ফিচার ডেস্ক

ভ্রমণের আগে হোটেল বুকিং এখন কয়েক মিনিটের কাজ। একটি মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেট থাকলেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে থাকার জায়গা ঠিক করা যায়। কিন্তু এই সুবিধার সুযোগ নিয়ে নতুন একধরনের প্রতারণা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ভুয়া হোটেল তালিকা, নকল বার্তা আর ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।
চলতি বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক ভোক্তা-অধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘উইচ’ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে জনপ্রিয় অনলাইন হোটেল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ‘বুকিং ডটকম’-এ ঘটে যাওয়া নানা ধরনের প্রতারণা ও নিরাপত্তাজনিত সমস্যার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়।
পর্যটকের অভিজ্ঞতা
সম্প্রতি একজন পর্যটক জাকার্তায় যাত্রাবিরতির জন্য বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেল বুক করেন। সেখানে এমন একটি পেমেন্ট অপশন নির্বাচন করেন, যাতে থাকার কয়েক দিন আগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্ড থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়। ভ্রমণের এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা পান। সেটা মনে হচ্ছিল সেটি জাকার্তার ওই বিমানবন্দর হোটেল থেকেই পাঠানো হয়েছে। প্রোফাইল ছবিতে একজন হোটেল কর্মচারীর মতো ব্যক্তির ছবি ছিল। সেখানে পর্যটকের পুরো নাম, বুকিং নম্বর এবং থাকার তারিখ পর্যন্ত লেখা ছিল। সেই বার্তায় বলা হয়, আমার বুকিং ‘নিরাপদ’ রাখতে কিছু তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। এ জন্য একটি লিংকে ক্লিক করতে বলা হয়, যেখানে সাময়িকভাবে পেমেন্ট পদ্ধতি যাচাই করা হবে। বার্তায় আশ্বাস দেওয়া হয় এতে কোনো অর্থ কাটা হবে না। তবে সঙ্গে সঙ্গে একটি হুঁশিয়ারিও যোগ করা হয়। বলা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুকিং বাতিল হয়ে যেতে পারে।
বুকিং ডটকমের নির্দেশনা অনুসরণ করে সন্দেহজনক বার্তাটি রিপোর্ট করেন পর্যটক। পরদিন কাছে একটি ফোন আসে, যেখানে নিশ্চিত করা হয় যে বার্তাটি হোটেল থেকে পাঠানো হয়নি এবং সেটি মুছে ফেলতে বলা হয়।
বুকিং ডটকমে ভুয়া হোটেল তালিকার বিস্তার
বুকিং ডটকম একটি আন্তর্জাতিক পরিসরের বিশাল প্ল্যাটফর্ম। প্রতিবছর ১০০ কোটিরও বেশি বুকিং হয় এখানে। ছুটির আবাসন বুকিংয়ের বাজারে শীর্ষ অবস্থান দখলের জন্য এটি আরেক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে।
‘উইচ’-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তার একটি বড় কারণ হলো এখানে খুব সহজেই হোটেল বা আবাসনের তালিকা দেওয়া যায়।
সংস্থাটি পরীক্ষামূলকভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে অনুসরণ করে। দেখা যায়, মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই একটি বিজ্ঞাপন সেখানে তৈরি করা সম্ভব। সংস্থাটির একজন জ্যেষ্ঠ গবেষক লেখেন, তালিকা দিতে গিয়ে তাঁদের পরিচয়ের কোনো প্রমাণ দিতে হয়নি। অন্য প্ল্যাটফর্মে যেমন বাড়ির তালিকা দিতে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট দেখাতে হয়, এখানে তেমন কোনো শর্ত ছিল না।
এই সহজ প্রক্রিয়া একদিকে যেমন প্ল্যাটফর্মটির দ্রুত বিস্তারে সহায়তা করেছে, তেমনি প্রতারণার পথও খুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালে উইচের আরেকটি অনুসন্ধানে দেখা যায়, কয়েক মাসের মধ্যেই শত শত মানুষ ভুয়া হোটেল তালিকার কারণে অর্থ হারানোর অভিযোগ করেছেন। বুকিং ডট কম তখন জানায়, যেসব তালিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তবে কয়েক মাস পর তদন্তকারীরা আবার যাচাই করে দেখেন—নতুন করে আরও অনেক তালিকা যুক্ত হয়েছে, যেগুলোর বিরুদ্ধে শত শত নেতিবাচক মন্তব্য রয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে লেখা এসব আবাসন আসলে প্রতারণা।
খারাপ মন্তব্য লুকিয়েই চলছে ভুয়া হোটেল
বুকিং ডটকম জানিয়েছে, নতুন যারা হোটেল বা থাকার জায়গা তালিকাভুক্ত করে, তাদের শুরুতেই টাকা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। উদ্দেশ্য হলো ভুয়া হোটেল ঠেকানো। তবে গবেষকেরা বলছেন, এই ব্যবস্থা খুব কার্যকর নয়। এতে প্রতারকদের খুব একটা সমস্যা হয় না। একজন গবেষক উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইউরোপের একটি শহরের কেন্দ্রের একটি থাকার জায়গার রেটিং দেখা যায় ৬ দশমিক ৪। সাইটে একে ‘মনোরম’ লেখা আছে। প্রথমে যে দুটি মন্তব্য দেখা যায়, সেখানে বলা হয়েছে ‘খুব ভালো’ আর ‘ভালো’। কিন্তু শেষ ১২ জন মন্তব্যের মধ্যে ১০টিতেই লেখা—এটা প্রতারণা। গত বছর ভোক্তা-অধিকার সংস্থার চাপের মুখে বুকিং ডট কম জানায়, তারা নতুন মন্তব্যকে বেশি গুরুত্ব দেবে। কিন্তু বাস্তবে এখনো মন্তব্য দেখানোর নিয়ম বদলায়নি। এখনো পুরোনো ভালো মন্তব্যই আগে দেখানো হয়।
বুকিং নিশ্চিত করার নামে প্রতারণা
অনেক ভ্রমণকারী জানিয়েছেন, বুকিং নিশ্চিত করার নামে তাঁরা ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ এমনকি বুকিং ডটকমের নিজস্ব বার্তা ব্যবস্থাতেও সন্দেহজনক বার্তা পেয়েছেন। এসব বার্তায় কখনো লিংকে ক্লিক করতে বলা হয়, আবার কখনো সরাসরি টাকা পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। প্রায় সব বার্তাতেই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া থাকে। যাচাই করতে গিয়ে দেরি হলে বুকিং বাতিলের ভয় দেখানো হয়। আতঙ্কে পড়ে অনেকেই তখন টাকা পাঠিয়ে দেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—প্রতারকেরা বুকিং ডটকমের অফিশিয়াল যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যবহার করতে পেরেছে। ফলে আসল বার্তা আর ভুয়া বার্তা চেনা কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রতারণা ঠেকাতে প্রযুক্তির ব্যবহার
ভোক্তা-অধিকার সংস্থা ‘উইচ’ জানিয়েছে, প্রতারণায় পড়ে অনেক ভ্রমণকারী শত শত ইউরো হারিয়েছেন। অনেকেই পরে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে টাকা ফেরত পেয়েছেন। ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বাড়াতে বুকিং ডটকম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে। হোটেল ও হোস্টদের জন্য দুই ধাপের নিরাপত্তা চালু করা হয়েছে। তবে উইচের মতে, ভুয়া লিংক বন্ধ ও প্রতারণা ঠেকাতে এখনো আরও দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সূত্র: ইউরো নিউজ

ভ্রমণের আগে হোটেল বুকিং এখন কয়েক মিনিটের কাজ। একটি মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেট থাকলেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে থাকার জায়গা ঠিক করা যায়। কিন্তু এই সুবিধার সুযোগ নিয়ে নতুন একধরনের প্রতারণা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ভুয়া হোটেল তালিকা, নকল বার্তা আর ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।
চলতি বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক ভোক্তা-অধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘উইচ’ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে জনপ্রিয় অনলাইন হোটেল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ‘বুকিং ডটকম’-এ ঘটে যাওয়া নানা ধরনের প্রতারণা ও নিরাপত্তাজনিত সমস্যার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়।
পর্যটকের অভিজ্ঞতা
সম্প্রতি একজন পর্যটক জাকার্তায় যাত্রাবিরতির জন্য বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেল বুক করেন। সেখানে এমন একটি পেমেন্ট অপশন নির্বাচন করেন, যাতে থাকার কয়েক দিন আগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্ড থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়। ভ্রমণের এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা পান। সেটা মনে হচ্ছিল সেটি জাকার্তার ওই বিমানবন্দর হোটেল থেকেই পাঠানো হয়েছে। প্রোফাইল ছবিতে একজন হোটেল কর্মচারীর মতো ব্যক্তির ছবি ছিল। সেখানে পর্যটকের পুরো নাম, বুকিং নম্বর এবং থাকার তারিখ পর্যন্ত লেখা ছিল। সেই বার্তায় বলা হয়, আমার বুকিং ‘নিরাপদ’ রাখতে কিছু তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। এ জন্য একটি লিংকে ক্লিক করতে বলা হয়, যেখানে সাময়িকভাবে পেমেন্ট পদ্ধতি যাচাই করা হবে। বার্তায় আশ্বাস দেওয়া হয় এতে কোনো অর্থ কাটা হবে না। তবে সঙ্গে সঙ্গে একটি হুঁশিয়ারিও যোগ করা হয়। বলা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুকিং বাতিল হয়ে যেতে পারে।
বুকিং ডটকমের নির্দেশনা অনুসরণ করে সন্দেহজনক বার্তাটি রিপোর্ট করেন পর্যটক। পরদিন কাছে একটি ফোন আসে, যেখানে নিশ্চিত করা হয় যে বার্তাটি হোটেল থেকে পাঠানো হয়নি এবং সেটি মুছে ফেলতে বলা হয়।
বুকিং ডটকমে ভুয়া হোটেল তালিকার বিস্তার
বুকিং ডটকম একটি আন্তর্জাতিক পরিসরের বিশাল প্ল্যাটফর্ম। প্রতিবছর ১০০ কোটিরও বেশি বুকিং হয় এখানে। ছুটির আবাসন বুকিংয়ের বাজারে শীর্ষ অবস্থান দখলের জন্য এটি আরেক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে।
‘উইচ’-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তার একটি বড় কারণ হলো এখানে খুব সহজেই হোটেল বা আবাসনের তালিকা দেওয়া যায়।
সংস্থাটি পরীক্ষামূলকভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে অনুসরণ করে। দেখা যায়, মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই একটি বিজ্ঞাপন সেখানে তৈরি করা সম্ভব। সংস্থাটির একজন জ্যেষ্ঠ গবেষক লেখেন, তালিকা দিতে গিয়ে তাঁদের পরিচয়ের কোনো প্রমাণ দিতে হয়নি। অন্য প্ল্যাটফর্মে যেমন বাড়ির তালিকা দিতে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট দেখাতে হয়, এখানে তেমন কোনো শর্ত ছিল না।
এই সহজ প্রক্রিয়া একদিকে যেমন প্ল্যাটফর্মটির দ্রুত বিস্তারে সহায়তা করেছে, তেমনি প্রতারণার পথও খুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালে উইচের আরেকটি অনুসন্ধানে দেখা যায়, কয়েক মাসের মধ্যেই শত শত মানুষ ভুয়া হোটেল তালিকার কারণে অর্থ হারানোর অভিযোগ করেছেন। বুকিং ডট কম তখন জানায়, যেসব তালিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তবে কয়েক মাস পর তদন্তকারীরা আবার যাচাই করে দেখেন—নতুন করে আরও অনেক তালিকা যুক্ত হয়েছে, যেগুলোর বিরুদ্ধে শত শত নেতিবাচক মন্তব্য রয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে লেখা এসব আবাসন আসলে প্রতারণা।
খারাপ মন্তব্য লুকিয়েই চলছে ভুয়া হোটেল
