বসন্তের রোদের যেন আলাদা রং আছে। রংটা মায়া মাখা। স্বচ্ছ, উজ্জ্বল সোনালি এই রোদ। সূর্যটা কখনো কোমল দেখায় আবার কখনো যেন হয়ে ওঠে তেজস্বী। তবে সূর্যের আলোকে আশীর্বাদই বলা চলে।
রোদ প্রয়োজন যে কারণে
যেসব বাড়িতে সূর্যের আলো বেশি প্রবেশ করে, সেই সব বাড়িতে ফাঙ্গাস বেড়ে উঠতে পারে না। পাশাপাশি পোকামাকড়ও বাসা বাঁধতে পারে না। অর্থাৎ বাইরের আলো যতটা অন্দরে প্রবেশ করানো যায়, ততই ভালো। পর্যাপ্ত আলো প্রবেশে ছোট ঘরও দেখতে অনেকটাই প্রশস্ত মনে হয়। সুস্বাস্থ্যের জন্যও ঘরে রোদ প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত।
ঘরে রোদ আসতে যা করবেন
দেয়ালের রং সাদা হলে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরে। তাই দেয়াল ও জানালার গ্রিলের রং যদি সাদা হয় তাহলে ঘর অনেক বেশি আলোকিত দেখাবে। সে ক্ষেত্রে সাদা মেঝেও রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
শহরের ঘরবাড়িতে সাধারণত জানালা দিয়েই সূর্যালোক ঘরে প্রবেশ করে। জানালা অনেক প্রশস্ত হলে বাড়িতে এমনিতেই অনেক বেশি প্রাকৃতিক আলো আসে। তবে সকালের রোদকে ঘরে ডেকে আনতে জানালা খুলে দিন ঘুম ভাঙার পরই।
জানালায় ভারী ও গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহারের কারণে প্রাকৃতিক আলো অন্দরে ভালোভাবে প্রবেশ করতে পারে না। এ ক্ষেত্রে নিচে জানালা ঘেঁষে লাগানোর জন্য নেট, জর্জেট বা পাতলা সুতির পর্দা লাগান। আর ওপরের পর্দাটি হতে পারে একটু ভারী। সে ক্ষেত্রে সকালে ওপরের ভারী পর্দা সরিয়ে নিচের পর্দা ছড়িয়ে দিলে আড়াল হবে, আলোও প্রবেশ করবে।
ঘরের যেদিকে জানালা তার উল্টোদিকে দেয়ালে বড় বা ছোট ছোট বিভিন্ন আকারের আয়না সেট করে দিলে আলো আয়নায় পড়বে ও বিচ্ছুরিত হবে। এর পাশাপাশি ঘরের আসবাব যদি সহজ নকশার ও হালকা রঙের হয়, তাহলে ঘর অনেক বেশি আলোকিত মনে হবে।
সূত্র: হাউস বিউটিফুল ও অন্যান্য

মায়ের পর একে একে পাঁচ ভাইবোনকে যেন চোখের সামনে হারিয়ে যেতে দেখেছেন বার্ব। তাঁরা কেউই মারা যাননি, কিন্তু বয়স চল্লিশের কোঠায় পৌঁছানোর পর আচরণে এমন পরিবর্তন আসতে শুরু করে যে, ধীরে ধীরে তাঁরা হয়ে ওঠেন নিজেদেরই অচেনা মানুষ।
১০ ঘণ্টা আগে
আজকাল ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের ফিড স্ক্রল করলেই ভেসে ওঠে আবেগঘন ভালোবাসার মুহূর্ত। কোনোটিতে দেখা যায়, নদীর তীরে বা কোনো ছাদের রঙিন আলোকসজ্জায় হাঁটু গেড়ে প্রিয় মানুষটির দিকে আংটি ও একগুচ্ছ তাজা গোলাপ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনোটিতে দেখা যায় একদম সারপ্রাইজ আয়োজনে চোখের জল আর হাসির আবহে আংটি বদল...
১২ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনের ব্যস্ততায় হঠাৎ মনে হতে পারে মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে, কিন্তু জীবনের দিনগুলো যেন স্মৃতিহীন একটি ঝাপসা ক্যানভাস। সকালে গাড়ি বা বাইক চালিয়ে কর্মস্থলে যাওয়া, দুপুরের খাবার খাওয়া বা রাতের আড্ডা। কোনো কিছুই যেন স্পষ্টভাবে মনে নেই। জীবন যখন কোনো বিশেষ অনুভূতি ছাড়া কেবল অভ্যাসের বশে চলতে
১৫ ঘণ্টা আগে
একুশ শতকের শুরুর দিকের ভারতীয় সিনেমার কাল্পনিক নারী চরিত্রগুলো কেবল সিনেমার গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন জীবন্ত ট্রেন্ড-সেটার বা স্টাইলের এমন সব উদাহরণ, যা একটি প্রজন্মের পছন্দ-অপছন্দ ও আত্ম-উপলব্ধি গড়ে দিয়েছিল। এককথায় নিজেরা কিছু বলার আগেই তাঁদের পোশাক বলে দিত চরিত্রটি কেমন। ২০২৬ সালে...
১৮ ঘণ্টা আগে