
চরিত্র বুঝে ফিটনেস
সময় নির্ধারণ করে দেয় ফিটনেস রুটিন। আরিফিন শুভ কখন কোন চরিত্রে অভিনয় করছেন রুটিন নির্ভর করছে তার ওপর। আসলে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে তাঁর অভিনীত চরিত্রের অবয়বগত বৈশিষ্ট্য। সে চরিত্রের ভিত্তিতেই শুভ সিদ্ধান্ত নেন, কখন রোগা-পাতলা বা লিকলিকে আর কখন পেশিবহুল হতে হবে। তাই ব্যায়ামের রুটিনও এসব বিষয়ের ওপর নির্ধারিত হয়।
‘আসলে আমাদের মাসল সব মেমোরি রেকর্ড করে রাখে। আমরা যারা দৈনন্দিন জীবনে শরীরচর্চা ও স্পোর্টসের সঙ্গে জড়িত, তাদের এটা ভেতরেই থেকে যায়।’ বলেন আরিফিন শুভ।
স্ট্রেচিং ও মেডিটেশন
শুভ যোগব্যায়াম তেমন একটা করেন না। তবে স্ট্রেচিং ও নিয়মিত মেডিটেশন করেন।
জিম নাকি ফ্রি হ্যান্ড
জিমে যাবেন নাকি ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করবেন, সেটা নির্ভর করে তিনি কোথায় আছেন তার ওপর। শুভ জানান, যাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাঁরা এই দুটি জিনিসই সমানভাবে মেনে চলেন। কারণ, একটি অন্যটির সঙ্গে জড়িত।
সকালে ঘুম ভাঙার পর
সকালে ঘুম ভেঙেই নিয়ম মেনে তেমন কিছুই করেন না বলে জানান শুভ। তবে ঘুম থেকে উঠে তোকমা ভেজানো পানি পান করেন।
শরীর ডিটক্স রাখতে
‘আমার কোনো ধরনের আসক্তি নেই। তাই আলাদা করে ডিটক্স করার প্রয়োজন পড়ে না।’ বলেছেন শুভ। তবে তিনি মাংস ও তৈলাক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলেন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করেন। নিয়মিত প্রায় ৪ লিটার পানি পানের চেষ্টা করেন। তাই শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমলেও তা অনেকটাই অপসারণ হয়ে যায় বলে মনে করেন তিনি।
ত্বক সুন্দর রাখতে
ত্বক সুন্দর ও সুস্থ রাখতে খুব নিয়ম মেনে তেমন কিছুই করেন না শুভ। তবে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার রাখেন এবং ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করেন।
ঘুমের রুটিন
পর্যাপ্ত ঘুমের বিষয়টিকে ভীষণ গুরুত্ব দেন। শুভ বলেন, ‘আমি খুব তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করি। আবার সকালে ঘুম থেকে ওঠারও চেষ্টা করি। আমি আসলে যাঁদের সঙ্গে কাজ করি, তাঁরা এটা ভালো করেই জানেন, আমি ১২ ঘণ্টার বেশি কাজ করি না। এটা বলেই আমি চুক্তিবদ্ধ হই। যদিও আমাদের দেশের বাস্তবতায় এটা সব সময় হয়ে ওঠে না। তবে চেষ্টা করি ঘুমের রুটিনটা ঠিক রাখার।’
সুস্থ ও সুন্দর থাকতে জিম, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ,স্ট্রেচিং ও নিয়মিত মেডিটেশন করেন।
ফিটনেস বিষয়ে পরামর্শ
বিশৃঙ্খল জীবনযাপন শরীর ফিট রাখতে পারে না। শুভ বলেন, ‘ফিটনেস জিমে হয় না। ফিটনেসের প্রথম মন্ত্র হলো নিজের সঙ্গে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া। আর প্রথম শর্ত হলো শৃঙ্খলা। এ ব্যাপারটা এক দিনে আসে না। শরীরচর্চার পাশাপাশি বিশ্রাম তথা ঘুম সমান গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা শরীরচর্চা করে যদি
সঠিক জীবনযাপন না করেন, তাহলে লাভ নেই।’
সিক্স প্যাকের শুভ থেকে অপু
‘ব্ল্যাক ওয়ার’ চলচ্চিত্রে আরিফিন শুভকে দেখা গেছে সিক্স প্যাকে। কিন্তু ‘উনিশ ২০’-এ তাঁকে দেখা গেছে সাধারণ একজন মানুষ হিসেবে। এই বডি ফরমেশনের বিষয়টি দারুণ। শুভ বলেন, ‘আমি আসলে প্রতিটা চরিত্রের জন্য একটা টাইম নিই। আমি এক ধরনের চরিত্রে একটানা কাজ করি না। তাই আমার প্রতিটি চরিত্রের জন্য আলাদা প্রস্তুতি থাকে।’
‘উনিশ ২০’-এ যেমন সাড়া
আরিফিন শুভ এককথায় বললেন, ‘বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।’

চরিত্র বুঝে ফিটনেস
সময় নির্ধারণ করে দেয় ফিটনেস রুটিন। আরিফিন শুভ কখন কোন চরিত্রে অভিনয় করছেন রুটিন নির্ভর করছে তার ওপর। আসলে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে তাঁর অভিনীত চরিত্রের অবয়বগত বৈশিষ্ট্য। সে চরিত্রের ভিত্তিতেই শুভ সিদ্ধান্ত নেন, কখন রোগা-পাতলা বা লিকলিকে আর কখন পেশিবহুল হতে হবে। তাই ব্যায়ামের রুটিনও এসব বিষয়ের ওপর নির্ধারিত হয়।
‘আসলে আমাদের মাসল সব মেমোরি রেকর্ড করে রাখে। আমরা যারা দৈনন্দিন জীবনে শরীরচর্চা ও স্পোর্টসের সঙ্গে জড়িত, তাদের এটা ভেতরেই থেকে যায়।’ বলেন আরিফিন শুভ।
স্ট্রেচিং ও মেডিটেশন
শুভ যোগব্যায়াম তেমন একটা করেন না। তবে স্ট্রেচিং ও নিয়মিত মেডিটেশন করেন।
জিম নাকি ফ্রি হ্যান্ড
জিমে যাবেন নাকি ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করবেন, সেটা নির্ভর করে তিনি কোথায় আছেন তার ওপর। শুভ জানান, যাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাঁরা এই দুটি জিনিসই সমানভাবে মেনে চলেন। কারণ, একটি অন্যটির সঙ্গে জড়িত।
সকালে ঘুম ভাঙার পর
সকালে ঘুম ভেঙেই নিয়ম মেনে তেমন কিছুই করেন না বলে জানান শুভ। তবে ঘুম থেকে উঠে তোকমা ভেজানো পানি পান করেন।
শরীর ডিটক্স রাখতে
‘আমার কোনো ধরনের আসক্তি নেই। তাই আলাদা করে ডিটক্স করার প্রয়োজন পড়ে না।’ বলেছেন শুভ। তবে তিনি মাংস ও তৈলাক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলেন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করেন। নিয়মিত প্রায় ৪ লিটার পানি পানের চেষ্টা করেন। তাই শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমলেও তা অনেকটাই অপসারণ হয়ে যায় বলে মনে করেন তিনি।
ত্বক সুন্দর রাখতে
ত্বক সুন্দর ও সুস্থ রাখতে খুব নিয়ম মেনে তেমন কিছুই করেন না শুভ। তবে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার রাখেন এবং ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করেন।
ঘুমের রুটিন
পর্যাপ্ত ঘুমের বিষয়টিকে ভীষণ গুরুত্ব দেন। শুভ বলেন, ‘আমি খুব তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করি। আবার সকালে ঘুম থেকে ওঠারও চেষ্টা করি। আমি আসলে যাঁদের সঙ্গে কাজ করি, তাঁরা এটা ভালো করেই জানেন, আমি ১২ ঘণ্টার বেশি কাজ করি না। এটা বলেই আমি চুক্তিবদ্ধ হই। যদিও আমাদের দেশের বাস্তবতায় এটা সব সময় হয়ে ওঠে না। তবে চেষ্টা করি ঘুমের রুটিনটা ঠিক রাখার।’
সুস্থ ও সুন্দর থাকতে জিম, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ,স্ট্রেচিং ও নিয়মিত মেডিটেশন করেন।
ফিটনেস বিষয়ে পরামর্শ
বিশৃঙ্খল জীবনযাপন শরীর ফিট রাখতে পারে না। শুভ বলেন, ‘ফিটনেস জিমে হয় না। ফিটনেসের প্রথম মন্ত্র হলো নিজের সঙ্গে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া। আর প্রথম শর্ত হলো শৃঙ্খলা। এ ব্যাপারটা এক দিনে আসে না। শরীরচর্চার পাশাপাশি বিশ্রাম তথা ঘুম সমান গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা শরীরচর্চা করে যদি
সঠিক জীবনযাপন না করেন, তাহলে লাভ নেই।’
সিক্স প্যাকের শুভ থেকে অপু
‘ব্ল্যাক ওয়ার’ চলচ্চিত্রে আরিফিন শুভকে দেখা গেছে সিক্স প্যাকে। কিন্তু ‘উনিশ ২০’-এ তাঁকে দেখা গেছে সাধারণ একজন মানুষ হিসেবে। এই বডি ফরমেশনের বিষয়টি দারুণ। শুভ বলেন, ‘আমি আসলে প্রতিটা চরিত্রের জন্য একটা টাইম নিই। আমি এক ধরনের চরিত্রে একটানা কাজ করি না। তাই আমার প্রতিটি চরিত্রের জন্য আলাদা প্রস্তুতি থাকে।’
‘উনিশ ২০’-এ যেমন সাড়া
আরিফিন শুভ এককথায় বললেন, ‘বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।’

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
৮ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১০ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১৪ ঘণ্টা আগে