
প্রত্যেকের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট আলাদা। পছন্দের পোশাক, নিজস্ব আরাম ও ট্রেন্ড মিলিয়ে এই স্টেটমেন্ট দাঁড়ায়। অনেকে বলিউড তারকাদের অনুসরণ করে পোশাক পরেন। একঝলকে দেখে নিতে পারেন বলিউডের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন তারকার ফ্যাশন স্টেটমেন্ট।
উৎসব ও অনুষ্ঠানে পোশাক পরুন ঐশ্বরিয়ার মতো

লালগালিচা হোক, আম্বানি পরিবারের বিয়ে বা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান—ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পোশাকে থাকে আলাদা ঝলক। চাকচিক্যময় অথচ পুরো অবয়বে কোনো ঔদ্ধত্য নেই। এ ধরনের পোশাক কীভাবে ক্যারি করতে হয়, সেটাও শেখা যায় সাবেক এই বিশ্বসুন্দরীর কাছ থেকে।
স্টেটমেন্ট গয়না ও সাধারণ পোশাকে আলিয়ার মতো অনন্য থাকুন

আলিয়া ভাটের এয়ারপোর্ট লুক বা সাধারণ দিনগুলোয় তাঁকে বেশির ভাগ সময় দেখা যায় সাধারণ পোশাকে। ব্যাগি ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে সাদা ওভারসাইজড শার্ট বা টি-শার্ট, ট্রাউজারের সঙ্গে স্নিকার আর টোটব্যাগ-সানগ্লাসেই অনন্য তিনি। তবে খেয়াল করলে দেখবেন, তাঁর ঝোলানো দুল, গলার নেকলেস কিংবা চকচকে ব্যাগটিই বলছে বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডের কথা। আর এই অনুষঙ্গগুলোর কারণেই তিনি নো-মেকআপ লুকে অনন্য হয়ে ওঠেন।
টাইমলেস ক্ল্যাসিক্যাল লুক ধরে রাখুন রেখার মতো

বলিউড তারকাদের মধ্য়ে টাইমলেস বিউটি বললে রেখার নামই উঠে আসে সবার আগে। প্রায় সব অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যায় তাঁর প্রিয় পোশাক—শাড়িতে। বেশির ভাগ সময় কাঞ্জিভরম শাড়ি, টিপ, লাল লিপস্টিকেই হাজির হন এ লাস্যময়ী তারকা। হালের ট্রেন্ডের সঙ্গে দৌড়ে কুলোতে না পারলে রেখাকেই না হয় অনুসরণ করুন। জিতে যাবেন নিশ্চিত!
রণবীর সিংয়ের মতো নিরীক্ষা চলতে পারে ক্যাজুয়াল পোশাকেই

রণবীর সিং তাঁর ক্যাজুয়াল পোশাকে নানা ধরনের নিরীক্ষা করেন। কখনো নানান রঙের মিলমিশ আর জ্যামিতিক প্যাটার্নের নকশাওয়ালা পোশাক পরেন, কখনোবা অনুষঙ্গে আনেন ভিন্নতা। তবে এর জন্য চাই যথেষ্ট সাহস। নয়তো পুরো লুকটাই মাটি হয়ে যাবে।
পরতে পারেন প্রিয়াঙ্কার মতো উজ্জ্বল ও সাহসী রঙের পোশাক

রোজকার পরিধেয় পোশাকে বা গেট টুগেদারে বেছে নিতে পারেন প্রিয়াঙ্কার ওয়ার্ডরোব থিউরি। কাপড়ে উজ্জ্বল শেড, বড় ফ্লোরাল ও জ্যামিতিক নকশা, কাটিংয়ে ভিন্নতা ইত্যাদিই বলে দেবে মানুষ হিসেবে আপনি কতটা উৎফুল্ল।
হৃতিক রোশনের মতো পারফেক্ট গ্রুমিংয়ে যেতে পারেন

আপনার পোশাক কতটা দামি বা সুন্দর, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আপনি পোশাকটিতে কতটা স্বচ্ছন্দবোধ করছেন। পোশাক পরার পর তখনই তাতে আপনাকে সুন্দর লাগবে, যখন আপনি সৌন্দর্যের চর্চা করবেন। হৃতিক রোশন তা-ই করেন। নিয়মিত হেয়ার কাট, ত্বকের যত্ন এমনকি নখের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার জন্য সব নিয়ম তিনি মানেন মন দিয়ে।
কারিনার মতো মনোক্রোমই কি যথেষ্ট

ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না, কোন নকশার পোশাকে আপনাকে মানাবে। এ রকম সময় চোখ বন্ধ করে কারিনাকে অনুসরণ করুন। একরঙা পোশাক, সেই রঙেরই নেইলপলিশ বা জুতায় একেবারে ফিটফাট। সঙ্গে মিনিমাল জুয়েলারি, ব্যস। তবে হ্যাঁ, ফিটনেস আর রূপের চর্চা করতেই হবে।
দীপিকার মতো ফিটিং পোশাকে ফিটফাট

টাইট ফিট পোশাক পরতে হলে সবার আগে ফিট হতে হবে দীপিকার মতো। তারপর? ফিটিং পোশাক পরুন, টাইট করে চুল বাঁধুন। এমন আত্মবিশ্বাসী ‘আমার আমি’কেই তো খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন, নাকি?
ফিউশন পছন্দ? পরুন সোনম কাপুরের মতো ইন্দো-ওয়েস্টার্ন পোশাক

ফ্যাশন আইকন হিসেবে বলিউডে সোনম কাপুরের নাম আছে বটে! যাঁরা ফিউশন ঘরানার পোশাক পরতে পছন্দ করেন, তাঁদের নিশ্চয় সোনম কাপুরের ইনস্টা আইডিতে ফলো দেওয়া আছে। ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, কুর্তি ও ব্লাউজের সঙ্গে পশ্চিমা ঘরানার ব্লেজার, ডিস্ট্রেসড প্যান্ট বা স্কার্টকে তিনি হরহামেশা আপন করে নেন। আপনিও হতে পারেন তাঁর অনুসারী।
কালোর প্রতি প্রেম? তাহলে হয়ে উঠুন শাহরুখের মতো আত্মবিশ্বাসী

কালোকে আমরা শোকের রং ভাবি কেবল। কিন্তু কালো মানে শক্তিও। পার্টি, ক্যাজুয়াল ওয়্যার বা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে পরার জন্য শাহরুখের কাছে কালোই যেন সেরা। তবে কখন, কোথায় কীভাবে কালো পরছেন আর কতটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরছেন, সেটা শিখে নিতে পারেন এই সুপারস্টারের কাছ থেকে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আজ বিশ্ব পরিবার দিবস। দিবসটিকে ঘিরে এবারের প্রতিপাদ্য—‘ফ্যামিলিস, ইনইক্যুয়ালিটিস অ্যান্ড চাইল্ড ওয়েলবিং’ অর্থাৎ পরিবার, অসমতা ও শিশুর কল্যাণ। আমাদের যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতা, বিশ্বায়ন আর বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পরিবার দিবসটি এখন ভিন্ন এক তাৎপর্য বহন করছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতির ‘ব্যারোমিটার’ হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুর। দেশটি ২০২৬ সালে পর্যটন খাতের আয় কিছুটা কমার পূর্বাভাস দিয়েছে। যদিও দেশটিতে পর্যটকদের আগমন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে পর্যটন ব্যয়ে কিছুটা মন্দাভাব দেখা যেতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বখ্যাত ওয়ার্ল্ড ফুড ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা এরিক উলফ। তাঁর মতে, মহামারি পরবর্তী সময়ে মানুষ এখন অনেক বেশি জেনুইন বা খাঁটি অভিজ্ঞতা খুঁজছে। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশতে চায়। এ ক্ষেত্রে খাবারই হলো সেই মেলবন্ধনের প্রধান মাধ্যম।
৭ ঘণ্টা আগে
বিমানযাত্রা সবার জন্য আনন্দঘন হয় না। অনেকে বিমানযাত্রার কথা ভেবেই ভয় পেয়ে যান। ফলে ভ্রমণের ইচ্ছা থাকলেও ভয় কাটিয়ে ঘুরতে যাওয়া আর হয়ে ওঠে না। আপনি কি বিমানযাত্রায় ভয় পান? অসুস্থতার জন্য যেমন ডাক্তারের পরামর্শ নেন। তেমনই বিমানযাত্রায় ভয় ঠেকাতে অভিজ্ঞ বৈমানিক আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন।
১০ ঘণ্টা আগে