
বৃষ্টিভেজা দিনে দিনে মনটা একটু গরম আর আরামদায়ক কিছুর জন্য আনচান করবেই। আবার হুটহাট বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফিরলে শরীর চাঙা করতে এবং ঠান্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচতেও এক বাটি ধোঁয়া ওঠা স্যুপের কোনো বিকল্প নেই। টমেটো স্যুপ এমন একটি চমৎকার ও পুষ্টিকর খাবার, যা তাজা টমেটো, হার্বস এবং মসলার গুণে একদিকে যেমন জিবে জল আনে, অন্যদিকে শরীরকে দেয় ভেতর থেকে উষ্ণতা।

এমন বৃষ্টির দিনে টমেটো স্যুপ শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে। এর মূল উপকারিতাগুলো হলো—
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়: টমেটোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। এই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং বর্ষাকালীন বিভিন্ন সংক্রমণ ও ঠান্ডা-কাশির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে।
হৃদ্যন্ত্রের সুরক্ষা: ২০০০ সালে কানাডিয়ান ‘মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, টমেটোতে থাকা লাইকোপেন নামক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: আপনি যদি স্যুপে অতিরিক্ত ক্রিম ব্যবহার না করেন, তবে এটি ওজন কমাতে দারুণ কার্যকরী। টমেটোতে ক্যালরি কম, পানির পরিমাণ বেশি এবং এটি আঁশসমৃদ্ধ। ফলে এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং মেটাবলিজম বাড়ায়।
ত্বকের উজ্জ্বলতা: ২০২৪ সালের ‘জার্নাল অব ডার্মাটোলজিক সায়েন্স অ্যান্ড কসমেটিক টেকনোলজি’র একটি গবেষণায় দেখা গেছে, টানা আট সপ্তাহ টমেটোর নির্যাস সমৃদ্ধ ফরমুলেশন ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল ও হাইড্রেটেড হয়।
হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য: আঁশ সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজমকারী এনজাইমকে উদ্দীপ্ত করে অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়।
ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়: ২০২২ সালে ‘নিউট্রিয়েন্টস জার্নাল’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লাইকোপেন প্রোস্টেট ও পাকস্থলীর ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
ক্ল্যাসিক টমেটো স্যুপ
একেবারে সাধারণ কিন্তু অতুলনীয় স্বাদের এই স্যুপ ঝটপট তৈরি করে নেওয়া যায়। এর জন্য ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, ১টি মাঝারি পেঁয়াজ কুচানো, ২ কোয়া কুচানো রসুন, ৫টি বড় পাকা কুচানো টমেটো, ২ কাপ সবজির স্টক, স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচগুঁড়া এবং গার্নিশের জন্য তাজা তুলসীপাতা।
এটি তৈরির জন্য পাত্রে অলিভ অয়েল গরম করে পেঁয়াজ ৫ মিনিট সাঁতলে নিন। এরপর রসুন দিয়ে সুন্দর সুগন্ধ বের হওয়া পর্যন্ত আরও ৩০ সেকেন্ড নাড়ুন। এবার টমেটো, ভেজিটেবল ব্রথ, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে দিন। মিশ্রণটি ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে ১৫ মিনিট ফুটতে দিন। এর মধ্যে প্রতি ৫ মিনিট পর পর নেড়ে দেবেন। এরপর ব্লেন্ডার দিয়ে পুরো স্যুপটি মসৃণভাবে ব্লেন্ড করে নিন। ওপরে তাজা তুলসীপাতা ছড়িয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।
যাঁরা একটু ঘন ও রাজকীয় স্বাদের স্যুপ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি সেরা। এ জন্য ১ টেবিল চামচ মাখন, ১টি কুচানো ছোট পেঁয়াজ, ২ কোয়া কুচানো রসুন, ৫টি কুচানো বড় টমেটো, ২ কাপ সবজির স্টক, আধা কাপ ননিযুক্ত তরল দুধ, স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া এবং গার্নিশের জন্য তাজা ধনেপাতা বা তুলসীপাতা।
এটি তৈরির জন্য মাঝারি আঁচে পাত্রে মাখন গলিয়ে নিয়ে পেঁয়াজ নরম হওয়া পর্যন্ত কুচানো পেঁয়াজ সাঁতলে নিন। রসুন যোগ করে কয়েক সেকেন্ড রান্না করুন। এবার টমেটো, ভেজিটেবল ব্রথ, লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে দিন। ১৫ মিনিট হালকা আঁচে ফোটানোর পর স্যুপটি মসৃণ করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এতে আধা কাপ দুধ মিশিয়ে আরও ২ মিনিট রান্না করুন। তাজা পার্সলে বা তুলসীপাতা দিয়ে সাজিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।
সূত্র: হেলথ লাইন, হেলথ শর্টস
বাড়ির যে মেয়েটি এখন সবচেয়ে আনন্দে রয়েছেন, তাঁর বয়স আঠারো, না কুড়ি? তাহলে এই গল্পটা তাঁর সঙ্গেই জমবে বেশ। পূজার কোন দিন কী পরবে, কেমন সাজবে আর হেয়ারস্টাইল কেমন হবে, তা-ও এরই মধ্য়ে ঠিক করে ফেলেছেন তাঁরা।
২৯ মিনিট আগে
আঁচল আর উত্তরীয়র কোনায় যাঁদের গিঁট পড়েছে, একাকী থাকার দিন যাঁদের শেষ হয়েছে গত পূজার পর আর এই পূজার আগেই, যাঁরা একটু একটু করে মানিয়ে নিচ্ছেন দুজনের জীবনে দুজনের উপস্থিতি, তাঁদের জন্য এবারের পূজার উৎসব একেবারে আলাদা।
৭ ঘণ্টা আগে
নিরামিষ আর আমিষ—খাবার মূলত এই দুই ধরনের। কিন্তু সনাতন ধর্মমতে খাবার তিন ধরনের—সাত্ত্বিক, রাজসিক আর তামসিক। মেয়ে যখন বছরান্তে ঘরে ফেরে, তখন এই সব ‘ধরন’ ধরে ধরে খাওয়া হয় না, যায়ও না। ‘মেয়ে ঘরে ফেরে’—দুর্গাপূজায় এই বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৮ ঘণ্টা আগে
উৎসব মানে আনন্দের রঙে ঘর ভরিয়ে তোলা। বিশেষ করে দুর্গাপূজা বা শারদীয় উৎসবে বাড়ির আঙিনা ও ঘরের মেঝেতে আলপনা না আঁকলে যেন উৎসবের আমেজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে যাঁরা ভাড়া বাড়িতে থাকেন, তাঁদের জন্য টাইলসের মেঝেতে আলপনা আঁকা কিছুটা চিন্তার কারণ হতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে