মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

ছাদকৃষি আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখন আর শুধু সবজি নয়, ছাদে ফলানো হচ্ছে নানান ধরনের ফল। বাজারে উন্নত জাতের কলম চারা পাওয়া যায়, যেগুলো অল্প সময়ে বড় হয়ে প্রচুর ফল দেয়। গাছপালা পরিচর্যায় খুব বেশি কষ্টসাধ্য যত্নের প্রয়োজন হয় না। সময়মতো প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করলেই যথেষ্ট। তবে প্রতিটি গাছের আলাদা চাহিদা এবং রোগবালাই সম্পর্কে জানা জরুরি।
প্রাথমিক কাজ
প্রথমে ঠিক করুন, ছাদে কোন ফলের গাছ রোপণ করতে চান। এরপর নার্সারি থেকে সেই ফলের উন্নত জাতের চারা সংগ্রহ করতে হবে। চারা সংগ্রহের সময় এর গঠন দেখে কিনতে হবে। দাম একটু বেশি হলেও ভালো মানের গ্রাফটিং করা চারা কেনা ভালো। বড় নার্সারি ছাড়া সরকারি হর্টিকালচার সেন্টারগুলোতেও চারা পাওয়া যায়।
অপেক্ষা করুন
চারা কিনে আনার সঙ্গে সঙ্গে রোপণ করা যাবে না। প্রথমে চারাগুলো ছায়াযুক্ত জায়গায় সাত দিন রেখে দিতে হবে। এ সময় কয়েকবার ছত্রাকনাশক স্প্রে করা জরুরি। সাধারণত ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম ছত্রাকনাশক মিশিয়ে স্প্রে করা ভালো। এভাবে চারা রোপণ রার পর হঠাৎ পরিবেশ পরিবর্তন হলেও চারায় কোনো সমস্যা হবে না।
মাটি তৈরি
মাটি ভালোভাবে তৈরি হলে গাছও ভালো হবে। প্রকৃতিতে গাছ মাটি থেকে অনেক উপাদান নিতে পারে। ছাদকৃষিতে সেই সুযোগ নেই। টবের মাটিতে থাকবে ৪০ শতাংশ বেলে দোআঁশ মাটি, ৩০ শতাংশ কেঁচো কিংবা গোবর সার, ১৫ শতাংশ কোকো পিট আর বাকি ১৫ শতাংশ হাড়ের গুঁড়া, শিংয়ের কুচি, নিমের গুঁড়া, ডলো চুন, অল্প পরিমাণ বোরন ও ছত্রাকনাশক। এই মাটিতে কার্বোফুরান ব্যবহার করা যাবে না। মাটিতে সবকিছু মিশিয়ে কমপক্ষে ১৫ দিন রেখে দিতে হবে।
গাছ লাগানোর পাত্র
কোন গাছ লাগাবেন, কত বড় গাছ লাগাবেন, তার ওপর নির্ভর করবে পাত্রের আকার। ফলের গাছের জন্য হাফ ড্রাম ভালো। অনেক দিন টেকে এবং রং করে দিলে সুন্দর দেখায়। ড্রামের নিচে কয়েকটি ফুটো করে দিন। ওই ফুটোর ওপরে পাটের বস্তা কেটে কিংবা ইটের খোয়া দিতে পারেন। ইট দিয়ে উঁচু করে তার ওপর পাত্রটি বসাবেন। পাত্রের মুখ ১০ ইঞ্চি খালি রাখুন, যেটা পরে সার ও মাটি দেওয়ার কারণে ভরে উঠবে। গাছ লাগানোর পর গোড়ার মাটি একটুখানি উঁচু করে দিন, যাতে পানি নেমে যেতে পারে।
শুরুটা অল্প দিয়েই হোক
ফলের গাছ বিষয়ে অভিজ্ঞতা না থাকলে শুধু নার্সারির লোকজনের কথা বিশ্বাস করে গাছ কিনবেন না। তাই শুরুতে অনেক গাছ না কিনে মাত্র দুটি ফলের গাছ দিয়ে শুরু করুন। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হলে গাছের সংখ্যা বাড়াতে পারেন। ভালো হয় যদি ছাদকৃষিতে অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিতে পারেন। সমৃদ্ধ ছাদ দেখতে পারলে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন সহজ হয়।
সময় নিতে হবে
ছাদকৃষিতে ফলের গাছের বয়স দুই বছর হওয়ার আগে ফুল এলেও তা ফেলে দিতে হবে। এতে গাছ শক্তিশালী এবং সুস্থ হয়ে বেড়ে ওঠে। এ সময় ডালপালা ছেঁটে গাছ ঝোপালো করতে হবে। দুই বছর পর থেকে গাছে ফল ধরতে দিন। তখন গাছ হবে সবল আর ফলনও হবে প্রচুর।
গাছের খাবার
ফলের গাছে বছরে দুই থেকে তিনবার সার দেওয়া উচিত।
সারের ধরন
গাছের বয়স ও আকার অনুযায়ী কেঁচো সার অথবা ভালো মানের জৈব সার, ইউরিয়া, পটাশ, টিএসপি, এমওপি সারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। অল্প বয়সী চারায় কম পরিমাণে, আর বড় গাছে তুলনামূলক বেশি সার ব্যবহার করতে হবে।
ভেষজ
বর্ষাকাল বাদে ছাদে একটা মাটির হাঁড়িতে সরিষার খইল ভেজানোর ব্যবস্থা রাখুন। মাসে অন্তত একবার সরিষার খইল ভেজানো পানি দিন গাছের গোড়ায়। এর সঙ্গে একটু বাদাম মিহি গুঁড়া করে দিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। সবজির খোসা পচিয়ে সেই পানিতে আরও কিছু পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিতে পারেন। ক্যালসিয়ামের জন্য আস্ত ডিমের খোসাও দেবেন না। সে জন্য ডলো চুন দেওয়া যেতে পারে।
গাছের দৈনিক পর্যবেক্ষণ
প্রতিদিন প্রতিটি গাছ ভালোভাবে লক্ষ করুন। পাতার রং পরিবর্তন, ডগা শুকিয়ে যাওয়া, পোকামাকড়ের আক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যা চোখে পড়লে দেরি করবেন না। অভিজ্ঞদের দেখান অথবা ছবি তুলে ফেসবুকের ছাদকৃষিবিষয়ক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দিন। সেখানে অভিজ্ঞরা বিনা মূল্যে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন।
মিলিবাগ
ছাদকৃষির বড় শত্রু মিলিবাগ। এগুলো দমনে ইমিটাফ কীটনাশক স্প্রে করুন। হলুদগুঁড়া পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। নিম কীটনাশক দিয়ে সব গাছ ভিজিয়ে দিতে পারেন সপ্তাহে একবার।
ছাদকৃষি যেন বিষমুক্ত হয়
ছাদকৃষি বিষমুক্ত রাখতে প্রাকৃতিক ও নিরাপদ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
ছাদকৃষিতে গাছের স্বাস্থ্য এবং ফলন বাড়ানোর জন্য ভালো মানের অনুখাদ্য বাসায় রাখুন। এ ছাড়া মাঝে মাঝে সেগুলো পানিতে গুলে গাছে স্প্রে করতে হবে। ছত্রাকের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ছত্রাকনাশক ব্যবহার করুন। গাছের ফল ও ফুলের ফলন বাড়ানোর জন্য একটি পিজিআর ব্যবহার করতে পারেন।

ছাদকৃষি আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখন আর শুধু সবজি নয়, ছাদে ফলানো হচ্ছে নানান ধরনের ফল। বাজারে উন্নত জাতের কলম চারা পাওয়া যায়, যেগুলো অল্প সময়ে বড় হয়ে প্রচুর ফল দেয়। গাছপালা পরিচর্যায় খুব বেশি কষ্টসাধ্য যত্নের প্রয়োজন হয় না। সময়মতো প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করলেই যথেষ্ট। তবে প্রতিটি গাছের আলাদা চাহিদা এবং রোগবালাই সম্পর্কে জানা জরুরি।
প্রাথমিক কাজ
প্রথমে ঠিক করুন, ছাদে কোন ফলের গাছ রোপণ করতে চান। এরপর নার্সারি থেকে সেই ফলের উন্নত জাতের চারা সংগ্রহ করতে হবে। চারা সংগ্রহের সময় এর গঠন দেখে কিনতে হবে। দাম একটু বেশি হলেও ভালো মানের গ্রাফটিং করা চারা কেনা ভালো। বড় নার্সারি ছাড়া সরকারি হর্টিকালচার সেন্টারগুলোতেও চারা পাওয়া যায়।
