
অফিশিয়ালি শীত ঋতু শুরু না হলেও শীত এসে গেছে। শহরগুলোতেও এখন কাঁথা-কম্বল বা লেপ মুড়ি দিয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। আগের লেপ-কাঁথা-কম্বলেই চলবে, নাকি নতুন করে সেগুলো কিনতে হবে—এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বেশ আগেই। সবই পরিবারের সদস্যদের যত্নের জন্য।
কিন্তু মানুষই তো আর এখন পরিবারের একমাত্র মানুষ নয়; অনেকে এখন বিভিন্ন পশু-পাখি পোষেন, তাদের যত্ন নেন। কারণ, তারাও পরিবারের সদস্য হিসেবে মানুষের মতোই ভালোবাসা আর মমতা বিলায়। কখনো কখনো তারা হয়ে ওঠে আনন্দের সঙ্গী। ভুলে গেলে চলবে না, শীতে মানুষের মতো তাদেরও বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। গরম কাপড়, ঘুমানোর জন্য গরম জায়গা, খানিক গরম পানি পান করানো—এসব জরুরি তাদের বেঁচে থাকার জন্য।
আপনার বাসায় বা বাড়িতে যদি এমন পোষ্য থাকে, তাহলে জেনে নিন শীতকালে তাদের বাড়তি যত্নের বিষয়গুলো।
থাকার জায়গাটি হোক আরামদায়ক
ঘুমানোর সময়ও আদরের কুকুর বা বিড়ালটি কি আপনার বিছানাতেই গা ঘেঁষে থাকতে ভালোবাসে? তা হোক, কিন্তু বাড়িতে যে জায়গায় সাধারণত সে শুয়ে-বসে থাকে, সে জায়গাটি যেন উষ্ণ থাকে, এই শীতে সেটা নিশ্চিত করুন। কুকুর বা বিড়ালকে কখনোই ঠান্ডা মেঝেতে বা খোলা জায়গায় শুতে দেবেন না। তার জন্য আলাদা ঝুড়ি বা গদি রাখুন। আজকাল নানা ধরনের ক্যাট ও ডগ হাউস বা কট পাওয়া যায়। শোয়ার ঘরে বা বসার ঘরে এমন কিছুও রাখতে পারেন।

তবে এ ঋতুতে বারান্দা, ছাদ বা আঙিনার মতো খোলা জায়গায় পোষা প্রাণীদের ঘুমাতে দেবেন না। মনে রাখতে হবে, তারা আর প্রকৃতিতে নেই। আপনার পোষা হয়ে গেছে। ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশের অনেক কিছুতে তাদের মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়। তাই পোষা প্রাণীদের বিছানা ঘরের ভেতর বা নিদেনপক্ষে কুয়াশা আর শীতের বাতাস থেকে রক্ষা পাওয়ার মতো জায়গায় করে দিতে হবে। তার শোয়ার জায়গায় আলাদা মাদুরের ওপর কম্বল পেতে রাখুন। এসব কম্বল ফুটপাত ও ভ্যানে পেয়ে যাবেন বিভিন্ন আকারে। বেশি শীত পড়লে রাতে ঘুমানোর সময় কম্বলের ভেতরে হট ওয়াটার ব্যাগ বা হিটিং প্যাড রেখে উষ্ণ করে দিতে পারেন। এতেও সে আরামে ঘুমাতে পারবে।
উষ্ণ জামা ওদেরও চাই
যদিও কুকুর ও বিড়ালের শরীর লোমে ঢাকা থাকে বলে তারা শীত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে প্রাকৃতিকভাবে। তবু শীত বেশি পড়লে তাদেরও উষ্ণতার আবরণ প্রয়োজন পড়ে। যেসব কুকুর বা বিড়ালের লোম পাতলা বা ছোট, তাদের জন্য শীতে সোয়েটার বা গেঞ্জি রাখুন; বিশেষ করে যখন বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন বা বারান্দায় আপনার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, তখন এমন গরম পোশাক পরান। ভ্যান থেকে শিশুদের গেঞ্জি, সোয়েটার, স্কার্ট কিনে ওদের পরাতে পারেন। তবে শীতপোশাক যেন আপনার পোষা প্রাণীর পেট, গলা, বুক ও পিঠ ঢেকে রাখে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

আর্দ্রতা ঠিক রাখতে হবে
শীতে পোষা প্রাণীটি পর্যাপ্ত পানি পান করছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। শীতে আমাদের মতো তাদের শরীরেও পর্যাপ্ত পানির প্রয়োজন পড়ে। ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা হলে তাদের ত্বকে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ সময় তাদের কুসুম গরম পানি পান করতে দিন। মনে রাখবেন, তারাও শীতে ত্বকের শুষ্কতায় ভোগে। তাই কুসুম গরম পানিতে গোসল করানোর পর হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শরীর শুকিয়ে নিন। এরপর এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল দিয়ে ময়শ্চারাইজ করে দিন। প্রয়োজনে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে আর্দ্রতা বজায় রাখার কোনো লোশন ব্যবহার করতে পারেন। এ ঋতুতে নিয়মিত পোষা প্রাণীর শরীর ব্রাশ করে দিন। এতে ধুলোবালি আটকে অস্বস্তিতে ভুগবে না।
বাইরে বের হলে বাড়তি সতর্কতা
ভোরে, সন্ধ্যায় বা রাতে পোষা প্রাণী নিয়ে বাইরে বের হলে বাড়তি সতর্কতা মেনে চলতে হবে। কুয়াশা বা বাতাস থাকলে পোষা প্রাণীদের নিয়ে বের না হওয়াই ভালো। বের হতে হলে তাদের গরম কাপড়ে ঢেকে দিন। সকাল বা বিকেলের রোদে তাদের খেলতে দিন। এতে তারা আরাম পাবে, ঠান্ডা লাগার আশঙ্কাও কমবে। তবে ঠান্ডা লাগা, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ার মতো কোনো সমস্যা দেখলে দ্রুত পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
শুনতে অদ্ভুত লাগলেও তথ্য বলছে, শীতে পোষা প্রাণীদের পা ফাটে, পায়ের তলা অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে ওঠে। তাই গোসল করানোর সময় পায়ের তলাও সুন্দর করে ব্রাশ করে দিতে হবে। গোসল শেষে পায়ের তলায় নারকেল তেল বা পোষা প্রাণীদের জন্য তৈরি বিশেষ ময়শ্চারাইজার লাগাতে হবে। খুব বেশি ঠান্ডা পড়লে বাইরে বের করার সময় তাদের পায়ে মোজা বা বিশেষ জুতাও পরাতে পারেন।
সূত্র: ভেটস ফর পেটস ও অন্যান্য

১৪ আষাঢ়, রোববার। বিকেল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফাঁকে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। আমরা তখন ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে নয়, গাড়িতে। গাড়ির ভেতর বাজছিল আষাঢ়ের গান, ‘চলো কোথাও যাই, এই ঝড়-বর্ষায়...’। মুহূর্তেই মনে হলো, শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির কাছে না গেলে যেন আষাঢ় সত্যিকার অর্থে অনুভব করা হবে না।
৪ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনার জুজুই প্রদেশের ঐতিহাসিক একটি গ্রাম ভলকান। এখানকার পাহাড়ি উপত্যকা ধরে ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রেলপথ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে এখন চলেছে মসৃণ কাচঘেরা দুই বগির একটি ফিউচারিস্টিক ক্যাপসুল ট্রেন। যাত্রাপথে চারপাশের পাহাড়ি উপত্যকা থেকে ভেসে আসছে বাঁশির সুর।
৫ ঘণ্টা আগে
ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, ‘অ্যান অ্যাপল আ ডে, কিপস দ্য ডক্টর অ্যাওয়ে’। ১৮৬৬ সালের একটি পুরোনো প্রবাদ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯১৩ সালে তৈরি হওয়া এই বহুল প্রচলিত কথাটি আমরা সবাই কম-বেশি শুনেছি। চিকিৎসকের কাছে যাওয়া কমানো না গেলেও, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি আপেল রাখা যে স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।
২০ ঘণ্টা আগে
বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। যদি প্রেমের সম্পর্ক থেকেও থাকে, তবুও। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্য়মে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ডেটিংয়ের এক নতুন নীতি। এর নাম ‘৩-৩-৩ ডেটিং রুলস’। সম্পর্কের এই ৩-৩-৩ নীতি আসলে কী? এটা খুবই সহজ, আর সম্ভবত এ কারণেই এটি ভাইরাল হয়েছে।
১ দিন আগে