
একবার কল্পনা করে দেখুন, আপনার ঘরের মানিপ্ল্যান্ট বা অন্য যেকোনো গাছ হঠাৎ টব থেকে বেরিয়ে, ঘরের চারদেয়াল ছাড়িয়ে সারিবদ্ধভাবে রাস্তায় হাঁটছে। যেন গাছের বিশাল এক শোভাযাত্রা!
বাস্তবে এমন কিছু ঘটা সম্ভব না হলেও আপনি চাইলে টেক ইওর হাউস প্ল্যান্ট অন আ ওয়াক নামের দিনটি উদ্যাপনের মাধ্যমে নিজের ইনডোর প্ল্যান্টের শোভাযাত্রা করতে পারেন। প্রতিবছরের ২৭ জুলাই দিনটি পালিত হয়। এর উদ্দেশ্য হলো, ঘরের গাছকে ভালোবাসা এবং আমাদের জীবনে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করা। একই সঙ্গে সেগুলোকে কিছু সময়ের জন্য বাইরে নিয়ে যাওয়া এবং কিছুক্ষণ সতেজ বাতাস ও পরোক্ষ সূর্যের আলো উপভোগ করার সুযোগ করে দেওয়া। এক থেকে দুই ঘণ্টা খোলা বাতাসে থাকলে গাছও পরিবেশের পরিবর্তন উপভোগ করতে পারে। যদিও দিনটির সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। তবে অনেকের মতে এটি মার্কিন অভিনেতা ও ভয়েস শিল্পী থমাস রয় এবং তাঁর স্ত্রী রুথ রয় শুরু করেছিলেন।
অনেক পোষ্যপ্রেমী আছেন, বিশেষ করে যাঁদের কুকুর বা বিড়াল আছে, প্রায়ই তাঁদের পোষা প্রাণীকে নিয়ে আশপাশের রাস্তায় বা পার্কে হাঁটতে বের হন। এতে তাঁরা যেমন হাঁটাহাঁটি করেন, তেমনি অন্যদেরও তাঁদের প্রিয় পোষ্যকে দেখান। কিন্তু যাঁরা প্রাণীর পরিবর্তে গাছ লাগাতে বা ঘরে গাছ রাখতে বেশি ভালোবাসেন, তাঁদেরও তো ইচ্ছা হতে পারে প্রিয় ইনডোর প্ল্যান্টগুলো অন্যদের দেখানোর। ঠিক সে কারণেই দিনটি পালন করা হয়। গাছপ্রেমীদের জন্য দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে।

১৬০০ সালের শেষ দিকে ঘরের ভেতরে গাছ লাগানোর অভ্যাস জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং এটি অনেকের শখে পরিণত হয়। ঘরে গাছ রাখলে সেটি শুধু আমাদের বাড়ি সুন্দর ও রঙিন করে না, এর আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে। যাঁরা নিয়মিত গাছের যত্ন নেন, গাছের সঙ্গে কথা বলেন বা ভালোবাসা দিয়ে ডালপালা ছেঁটে দেন, তাঁরা জানেন, গাছের প্রতি এই যত্ন কতটা আনন্দের। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের গাছ মানুষের মানসিক চাপ কমায়, মন ভালো রাখে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া একটি জীবন্ত গাছের যত্ন নিয়ে সেটিকে সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখতে পারাও অনেকের কাছে আনন্দ ও সাফল্যের অনুভূতি এনে দেয়।
ঘরের গাছ নিয়ে হাঁটতে বের হওয়া
সহজ উপায় হলো, আপনার ঘরের গাছ হাতে নিয়ে আশপাশে একটু হাঁটতে বের হওয়া। যাঁদের অনেক গাছ আছে, তাঁরা চাইলে একটি ছোট ট্রলি, ঠেলাগাড়ি বা হুইলব্যারো ব্যবহার করে একসঙ্গে কয়েকটি গাছ নিয়ে যেতে পারেন। স্থানীয় কোনো পার্কে গিয়ে কিছুক্ষণ বসতে পারেন। সেখানে আপনার মতো আরও গাছপ্রেমীর সঙ্গে দেখা হয়ে যেতে পারে। এতে ভালো সময় কাটবে।
গাছেরও পরিবেশ বদলানো প্রয়োজন
মানুষ যেমন নতুন পরিবেশে ভালো অনুভব করে, তেমনি ঘরের গাছও পরিবেশের পরিবর্তনে উপকার পায়। বাইরে গেলে গাছ প্রাকৃতিক সূর্যের আলো পায়, যা ঘরের কৃত্রিম আলোর চেয়ে বেশি উপকারী। অল্প সময়ের জন্য হলেও এই আলো গাছকে ভালোভাবে খাদ্য তৈরি করতে সাহায্য করে এবং গাছকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। চাইলে গাছটিকে বড় টবে লাগাতে পারেন। এতে গাছের শিকড় বাড়ার জন্য আরও জায়গা পাবে। ঘরের ভেতরের বাতাস অনেক সময় শুকনো ও ভারী হয়ে যায়, বিশেষ করে যেসব ঘরে সারাক্ষণ এসি চলে। বাইরে গেলে গাছ তাজা অক্সিজেনসমৃদ্ধ বাতাস পায়। এতে গাছের শ্বাস-প্রশ্বাস ভালো হয় এবং ছত্রাক বা ফাঙ্গাস হওয়ার ঝুঁকি কমে। এ ছাড়া হালকা বাতাস গাছের কাণ্ড মজবুত করে।
গাছে পোকা আছে কি না দেখা