অপেক্ষা করুন
চারা কিনে আনার সঙ্গে সঙ্গে রোপণ করা যাবে না। প্রথমে চারাগুলো ছায়াযুক্ত জায়গায় সাত দিন রেখে দিতে হবে। এ সময় কয়েকবার ছত্রাকনাশক স্প্রে করা জরুরি। সাধারণত ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম ছত্রাকনাশক মিশিয়ে স্প্রে করা ভালো। এভাবে চারা রোপণ রার পর হঠাৎ পরিবেশ পরিবর্তন হলেও চারায় কোনো সমস্যা হবে না।
মাটি তৈরি
মাটি ভালোভাবে তৈরি হলে গাছও ভালো হবে। প্রকৃতিতে গাছ মাটি থেকে অনেক উপাদান নিতে পারে। ছাদকৃষিতে সেই সুযোগ নেই। টবের মাটিতে থাকবে ৪০ শতাংশ বেলে দোআঁশ মাটি, ৩০ শতাংশ কেঁচো কিংবা গোবর সার, ১৫ শতাংশ কোকো পিট আর বাকি ১৫ শতাংশ হাড়ের গুঁড়া, শিংয়ের কুচি, নিমের গুঁড়া, ডলো চুন, অল্প পরিমাণ বোরন ও ছত্রাকনাশক। এই মাটিতে কার্বোফুরান ব্যবহার করা যাবে না। মাটিতে সবকিছু মিশিয়ে কমপক্ষে ১৫ দিন রেখে দিতে হবে।
গাছ লাগানোর পাত্র
কোন গাছ লাগাবেন, কত বড় গাছ লাগাবেন, তার ওপর নির্ভর করবে পাত্রের আকার। ফলের গাছের জন্য হাফ ড্রাম ভালো। অনেক দিন টেকে এবং রং করে দিলে সুন্দর দেখায়। ড্রামের নিচে কয়েকটি ফুটো করে দিন। ওই ফুটোর ওপরে পাটের বস্তা কেটে কিংবা ইটের খোয়া দিতে পারেন। ইট দিয়ে উঁচু করে তার ওপর পাত্রটি বসাবেন। পাত্রের মুখ ১০ ইঞ্চি খালি রাখুন, যেটা পরে সার ও মাটি দেওয়ার কারণে ভরে উঠবে। গাছ লাগানোর পর গোড়ার মাটি একটুখানি উঁচু করে দিন, যাতে পানি নেমে যেতে পারে।
শুরুটা অল্প দিয়েই হোক
ফলের গাছ বিষয়ে অভিজ্ঞতা না থাকলে শুধু নার্সারির লোকজনের কথা বিশ্বাস করে গাছ কিনবেন না। তাই শুরুতে অনেক গাছ না কিনে মাত্র দুটি ফলের গাছ দিয়ে শুরু করুন। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হলে গাছের সংখ্যা বাড়াতে পারেন। ভালো হয় যদি ছাদকৃষিতে অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিতে পারেন। সমৃদ্ধ ছাদ দেখতে পারলে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন সহজ হয়।
সময় নিতে হবে
ছাদকৃষিতে ফলের গাছের বয়স দুই বছর হওয়ার আগে ফুল এলেও তা ফেলে দিতে হবে। এতে গাছ শক্তিশালী এবং সুস্থ হয়ে বেড়ে ওঠে। এ সময় ডালপালা ছেঁটে গাছ ঝোপালো করতে হবে। দুই বছর পর থেকে গাছে ফল ধরতে দিন। তখন গাছ হবে সবল আর ফলনও হবে প্রচুর।
গাছের খাবার
ফলের গাছে বছরে দুই থেকে তিনবার সার দেওয়া উচিত।
সারের ধরন
গাছের বয়স ও আকার অনুযায়ী কেঁচো সার অথবা ভালো মানের জৈব সার, ইউরিয়া, পটাশ, টিএসপি, এমওপি সারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। অল্প বয়সী চারায় কম পরিমাণে, আর বড় গাছে তুলনামূলক বেশি সার ব্যবহার করতে হবে।
ভেষজ
বর্ষাকাল বাদে ছাদে একটা মাটির হাঁড়িতে সরিষার খইল ভেজানোর ব্যবস্থা রাখুন। মাসে অন্তত একবার সরিষার খইল ভেজানো পানি দিন গাছের গোড়ায়। এর সঙ্গে একটু বাদাম মিহি গুঁড়া করে দিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। সবজির খোসা পচিয়ে সেই পানিতে আরও কিছু পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিতে পারেন। ক্যালসিয়ামের জন্য আস্ত ডিমের খোসাও দেবেন না। সে জন্য ডলো চুন দেওয়া যেতে পারে।
গাছের দৈনিক পর্যবেক্ষণ
প্রতিদিন প্রতিটি গাছ ভালোভাবে লক্ষ করুন। পাতার রং পরিবর্তন, ডগা শুকিয়ে যাওয়া, পোকামাকড়ের আক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যা চোখে পড়লে দেরি করবেন না। অভিজ্ঞদের দেখান অথবা ছবি তুলে ফেসবুকের ছাদকৃষিবিষয়ক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দিন। সেখানে অভিজ্ঞরা বিনা মূল্যে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন।
মিলিবাগ
ছাদকৃষির বড় শত্রু মিলিবাগ। এগুলো দমনে ইমিটাফ কীটনাশক স্প্রে করুন। হলুদগুঁড়া পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। নিম কীটনাশক দিয়ে সব গাছ ভিজিয়ে দিতে পারেন সপ্তাহে একবার।
ছাদকৃষি যেন বিষমুক্ত হয়
ছাদকৃষি বিষমুক্ত রাখতে প্রাকৃতিক ও নিরাপদ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
ছাদকৃষিতে গাছের স্বাস্থ্য এবং ফলন বাড়ানোর জন্য ভালো মানের অনুখাদ্য বাসায় রাখুন। এ ছাড়া মাঝে মাঝে সেগুলো পানিতে গুলে গাছে স্প্রে করতে হবে। ছত্রাকের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ছত্রাকনাশক ব্যবহার করুন। গাছের ফল ও ফুলের ফলন বাড়ানোর জন্য একটি পিজিআর ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি কি প্রায়ই অন্য়ের সঙ্গে নিজের তুলনা করেন? বন্ধু, সহকর্মী বা অন্য কারও সঙ্গে হরহামেশা নিজের হাল মেলান? তাহলে দিনটি আপনার জন্যই। আজ আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা দিবস। তুলনা বা প্রতিযোগিতা করার পরিবর্তে, নিজের প্রতি ভালোবাসা দেখানো এবং নিজের বিশেষ গুণাবলিকে গ্রহণ করার মাধ্য়মে সুন্দর জীবন গড়ে তোলার...
৭ ঘণ্টা আগে
ঠিকভাবে ঘরের লাইটিং করা শুধু বিদ্যুতের বিল কমানোর জন্য নয়; বরং এটি ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অনেক সময় ছোট ছোট ভুলে ঘরের আলোর কারণে চোখে চাপ পড়ে, ছায়া তৈরি হয় বা পুরো রুমই অন্ধকার মনে হয়। এসব দূরে রাখতে যে ১০টি কাজ করবেন, সেগুলো হলো...
৯ ঘণ্টা আগে
বৈবাহিক সম্পর্ক সাধারণত হঠাৎ খারাপ হয়ে যায় না। দায়িত্ব, যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত ছোট ছোট অমিল ধীরে ধীরে জমে বড় ফাটল তৈরি করে। এমনটাই মনে করেন চীনের ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের মনোবিজ্ঞানী লুয়ো মিংজিন। তিনি ‘লাইফ নেভার এন্ডস’ বইয়ে লিখেছেন, ‘অনেক আধুনিক দম্পতি একই ছাদের নিচে থেকেও গভীর একাকিত্বে...
১১ ঘণ্টা আগে
সম্পর্কের টানাপোড়েন মানুষের জীবনের এক অমীমাংসিত জটিলতা। কখনো ভালোবাসা থাকে, কিন্তু বোঝাপড়া হয় না। কখনো আবার অভাব থাকে শুধু স্বচ্ছতার। অনেক সময় আমরা একটি সম্পর্কে বারবার ফিরে আসি, আবার দূরে সরে যাই। একে মনস্তাত্ত্বিক ভাষায় বলা হয়, ‘সাইক্লিং রিলেশনশিপ’ বা ‘অন-অ্যান্ড-অফ’ সম্পর্ক। অনেকে একে সরাসরি...
১৩ ঘণ্টা আগে