ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

দেখতে দেখতে ডিসেম্বর চলেই এল। আর কিছুদিন পর শীতও জেঁকে বসবে। এ সময় ত্বক রুক্ষ হয়ে উঠবে। এটি শীতের সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি। অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া, ত্বকে যথেষ্ট ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করা এবং গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষতার সমস্যায় বেশি ভোগে। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে ঘন ঘন ময়শ্চারাইজার ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি এ মৌসুমে পাওয়া যায়, নিয়মিত সেসব ফলও খেতে হবে। এ ঋতুতে পাওয়া যায় তেমন ফল নিয়মিত খেলে ত্বক এসব সমস্যা কাটিয়ে মসৃণ, কোমল ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
কমলালেবু
শীতে ফুটপাতের দোকান থেকে শুরু করে বাজার এবং ফলের সব ধরনের দোকানে যে ফলটির রাজত্ব, তার নাম কমলালেবু। শীতে শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল ত্বকের দাওয়াই বলা চলে একে। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। এ ভিটামিন ত্বকে কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে। ফলে ত্বক থাকে টান টান। শীতকালে প্রতিদিন একটি করে কমলালেবু খেলে দূষণ এবং অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকবে। কমলালেবু ও কমলালেবুর রস পান করলে ত্বক ও শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক থাকবে।

পেঁপে
ত্বক জেল্লাদার করতে পেঁপে খুব উপকারী। এটি স্লাইস করে কেটে খান বা জুস করে খান—সবটাতেই এই উপকার মিলবে। পেঁপেতে থাকা পাপাইন নামক এনজাইম ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে খুব ভালো কাজ করে। ফলে ত্বকে দীপ্তি ফুটে ওঠে এবং ত্বক অনেকটাই কোমল দেখায়। এতে ভিটামিন এ, সি এবং ই রয়েছে, যা শীতে ত্বক ফাটা ও রুক্ষতার সমস্যা দূর করতে খুব ভালো কাজ করে।
পেয়ারা
কমলালেবুর চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে পেয়ারায়। শীতকালে এই ফল নিয়মিত খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। ফলে মৌসুমি রোগবালাই থেকেও বাঁচা যায়। পাশাপাশি চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ থাকলে তা-ও দূর করতে সহায়ক পেয়ারা। আর আলাদা করে ত্বকের সুফলের কথা বলতে হলে এই ঋতুতে ত্বকের জেল্লা ফেরাতে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পেয়ারা। এতে থাকা লাইকোপেন যৌগ ত্বকের অকালবার্ধক্য রোধ করে এবং ত্বক সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
আনারস
ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর ব্রোমেলিন এনজাইমে পরিপূর্ণ এই ফল সংক্রমণ থেকে ত্বক বাঁচায়। ত্বক পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং উজ্জ্বল করে তুলতেও এর জুড়ি নেই। এ ছাড়া আনারসে থাকা ব্রোমেলিন ও আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড মৃত কোষ দূর করে ত্বক নরম ও মসৃণ করে তোলে।

বেদানা
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফল ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না। এটি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। নিয়মিত বেদানা খেলে রক্তসঞ্চালন ভালো থাকে। তাই ত্বক হয়ে ওঠে জেল্লাদার। এ ফলের হাইড্রেটিং ও প্রদাহনাশী গুণাবলি শীতের শুষ্কতা দূর করতে ভীষণ সাহায্য করে।
এসব ফল যেভাবে খাওয়া যায়
পুরো ফল চিবিয়ে বা ফলের রস খাওয়া ছাড়াও নানাভাবে প্রতিদিনের ডায়েটে এসব ফল যোগ করা যায়। যেমন সালাদে কমলার কোয়া যোগ করা যেতে পারে। এটি সালাদে মিষ্টি ও টক স্বাদ যোগ করবে। আবার কমলার খোসা দিয়ে জ্যাম বা মোরব্বা তৈরি করে সংরক্ষণ করে খাওয়া যেতে পারে। কমলার খোসার তরকারিও খাওয়া যায়। এ ছাড়া কমলা দিয়ে তৈরি করা যায় বিভিন্ন ডেজার্ট। বিকেলের নাশতায় পাকা পেঁপে খেতে পারেন। ছোট টুকরা করে কেটে গোলমরিচের গুঁড়া ও লেবু মিশিয়ে সালাদ হিসেবে খাওয়া যায় এটি। এর তরকারিও খাওয়া যায়। এটি অরুচি দূর করতে সাহায্য করবে। দুই বা তিন রকমের ফলের সঙ্গে আনারস বা আনারসের রস মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে সালাদের স্বাদ আরও বাড়বে। বেদানা নানাভাবে খাওয়া যেতে পারে। সকালে ওটমিল, টক দইয়ের সঙ্গে তো বটেই, নানা রকম ফ্রুট সালাদ ও কাস্টার্ডেও যোগ করতে পারেন টুকটুকে লাল এই ফল।
সূত্র: স্কিনক্র্যাফট ও অন্যান্য

দেখতে দেখতে ডিসেম্বর চলেই এল। আর কিছুদিন পর শীতও জেঁকে বসবে। এ সময় ত্বক রুক্ষ হয়ে উঠবে। এটি শীতের সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি। অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া, ত্বকে যথেষ্ট ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করা এবং গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষতার সমস্যায় বেশি ভোগে। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে ঘন ঘন ময়শ্চারাইজার ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি এ মৌসুমে পাওয়া যায়, নিয়মিত সেসব ফলও খেতে হবে। এ ঋতুতে পাওয়া যায় তেমন ফল নিয়মিত খেলে ত্বক এসব সমস্যা কাটিয়ে মসৃণ, কোমল ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
কমলালেবু
শীতে ফুটপাতের দোকান থেকে শুরু করে বাজার এবং ফলের সব ধরনের দোকানে যে ফলটির রাজত্ব, তার নাম কমলালেবু। শীতে শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল ত্বকের দাওয়াই বলা চলে একে। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। এ ভিটামিন ত্বকে কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে। ফলে ত্বক থাকে টান টান। শীতকালে প্রতিদিন একটি করে কমলালেবু খেলে দূষণ এবং অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকবে। কমলালেবু ও কমলালেবুর রস পান করলে ত্বক ও শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক থাকবে।

পেঁপে
ত্বক জেল্লাদার করতে পেঁপে খুব উপকারী। এটি স্লাইস করে কেটে খান বা জুস করে খান—সবটাতেই এই উপকার মিলবে। পেঁপেতে থাকা পাপাইন নামক এনজাইম ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে খুব ভালো কাজ করে। ফলে ত্বকে দীপ্তি ফুটে ওঠে এবং ত্বক অনেকটাই কোমল দেখায়। এতে ভিটামিন এ, সি এবং ই রয়েছে, যা শীতে ত্বক ফাটা ও রুক্ষতার সমস্যা দূর করতে খুব ভালো কাজ করে।
পেয়ারা
কমলালেবুর চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে পেয়ারায়। শীতকালে এই ফল নিয়মিত খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। ফলে মৌসুমি রোগবালাই থেকেও বাঁচা যায়। পাশাপাশি চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ থাকলে তা-ও দূর করতে সহায়ক পেয়ারা। আর আলাদা করে ত্বকের সুফলের কথা বলতে হলে এই ঋতুতে ত্বকের জেল্লা ফেরাতে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পেয়ারা। এতে থাকা লাইকোপেন যৌগ ত্বকের অকালবার্ধক্য রোধ করে এবং ত্বক সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
আনারস
ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর ব্রোমেলিন এনজাইমে পরিপূর্ণ এই ফল সংক্রমণ থেকে ত্বক বাঁচায়। ত্বক পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং উজ্জ্বল করে তুলতেও এর জুড়ি নেই। এ ছাড়া আনারসে থাকা ব্রোমেলিন ও আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড মৃত কোষ দূর করে ত্বক নরম ও মসৃণ করে তোলে।

বেদানা
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফল ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না। এটি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। নিয়মিত বেদানা খেলে রক্তসঞ্চালন ভালো থাকে। তাই ত্বক হয়ে ওঠে জেল্লাদার। এ ফলের হাইড্রেটিং ও প্রদাহনাশী গুণাবলি শীতের শুষ্কতা দূর করতে ভীষণ সাহায্য করে।
এসব ফল যেভাবে খাওয়া যায়
পুরো ফল চিবিয়ে বা ফলের রস খাওয়া ছাড়াও নানাভাবে প্রতিদিনের ডায়েটে এসব ফল যোগ করা যায়। যেমন সালাদে কমলার কোয়া যোগ করা যেতে পারে। এটি সালাদে মিষ্টি ও টক স্বাদ যোগ করবে। আবার কমলার খোসা দিয়ে জ্যাম বা মোরব্বা তৈরি করে সংরক্ষণ করে খাওয়া যেতে পারে। কমলার খোসার তরকারিও খাওয়া যায়। এ ছাড়া কমলা দিয়ে তৈরি করা যায় বিভিন্ন ডেজার্ট। বিকেলের নাশতায় পাকা পেঁপে খেতে পারেন। ছোট টুকরা করে কেটে গোলমরিচের গুঁড়া ও লেবু মিশিয়ে সালাদ হিসেবে খাওয়া যায় এটি। এর তরকারিও খাওয়া যায়। এটি অরুচি দূর করতে সাহায্য করবে। দুই বা তিন রকমের ফলের সঙ্গে আনারস বা আনারসের রস মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে সালাদের স্বাদ আরও বাড়বে। বেদানা নানাভাবে খাওয়া যেতে পারে। সকালে ওটমিল, টক দইয়ের সঙ্গে তো বটেই, নানা রকম ফ্রুট সালাদ ও কাস্টার্ডেও যোগ করতে পারেন টুকটুকে লাল এই ফল।
সূত্র: স্কিনক্র্যাফট ও অন্যান্য

কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে...
২ ঘণ্টা আগে
বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি...
৪ ঘণ্টা আগে
সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম।
৬ ঘণ্টা আগে
বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
৬ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক, ঢাকা

কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। কিন্তু এই নতুন পথচলায় তরুণেরা কতটা নিরাপদ? বিশেষজ্ঞদের মতামত, কিশোর-কিশোরীদের ডেটিং সহিংসতা বা ডেটিং ভায়োলেন্স নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।
ডেটিং সহিংসতা কী
এটি কেবল শারীরিক আঘাত নয়। এর মধ্যে রয়েছে যৌন, মানসিক এবং মৌখিক নির্যাতন। এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার করে কারও ওপর নজরদারি চালানো বা স্টকিং করাও এর অন্তর্ভুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির প্রায় ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী স্টকিংয়ের শিকার হয়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ। নির্যাতনের শিকার কিশোরীরা অন্যদের তুলনায় ৬ গুণ বেশি যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এ ছাড়া ট্রমার কারণে তারা বিষণ্নতা, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এবং মাদকাসক্তিতে জড়িয়ে পড়ে। এমনকি শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার তরুণ-তরুণীদের প্রায় ৫০ শতাংশ আত্মহত্যার চেষ্টা করে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি তিনজন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে একজন তাদের সঙ্গী বা রোমান্টিক পার্টনারের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হয়। কলেজপর্যায়ে এ চিত্র আরও উদ্বেগজনক, বিশেষ করে ৪৩ শতাংশ তরুণী সেখানে অবমাননাকর আচরণের শিকার হয়। লিঙ্গ, বর্ণ, সামাজিক অবস্থান বা যৌন অভিরুচি নির্বিশেষে এ সহিংসতা বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় সংকট।
আলোচনার শুরুটা হোক আজই
ডেটিং বা যৌনতার মতো বিষয় নিয়ে কথা বলতে আপনার অস্বস্তি হতে পারে। কিন্তু সন্তানের সুরক্ষায় এটি অত্যন্ত জরুরি। আজ যে অভ্যাস সে গড়ছে, তা সারাজীবন তার সঙ্গে থাকবে। তাই লজ্জা বা অস্বস্তির কারণে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা থেকে পিছিয়ে আসবেন না। আবার কৈশোরের এই সংবেদনশীল বিষয়ে মা-বাবার সঙ্গে কথা বলতে অনেক সন্তানই দ্বিধা বোধ করে। কিন্তু জরিপ বলছে, কিশোর-কিশোরীরা অন্য যে কারও চেয়ে তাদের মা-বাবার পরামর্শকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই সম্পর্ক শুরু করার আগেই তাদের সঙ্গে সম্মতি, সম্মান এবং সীমারেখা নিয়ে খোলামেলা কথা বলুন।
তাদের বিপজ্জনক সংকেত চিনিয়ে দিন। অনেক সময় অতিরিক্ত ঈর্ষা, ঘন ঘন ঝগড়া বা সম্পর্কের শুরুতে খুব বেশি আবেগের বহিঃপ্রকাশকে রোমান্টিক মনে হতে পারে। তাদের বোঝান, এগুলো সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ নয়।
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন করে তুলুন সন্তানদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকেশন শেয়ার করা, ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান বা ব্যক্তিগত ছবি আদান-প্রদানের ঝুঁকি নিয়ে কথা বলুন। ছবি শেয়ারের জন্য কাউকে চাপ দেওয়া বা ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া যে অপরাধ, এ বিষয়ে তাদের জানানো জরুরি।
সন্তানদের শেখান, সম্মতি মানে কেবল ‘না’ বলা নয়। বরং উৎসাহব্যঞ্জক ‘হ্যাঁ’ থাকা। না বলার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই।
আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা
কিশোর-কিশোরীরা তাদের চারপাশ ও মিডিয়া দেখে শেখে। ঘরে বা সিনেমায় যদি তারা সহিংস সম্পর্ক দেখে, তবে তারা একেই স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়। তাই মা-বাবারা নিজেরা ইতিবাচক সম্পর্কের উদাহরণ তৈরি করুন। কোনো সিনেমায় সহিংসতা দেখলে তা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। মনে রাখবেন, তারা আপনার কথা শুনছে এবং শিখছে। এ ধরনের সমস্যা নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে আপনার ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই গুরুত্ব দিন।
সাধারণত মা-বাবারা কেবল মেয়ের নিরাপত্তার কথা ভাবেন। কিন্তু ছেলে ও মেয়ে উভয়েই নির্যাতনের শিকার হতে পারে। আবার কেউ নির্যাতকও হয়ে উঠতে পারে। উভয়ের আচরণের পরিবর্তনের দিকে সমান নজর দিন। যদি দেখেন সন্তান নিজেই সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ছে, তবে এর ভয়াবহ আইনি ও অপরাধমূলক পরিণতির বিষয়ে তাকে সতর্ক করুন।
যদি সন্দেহ করেন আপনার সন্তান কোনো অস্বাস্থ্যকর সম্পর্কে আছে, তবে সবার সামনে নয় বরং তার সঙ্গে একান্ত ও নিরিবিলি সময়ে কথা বলুন। কৈশোরে তারা লোকলজ্জার ভয়ে অনেক কিছু লুকিয়ে রাখতে চায়। একটি আরামদায়ক পরিবেশ তাকে আপনার কাছে মুখ খুলতে সাহায্য করবে। আপনার অভিজ্ঞতা থেকে তাদের জানান যে, একটি সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখা অনেক শ্রম ও ধৈর্যের কাজ। তাদের নতুন সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ দেখান এবং সঙ্গীর বিষয়ে খোঁজ নিন। যখন আপনি সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি জানবেন, তখন যেকোনো নেতিবাচক পরিবর্তন আপনার চোখে দ্রুত ধরা পড়বে।
সতর্কসংকেত ও সতর্কতা
সন্তানের আচরণের দিকে নজর রাখুন। যদি দেখেন তাদের গ্রেড কমে যাচ্ছে, বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দিয়েছে, সব সময় মোবাইল ফোনে পড়ে থাকে বা সারাক্ষণ বিষণ্নতায় ভোগে—তবে এগুলো হতে পারে নির্যাতনের লক্ষণ। যদি আপনার সন্তান নির্যাতনের শিকার হয়, সে ক্ষেত্রে রাগান্বিত না হয়ে খেয়াল রাখুন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাদের আত্মসম্মান বাড়ানো। যদি তারা আপনার কাছে নির্যাতনের কথা স্বীকার করে, তবে সরাসরি পুলিশে অভিযোগ করার জন্য চাপ দেবেন না। এতে তাদের বিশ্বাস নষ্ট হতে পারে। বরং তাদের আশ্বস্ত করুন যে, আপনি সব সময় পাশে আছেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাদের হাতে দিন।
ডেটিং সহিংসতা নিয়ে আলোচনা এক দিনে শেষ করার বিষয় নয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া হওয়া উচিত, যা তাদের কৈশোরের শুরু থেকেই চলতে থাকবে। সন্তানদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন, যাতে তারা নিজেদের উপলব্ধিকে বিশ্বাস করে এবং নিজের নিরাপত্তাকে সবার আগে গুরুত্ব দেয়।
সূত্র: স্টার্স ইনসাইডার, টিন ডেটিং ভায়োলেন্স ডট ওআরজি

কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। কিন্তু এই নতুন পথচলায় তরুণেরা কতটা নিরাপদ? বিশেষজ্ঞদের মতামত, কিশোর-কিশোরীদের ডেটিং সহিংসতা বা ডেটিং ভায়োলেন্স নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।
ডেটিং সহিংসতা কী
এটি কেবল শারীরিক আঘাত নয়। এর মধ্যে রয়েছে যৌন, মানসিক এবং মৌখিক নির্যাতন। এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার করে কারও ওপর নজরদারি চালানো বা স্টকিং করাও এর অন্তর্ভুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির প্রায় ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী স্টকিংয়ের শিকার হয়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ। নির্যাতনের শিকার কিশোরীরা অন্যদের তুলনায় ৬ গুণ বেশি যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এ ছাড়া ট্রমার কারণে তারা বিষণ্নতা, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এবং মাদকাসক্তিতে জড়িয়ে পড়ে। এমনকি শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার তরুণ-তরুণীদের প্রায় ৫০ শতাংশ আত্মহত্যার চেষ্টা করে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি তিনজন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে একজন তাদের সঙ্গী বা রোমান্টিক পার্টনারের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হয়। কলেজপর্যায়ে এ চিত্র আরও উদ্বেগজনক, বিশেষ করে ৪৩ শতাংশ তরুণী সেখানে অবমাননাকর আচরণের শিকার হয়। লিঙ্গ, বর্ণ, সামাজিক অবস্থান বা যৌন অভিরুচি নির্বিশেষে এ সহিংসতা বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় সংকট।
আলোচনার শুরুটা হোক আজই
ডেটিং বা যৌনতার মতো বিষয় নিয়ে কথা বলতে আপনার অস্বস্তি হতে পারে। কিন্তু সন্তানের সুরক্ষায় এটি অত্যন্ত জরুরি। আজ যে অভ্যাস সে গড়ছে, তা সারাজীবন তার সঙ্গে থাকবে। তাই লজ্জা বা অস্বস্তির কারণে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা থেকে পিছিয়ে আসবেন না। আবার কৈশোরের এই সংবেদনশীল বিষয়ে মা-বাবার সঙ্গে কথা বলতে অনেক সন্তানই দ্বিধা বোধ করে। কিন্তু জরিপ বলছে, কিশোর-কিশোরীরা অন্য যে কারও চেয়ে তাদের মা-বাবার পরামর্শকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই সম্পর্ক শুরু করার আগেই তাদের সঙ্গে সম্মতি, সম্মান এবং সীমারেখা নিয়ে খোলামেলা কথা বলুন।
তাদের বিপজ্জনক সংকেত চিনিয়ে দিন। অনেক সময় অতিরিক্ত ঈর্ষা, ঘন ঘন ঝগড়া বা সম্পর্কের শুরুতে খুব বেশি আবেগের বহিঃপ্রকাশকে রোমান্টিক মনে হতে পারে। তাদের বোঝান, এগুলো সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ নয়।
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন করে তুলুন সন্তানদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকেশন শেয়ার করা, ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান বা ব্যক্তিগত ছবি আদান-প্রদানের ঝুঁকি নিয়ে কথা বলুন। ছবি শেয়ারের জন্য কাউকে চাপ দেওয়া বা ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া যে অপরাধ, এ বিষয়ে তাদের জানানো জরুরি।
সন্তানদের শেখান, সম্মতি মানে কেবল ‘না’ বলা নয়। বরং উৎসাহব্যঞ্জক ‘হ্যাঁ’ থাকা। না বলার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই।
আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা
কিশোর-কিশোরীরা তাদের চারপাশ ও মিডিয়া দেখে শেখে। ঘরে বা সিনেমায় যদি তারা সহিংস সম্পর্ক দেখে, তবে তারা একেই স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়। তাই মা-বাবারা নিজেরা ইতিবাচক সম্পর্কের উদাহরণ তৈরি করুন। কোনো সিনেমায় সহিংসতা দেখলে তা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। মনে রাখবেন, তারা আপনার কথা শুনছে এবং শিখছে। এ ধরনের সমস্যা নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে আপনার ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই গুরুত্ব দিন।
সাধারণত মা-বাবারা কেবল মেয়ের নিরাপত্তার কথা ভাবেন। কিন্তু ছেলে ও মেয়ে উভয়েই নির্যাতনের শিকার হতে পারে। আবার কেউ নির্যাতকও হয়ে উঠতে পারে। উভয়ের আচরণের পরিবর্তনের দিকে সমান নজর দিন। যদি দেখেন সন্তান নিজেই সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ছে, তবে এর ভয়াবহ আইনি ও অপরাধমূলক পরিণতির বিষয়ে তাকে সতর্ক করুন।
যদি সন্দেহ করেন আপনার সন্তান কোনো অস্বাস্থ্যকর সম্পর্কে আছে, তবে সবার সামনে নয় বরং তার সঙ্গে একান্ত ও নিরিবিলি সময়ে কথা বলুন। কৈশোরে তারা লোকলজ্জার ভয়ে অনেক কিছু লুকিয়ে রাখতে চায়। একটি আরামদায়ক পরিবেশ তাকে আপনার কাছে মুখ খুলতে সাহায্য করবে। আপনার অভিজ্ঞতা থেকে তাদের জানান যে, একটি সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখা অনেক শ্রম ও ধৈর্যের কাজ। তাদের নতুন সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ দেখান এবং সঙ্গীর বিষয়ে খোঁজ নিন। যখন আপনি সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি জানবেন, তখন যেকোনো নেতিবাচক পরিবর্তন আপনার চোখে দ্রুত ধরা পড়বে।
সতর্কসংকেত ও সতর্কতা
সন্তানের আচরণের দিকে নজর রাখুন। যদি দেখেন তাদের গ্রেড কমে যাচ্ছে, বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দিয়েছে, সব সময় মোবাইল ফোনে পড়ে থাকে বা সারাক্ষণ বিষণ্নতায় ভোগে—তবে এগুলো হতে পারে নির্যাতনের লক্ষণ। যদি আপনার সন্তান নির্যাতনের শিকার হয়, সে ক্ষেত্রে রাগান্বিত না হয়ে খেয়াল রাখুন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাদের আত্মসম্মান বাড়ানো। যদি তারা আপনার কাছে নির্যাতনের কথা স্বীকার করে, তবে সরাসরি পুলিশে অভিযোগ করার জন্য চাপ দেবেন না। এতে তাদের বিশ্বাস নষ্ট হতে পারে। বরং তাদের আশ্বস্ত করুন যে, আপনি সব সময় পাশে আছেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাদের হাতে দিন।
ডেটিং সহিংসতা নিয়ে আলোচনা এক দিনে শেষ করার বিষয় নয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া হওয়া উচিত, যা তাদের কৈশোরের শুরু থেকেই চলতে থাকবে। সন্তানদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন, যাতে তারা নিজেদের উপলব্ধিকে বিশ্বাস করে এবং নিজের নিরাপত্তাকে সবার আগে গুরুত্ব দেয়।
সূত্র: স্টার্স ইনসাইডার, টিন ডেটিং ভায়োলেন্স ডট ওআরজি

অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া, ত্বকে যথেষ্ট ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করা এবং গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষতার সমস্যায় বেশি ভোগে। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে ঘন ঘন ময়শ্চারাইজার ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি এ মৌসুমে পাওয়া যায়, নিয়মিত সেসব ফলও খেতে হবে।...
৩০ নভেম্বর ২০২৫
বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি...
৪ ঘণ্টা আগে
সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম।
৬ ঘণ্টা আগে
বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
৬ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক, ঢাকা

বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি। বিশেষ করে ইউরোপের জনগণ এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ থেকে বিমুখ হচ্ছেন দিন দিন।
অথচ একসময় যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ ছিল বহু মানুষের স্বপ্ন। নিউইয়র্কের আকাশচুম্বী ভবন, ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকত কিংবা রুট ৬৬-এর দীর্ঘ সড়ক। সবই ছিল ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণের কেন্দ্র। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই আকর্ষণ ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসছে।
২০২৬ সালটি যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটনের জন্য ঐতিহাসিক বছর হওয়ার কথা ছিল। আইকনিক রুট ৬৬-এর শতবর্ষ, দেশটির স্বাধীনতার ২৫০ বছরপূর্তি এবং ফুটবল বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। সব মিলিয়ে পর্যটনশিল্পে বড় অঙ্কের ব্যবসার প্রত্যাশা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের; কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করে। মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ, কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার হুমকি, সীমান্তে বিদেশি পর্যটকদের আটক, ব্যাপকভাবে অভিবাসী বিতাড়ন এবং পর্যটকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির পরিকল্পনা, সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকের কাছে একটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্যে’ পরিণত করেছে।

এর ফল এখন দেখা যাচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ২০২৫ সালেই আন্তর্জাতিক পর্যটক কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি প্রায় ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। পর্যটনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্কিফট’ জানায়, একসময় স্বপ্নের গন্তব্য হলেও, এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ অনেকের কাছে অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৬ শতাংশ পর্যটক ট্রাম্পের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহ হারিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে অন্য দেশেও প্রভাব
২০২৬ সালের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করে এবং ঘোষণা দেয়, ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব এখন তারা নেবে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করা, কিউবা, ইরান, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোকে হুমকি দেওয়া, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ডেনমার্কের নাগরিক হিদার স্টোরগার্ড ফেব্রুয়ারিতে গ্রিনল্যান্ডে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি তাঁকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো যাওয়ার কথা ভাবছি। তবে আরও সতর্ক হতে হবে আমাকে।’
ব্রাজিলভিত্তিক পর্যটন বিপণন বিশেষজ্ঞ জ্যাকি আরুদাও একই রকম দ্বিধায় আছেন। তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার ঘটনা থেকে বুঝতে পেরেছি, এই হুমকিগুলো খুব দ্রুত বাস্তব রূপ নিতে পারে।’
কিউবা ও লাতিন আমেরিকায় পর্যটনের ধাক্কা
কিউবার হাভানাভিত্তিক ট্যুর অপারেটর জেসুস নোগুয়েরা জানান, ট্রাম্পের বক্তব্যের পরপরই কিউবায় ভ্রমণ বাতিল ও স্থগিতের সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘এমন অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পর্যটন ব্যবসা চলা সম্ভব নয়।’
তবে লাতিন আমেরিকার কিছু দেশে এখনো বড় ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিটিশ ট্রাভেল এজেন্টসের মুখপাত্র শন টিপটন বলেন, ‘সরকারি ভ্রমণ সতর্কতা জারি হলে আমরা সেখানে কাউকে পাঠাতে পারি না। এটি দায়িত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্ন।’ যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস বর্তমানে ভেনেজুয়েলা ও ইরানে সব ধরনের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর কিছু এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। তবে গ্রিনল্যান্ডে এখনো পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নেই।
বিশ্ব পর্যটন মূলত দাঁড়িয়ে আছে আস্থা ও স্থিতিশীলতার ওপর। মানুষ যখন ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁরা দর্শনীয় স্থান বা খরচের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও ভাবেন। সে জায়গাতেই সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, কঠোর বক্তব্য ও কূটনৈতিক হুমকি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মনে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম কয়েক সপ্তাহ দেখিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব রাজনীতিতে পরিস্থিতি কত দ্রুত পাল্টে যেতে পারে। এক দেশের সিদ্ধান্ত বা বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে আরেক দেশের পর্যটন খাতেও। সে বাস্তবতার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে বিশ্বের পর্যটন অবস্থা।
সূত্র: বিবিসি

বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি। বিশেষ করে ইউরোপের জনগণ এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ থেকে বিমুখ হচ্ছেন দিন দিন।
অথচ একসময় যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ ছিল বহু মানুষের স্বপ্ন। নিউইয়র্কের আকাশচুম্বী ভবন, ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকত কিংবা রুট ৬৬-এর দীর্ঘ সড়ক। সবই ছিল ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণের কেন্দ্র। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই আকর্ষণ ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসছে।
২০২৬ সালটি যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটনের জন্য ঐতিহাসিক বছর হওয়ার কথা ছিল। আইকনিক রুট ৬৬-এর শতবর্ষ, দেশটির স্বাধীনতার ২৫০ বছরপূর্তি এবং ফুটবল বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। সব মিলিয়ে পর্যটনশিল্পে বড় অঙ্কের ব্যবসার প্রত্যাশা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের; কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করে। মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ, কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার হুমকি, সীমান্তে বিদেশি পর্যটকদের আটক, ব্যাপকভাবে অভিবাসী বিতাড়ন এবং পর্যটকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির পরিকল্পনা, সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকের কাছে একটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্যে’ পরিণত করেছে।

এর ফল এখন দেখা যাচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ২০২৫ সালেই আন্তর্জাতিক পর্যটক কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি প্রায় ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। পর্যটনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্কিফট’ জানায়, একসময় স্বপ্নের গন্তব্য হলেও, এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ অনেকের কাছে অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৬ শতাংশ পর্যটক ট্রাম্পের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহ হারিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে অন্য দেশেও প্রভাব
২০২৬ সালের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করে এবং ঘোষণা দেয়, ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব এখন তারা নেবে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করা, কিউবা, ইরান, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোকে হুমকি দেওয়া, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ডেনমার্কের নাগরিক হিদার স্টোরগার্ড ফেব্রুয়ারিতে গ্রিনল্যান্ডে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি তাঁকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো যাওয়ার কথা ভাবছি। তবে আরও সতর্ক হতে হবে আমাকে।’
ব্রাজিলভিত্তিক পর্যটন বিপণন বিশেষজ্ঞ জ্যাকি আরুদাও একই রকম দ্বিধায় আছেন। তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার ঘটনা থেকে বুঝতে পেরেছি, এই হুমকিগুলো খুব দ্রুত বাস্তব রূপ নিতে পারে।’
কিউবা ও লাতিন আমেরিকায় পর্যটনের ধাক্কা
কিউবার হাভানাভিত্তিক ট্যুর অপারেটর জেসুস নোগুয়েরা জানান, ট্রাম্পের বক্তব্যের পরপরই কিউবায় ভ্রমণ বাতিল ও স্থগিতের সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘এমন অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পর্যটন ব্যবসা চলা সম্ভব নয়।’
তবে লাতিন আমেরিকার কিছু দেশে এখনো বড় ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিটিশ ট্রাভেল এজেন্টসের মুখপাত্র শন টিপটন বলেন, ‘সরকারি ভ্রমণ সতর্কতা জারি হলে আমরা সেখানে কাউকে পাঠাতে পারি না। এটি দায়িত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্ন।’ যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস বর্তমানে ভেনেজুয়েলা ও ইরানে সব ধরনের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর কিছু এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। তবে গ্রিনল্যান্ডে এখনো পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নেই।
বিশ্ব পর্যটন মূলত দাঁড়িয়ে আছে আস্থা ও স্থিতিশীলতার ওপর। মানুষ যখন ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁরা দর্শনীয় স্থান বা খরচের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও ভাবেন। সে জায়গাতেই সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, কঠোর বক্তব্য ও কূটনৈতিক হুমকি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মনে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম কয়েক সপ্তাহ দেখিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব রাজনীতিতে পরিস্থিতি কত দ্রুত পাল্টে যেতে পারে। এক দেশের সিদ্ধান্ত বা বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে আরেক দেশের পর্যটন খাতেও। সে বাস্তবতার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে বিশ্বের পর্যটন অবস্থা।
সূত্র: বিবিসি

অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া, ত্বকে যথেষ্ট ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করা এবং গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষতার সমস্যায় বেশি ভোগে। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে ঘন ঘন ময়শ্চারাইজার ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি এ মৌসুমে পাওয়া যায়, নিয়মিত সেসব ফলও খেতে হবে।...
৩০ নভেম্বর ২০২৫
কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে...
২ ঘণ্টা আগে
সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম।
৬ ঘণ্টা আগে
বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
৬ ঘণ্টা আগেসানজিদা সামরিন, ঢাকা

সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম। লোকের কথা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই বয়সে যে দিব্যি বাঁচা যায়, তা তো আপনাকে দেখলেই বোঝা যায়, বলুন! ৪০তম বসন্তে কোনো রেজল্যুশন সেট কি করেননি? আজই করে ফেলুন।
শান্ত, তবে অটল
৪০টা বসন্তে কতশত ফুল ফুটেছে। ঝরেও গেছে। ফলের ঝুড়িতে অভিজ্ঞতা তো কম নেই। তাই ব্যক্তিত্বের ওজনের সঙ্গে বেড়েছে মনের ভারও। এই বয়স নির্ভার, তবে দায়িত্ব নেওয়ার। যেকোনো পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রেখে বুঝে এগোনোই ভালো। আর যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাও যেন থাকে অটুট।
একটা খসড়া করুন
চল্লিশেও যাঁরা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন বলে ভাবছেন, তাঁরা নিজের বিয়ের প্ল্যানিং নিজেই করুন, তা হোক ছোট পরিসরে বা বড় করে। আর যাঁরা একা রয়েছেন, তাঁরা এ বছর কোথায় ট্রিপে বের হবেন, তার একটা তালিকা করে ফেলুন। এ বছর আলমারিতে কেমন পোশাক রাখবেন, সেটাও তো ভেবে নেওয়া চাই। প্রয়োজনে একজন ফ্যাশন ডিজাইনারের পরামর্শ নিয়ে কেমন কাটিং ও প্যাটার্নের পোশাকে আপনাকে মানাবে, তা সেট করে নিন। হেয়ার ড্রেসারের কাছ থেকে জেনে নিন কেমন হেয়ারকাটে আপনাকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী দেখাবে।
খরচ ও বিনিয়োগ
নিজের ছোটখাটো শখ এবার অন্তত নিজে পূরণ করুন। বিনিয়োগ, সঞ্চয়, সংসার খরচ—সব করেও একটা অংশের টাকা হাতে রাখুন, যা আপনার নিজের শখ পূরণে সহায়ক হবে। তা হোক কোনো শো পিস বা পেইন্টিং কেনা কিংবা বেকিং অথবা কুকিং শেখা, যা আপনাকে প্রফুল্ল রাখে, তাতেই এবার মনোযোগ দিন। আর এই ব্যাপারটাকে জোরালো করতে হ্যাঁ আর না-এর দ্বিধা থেকে বেরিয়ে আসুন।
আপনি যদি জীবনের ৪০তম বসন্তে এসে হেরে যাওয়ার ভয় বা প্রত্যাখ্যানের ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন, তাহলে নিজেকে বলুন, যেটা পেতে পারি, সেটা হারাতেও পারি। কিছু হারানোর অভিজ্ঞতা আমাকে আরও শক্তিশালী করে ভবিষ্যৎ মোকাবিলা করার শক্তি জোগাবে। অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া চিকিৎসক, কাউন্সেলর ও সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার
ভালো বন্ধু দু-একজনই যথেষ্ট
এই বয়সে আসতে আসতে অধিকাংশ বন্ধুর সঙ্গেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ভেবে মুষড়ে পড়ার কারণ নেই। সবার সঙ্গে সম্পর্ক বা সুসম্পর্ক নেই ভেবে নিজেকে দোষারোপ করবেন না। খেয়াল করে দেখুন, হাজারো ঝড়ঝাপটার পরেও কেউ না কেউ আপনার পাশে রয়ে গেছেন। তাঁরা আপন। তাঁদের সঙ্গে গল্প করুন, শপিংয়ে যান, ভ্রমণ করুন।