গাছ বাইরে নিয়ে গেলে আপনি সেটিকে ভালোভাবে পরীক্ষা করার সুযোগ পাবেন। তখন গাছের পাতার নিচে বা মাটির মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাকড়সার মতো ছোট পোকা, এফিড বা ফাঙ্গাসের মাছি আছে কি না সহজে বোঝা যায়। শুরুতে এসব পোকা ধরা পড়লে আক্রান্ত গাছসহ অন্য গাছগুলোকেও রক্ষা করা সম্ভব হবে।
যত্ন নেওয়া
যদি গাছ হাঁটাতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আপনার কাছে অদ্ভুত মনে হয়, তাহলে অন্যভাবেও দিনটি পালন করতে পারেন। যেমন যেসব গাছের টব ছোট হয়ে গেছে, সেগুলোকে বড় টবে লাগান। সেগুলো ঘরের এমন জায়গায় রাখুন, যেখানে তার প্রয়োজন অনুযায়ী বেশি বা কম সূর্যের আলো পাবে। চাইলে আপনার প্রিয় গাছটি নিজের অফিসের ডেস্কে রাখতে পারেন। এতে আপনার কর্মস্থলও আরও সুন্দর ও প্রাণবন্ত হবে।
নিরাপদে রাখা
বাইরে নেওয়ার সময় মনে রাখবেন, বেশির ভাগ ঘরের গাছ অতিরিক্ত গরম, দুপুরের তীব্র রোদ বা জোরে বাতাসে অভ্যস্ত নয়। তাই সেগুলোকে এসব থেকে রক্ষা করতে হবে। এ ছাড়া বাইরে গেলে কুকুর, বিড়াল বা অন্য প্রাণী গাছের ক্ষতি করতে পারে। সেদিকে নজর রাখুন।
নতুন গাছ কেনা
যাঁদের এখনো কোনো ইনডোর প্ল্যান্ট নেই, তাঁদের জন্য দিনটি নতুন একটি গাছ বাড়িতে আনার আগ্রহ বাড়াতে পারে। নতুনদের জন্য সহজে যত্ন নেওয়া যায় এমন কয়েকটি গাছের মধ্যে রয়েছে গোল্ডেন পোথোস, স্পাইডার প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট ইত্যাদি। কোন গাছটি আপনার বাড়ির পরিবেশের জন্য উপযুক্ত হবে, সেটি কেনার আগে দোকানের কর্মীদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন।
আপনার ইনডোর প্ল্যান্ট বাইরে নেওয়ার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন—
সূত্র: নর্থ সোর প্ল্যান্ট ক্লাব, ভেগো গার্ডেন এবং অন্যান্য

বন্ধুত্ব উদ্যাপনের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে পোশাকের মাধ্যমে এই আত্মিক সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলার আমেজ একেবারেই ভিন্ন। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে মনের মিল থাকাটা যেমন আনন্দের, তেমনি পোশাকের স্টাইলেও যদি সেই মিল ফুটিয়ে তোলা যায়, তবে তা চমৎকার একটা বিষয় হয়। বিশেষ করে ফ্রেন্ডশিপ ডে বা বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুর
১২ ঘণ্টা আগে
ভেটকির ফিলে, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া, ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল, লেবুর রস, মরিচগুঁড়া, পেঁয়াজ গ্রেট করা ২ টেবিল চামচ, রসুন ও আদাবাটা ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল চামচ, সেদ্ধ করে কাঁটা ছাড়ানো ভেটকি মাছ আর ছোট করে কাটা চিংড়ি, গরমমসলা, জায়ফল ও জয়ত্রীগুঁড়া এক চিমটি করে, কিছু কুচানো কিশমিশ, একট
১৩ ঘণ্টা আগে
বর্ষা মানে স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র আবহাওয়া। এই সময় শুধু কাপড় কিংবা আসবাব নয়, রান্নাঘরের মসলাও তরতাজা ভাব হারায়। দেখা যায়, হলুদ, মরিচ বা ধনেগুঁড়া শক্ত হয়ে দলা বেঁধে গেছে। ফলে মসলার সুগন্ধ আর আগের মতো থাকে না। এমনকি অসাবধানতায় ছত্রাকের সংক্রমণ হয়ে যেতে পারে। মসলা ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে খুব সহজে
১৪ ঘণ্টা আগে
কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে কি না, তা চেকআপ করাতে হবে। অনেক সময় স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় এমন কালো দাগ হতে পারে। স্বাস্থ্যগত সমস্যা না হলে যেখানে কালো ছোপ রয়েছে, সেখানে বায়োহাইড্রা, পিল ইত্যাদি ব্যবহার করতে হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে