সানজিদা সামরিন, ঢাকা

কাজের চাপে বা গৎবাঁধা দিনযাপনে যখন শরীর-মনে ক্লান্তি এসে যায়, তখন ভ্রমণপ্রেমীরা একটা কথাই ভাবেন—বেরিয়ে পড়তে হবে। সপ্তাহ শেষের ট্রিপ হোক বা কয়েক দিনের লম্বা ছুটি; আজকাল রিসোর্টে বেড়াতে যাওয়ার একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে। আরাম করে থেকে, ঘুমিয়ে, সাঁতার কেটে, সুস্বাদু খাবার খেয়ে আর হালকা-পাতলা অ্যাকটিভিটি করে শরীর ও মন থেকে ক্লান্তি দূর হলে মন্দ কি! এই রিসোর্ট ট্রিপ কালচারের সঙ্গে ফ্যাশন ওতপ্রোত। মানে কী? দাঁড়ান, বুঝিয়ে বলছি।
রিসোর্টের বাগানে, রেস্তোরাঁয়, সুইমিংপুলে বা ঘুরতে বেরিয়ে কখন কোন বেলায় কী পোশাক পরবেন, তা এখন তরুণীদের গুরুত্বসহকারে ভাবার সময়। সুন্দর সময় তো কাটাতে হবেই, সুন্দরও লাগতে হবে। তার ওপর বিউটি ক্যামেরা আর ইনস্টাগ্রামের এই যুগে ছবি না তুললে চলে? চাই দারুণ সব ছবি। আর সেসব ছবি মোটেও দু-একটি পোশাকে তুললে চলবে না। ব্যাকগ্রাউন্ড ও পরিবেশের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে হবে জুতসই পোশাক। কদিন আগেও ব্যাপারটি আদিখ্য়েতা হিসেবে দেখা হলেও এখন ট্রেন্ডের হাওয়া প্রায় সবার গায়েই লেগেছে বলা যায়। ডিজাইনাররাও তাঁদের নকশায় ‘ভ্যাকেশন ওয়ার’ নামে একটি ক্যাটাগরি রেখেছেন। সেখানে রয়েছে ভ্রমণ উপযোগী বিশেষ পোশাক।

কেমন হবে রিসোর্টে পরার পোশাক
সাধারণত রিসোর্ট বা ভ্যাকেশন ওয়ার আরামদায়ক ও রঙিন দেখেই কেনা হয়। উজ্জ্বল রঙের রিসোর্ট ওয়ারই বেশি ভালো বলা চলে; যদিও এমন পোশাক অনেকে গরমে পরার অনুপযোগী বলে মনে করেন। তবে কাপড়টা আরামদায়ক হলেই কিন্তু ঝামেলা মিটে যায়। আবার কখন কোন পোশাকটা পরবেন, সেটা বুঝেও ঢিলেঢালা ও আঁটসাঁট পোশাক বাছাই করলে সমস্যা হবে না। সুতি, লিনেন, ভিসকস, সাটিন, শিফন কাপড়ের ঢিলেঢালা শার্ট, টি-শার্ট, কুর্তি, ফতুয়া, জাম্পস্যুট, মিডি ড্রেস, স্কার্ট, ফ্রক, কো-অর্ডস—সবই হতে পারে রিসোর্টে পরার পোশাক।
পুলটাইমে লেয়ারিং
সকাল, বিকেল বা সন্ধ্যা—যখনই সুইমিংপুলে নামুন না কেন, পুলে পরার পোশাক নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হবে। প্রাইভেট পুল হলে এক রকম, আর উন্মুক্ত হলে আরেক রকম। তবে পুল যেমনই হোক, লেয়ারিং পোশাক পরে সে পর্যন্ত যাওয়া এবং পুল থেকে ফেরাটা জরুরি হয়ে পড়ে। তাই সেভাবেই বাছাই করুন। সাঁতারের জন্য টাইটফিট লেগিংস বা থ্রি-কোয়ার্টার আদর্শ। কমফোর্টেবল হলে শর্ট পরেন অনেকে। সে ক্ষেত্রে ওপরে কাভারঅন হিসেবে টি-শার্ট, ট্যাংক টপ বা ক্রপ টপের ওপর সুতি শ্রাগ, কটি বা শার্ট সঙ্গে রাখলে নানা ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে। পুলে নামার আগে ওপরের লেয়ারটা খুলে নামলেন, আবার ওঠার পরপর চেঞ্জিং রুমে চলে গেলেন। ফটোশুট করতে চাইলে টপ-বটম ও ইনার কস্টিউমের কালার কম্বিনেশন, প্যাটার্নের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুলের জন্য সি শেল, সামুদ্রিক শেওলা, প্রবালের প্রিন্টের কাভারঅন বেছে নিতে পারেন। রং হিসেবে নীলের পাশাপাশি যেকোনো উজ্জ্বল রং ভালো লাগবে।

ডিনার বা কফি টাইমে মিডি ড্রেস
সন্ধ্যায় কফি খেতে গেলে বা ডিনারে পরিপাটি করে সাজতে মিডি ড্রেসেই ভরসা করতে পারেন। মিডি ড্রেসের সুবিধা হলো, এগুলোর সঙ্গে ট্রাউজার বা স্কার্ফ পরার ব্যাপার থাকে না। সেগুলো এমন কাপড়ে তৈরি হয়, যা সহজে ভাঁজ করে একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ব্যাকপ্যাকে নেওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে কয়েক ধরনের মিডি ড্রেস সঙ্গে নিতে পারেন। টাইটফিট স্লিট মিডি, পলকা ডট স্লিভলেস মিডি, ভিক্টোরিয়ান হাতার একরঙা মিডি কিংবা আপনার পছন্দমতো যেকোনো মিডি। সেগুলোর সঙ্গে মানাবে হাই হিল। এ ছাড়া মিডি পরেই বাইরে ঘুরতে বের হওয়ার ইচ্ছা থাকলে আপনি এক জোড়া স্নিকার সঙ্গে নিতে পারেন।
একজন ডিজাইনারের কাছে প্রতিটি ভ্যাকেশন ড্রেস আসলে এক-একটি ভিজ্যুয়াল জার্নি। কালার প্যালেট থেকে শুরু করে স্লিভ, কার্ভ কিংবা কাঁধের কাট—সবখানেই ছড়িয়ে দেওয়া হয় ছুটির আমেজ। যেন প্রতিটি পোশাক নিজের গল্প বলে। আরিফ বিল্লাহ্, ক্রিয়েটিভ আর্ট ডিরেক্টর, সাফেলা

সকালে-বিকেলে হাঁটতে বের হলে কো-অর্ডসই সেরা
ভোরে ঘুম থেকে উঠে রিসোর্টের আশপাশটা ঘুরে দেখতে মন চাইতে পারে। অথবা বিকেলে দল বেঁধে বেরিয়ে পড়লেন। তখন একেবারেই সময় থাকে না কোনটা রেখে কোনটা পরবেন, সেটা আবার ম্যাচিং করবেন কার সঙ্গে। এ সময় ভরসা রাখতে পারেন কো-অর্ডসে। শুধু খেয়াল রাখুন, কো-অর্ডসের রংটা যেন ম্যাড়ম্যাড়ে না হয়। এই পোশাকের বড় সুবিধা হলো, টপ আর বটমে একই কাপড়, রং, প্রিন্ট থাকায় আলাদা করে পোশাক বাছাইয়ের ঝক্কি থাকে না। সঙ্গে সানগ্লাস, গাঢ় লিপস্টিক আর আরামদায়ক জুতা থাকলে জমে যাবে বেড়ানো।

কাজের চাপে বা গৎবাঁধা দিনযাপনে যখন শরীর-মনে ক্লান্তি এসে যায়, তখন ভ্রমণপ্রেমীরা একটা কথাই ভাবেন—বেরিয়ে পড়তে হবে। সপ্তাহ শেষের ট্রিপ হোক বা কয়েক দিনের লম্বা ছুটি; আজকাল রিসোর্টে বেড়াতে যাওয়ার একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে। আরাম করে থেকে, ঘুমিয়ে, সাঁতার কেটে, সুস্বাদু খাবার খেয়ে আর হালকা-পাতলা অ্যাকটিভিটি করে শরীর ও মন থেকে ক্লান্তি দূর হলে মন্দ কি! এই রিসোর্ট ট্রিপ কালচারের সঙ্গে ফ্যাশন ওতপ্রোত। মানে কী? দাঁড়ান, বুঝিয়ে বলছি।
রিসোর্টের বাগানে, রেস্তোরাঁয়, সুইমিংপুলে বা ঘুরতে বেরিয়ে কখন কোন বেলায় কী পোশাক পরবেন, তা এখন তরুণীদের গুরুত্বসহকারে ভাবার সময়। সুন্দর সময় তো কাটাতে হবেই, সুন্দরও লাগতে হবে। তার ওপর বিউটি ক্যামেরা আর ইনস্টাগ্রামের এই যুগে ছবি না তুললে চলে? চাই দারুণ সব ছবি। আর সেসব ছবি মোটেও দু-একটি পোশাকে তুললে চলবে না। ব্যাকগ্রাউন্ড ও পরিবেশের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে হবে জুতসই পোশাক। কদিন আগেও ব্যাপারটি আদিখ্য়েতা হিসেবে দেখা হলেও এখন ট্রেন্ডের হাওয়া প্রায় সবার গায়েই লেগেছে বলা যায়। ডিজাইনাররাও তাঁদের নকশায় ‘ভ্যাকেশন ওয়ার’ নামে একটি ক্যাটাগরি রেখেছেন। সেখানে রয়েছে ভ্রমণ উপযোগী বিশেষ পোশাক।

কেমন হবে রিসোর্টে পরার পোশাক
সাধারণত রিসোর্ট বা ভ্যাকেশন ওয়ার আরামদায়ক ও রঙিন দেখেই কেনা হয়। উজ্জ্বল রঙের রিসোর্ট ওয়ারই বেশি ভালো বলা চলে; যদিও এমন পোশাক অনেকে গরমে পরার অনুপযোগী বলে মনে করেন। তবে কাপড়টা আরামদায়ক হলেই কিন্তু ঝামেলা মিটে যায়। আবার কখন কোন পোশাকটা পরবেন, সেটা বুঝেও ঢিলেঢালা ও আঁটসাঁট পোশাক বাছাই করলে সমস্যা হবে না। সুতি, লিনেন, ভিসকস, সাটিন, শিফন কাপড়ের ঢিলেঢালা শার্ট, টি-শার্ট, কুর্তি, ফতুয়া, জাম্পস্যুট, মিডি ড্রেস, স্কার্ট, ফ্রক, কো-অর্ডস—সবই হতে পারে রিসোর্টে পরার পোশাক।
পুলটাইমে লেয়ারিং
সকাল, বিকেল বা সন্ধ্যা—যখনই সুইমিংপুলে নামুন না কেন, পুলে পরার পোশাক নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হবে। প্রাইভেট পুল হলে এক রকম, আর উন্মুক্ত হলে আরেক রকম। তবে পুল যেমনই হোক, লেয়ারিং পোশাক পরে সে পর্যন্ত যাওয়া এবং পুল থেকে ফেরাটা জরুরি হয়ে পড়ে। তাই সেভাবেই বাছাই করুন। সাঁতারের জন্য টাইটফিট লেগিংস বা থ্রি-কোয়ার্টার আদর্শ। কমফোর্টেবল হলে শর্ট পরেন অনেকে। সে ক্ষেত্রে ওপরে কাভারঅন হিসেবে টি-শার্ট, ট্যাংক টপ বা ক্রপ টপের ওপর সুতি শ্রাগ, কটি বা শার্ট সঙ্গে রাখলে নানা ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে। পুলে নামার আগে ওপরের লেয়ারটা খুলে নামলেন, আবার ওঠার পরপর চেঞ্জিং রুমে চলে গেলেন। ফটোশুট করতে চাইলে টপ-বটম ও ইনার কস্টিউমের কালার কম্বিনেশন, প্যাটার্নের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুলের জন্য সি শেল, সামুদ্রিক শেওলা, প্রবালের প্রিন্টের কাভারঅন বেছে নিতে পারেন। রং হিসেবে নীলের পাশাপাশি যেকোনো উজ্জ্বল রং ভালো লাগবে।

ডিনার বা কফি টাইমে মিডি ড্রেস
সন্ধ্যায় কফি খেতে গেলে বা ডিনারে পরিপাটি করে সাজতে মিডি ড্রেসেই ভরসা করতে পারেন। মিডি ড্রেসের সুবিধা হলো, এগুলোর সঙ্গে ট্রাউজার বা স্কার্ফ পরার ব্যাপার থাকে না। সেগুলো এমন কাপড়ে তৈরি হয়, যা সহজে ভাঁজ করে একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ব্যাকপ্যাকে নেওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে কয়েক ধরনের মিডি ড্রেস সঙ্গে নিতে পারেন। টাইটফিট স্লিট মিডি, পলকা ডট স্লিভলেস মিডি, ভিক্টোরিয়ান হাতার একরঙা মিডি কিংবা আপনার পছন্দমতো যেকোনো মিডি। সেগুলোর সঙ্গে মানাবে হাই হিল। এ ছাড়া মিডি পরেই বাইরে ঘুরতে বের হওয়ার ইচ্ছা থাকলে আপনি এক জোড়া স্নিকার সঙ্গে নিতে পারেন।
একজন ডিজাইনারের কাছে প্রতিটি ভ্যাকেশন ড্রেস আসলে এক-একটি ভিজ্যুয়াল জার্নি। কালার প্যালেট থেকে শুরু করে স্লিভ, কার্ভ কিংবা কাঁধের কাট—সবখানেই ছড়িয়ে দেওয়া হয় ছুটির আমেজ। যেন প্রতিটি পোশাক নিজের গল্প বলে। আরিফ বিল্লাহ্, ক্রিয়েটিভ আর্ট ডিরেক্টর, সাফেলা

সকালে-বিকেলে হাঁটতে বের হলে কো-অর্ডসই সেরা
ভোরে ঘুম থেকে উঠে রিসোর্টের আশপাশটা ঘুরে দেখতে মন চাইতে পারে। অথবা বিকেলে দল বেঁধে বেরিয়ে পড়লেন। তখন একেবারেই সময় থাকে না কোনটা রেখে কোনটা পরবেন, সেটা আবার ম্যাচিং করবেন কার সঙ্গে। এ সময় ভরসা রাখতে পারেন কো-অর্ডসে। শুধু খেয়াল রাখুন, কো-অর্ডসের রংটা যেন ম্যাড়ম্যাড়ে না হয়। এই পোশাকের বড় সুবিধা হলো, টপ আর বটমে একই কাপড়, রং, প্রিন্ট থাকায় আলাদা করে পোশাক বাছাইয়ের ঝক্কি থাকে না। সঙ্গে সানগ্লাস, গাঢ় লিপস্টিক আর আরামদায়ক জুতা থাকলে জমে যাবে বেড়ানো।

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৫ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৭ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২১ ঘণ্টা আগে