নিজের ত্বক ধারণ করুন
খেয়াল করে দেখবেন, আগে যেমন গালে একটা ব্রণ উঠলেই বিচলিত হয়ে উঠতেন, অনুষ্ঠানে কাজল থেবড়ে গেলে বিব্রত হতেন; এখন আর তেমন অনুভূতি হচ্ছে না। একেবারে পরিণত হয়ে উঠেছেন। এতে চিন্তাও কমেছে, আরামও হয়েছে। ত্বকে মেকআপ বসানোর পরিবর্তে ত্বকের যত্নে মন দিন এবার। এটাই শেষ পর্যন্ত ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখবে। ফাইন লাইনস, ফ্রেকেলস—সবই মনে করুন পরম আত্মীয়। এ সময় ত্বকের যত্নে কৃত্রিম উপকরণ কম ব্যবহার করা ভালো।
নিয়মিত চেকআপে যাওয়া চাই
খাবারে লবণ, চিনি কম রাখুন। পাশাপাশি হালকা ব্যায়াম করুন। পারিবারিক ইতিহাসে বড় রোগ, মানে ডায়াবেটিস, কিডনি ডিজিজ, হার্টের অসুখ ইত্যাদি থাকলে সাবধান হোন। ওজন অনেক বেশি বাড়তে দেওয়া যাবে না। এতে হাঁটুর ব্যথায় ভুগতে হতে পারে। বছরে একবার অন্তত ফুল চেকআপ শুরু করুন বয়স ৪০ থেকেই।
নিজের পরিবার ও সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান, উপভোগ করুন
আপনি চল্লিশে পা রেখেছেন মানে আপনার মা-বাবার অনেক বয়স বেড়েছে। আপনি একদিকে তাঁদের সন্তান ও অভিভাবক দুটোই। ওদিকে নিজেও মা হয়েছেন। ফলে আগের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে আছেন। এই পুরো পরিবারকে সময় দিন।
অ্যাডভেঞ্চারে বাধা নেই
বাকেট লিস্টে স্কাই ডাইভিং বা বাঞ্জি জাম্পিং ছিল, কিন্তু করে উঠতে পারেননি, তাই তো? এবার নিজেই নিজের অভিভাবক হয়ে নিজেকে অনুমতি দিন। খানিকটা জমানো পয়সা খরচ করে ভ্রমণে যান। ব্যাগপ্যাক গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ুন ট্রেকিং, হাইকিং বা স্কাই ডাইভিংয়ের উদ্দেশে। তা না ইচ্ছে হলে বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে কফিমিট করুন। মাঝে মাঝে গার্লস ট্রিপে যান। ঝেড়ে সব ডিপ্রেশন ফেলে ঝরঝরে হয়ে আসুন।
নিজেকে ট্রিট দিন
এখন থেকে প্রতি মুহূর্তকে সেলিব্রেট করুন। নিজের চেষ্টার জন্য নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে দিন। নিজেকে এ জন্য ট্রিট দিন। তা হতে পারে একটা সলো ট্রাভেল, ডিনার, পারলারে প্যাকেজ সার্ভিস বা যেকোনো কিছু, যাতে নিজের মন খুশি হয়। পারিবারিক আড্ডায়, অফিস মিটিংয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী বলল, তা শুনতে বা দেখতে বয়েই গেছে আপনার!

সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম। লোকের কথা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই বয়সে যে দিব্যি বাঁচা যায়, তা তো আপনাকে দেখলেই বোঝা যায়, বলুন! ৪০তম বসন্তে কোনো রেজল্যুশন সেট কি করেননি? আজই করে ফেলুন।
শান্ত, তবে অটল
৪০টা বসন্তে কতশত ফুল ফুটেছে। ঝরেও গেছে। ফলের ঝুড়িতে অভিজ্ঞতা তো কম নেই। তাই ব্যক্তিত্বের ওজনের সঙ্গে বেড়েছে মনের ভারও। এই বয়স নির্ভার, তবে দায়িত্ব নেওয়ার। যেকোনো পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রেখে বুঝে এগোনোই ভালো। আর যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাও যেন থাকে অটুট।
একটা খসড়া করুন
চল্লিশেও যাঁরা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন বলে ভাবছেন, তাঁরা নিজের বিয়ের প্ল্যানিং নিজেই করুন, তা হোক ছোট পরিসরে বা বড় করে। আর যাঁরা একা রয়েছেন, তাঁরা এ বছর কোথায় ট্রিপে বের হবেন, তার একটা তালিকা করে ফেলুন। এ বছর আলমারিতে কেমন পোশাক রাখবেন, সেটাও তো ভেবে নেওয়া চাই। প্রয়োজনে একজন ফ্যাশন ডিজাইনারের পরামর্শ নিয়ে কেমন কাটিং ও প্যাটার্নের পোশাকে আপনাকে মানাবে, তা সেট করে নিন। হেয়ার ড্রেসারের কাছ থেকে জেনে নিন কেমন হেয়ারকাটে আপনাকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী দেখাবে।
খরচ ও বিনিয়োগ
নিজের ছোটখাটো শখ এবার অন্তত নিজে পূরণ করুন। বিনিয়োগ, সঞ্চয়, সংসার খরচ—সব করেও একটা অংশের টাকা হাতে রাখুন, যা আপনার নিজের শখ পূরণে সহায়ক হবে। তা হোক কোনো শো পিস বা পেইন্টিং কেনা কিংবা বেকিং অথবা কুকিং শেখা, যা আপনাকে প্রফুল্ল রাখে, তাতেই এবার মনোযোগ দিন। আর এই ব্যাপারটাকে জোরালো করতে হ্যাঁ আর না-এর দ্বিধা থেকে বেরিয়ে আসুন।
আপনি যদি জীবনের ৪০তম বসন্তে এসে হেরে যাওয়ার ভয় বা প্রত্যাখ্যানের ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন, তাহলে নিজেকে বলুন, যেটা পেতে পারি, সেটা হারাতেও পারি। কিছু হারানোর অভিজ্ঞতা আমাকে আরও শক্তিশালী করে ভবিষ্যৎ মোকাবিলা করার শক্তি জোগাবে। অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া চিকিৎসক, কাউন্সেলর ও সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার
ভালো বন্ধু দু-একজনই যথেষ্ট
এই বয়সে আসতে আসতে অধিকাংশ বন্ধুর সঙ্গেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ভেবে মুষড়ে পড়ার কারণ নেই। সবার সঙ্গে সম্পর্ক বা সুসম্পর্ক নেই ভেবে নিজেকে দোষারোপ করবেন না। খেয়াল করে দেখুন, হাজারো ঝড়ঝাপটার পরেও কেউ না কেউ আপনার পাশে রয়ে গেছেন। তাঁরা আপন। তাঁদের সঙ্গে গল্প করুন, শপিংয়ে যান, ভ্রমণ করুন।

