
‘খদ্দর পরে ভদ্দর লোক’ পুরোনো মানুষদের মুখে মুখে এ রকম বহু কথা শোনা যায় খাদি নিয়ে। হাতে কাটা মোটা সুতায় এক বিশেষ বুননে তৈরি খাদি বা খদ্দরের পাঞ্জাবি আর চাদর ছিল একসময়কার আভিজাত্যের অন্য নাম। সময় বদলেছে। এখন খাদি দিয়ে শুধু পাঞ্জাবি আর চাদরই তৈরি হচ্ছে না, তৈরি হচ্ছে শাড়ি, নারী, পুরুষ ও শিশুদের বিভিন্ন পোশাক, জানালার পর্দা, কুশনের কভারসহ অন্দরসজ্জার অনেক উপকরণ।
বসনে খাদি
খাদি বা খদ্দরের কাপড় তৈরি হয় সুতি সুতায়। একসময় হাতে কাটা সুতায় এটি তৈরি হলেও এখন খাদি বানানোর সুতা মেশিনে তৈরি হচ্ছে। ফলে খাদি কাপড়ের উৎপাদনও বেড়ে গেছে বহুগুণ। স্বস্তি নিয়ে বলাই যায়, সুতি হওয়ায় খদ্দরে আরাম মেলে ভারী। যার কারণে বয়স্কদের পাশাপাশি তরুণেরাও এখন খাদির পোশাকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।
নারীদের চলতি ফ্যাশনে খাদি একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। থ্রি-পিস, কুর্তি, ট্রাউজার, কটি, ওড়না—এগুলো তো বটেই, এখন খাদি কাপড় দিয়ে তৈরি হচ্ছে শাড়ি ও ব্লাউজ। তৈরি হচ্ছে ব্যাগ ও পার্সের মতো ফ্যাশন অনুষঙ্গও। এ ছাড়া ছেলেদের ফ্যাশনেও খাদি জনপ্রিয়। বয়স্ক বা তরুণ উভয় শ্রেণির পুরুষের কাছে খদ্দরের পাঞ্জাবি এক ধ্রুপদি বিষয়। পাঞ্জাবি ছাড়াও নীল জিনসের সঙ্গে কালো টি-শার্টের ওপর খাদির কুর্তা কিংবা খাদির শার্ট তারুণ্যের ফ্যাশনে যোগ করেছে ভিন্নমাত্রা।
বদলেছে রং
আবার সাদামাটা ধরন থেকে রঙিনও হয়েছে এখনকার খাদি। বেজ রং ছাড়াও লাল, নীল, হলুদ, সবুজসহ সব রঙেই রাঙানো হচ্ছে খদ্দরের কাপড়।
খাদির শাড়ি
তাঁতি-সংকটের কারণে হ্যান্ডলুমের কাপড় আসলে এখন তেমন হয় না। বেশির ভাগ খাদিই হচ্ছে পাওয়ারলুমে। এই প্রক্রিয়ায় ‘বিশুদ্ধ’ খাদিটা আর থাকে না। টেকসই, সহজে পরিধেয় ও আরামদায়ক হওয়ার কারণে সব বয়সী নারীরা খাদি শাড়ি বেছে নিচ্ছেন।
নান্দীপাঠের স্বত্বাধিকারী তীর্থ নান্দী খায়ের জানান, খাদি কাপড়ের বৈশিষ্ট্য় অমসৃণ ও মোটা। চরকা ঘুরিয়ে হাতে খাদির সুতা তৈরি করা হয়। বর্তমানে যে খাদি কাপড় তৈরি হচ্ছে সে কাপড়ে রয়েছে মিল এবং হাতে কাটা সুতার সমন্বয়। নান্দীপাঠের খাদির কাপড়ে টানাতে ব্যবহৃত হয় মিলের সুতা। এর পরিমাণ ৪০ শতাংশ। আর খাদি সুতার পরিমাণ ৬০ শতাংশ। সে কাপড় দেখতে একেবারে খাদি কাপড়ের টেক্সচারের মতো।
খাদির ওপর ভ্যালু অ্যাড প্রসঙ্গে তীর্থ নান্দী খায়ের বলেন, ‘খাদি শাড়ির ওপর এখন অনেকে ব্লক করছেন, সুতার কাজও হচ্ছে। আমি যেমন খাদি শাড়িতে এমব্রয়ডারির কাজ করি। এ ছাড়া শাড়ির আঁচলে জুটের কাজও থাকছে শাড়িভেদে।’
কৃষ্ণকলির স্বত্বাধিকারী শারমিন সাথী বলেন, ‘আদি খাদি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রক্রিয়ার ধরনের কারণে মিহি ও মসৃণ হয়েছে। খাদি শাড়িতে খুব বেশি ভ্যালু অ্যাড হয় না। মূলত এক রঙের প্লেইন শাড়ি বা খাদি সুতা দিয়ে স্ট্রাইপ করা হয় মাত্র। অনেক উদ্যোক্তা অবশ্য এখন ব্যক্তিগতভাবে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। ভেজিটেবল ডাই, হ্যান্ড পেইন্ট, ব্লক ও বাটিক প্রক্রিয়ায় শাড়ি হচ্ছে।’
কৃষ্ণকলিতে খাদি একরঙা শাড়ির সঙ্গে কম্বো সেট হিসেবে ম্যাচিং ব্লাউজ পাওয়া যায়। শারিমন সাথী জানান, মূলত যাঁরা কর্মজীবী নারী বা বিশেষ দিনগুলোয় শাড়ি পরতে ভালোবাসেন, তাঁরা বাজেট ফ্রেন্ডলি হিসেবে পাওয়ারলুমের খাদি শাড়িই বেছে নেন। তাই প্রতিটি খাদি শাড়ির সঙ্গেই আমরা ম্যাচিং ব্লাউজ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি যাতে নারীরা তাঁদের পছন্দসই লুক পেতে পারেন।
ঘর সাজাতে
দেশীয় ঘরানায় ঘর সাজাতে যারা ভালোবাসেন, তাঁদের অন্দরে সগর্বে জায়গা করে নিয়েছে এই খাদি। দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোয় পাওয়া যাচ্ছে খাদির ল্যাম্পশেড, বেডশিট, কুশন ও বালিশের কভার, লাঞ্চবক্স, ব্যাগ, ঝুড়ি, মাদুর, ওয়ালম্যাট এমনকি কম্বল হিসেবেও। খাদি কাপড়ে টাইডাই, এমব্রয়ডারি ও অ্যাপ্লিকের কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও ইন্ডিয়ান মোটিফের ব্যবহার হচ্ছে এখন।
কোথায় পাবেন ও দরদাম
ফ্যাশনে খাদিকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো কাজ করছে। প্রায় সব দেশীয় ফ্যাশন হাউসে এ কাপড়ে তৈরি পোশাক, বিছানার চাদর, টেবিলম্যাট, ওয়ালম্যাট, পর্দা, কুশন কভার, ব্যাগ, ডায়েরি, নোটবুক ইত্যাদি পাওয়া যাবে। পণ্যভেদে ২৫০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায় খাদি বা খদ্দরের পণ্য। পাওয়ারলুমের প্লেইন একরঙা খাদি শাড়িগুলো ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা বা এর কাছাকাছি দামের মধ্য়ে পাওয়া যায়। অন্যদিকে হ্যান্ডলুম হলে শাড়ির দাম একটু বেশি হয়। এ ছাড়া ফেসবুককেন্দ্রিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও সরবরাহ করে খাদির বিভিন্ন পোশাক ও অনুষঙ্গ।

‘খদ্দর পরে ভদ্দর লোক’ পুরোনো মানুষদের মুখে মুখে এ রকম বহু কথা শোনা যায় খাদি নিয়ে। হাতে কাটা মোটা সুতায় এক বিশেষ বুননে তৈরি খাদি বা খদ্দরের পাঞ্জাবি আর চাদর ছিল একসময়কার আভিজাত্যের অন্য নাম। সময় বদলেছে। এখন খাদি দিয়ে শুধু পাঞ্জাবি আর চাদরই তৈরি হচ্ছে না, তৈরি হচ্ছে শাড়ি, নারী, পুরুষ ও শিশুদের বিভিন্ন পোশাক, জানালার পর্দা, কুশনের কভারসহ অন্দরসজ্জার অনেক উপকরণ।
বসনে খাদি
খাদি বা খদ্দরের কাপড় তৈরি হয় সুতি সুতায়। একসময় হাতে কাটা সুতায় এটি তৈরি হলেও এখন খাদি বানানোর সুতা মেশিনে তৈরি হচ্ছে। ফলে খাদি কাপড়ের উৎপাদনও বেড়ে গেছে বহুগুণ। স্বস্তি নিয়ে বলাই যায়, সুতি হওয়ায় খদ্দরে আরাম মেলে ভারী। যার কারণে বয়স্কদের পাশাপাশি তরুণেরাও এখন খাদির পোশাকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।
