিউড হার্টথ্রবরা। প্রোটিনের উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে ডিমের সাদা অংশ, অল্প তেলে ভাজা মাছ ও কম মসলায় রান্না মুরগি সব সময় খান তাঁরা। প্রয়োজনীয় মাত্রার প্রোটিন গ্রহণে বারবার ক্ষুধা লাগে না। ফলে মুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।
দুপুরে দেশীয় খাবার

বেশির ভাগ বলিউড তারকা দুপুরে দেশীয় খাবার খেতে ভালোবাসেন। ভাত, রুটি, সবজি, সালাদই তাঁরা দুপুরের সেরা খাবার বলে মনে করেন। যত ব্যস্ততাই থাকুক, বি-টাউন তারকারা কখনো কোনো বেলার খাবার বাদ দেন না। শুটিংয়ে জায়গা পরিবর্তন হলেও এই নিয়ম জারি রাখেন। আর ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবারই তাঁদের কাছে গুরুত্ব পায়।
চিট ডায়েট সপ্তাহে এক দিন

তবে কখনোই কি বলি, তারকারা ডায়েটে চিট করেন না? শরীর ঠিক রাখতে নিজের পছন্দের খাবারকে অবহেলা করে যেতে হবে, এমনটাও মনে করেন না তাঁরা। তবে তা-ও করেন নিয়ম মেনে। শিল্পা শেঠি সপ্তাহে এক দিন ‘চিট মিল’ করেন। তাতে আইসক্রিম থেকে বার্গার—সবই থাকে। তবে সপ্তাহে এক দিনই এই চিট মিল চলে। গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে এক দিন চিট মিল ও সারা সপ্তাহ স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি দ্রুত পোড়ানো সহজ হয়। তবে এই চিট মিলকে সামাল দিতে জিমেও একটু বেশি সময় কাটান তাঁরা।
ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যে বাদাম

শুধু তেল-শ্যাম্পু আর প্যাক দিলেই ত্বক ও চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে ওঠে না, তার জন্য চাই ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডসহ অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ। সৌন্দর্য বাড়াতে বলিউড নায়িকারা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণের প্রতি গুরুত্ব দেন। হালকা নাশতায় তাঁরা বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেয়ে থাকেন। আর এসব বাদামেই থাকে এই পুষ্টিগুণ। স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে তাঁরা বিভিন্ন ধরনের ফলও খান। চেষ্টা করেন প্রতিদিন অন্তত একটি ফল যেন খাওয়া হয়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ছবি: ইনস্টাগ্রাম ও পেক্সেলস

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৪ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৬ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২০ ঘণ্টা আগে