প্রশ্ন: আমার ঘাড়ে ছোপ ছোপ অনেক দাগ পড়েছে। এ কারণে চওড়া গলার জামা ও ব্লাউজ পরতে পারি না। পরতের মতো এই কালো দাগ দূর করতে কী করতে পারি?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা
ত্বক পুরু হলে এ ধরনের দাগ থাকতে পারে। হরমোনাল সমস্যা হলে বা ওবিসিটি থাকলে এ ধরনের সমস্যায় অনেকে ভোগেন। এ জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সমস্যার সমাধান এবং ওজন কমাতে হবে। আর কালো দাগ দূর করার জন্য ভালো স্যালন বা পারলারে গিয়ে হোয়াইটেনিং ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন। এ ছাড়া বাড়িতে প্রতিদিন স্ক্র্যাবিং করতে হবে। স্ক্র্যাবিংয়ে বাথসল্ট ব্যবহার করতে পারেন। বাথসল্ট ত্বকের কালো দাগ দূর করতে খুব ভালো কাজ করে।
প্রশ্ন: ত্বক কোমল ও মসৃণ রাখতে কীভাবে যত্ন নিলে উপকার পাব?
নীলা আক্তার, পটুয়াখালী
ত্বকের কোমলতায় প্রতিদিন রাতে ও সকালে ডাবল ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে অয়েল ও পরে ফোম ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে। এতে করে ত্বকের গভীর থেকে ময়লা ও অতিরিক্ত তেল সরে যায়। পরিচ্ছন্নতার পর সেরাম ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া ১৫ দিন পর পর বা মাসে একবার ভালো কোনো স্যালন থেকে ফেশিয়াল করে নিতে হবে। আর বাইরে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
আপনার ত্বক, চুলসহ সৌন্দর্য বিষয়ে যেকোনো প্রশ্ন পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে। বিশেষজ্ঞরা সেসব প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
পরামর্শ দিয়েছেন: শারমিন কচি, রূপবিশেষজ্ঞ ও বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ারের স্বত্বাধিকারী

বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষ। দিনটি ঘিরে কত পরিকল্পনা, কত-না আয়োজন! পরিকল্পনার অনেকটা জুড়েই রয়েছে পোশাক ও বিভিন্ন অনুষঙ্গ। এখন নববর্ষ উৎসবের ফ্যাশনে আইকনে পরিণত হয়েছে গামছা প্রিন্ট বা গামছা ডিজাইনের নকশা করা পোশাক ও অনুষঙ্গ।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলা স্বাদ! এটি শুনে অনেকে ফিক করে হেসে ফেলেন। আছে নাকি বাংলার স্বাদ? মধুমাস শেষ। আজ থেকে শুরু গ্রীষ্মকাল—প্রখর রুদ্র গ্রীষ্ম। এ সময় নাকি খাবারে বৈচিত্র্য থাকে না। সে জন্যই প্রাচীন বাংলায় গড়ে উঠেছিল ‘থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়’ নামের প্রবাদটি।
৬ ঘণ্টা আগে
আপনার অধিপতি মঙ্গল আজ তুঙ্গে, তাই সকাল থেকেই আপনার মধ্যে ‘বিপ্লবী’ ভাব দেখা দেবে। হয়তো পাঞ্জাবি পরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনে মনে ভাববেন, ‘আজ আমিই বাংলার নবাব’। কিন্তু বাস্তবতা হলো, গিন্নি বা মায়ের নির্দেশে পান্তা ভাতের জন্য কাঁচালঙ্কা ডলে আপনার হাত জ্বলে যাওয়ার প্রবল যোগ আছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কথায় কথায় আমরা বলি, আমাদের নিজস্ব পানীয় নেই। কিন্তু এই গ্রীষ্মের জন্য নিজস্ব পানীয় আছে। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে সেগুলোর উল্লেখ পাওয়া যায় কখনো ‘আমের পানা’ কিংবা কখনো ‘বেলের পানা’ নামে। মূলত ‘পানা’ শব্দটি দিয়ে পানীয় বোঝানো হতো।
৬ ঘণ্টা আগে