মসলাপাতি দিয়ে খালি রান্নাই না, সুন্দর সুন্দর ক্র্যাফটও বানানো যায়। খুব সামান্য কিছু উপকরণ দিয়ে হয়ে যাবে একটি পাখি।
যা লাগবে
তেজপাতা, দারুচিনি, লং, এলাচ, শুকনো মরিচ, কার্ডবোর্ড, রং (সাদা, নীল), কাঁচি এবং আঠা।
চলো বানাই
প্রথমে একটি কার্ডবোর্ডে সাদা আর নীল রং দিয়ে বেস করে নিতে হবে। তারপর তিনটি তেজপাতা ব্যবহার করতে হবে, প্রথম তেজপাতা কাচির সাহায্যে কেটে পাখির মত আকৃতি করতে হবে, আরেকটা তেজপাতা দিয়ে ডানা দিতে হবে এবং সবশেষ তেজপাতা দিয়ে লেজের আকৃতি করে কেটে নিতে হবে। তারপর কার্ডবোর্ডে আঠা লাগিয়ে দারুচিনি দিয়ে গাছের ডাল বানাতে হবে এবং তেজপাতা আর এলাচ দিয়ে গাছের পাতা আর ফলের মত বানাতে হবে। সেই গাছের ডালে, বানানো পাখিটা আঠা দিয়ে লাগাতে হবে। পাখির ঠোঁট হিসেবে লাল শুকনো মরিচ কেটে আঠা দিয়ে বসাতে হবে। শুকনো মরিচের বিচ দিয়ে চোখ বানাতে হবে। পাখির পা হিসেবে দুইটি লং ব্যবহার করতে হবে। ব্যস হয়ে গেল খুব সহজেই মসলাপাতি দিয়ে পাখির ক্র্যাফট।

গ্রীষ্মের ছুটি বা যেকোনো ঋতুতে বাইরে বের হলে দেখা যায়, কেউ কেউ মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন, অথচ তাঁর পাশে থাকা অন্য মানুষটিকে মশা পাত্তাই দিচ্ছে না। অনেকেই রসিকতা করে বলেন, নির্দিষ্ট কোনো মানুষের রক্ত হয়তো বেশি ‘মিষ্টি’, আর সে কারণেই মশারা তাঁর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়...
৫ ঘণ্টা আগে
রাস্তার পাশের ছোট দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত রেস্তোরাঁ—বিশ্বজুড়ে মাংসের তৈরি কাবাবের কদর ও জনপ্রিয়তা নতুন কিছু নয়। কয়লার আগুনে পোড়া মাংসের ধোঁয়াটে সুবাস আর জিভে জল আনা স্বাদ ভোজনরসিকদের সব সময়ই টানে।
৭ ঘণ্টা আগে
আষাঢ়-শ্রাবণের ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার অনুভূতি যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি এর হাত ধরে আসে ঠান্ডা, সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা। বৃষ্টিতে ভেজার পর শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়, যার ফলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে।
১১ ঘণ্টা আগে
বর্ষার দিনে ঝুম বৃষ্টি হবে, এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। আর এই স্বাভাবিকতাকে মেনে নিয়েই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার সমাধান খুঁজতে হয়। বিগত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে আকাশের মুখ ভার। সূর্যের দেখা মেলা দায়। কিন্তু রোদ নেই বলে কি আর জামা-কাপড় ধোয়া থেমে থাকবে? উল্টো বৃষ্টির কাদা-পানিতে ভিজে যাওয়ার
১২ ঘণ্টা আগে