
চুলের যত্নে আমরা শ্যাম্পু ব্যবহারের ওপর যতটা গুরুত্ব দিই, কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঠিক ততটাই উদাসীন। অথচ স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও রেশমি চুল পেতে কন্ডিশনারের ভূমিকা অপরিসীম। শ্যাম্পু কেবল মাথার ত্বক ও চুলের ময়লা পরিষ্কার করে, আর কন্ডিশনার চুলকে করে নরম, উজ্জ্বল ও জটমুক্ত। তবে অনেকে কন্ডিশনার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম না জানায় কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। জেনে নিন কন্ডিশনার ব্যবহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
শ্যাম্পু করার সময় আমাদের চুল কিছুটা রুক্ষ হয়ে যায়। কন্ডিশনার সেই রুক্ষতা দূর করে চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও পুষ্টি ফিরিয়ে আনে। এটি চুলের ওপর একটি সুরক্ষাকবচ তৈরি করে, যা বাইরের ধুলোবালি, কড়া রোদ ও পরিবেশের দূষণ থেকে চুল রক্ষা করে। নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুলের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ে, যা চুলের আগা ফাটা ও জট ধরার সমস্যা কমায়। এ ছাড়া এটি চুলের পিএইচ ভারসাম্য রক্ষা করে চুলকে রেশমি ও উজ্জ্বল রাখে; বিশেষ করে যাদের চুল রুক্ষ এবং সহজে জট পাকিয়ে যায়, তাদের জন্য কন্ডিশনার ব্যবহারের ফলে চিরুনি দিয়ে আঁচড়ানোর সময় চুল ছিঁড়ে যাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে। ফলে চুল দীর্ঘ মেয়াদে ঘন ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকে।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কন্ডিশনার আসলে কখন ব্যবহার করা ভালো? উত্তরে কসমেটোলজিস্ট ও শোভন মেকওভারের স্বত্বাধিকারী শোভন সাহা বলেন, ‘সব সময় শ্যাম্পু করার পর এটি ব্যবহার করবেন। পরিষ্কার চুলে কন্ডিশনারের পুষ্টিগুণ দ্রুত শোষিত হয়। তৈলাক্ত বা ময়লা চুলে এটি ব্যবহার করলে চুল উল্টো চটচটে হয়ে যেতে পারে।’
শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই চুল থেকে বাড়তি পানি আলতো করে চিপে নিতে হবে। চুল খুব বেশি ভেজা থাকলে কন্ডিশনার চুলে না বসে গড়িয়ে পড়তে পারে। চুল যেন হালকা ভেজা থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
শোভন সাহা জানান, কন্ডিশনার ব্যবহারের সবচেয়ে বড় ভুল হলো এটি মাথার ত্বকে বা স্ক্যাল্পে ব্যবহার করা। মনে রাখবেন, কন্ডিশনারের কাজ হলো চুলের দৈর্ঘ্যের যত্ন নেওয়া। তাই কানের পাশ থেকে শুরু করে চুলের শেষ ডগা প্রান্ত পর্যন্ত এটি লাগান। চুলের নিচের অংশ সবচেয়ে বেশি রুক্ষ থাকে, তাই সেখানে বেশি গুরুত্ব দিন।

কন্ডিশনার লাগিয়ে অল্প সময় পরেই ধুয়ে ফেলবেন না। কার্যকর ফল পেতে অন্তত ৫ মিনিট সময় দিন। এই সময়ের মধ্যে উপাদানগুলো চুলের প্রতিটি স্তরে পৌঁছাতে পারে, যা চুলকে জটমুক্ত করতে সাহায্য করে।
অতিরিক্ত ব্যবহার: চুলের ঘনত্ব অনুযায়ী পরিমিত কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। প্রয়োজনের বেশি ব্যবহার করলে চুল ভারী ও নেতিয়ে যেতে পারে।
গরম পানির ব্যবহার: কন্ডিশনার ধোয়ার সময় কখনোই খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না। হালকা কুসুম গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন। এতে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে।
স্ক্যাল্প এড়িয়ে চলুন: কন্ডিশনার কখনোই মাথার তালুতে লাগাবেন না। এতে তালু তৈলাক্ত হয়ে খুশকি বা চুল পড়ার সমস্যা হতে পারে।
চুলের ধরন বুঝে কন্ডিশনার বেছে নেওয়া জরুরি। আপনার চুল যদি পাতলা বা সোজা হয়, তবে লাইটওয়েট বা হালকা ফর্মুলার কন্ডিশনার বেছে নিন। অন্যদিকে কোঁকড়া চুলের জন্য একটু ভারী ও বেশি ময়শ্চারাইজার সমৃদ্ধ কন্ডিশনার ভালো কাজ করে।
মনে রাখবেন, সুন্দর ও প্রাণবন্ত চুল পেতে দরকার নিয়মিত যত্ন। প্রতিদিনের ব্যস্ততায় কন্ডিশনারের জন্য বাড়তি কয়েক মিনিট ব্যয় করলে দীর্ঘ মেয়াদে চুল থাকবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। সঠিক নিয়ম মেনে আজই চুলের যত্ন শুরু করুন।
সূত্র: ফেমিনা ও অন্যান্য

নতুন মা-বাবা হওয়ার পর যখন নিজের চারপাশের অন্য অভিভাবকদের দেখেন, তখন মনে হতে পারে সবাই কত সুন্দর গুছিয়ে সব সামলাচ্ছেন। এদিকে নিজের অবস্থা দেখে মনে হয়, আপনি বোধ হয় কিছুই ঠিকঠাক পারছেন না। কিন্তু আসল সত্যিটা হলো, প্রত্যেক অভিভাবকেরই কিছু নিজস্ব গোপনীয়তা এবং শর্টকাট আছে।
২ ঘণ্টা আগে
সকালে হয়তো এক কাপ চা না পেয়ে আপনার মনে হবে পৃথিবীটা বড়ই নিষ্ঠুর। বসের সামান্য ফিডব্যাককেও আপনার মনে হতে পারে শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজেডি। কর্মক্ষেত্রে আজ আপনার উদ্ভাবনী শক্তি বাড়বে, তবে সেটা যদি বসের ভুল ধরার কাজে লাগে, তবে বিপদ!
৪ ঘণ্টা আগে
বাড়িতে কই মাছ থাকলে এবার একটু ভিন্নভাবে রান্না করে দেখতে পারেন। আপনাদের জন্য কই মাছ দিয়ে থানকুনিপাতার শুক্তোর রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৬ ঘণ্টা আগে
আমাদের প্রত্যেকের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয় সবকিছু ছেড়ে-ছুড়ে দিয়ে চলে যায়। এমন অনেক কথা থাকে, যেগুলো জমতে জমতে ভেতরেই কথার পাহাড় হয়ে যায়। অনেক সময় মনে হয় জোরে একটা চিৎকার দিই। এমন হয়ে থাকলে আজ চিৎকার দিয়েই ফেলুন। কারণ, আজ চিৎকার দিবস। কর্মক্ষেত্রের চাপ, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন কিংবা
১৯ ঘণ্টা আগে