ঘাম একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে অতিরিক্ত ঘাম স্বাভাবিক নয়। বিভিন্ন কারণে মানুষের অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। এটি দূর করতে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে ঘামের অস্বস্তি থেকে রক্ষা পেতে কিছু বিষয় মেনে চলতে পারেন।
নিয়মিত গোসল
নিয়মিত গোসল করলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে না। গোসলের পর শরীর শুকনো করে মুছে নিন; বিশেষ করে পায়ের আঙুলগুলোর ফাঁক, হাঁটুর ভাঁজ এবং হাতের কনুইয়ের ভাঁজ ভালোভাবে মুছে নিতে হবে।
খালি পায়ে হাঁটুন
বাসায় থাকলে মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটতে পারেন। অফিসে মাঝে মাঝে জুতা খুলে রেখে পায়ে বাতাস লাগতে দিন। ঘাম শুকিয়ে যাবে। আরাম বোধ হবে।
আরামদায়ক কাপড়
যাঁরা অনেক বেশি ঘামেন, তাঁদের সুতির নরম কাপড় পরা উচিত। এসব কাপড় পরলে বাতাস সহজে শরীরে লাগে বলে ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়। অফিসে, ব্যায়াম করার সময়, রান্নার সময় এবং রাতে ঘুমানোর সময় সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরলে আরাম পাওয়া যাবে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায় বলে যাঁরা বেশি ঘামেন, তাঁদের উচিত পর্যাপ্ত পানি পান করা। তা না হলে শরীর ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সূত্র: মায়ো ক্লিনিক

আজকাল অবসর মানেই স্মার্টফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকা। আর ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে রিলস স্ক্রল করতে করতেই আমাদের চোখে পড়ে নজরকাড়া সব বিউটি হ্যাকস। কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বক বা মুহূর্তেই চেহারা উজ্জ্বল হয়ে ওঠার জাদুকরি সব টিপস দেখে আমরা সহজে প্রলুব্ধ হয়ে পড়ি।
৪ মিনিট আগে
‘স্ক্যাল্প ডিটক্স’ বলে একটা শব্দ আছে। এর মানে হলো, মাথার ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার করা। আর সেটি করতে একগাদা টাকা নিয়ে পারলারে ছোটার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই তা করা সম্ভব। চুল সুস্থ-সুন্দর রাখতে মাথার ত্বকে মনোযোগ দিতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা মেনে চললে ঋতুভিত্তিক রোগের ভয় অনেকটা কমে যায়। যেসব শিশু সবে স্কুলে যেতে শুরু করেছে, তাদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া জরুরি। এরই মধ্যে অনেক গরম পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আপনার আত্মবিশ্বাস আজ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় থাকবে। হয়তো ভাবছেন আজ চাইলেই বিশ্ব জয় করে ফেলবেন। কিন্তু সাবধান! সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে রান্নাঘরে গিয়ে চা-পাতা খুঁজতে গিয়ে যদি নুনের কৌটা নামিয়ে ফেলেন, তবে হিরো থেকে জিরো হতে সময় লাগবে না।
২ ঘণ্টা আগে