
ল্যাপটপ বন্ধ করেছেন, রাতের খাবার শেষ। হিসাব অনুযায়ী সেই দিনের কাজ শেষ। কিন্তু কাঁধে এখনো কাজের চাপ, হাত বারবার চলে যাচ্ছে মোবাইল ফোনের দিকে আর মাথার ভেতর ঘুরছে অফিসের অসমাপ্ত কথোপকথন বা আগামীকালের কাজের তালিকা। ফলে অফিস শেষ হয়েও মনটা অফিসেই পড়ে আছে। এই দ্বিধাময় অবস্থা থেকে নিজেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে বলা হয় উইন্ড ডাউন। এর অর্থ দিনের ব্যস্ততা থেকে নিজেকে সরিয়ে এনে শরীর ও মন বিশ্রামের জন্য তৈরি করা এবং মানসিক চাপ কমিয়ে নিজের জন্য কিছু সময় বের করা।
অফিস বা পড়াশোনার ব্যস্ততা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্ক যে বিশ্রামের মুডে চলে যাবে, এমনটা সব সময় হয় না। বিশেষ করে সারা দিন স্ক্রিনের সামনে কাজ, একের পর এক নতুন নোটিফিকেশন, অনলাইন মিটিং এবং অসমাপ্ত কাজের চাপ মস্তিষ্ককে দীর্ঘ সময় সক্রিয় রাখে। বাড়ি থেকে কাজ করার ক্ষেত্রে সমস্যাটি আরও বেশি হয়। কারণ, অফিসে যাওয়ার পথে যাতায়াতের যে সময়টুকু কাজ ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে একটি হালকা বিরতি তৈরি করতে পারে, বাসা থেকে কাজ করলে সেটি থাকে না। ফলে ল্যাপটপ বন্ধ করার পরও মনের মধ্যে কাজ চলতে থাকে। কাজ শেষে ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় স্ক্রল করাকে অনেকে বিশ্রাম মনে করেন। কিন্তু খুব বেশি স্ক্রলিং ও নতুন তথ্য মস্তিষ্ককে আরও সক্রিয় করে ফেলে। ফলে কাজ শেষ করার পরেও মন শান্ত হয় না।

কাজ শেষ হওয়ার পর প্রতিদিন একই ধরনের ছোট অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। যেমন পোশাক পরিবর্তন করা, ১০ মিনিট হাঁটা, গোসল করা কিংবা ল্যাপটপ নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে দেওয়া। কাজটি কী, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেটি নিয়মিত করা। বিশেষ করে বাড়ি থেকে কাজ করলে এই ছোট রুটিনটি কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে একটি মানসিক সীমারেখা তৈরি করে।
কাজ শেষ করেই ঘরের কাজ, ই-মেইল কিংবা আগামী দিনের তালিকায় ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রয়োজন নেই। বরং প্রথম ১৫ থেকে ২০ মিনিট একটু শান্তভাবে কাটানোর চেষ্টা করুন। এক কাপ চা পান করা, বারান্দায় বসা, হালকা গান শোনা হতে পারে এই সময়ের অংশ। খুব বেশি ক্লান্ত থাকলে দিনের শুরুতেই বা সন্ধ্যার আগে অল্প সময় ঘুমিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

সারা দিন বসে কাজ করার পর শরীরেও জমে থাকে একধরনের অস্বস্তি। তাই কাজ শেষে ভারী ব্যায়াম না করে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটা বা সহজ কিছু যোগব্যায়াম করুন। এতে শরীরের জড়তা কিছুটা কাটবে এবং কাজের পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসার অনুভূতিও তৈরি হবে।
কাজের চাপ কমাতে গিয়ে অনেকেই মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করেন। কেউ আবার কাজের মেসেজ বা ই-মেইল ‘একবার দেখে নেওয়ার’ নামে আবারও কাজে ফিরে যান। দীর্ঘ সময় টিভি বা ভিডিও দেখার অভ্যাসও অনেক সময় বিশ্রামের বদলে আরও বেশি মানসিক চাপ তৈরি করে। কাজ শেষে নিজেকে সঠিক বিশ্রাম দিতে চাইলে কিছু সময়ের জন্য মোবাইল ফোন দূরে রাখা, কাজের নোটিফিকেশন বন্ধ করা এবং হালকা কোনো কাজে মন দেওয়া যেতে পারে।
সূত্র: মেক হেড ওয়ে

জনপ্রিয় ট্রাভেল ভ্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পুরস্কৃত করেছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন সালাহউদ্দীন সুমন নামে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। ‘বর্ষসেরা ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ হিসেবে তাঁকে এ পুরস্কার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আজ ৩ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর...
১১ ঘণ্টা আগে
এমন সমস্যায় কি আপনিও রয়েছেন? উৎসব এলেই গালে, কপালে, চিবুকে ব্রণের আনাগোনা দেখা দেয়? ব্রণ তাড়ানোর দুশ্চিন্তায় আবার পড়ে চোখের কোণে কালি। বিশেষ দিনে মেকআপ বসবে এই মুখের ত্বকেই। আর সেই ত্বকেই যদি সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে সাজগোজের কোনো মানেই হয় না।
১২ ঘণ্টা আগে
ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর হচ্ছে। এ সময়ের জ্বরে মুখটাও ভীষণ তেতো হয়ে উঠছে। এমন হলে ভিটামিন ‘সি’ যুক্ত টক ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এখন বাজারে আনারস, পেয়ারা ও আমড়া পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো দিয়েই মুখরোচক টক ফল মাখা তৈরি করে নিতে পারেন। কীভাবে তৈরি করবেন? রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা...
১৪ ঘণ্টা আগে
এক ছাদের নিচেই বসবাস। তবু কেউ যেন কারও মুখের দিকেও ভালোভাবে তাকান না। প্রয়োজন ছাড়া বাড়তি কোনো কথা বলা হয় না। শেষ করে মনের কথা বলেছেন, ভুলেই গেছেন। বাড়ি ফিরে দু’জনেই নিজের ফোনে ব্যস্ত। খাওয়ার সময়ও আলাদা করে ফেলেছেন। মানসিক সম্পর্কের পাশাপাশি শারীরিক সম্পর্কেও ভাটা পড়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে