মন্টি বৈষ্ণব, ঢাকা

শৈশব থেকে সেলাইয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। স্কুলে সেলাইয়ের কাজ জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে হাতেখড়ি। তারপর দীর্ঘ সময় কেটে গেছে। পরিণত বয়সে বিচারক হয়েছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শৈশবে শেখা কাজ গেছে হারিয়ে। অনেক অনেক দিন পরে, একটা অখণ্ড অবসর সাদিয়া সুলতানাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যায় শৈশবে।
সাদিয়া গত বছর লকডাউনের সময় মনের অস্থিরতা কাটাতে শুরু করেন সুই-সুতার কাজ।
অনলাইনে হুপ আর্ট সম্পর্কে জানার পর আগ্রহ বেড়ে যায় তাঁর। সুই-সুতায় ফ্রিদা কাহলোর ‘সেলফ পোর্ট্রেট উইথ থর্ন নেকলেস অ্যান্ড হামিংবার্ড’ তৈরি করে ফেললেন। সাদিয়া বলেন, ‘প্রতিভাবান ফ্রিদার এই শিল্পকর্ম মনের মতো করে করতে চেয়েছি। যতক্ষণ না করতে পেরেছি, ততক্ষণ পর্যন্ত সেলাইয়ের ফোঁড় বহুবার পরিবর্তন করেছি। করার পর বুঝতে পারলাম, মনের অস্থিরতা আগের তুলনায় অনেকটা কমেছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেলাইয়ের ছবি প্রকাশ করায় বন্ধুবান্ধবের অনেক প্রশংসা পেয়েছেন। অনেকে তাঁকে উদ্যোক্তা হওয়ার পাশাপাশি সুচিকর্মের প্রদর্শনীরও আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আপাতত তিনি এসব নিয়ে ভাবছেন না।
সোনালী ব্যাংকে কর্মরত নন্দিতা বৈষ্ণব গত বছরের নভেম্বরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আইসোলেশনের সময়টা কাজে লাগাতে করতে শুরু করেন হুপ আর্ট। তাঁর নিজের একটি জামার নকশায় ত্রুটি ছিল। পরতে পারছিলেন না বলে ওই জামার ওপরেই সুই-সুতায় ফুটিয়ে তোলেন নকশা। এরপর প্যাঁচার অবয়ব তোলার চেষ্টা করেন।
নন্দিতা বলেন, ‘জীবনে প্রথম যে স্টিচ করেছি সেটা হলো “বোতাম ফোঁড়”। ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি, বাড়ির বড়রা নিজেদের সেলাইয়ের কাজ করতেন। সেগুলো দেখে দেখে কিছুটা শেখা। কিন্তু সেসব শেখা কখনো কাজ হয়ে ওঠেনি।’ তখন কাজ হয়ে না উঠলেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় থাকার সময় সেটি কাজে লেগেছে বেশ।
পেশায় ব্যাংকার বলে সেভাবে হুপ আর্টে সময় দিতে পারেন না নন্দিতা। সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোয় ঘরের কাজের ফাঁকে হুপ আর্ট করেন। ৩ থেকে শুরু করে ১২ ইঞ্চি হুপে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর গত কয়েক মাসে। ছোট ক্যানভাসে যা ইচ্ছে তা-ই আঁকেন। তারপর বাঁধাই করে দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন। ভবিষ্যতে কয়েকটা সিরিজ কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে নন্দিতার। হুপে পোর্ট্রেট স্কেচ তৈরি করতে চান তিনি।
নন্দিতা বৈষ্ণব আর সাদিয়া সুলতানা দুজনই হুপ আর্টের কাজ শুরু করেন করোনাকালে। ঘরবন্দী সময়টাকে কাজে লাগিয়ে সুই-সুতা দিয়ে হুপ আর্টের মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে প্রকাশ করতে পারেন। বন্দী সময়গুলো করে তুলতে পারেন রঙিন আর অর্থবহ। এতে সময়টাও যেমন ভালো কাটবে, তেমনি মানসিকভাবেও থাকতে পারবেন ঝরঝরে।
সাধারণভাবে সেলাইয়ের কাজে যে ধরনের ফ্রেম ব্যবহার করা হয়, সেটাই আসলে হুপ। সেলাই শেষে নতুন কোনো কাজের জন্য ফ্রেমটা তুলে রাখা হয়। আর ফ্রেমে পুরো একটা কাজ তুলে সেই কাজকে হুপেই আটকে দেয়ালচিত্র হিসেবে প্রদর্শনের উপযোগী করে তোলাটাই হুপ আর্ট।

শৈশব থেকে সেলাইয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। স্কুলে সেলাইয়ের কাজ জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে হাতেখড়ি। তারপর দীর্ঘ সময় কেটে গেছে। পরিণত বয়সে বিচারক হয়েছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শৈশবে শেখা কাজ গেছে হারিয়ে। অনেক অনেক দিন পরে, একটা অখণ্ড অবসর সাদিয়া সুলতানাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যায় শৈশবে।
সাদিয়া গত বছর লকডাউনের সময় মনের অস্থিরতা কাটাতে শুরু করেন সুই-সুতার কাজ।
অনলাইনে হুপ আর্ট সম্পর্কে জানার পর আগ্রহ বেড়ে যায় তাঁর। সুই-সুতায় ফ্রিদা কাহলোর ‘সেলফ পোর্ট্রেট উইথ থর্ন নেকলেস অ্যান্ড হামিংবার্ড’ তৈরি করে ফেললেন। সাদিয়া বলেন, ‘প্রতিভাবান ফ্রিদার এই শিল্পকর্ম মনের মতো করে করতে চেয়েছি। যতক্ষণ না করতে পেরেছি, ততক্ষণ পর্যন্ত সেলাইয়ের ফোঁড় বহুবার পরিবর্তন করেছি। করার পর বুঝতে পারলাম, মনের অস্থিরতা আগের তুলনায় অনেকটা কমেছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেলাইয়ের ছবি প্রকাশ করায় বন্ধুবান্ধবের অনেক প্রশংসা পেয়েছেন। অনেকে তাঁকে উদ্যোক্তা হওয়ার পাশাপাশি সুচিকর্মের প্রদর্শনীরও আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আপাতত তিনি এসব নিয়ে ভাবছেন না।
সোনালী ব্যাংকে কর্মরত নন্দিতা বৈষ্ণব গত বছরের নভেম্বরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আইসোলেশনের সময়টা কাজে লাগাতে করতে শুরু করেন হুপ আর্ট। তাঁর নিজের একটি জামার নকশায় ত্রুটি ছিল। পরতে পারছিলেন না বলে ওই জামার ওপরেই সুই-সুতায় ফুটিয়ে তোলেন নকশা। এরপর প্যাঁচার অবয়ব তোলার চেষ্টা করেন।
নন্দিতা বলেন, ‘জীবনে প্রথম যে স্টিচ করেছি সেটা হলো “বোতাম ফোঁড়”। ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি, বাড়ির বড়রা নিজেদের সেলাইয়ের কাজ করতেন। সেগুলো দেখে দেখে কিছুটা শেখা। কিন্তু সেসব শেখা কখনো কাজ হয়ে ওঠেনি।’ তখন কাজ হয়ে না উঠলেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় থাকার সময় সেটি কাজে লেগেছে বেশ।
পেশায় ব্যাংকার বলে সেভাবে হুপ আর্টে সময় দিতে পারেন না নন্দিতা। সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোয় ঘরের কাজের ফাঁকে হুপ আর্ট করেন। ৩ থেকে শুরু করে ১২ ইঞ্চি হুপে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর গত কয়েক মাসে। ছোট ক্যানভাসে যা ইচ্ছে তা-ই আঁকেন। তারপর বাঁধাই করে দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন। ভবিষ্যতে কয়েকটা সিরিজ কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে নন্দিতার। হুপে পোর্ট্রেট স্কেচ তৈরি করতে চান তিনি।
নন্দিতা বৈষ্ণব আর সাদিয়া সুলতানা দুজনই হুপ আর্টের কাজ শুরু করেন করোনাকালে। ঘরবন্দী সময়টাকে কাজে লাগিয়ে সুই-সুতা দিয়ে হুপ আর্টের মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে প্রকাশ করতে পারেন। বন্দী সময়গুলো করে তুলতে পারেন রঙিন আর অর্থবহ। এতে সময়টাও যেমন ভালো কাটবে, তেমনি মানসিকভাবেও থাকতে পারবেন ঝরঝরে।
সাধারণভাবে সেলাইয়ের কাজে যে ধরনের ফ্রেম ব্যবহার করা হয়, সেটাই আসলে হুপ। সেলাই শেষে নতুন কোনো কাজের জন্য ফ্রেমটা তুলে রাখা হয়। আর ফ্রেমে পুরো একটা কাজ তুলে সেই কাজকে হুপেই আটকে দেয়ালচিত্র হিসেবে প্রদর্শনের উপযোগী করে তোলাটাই হুপ আর্ট।

কর্মস্থলে জেনারেশন জেড (জেন জি)-দের নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা যায় বিস্তর। দীর্ঘদিন ধরে যে নিয়মে কর্মস্থলের কর্মীরা চলে আসছেন সেসব যেন সহজে মেনে নিতে পারেন না জেন-জি কর্মীরা। অনেকে জেন-জি প্রজন্মকে ‘চাকরির অযোগ্য’ বলেও অভিহিত করেন। এদিকে নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, জেন-জিরা চাকরিকে ‘দীর্ঘমেয়াদি
৯ ঘণ্টা আগে
কলা আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় খুবই পরিচিত একটি ফল। কিন্তু সমস্যা একটাই—কলা খুব দ্রুত পেকে যায়, খোসা কালচে হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। তবে একটু সচেতন হলে এবং কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে কলা প্রায় এক মাস পর্যন্ত টাটকা রাখা সম্ভব। এর মধ্যে কার্যকর ও সহজ উপায় হলো লবণপানিতে কলা ধুয়ে...
১০ ঘণ্টা আগে
বাজার চলতি কড়া রাসায়নিক উপাদানযুক্ত ডিশওয়াশিং লিকুইড দিয়ে বাসন মাজতে গিয়ে হাত আরও শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়। অনেকের তো হাতের চামড়া উঠে যাওয়া বা অ্যালার্জির মতো সমস্যাও দেখা দিতে শুরু করে। এসব সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে ডিশওয়াশিং লিকুইডের কিছু প্রাকৃতিক বিকল্প রয়েছে। সেগুলো হাত শুকিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন...
১২ ঘণ্টা আগে
যেসব বলিউড অভিনেত্রীকে আমরা আইকন মানি, তাঁদের রূপ রুটিনে চোখ রাখলে দেখা যায়, ঘরোয়া টোটকাই সেখানে রাজত্ব করছে। কৃতি শ্যাননের কথাই ধরুন। তাঁর মাখন কোমল ত্বকের রহস্য় লুকিয়ে আছে সাধারণ গ্লিসারিনের বোতলে। একটি সাক্ষাৎকারে কৃতি শ্যানন জানান, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে গ্লিসারিন। তা ছাড়া এটি...
১৪ ঘণ্টা আগে