বড়দিনে ক্রিসমাস ট্রি থাকবে না, তা তো হয় না। একেবারে শেষ মুহূর্তেও যারা বন্ধুদের জন্য উপহার বানাওনি বা নিজের ঘরটিও সাজাওনি, তারা জলদি এদিকে এসো। রঙিন কাগজ কেটে ঝটপট বানিয়ে ফেল ক্রিসমাস ট্রি।
যা যা লাগবে
চলো বানাই
প্রথমে সবুজ রঙের কাগজ দুই ভাঁজ করে নাও। ক্রিসমাস ট্রি যে আকারের বানাবে সে আকারে কেটে নিতে পার ভাঁজ করার আগে।
এবার ভাঁজ করা কাগজের একপাশে জিগজ্যাগ করে আঁকো ক্রিসমাস ট্রির একটি পাশ। ঠিক ডাইনোসরের পিঠে যেমন কাঁটা থাকে, সেভাবে আঁকবে কিন্তু!
এবার ভাঁজটা খুলে দাও। এইতো হয়ে গেল ক্রিসমাস ট্রি।
এবার লাল রঙের কাগজ তিন কোনা করে কেটে আইকা দিয়ে বসিয়ে দাও ক্রিসমাস ট্রির ওপর। এইতো ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর কাজটিও হয়ে গেল।
এবার এই ক্রিসমাস ট্রি বোথ সাইডেড স্কচটেপ দিয়ে দরজায়, দেয়ালে, জানালার কাচে লাগিয়ে দিতে পার। আবার সাদা কাগজ ভাঁজ করে কার্ড বানিয়ে তার ওপরও জুড়ে দিতে পার। আর দিতে পার বন্ধুদের।

গ্রীষ্মের ছুটি বা যেকোনো ঋতুতে বাইরে বের হলে দেখা যায়, কেউ কেউ মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন, অথচ তাঁর পাশে থাকা অন্য মানুষটিকে মশা পাত্তাই দিচ্ছে না। অনেকেই রসিকতা করে বলেন, নির্দিষ্ট কোনো মানুষের রক্ত হয়তো বেশি ‘মিষ্টি’, আর সে কারণেই মশারা তাঁর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়...
৫ ঘণ্টা আগে
রাস্তার পাশের ছোট দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত রেস্তোরাঁ—বিশ্বজুড়ে মাংসের তৈরি কাবাবের কদর ও জনপ্রিয়তা নতুন কিছু নয়। কয়লার আগুনে পোড়া মাংসের ধোঁয়াটে সুবাস আর জিভে জল আনা স্বাদ ভোজনরসিকদের সব সময়ই টানে।
৭ ঘণ্টা আগে
আষাঢ়-শ্রাবণের ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার অনুভূতি যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি এর হাত ধরে আসে ঠান্ডা, সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা। বৃষ্টিতে ভেজার পর শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়, যার ফলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে।
১১ ঘণ্টা আগে
বর্ষার দিনে ঝুম বৃষ্টি হবে, এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। আর এই স্বাভাবিকতাকে মেনে নিয়েই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার সমাধান খুঁজতে হয়। বিগত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে আকাশের মুখ ভার। সূর্যের দেখা মেলা দায়। কিন্তু রোদ নেই বলে কি আর জামা-কাপড় ধোয়া থেমে থাকবে? উল্টো বৃষ্টির কাদা-পানিতে ভিজে যাওয়ার
১২ ঘণ্টা আগে