নারীদের চলতি ফ্যাশনে খাদি একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। থ্রি-পিস, কুর্তি, ট্রাউজার, কটি, ওড়না—এগুলো তো বটেই, এখন খাদি কাপড় দিয়ে তৈরি হচ্ছে শাড়ি ও ব্লাউজ। তৈরি হচ্ছে ব্যাগ ও পার্সের মতো ফ্যাশন অনুষঙ্গও। এ ছাড়া ছেলেদের ফ্যাশনেও খাদি জনপ্রিয়। বয়স্ক বা তরুণ উভয় শ্রেণির পুরুষের কাছে খদ্দরের পাঞ্জাবি এক ধ্রুপদি বিষয়। পাঞ্জাবি ছাড়াও নীল জিনসের সঙ্গে কালো টি-শার্টের ওপর খাদির কুর্তা কিংবা খাদির শার্ট তারুণ্যের ফ্যাশনে যোগ করেছে ভিন্নমাত্রা।
বদলেছে রং
আবার সাদামাটা ধরন থেকে রঙিনও হয়েছে এখনকার খাদি। বেজ রং ছাড়াও লাল, নীল, হলুদ, সবুজসহ সব রঙেই রাঙানো হচ্ছে খদ্দরের কাপড়।
খাদির শাড়ি
তাঁতি-সংকটের কারণে হ্যান্ডলুমের কাপড় আসলে এখন তেমন হয় না। বেশির ভাগ খাদিই হচ্ছে পাওয়ারলুমে। এই প্রক্রিয়ায় ‘বিশুদ্ধ’ খাদিটা আর থাকে না। টেকসই, সহজে পরিধেয় ও আরামদায়ক হওয়ার কারণে সব বয়সী নারীরা খাদি শাড়ি বেছে নিচ্ছেন।
নান্দীপাঠের স্বত্বাধিকারী তীর্থ নান্দী খায়ের জানান, খাদি কাপড়ের বৈশিষ্ট্য় অমসৃণ ও মোটা। চরকা ঘুরিয়ে হাতে খাদির সুতা তৈরি করা হয়। বর্তমানে যে খাদি কাপড় তৈরি হচ্ছে সে কাপড়ে রয়েছে মিল এবং হাতে কাটা সুতার সমন্বয়। নান্দীপাঠের খাদির কাপড়ে টানাতে ব্যবহৃত হয় মিলের সুতা। এর পরিমাণ ৪০ শতাংশ। আর খাদি সুতার পরিমাণ ৬০ শতাংশ। সে কাপড় দেখতে একেবারে খাদি কাপড়ের টেক্সচারের মতো।
খাদির ওপর ভ্যালু অ্যাড প্রসঙ্গে তীর্থ নান্দী খায়ের বলেন, ‘খাদি শাড়ির ওপর এখন অনেকে ব্লক করছেন, সুতার কাজও হচ্ছে। আমি যেমন খাদি শাড়িতে এমব্রয়ডারির কাজ করি। এ ছাড়া শাড়ির আঁচলে জুটের কাজও থাকছে শাড়িভেদে।’
কৃষ্ণকলির স্বত্বাধিকারী শারমিন সাথী বলেন, ‘আদি খাদি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রক্রিয়ার ধরনের কারণে মিহি ও মসৃণ হয়েছে। খাদি শাড়িতে খুব বেশি ভ্যালু অ্যাড হয় না। মূলত এক রঙের প্লেইন শাড়ি বা খাদি সুতা দিয়ে স্ট্রাইপ করা হয় মাত্র। অনেক উদ্যোক্তা অবশ্য এখন ব্যক্তিগতভাবে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। ভেজিটেবল ডাই, হ্যান্ড পেইন্ট, ব্লক ও বাটিক প্রক্রিয়ায় শাড়ি হচ্ছে।’
কৃষ্ণকলিতে খাদি একরঙা শাড়ির সঙ্গে কম্বো সেট হিসেবে ম্যাচিং ব্লাউজ পাওয়া যায়। শারিমন সাথী জানান, মূলত যাঁরা কর্মজীবী নারী বা বিশেষ দিনগুলোয় শাড়ি পরতে ভালোবাসেন, তাঁরা বাজেট ফ্রেন্ডলি হিসেবে পাওয়ারলুমের খাদি শাড়িই বেছে নেন। তাই প্রতিটি খাদি শাড়ির সঙ্গেই আমরা ম্যাচিং ব্লাউজ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি যাতে নারীরা তাঁদের পছন্দসই লুক পেতে পারেন।
ঘর সাজাতে
দেশীয় ঘরানায় ঘর সাজাতে যারা ভালোবাসেন, তাঁদের অন্দরে সগর্বে জায়গা করে নিয়েছে এই খাদি। দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোয় পাওয়া যাচ্ছে খাদির ল্যাম্পশেড, বেডশিট, কুশন ও বালিশের কভার, লাঞ্চবক্স, ব্যাগ, ঝুড়ি, মাদুর, ওয়ালম্যাট এমনকি কম্বল হিসেবেও। খাদি কাপড়ে টাইডাই, এমব্রয়ডারি ও অ্যাপ্লিকের কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও ইন্ডিয়ান মোটিফের ব্যবহার হচ্ছে এখন।