বুকিং ডটকম জানিয়েছে, নতুন যারা হোটেল বা থাকার জায়গা তালিকাভুক্ত করে, তাদের শুরুতেই টাকা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। উদ্দেশ্য হলো ভুয়া হোটেল ঠেকানো। তবে গবেষকেরা বলছেন, এই ব্যবস্থা খুব কার্যকর নয়। এতে প্রতারকদের খুব একটা সমস্যা হয় না। একজন গবেষক উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইউরোপের একটি শহরের কেন্দ্রের একটি থাকার জায়গার রেটিং দেখা যায় ৬ দশমিক ৪। সাইটে একে ‘মনোরম’ লেখা আছে। প্রথমে যে দুটি মন্তব্য দেখা যায়, সেখানে বলা হয়েছে ‘খুব ভালো’ আর ‘ভালো’। কিন্তু শেষ ১২ জন মন্তব্যের মধ্যে ১০টিতেই লেখা—এটা প্রতারণা। গত বছর ভোক্তা-অধিকার সংস্থার চাপের মুখে বুকিং ডট কম জানায়, তারা নতুন মন্তব্যকে বেশি গুরুত্ব দেবে। কিন্তু বাস্তবে এখনো মন্তব্য দেখানোর নিয়ম বদলায়নি। এখনো পুরোনো ভালো মন্তব্যই আগে দেখানো হয়।
বুকিং নিশ্চিত করার নামে প্রতারণা
অনেক ভ্রমণকারী জানিয়েছেন, বুকিং নিশ্চিত করার নামে তাঁরা ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ এমনকি বুকিং ডটকমের নিজস্ব বার্তা ব্যবস্থাতেও সন্দেহজনক বার্তা পেয়েছেন। এসব বার্তায় কখনো লিংকে ক্লিক করতে বলা হয়, আবার কখনো সরাসরি টাকা পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। প্রায় সব বার্তাতেই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া থাকে। যাচাই করতে গিয়ে দেরি হলে বুকিং বাতিলের ভয় দেখানো হয়। আতঙ্কে পড়ে অনেকেই তখন টাকা পাঠিয়ে দেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—প্রতারকেরা বুকিং ডটকমের অফিশিয়াল যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যবহার করতে পেরেছে। ফলে আসল বার্তা আর ভুয়া বার্তা চেনা কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রতারণা ঠেকাতে প্রযুক্তির ব্যবহার
ভোক্তা-অধিকার সংস্থা ‘উইচ’ জানিয়েছে, প্রতারণায় পড়ে অনেক ভ্রমণকারী শত শত ইউরো হারিয়েছেন। অনেকেই পরে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে টাকা ফেরত পেয়েছেন। ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বাড়াতে বুকিং ডটকম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে। হোটেল ও হোস্টদের জন্য দুই ধাপের নিরাপত্তা চালু করা হয়েছে। তবে উইচের মতে, ভুয়া লিংক বন্ধ ও প্রতারণা ঠেকাতে এখনো আরও দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সূত্র: ইউরো নিউজ

গত কয়েক বছরে ‘ওয়েলবিয়িং’ শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এর সঙ্গে যোগব্যায়ামের সম্পর্ক কতটা গভীর? প্রশিক্ষকদের মতে, যোগব্যায়াম শুধু কিছু আসন নয়, এটি শরীর ও মনের ভারসাম্য রক্ষার একটি বিজ্ঞানও।
৫ ঘণ্টা আগে
পকেটে হাত দেওয়ার আগে তিনবার সঞ্চয়ের নাম জপুন। অফিসে আপনার এনার্জি দেখে বস ভয় পেয়ে যেতে পারেন। মনে হবে একাই পুরো কোম্পানি টেনে দেবেন, কিন্তু আদতে দুপুরের লাঞ্চের পর হাই তুলতে তুলতেই দিন কাবার হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
একসময় রান্নাঘর শুধু রান্না করার সাধারণ জায়গা ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি বাড়ির সদস্যদের রুচি ও আভিজাত্য প্রকাশের এক অনন্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। রান্নাঘরের সজ্জায় বেশি দৃশ্যমান অংশ হলো ক্যাবিনেট। তাই এর সঠিক রং নির্বাচন জরুরি। সময়ের সঙ্গে রুচিতেও বদল আসে।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এখনো বিশ্বজুড়ে এইডস একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবমতে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৮৯১ জন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় নতুন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
৭ ঘণ্টা আগে