নিজের ত্বক ধারণ করুন
খেয়াল করে দেখবেন, আগে যেমন গালে একটা ব্রণ উঠলেই বিচলিত হয়ে উঠতেন, অনুষ্ঠানে কাজল থেবড়ে গেলে বিব্রত হতেন; এখন আর তেমন অনুভূতি হচ্ছে না। একেবারে পরিণত হয়ে উঠেছেন। এতে চিন্তাও কমেছে, আরামও হয়েছে। ত্বকে মেকআপ বসানোর পরিবর্তে ত্বকের যত্নে মন দিন এবার। এটাই শেষ পর্যন্ত ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখবে। ফাইন লাইনস, ফ্রেকেলস—সবই মনে করুন পরম আত্মীয়। এ সময় ত্বকের যত্নে কৃত্রিম উপকরণ কম ব্যবহার করা ভালো।
নিয়মিত চেকআপে যাওয়া চাই
খাবারে লবণ, চিনি কম রাখুন। পাশাপাশি হালকা ব্যায়াম করুন। পারিবারিক ইতিহাসে বড় রোগ, মানে ডায়াবেটিস, কিডনি ডিজিজ, হার্টের অসুখ ইত্যাদি থাকলে সাবধান হোন। ওজন অনেক বেশি বাড়তে দেওয়া যাবে না। এতে হাঁটুর ব্যথায় ভুগতে হতে পারে। বছরে একবার অন্তত ফুল চেকআপ শুরু করুন বয়স ৪০ থেকেই।
নিজের পরিবার ও সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান, উপভোগ করুন
আপনি চল্লিশে পা রেখেছেন মানে আপনার মা-বাবার অনেক বয়স বেড়েছে। আপনি একদিকে তাঁদের সন্তান ও অভিভাবক দুটোই। ওদিকে নিজেও মা হয়েছেন। ফলে আগের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে আছেন। এই পুরো পরিবারকে সময় দিন।
অ্যাডভেঞ্চারে বাধা নেই
বাকেট লিস্টে স্কাই ডাইভিং বা বাঞ্জি জাম্পিং ছিল, কিন্তু করে উঠতে পারেননি, তাই তো? এবার নিজেই নিজের অভিভাবক হয়ে নিজেকে অনুমতি দিন। খানিকটা জমানো পয়সা খরচ করে ভ্রমণে যান। ব্যাগপ্যাক গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ুন ট্রেকিং, হাইকিং বা স্কাই ডাইভিংয়ের উদ্দেশে। তা না ইচ্ছে হলে বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে কফিমিট করুন। মাঝে মাঝে গার্লস ট্রিপে যান। ঝেড়ে সব ডিপ্রেশন ফেলে ঝরঝরে হয়ে আসুন।
নিজেকে ট্রিট দিন
এখন থেকে প্রতি মুহূর্তকে সেলিব্রেট করুন। নিজের চেষ্টার জন্য নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে দিন। নিজেকে এ জন্য ট্রিট দিন। তা হতে পারে একটা সলো ট্রাভেল, ডিনার, পারলারে প্যাকেজ সার্ভিস বা যেকোনো কিছু, যাতে নিজের মন খুশি হয়। পারিবারিক আড্ডায়, অফিস মিটিংয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী বলল, তা শুনতে বা দেখতে বয়েই গেছে আপনার!

অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া, ত্বকে যথেষ্ট ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করা এবং গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষতার সমস্যায় বেশি ভোগে। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে ঘন ঘন ময়শ্চারাইজার ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি এ মৌসুমে পাওয়া যায়, নিয়মিত সেসব ফলও খেতে হবে।...
৩০ নভেম্বর ২০২৫
কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে...
২ ঘণ্টা আগে
বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি...
৪ ঘণ্টা আগে
বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
৬ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক, ঢাকা

বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
শাকালুর মাখা সালাদ
উপকরণ
শাকালু ৩টি, কুচি করা কাঁচা মরিচ ৫টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, বিট লবণ স্বাদমতো, টালা মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ।
প্রণালি
শাকালু ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কেটে নিন। পরে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি সামান্য থেঁতো করে নিন। তারপর সারভিং প্লেটে শাকালু রেখে, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি, লবণ, বিট লবণ, টালা মরিচ গুঁড়া এবং লেবুর রস একসঙ্গে মেখে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে শাকালুর মাখা সালাদ।
আনারস দিয়ে শাকালুর সালাদ

উপকরণ
শাকালু ৩টি, আনারস ১টি, কুচি করা কাঁচা মরিচ ৫টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, বিট লবণ স্বাদমতো, টালা মরিচের গুঁডো ১ চা-চামচ এবং কাসুন্দি ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ।
প্রণালি
শাকালু আর আনারস ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার দুটিই কিউব করে কেটে রাখুন। এরপর কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি সামান্য থেঁতো করে নিন। তারপর সার্ভিং প্লেটে শাকালু রেখে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি, লবণ, বিট লবণ, টালা মরিচ গুঁড়া, লেবুর রস আর কাসুন্দি একসঙ্গে মেখে নিলে তৈরি হয়ে যাবে আনারস ও শাকালুর সালাদ।

বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
শাকালুর মাখা সালাদ
উপকরণ
শাকালু ৩টি, কুচি করা কাঁচা মরিচ ৫টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, বিট লবণ স্বাদমতো, টালা মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ।
প্রণালি
শাকালু ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কেটে নিন। পরে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি সামান্য থেঁতো করে নিন। তারপর সারভিং প্লেটে শাকালু রেখে, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি, লবণ, বিট লবণ, টালা মরিচ গুঁড়া এবং লেবুর রস একসঙ্গে মেখে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে শাকালুর মাখা সালাদ।
আনারস দিয়ে শাকালুর সালাদ

উপকরণ
শাকালু ৩টি, আনারস ১টি, কুচি করা কাঁচা মরিচ ৫টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, বিট লবণ স্বাদমতো, টালা মরিচের গুঁডো ১ চা-চামচ এবং কাসুন্দি ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ।
প্রণালি
শাকালু আর আনারস ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার দুটিই কিউব করে কেটে রাখুন। এরপর কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি সামান্য থেঁতো করে নিন। তারপর সার্ভিং প্লেটে শাকালু রেখে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কুচি, লবণ, বিট লবণ, টালা মরিচ গুঁড়া, লেবুর রস আর কাসুন্দি একসঙ্গে মেখে নিলে তৈরি হয়ে যাবে আনারস ও শাকালুর সালাদ।

অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়া, ত্বকে যথেষ্ট ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করা এবং গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষতার সমস্যায় বেশি ভোগে। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে ঘন ঘন ময়শ্চারাইজার ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি এ মৌসুমে পাওয়া যায়, নিয়মিত সেসব ফলও খেতে হবে।...
৩০ নভেম্বর ২০২৫
কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে...
২ ঘণ্টা আগে
বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি...
৪ ঘণ্টা আগে
সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম।
৬ ঘণ্টা আগে