কোথায় পাবেন ও দরদাম
ফ্যাশনে খাদিকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো কাজ করছে। প্রায় সব দেশীয় ফ্যাশন হাউসে এ কাপড়ে তৈরি পোশাক, বিছানার চাদর, টেবিলম্যাট, ওয়ালম্যাট, পর্দা, কুশন কভার, ব্যাগ, ডায়েরি, নোটবুক ইত্যাদি পাওয়া যাবে। পণ্যভেদে ২৫০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায় খাদি বা খদ্দরের পণ্য। পাওয়ারলুমের প্লেইন একরঙা খাদি শাড়িগুলো ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা বা এর কাছাকাছি দামের মধ্য়ে পাওয়া যায়। অন্যদিকে হ্যান্ডলুম হলে শাড়ির দাম একটু বেশি হয়। এ ছাড়া ফেসবুককেন্দ্রিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও সরবরাহ করে খাদির বিভিন্ন পোশাক ও অনুষঙ্গ।

ভ্রমণ জগতে কত রকমের যে গন্তব্য বা ডেস্টিনেশনের তালিকা হয় বছর ভর, তার হিসাব রাখা সত্যি অসম্ভব। পৃথিবীর সেরা ১০ গন্তব্য কিংবা পৃথিবীর সেরা নিরাপদ শহর বা দেশ অথবা পৃথিবীর সেরা পরিচ্ছন্ন দেশ ইত্যাদির তালিকা হালনাগাদ হতে থাকে বছরভর। বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং পত্রপত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিন এসব তালিকা করে থাকে...
৯ মিনিট আগে
বারো মাসই উত্তরবঙ্গের যেকোনো জেলা ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে আলাদা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। যাঁরা শীত উপভোগ করতে চান, তাঁরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারেন। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পুরো রংপুর বিভাগ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।...
২ ঘণ্টা আগে
পাখিদের কলরবে মুখরিত চারপাশ। মূল সড়ক থেকেই দেখা যাচ্ছিল পাখিদের। আমরা গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম পাখিদের কর্ম তৎপরতা। বেশ ভালোই লাগছিল। পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করে ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মনমতো ছবি তোলা হলো না। ড্রাইভার বললেন, আরেকটু সামনে গেলে হয়তো আরও পাখির দেখা পাওয়া যাবে...
৪ ঘণ্টা আগে
পৃথিবী এখন আর দুই বছর আগের মতো নেই। বিভিন্ন দেশে নানা মেরুকরণ চলছে। সেই সঙ্গে একদিকে চলছে অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক উত্তেজনা; অন্যদিকে বিভিন্ন দেশে চলছে ভ্রমণ থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর বিপুল আয়োজন। সে জন্য নতুন করে ভিসা শিথিলসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু করেছে তারা। ফলে নতুন বছরে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক...
৬ ঘণ্টা আগে