সাব্বির হোসেন

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়। ঠিক এ সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছিল জাপান শত বছর আগেই।
কাকেবো কী?
১৯০৪ সালে এক নারীর হাত ধরে জন্ম নেয় এক ব্যতিক্রমী আর্থিক দর্শন ‘কাকেবো’। শব্দটির অর্থ ‘পরিবারের হিসাবের খাতা’। আজও এটি জাপানিদের অর্থনৈতিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাকেবোর জনক জাপানের প্রথম নারী সাংবাদিক হানি মোতোকো। তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘সঞ্চয় কোনো কষ্টের বিষয় নয়; বরং তা একধরনের আনন্দ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও জীবনের ভারসাম্যের প্রতীক।’ মূলত কাকেবোতে নিজের আয়, ব্যয়, সঞ্চয় ও ভাবনাগুলো লিখে রাখা হয়। এই লেখালেখির মধ্য দিয়ে মানুষ নিজের অর্থনৈতিক আচরণকে চেনার সুযোগ পায়।
কাকেবো দর্শনের মূলকথা
কাকেবোর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ‘সঞ্চয় খরচের পরের বিষয় নয়; বরং খরচেরই অংশ।’ আমরা সাধারণত খরচ শেষে যা অবশিষ্ট থাকে, সেটিই সঞ্চয় হিসেবে ধরি। কিন্তু কাকেবো বলে প্রথমে সঞ্চয়ের পরিমাণ ঠিক করুন, তারপর খরচের পরিকল্পনা করুন।
উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার মাসিক আয় ২০,০০০ টাকা হয় এবং আপনি ২,০০০ টাকা সঞ্চয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, তাহলে বেতন হাতে পেয়েই সে টাকা আলাদা করে রাখুন। এখন আপনার হাতে থাকা ১৮,০০০ টাকাই আসল বাজেট।
এই মনস্তাত্ত্বিক ধাপটি ছোট মনে হলেও, এটি বদলে দিতে পারে আপনার অর্থ ব্যবস্থাপনার পুরো ধরন।
কাকেবো অনুসরণের পাঁচটি ধাপ
১. মাসিক আয় ও নির্দিষ্ট ব্যয় লিখে ফেলুন: বাড়িভাড়া, বাজার, বিল, স্কুল ফি, পরিবহন—এসব নির্দিষ্ট ব্যয় তালিকাভুক্ত করুন। এতে বোঝা যাবে, মাসের শুরুতে হাতে কত টাকা অবশিষ্ট থাকবে।
২. সঞ্চয়কে ধরুন ‘আবশ্যিক ব্যয়’ হিসেবে: অনেকে সঞ্চয়কে ঐচ্ছিক মনে করেন; কিন্তু কাকেবো শেখায় সঞ্চয়ও একধরনের প্রয়োজনীয় খরচ। খরচ শুরু করার আগে সঞ্চয়ের টাকা আলাদা করে রাখুন, যেন তা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার না হয়।
৩. প্রতিদিনের খরচ লিখে রাখুন: এটি কাকেবোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মোবাইল অ্যাপে নয়, কাগজে লিখুন প্রতিদিনের ব্যয়। যেমন ২ আগস্ট: কফি ২০০, বাজার ১,৫০০, বিদ্যুৎ বিল ৮০০ টাকা। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, হাতে লিখলে মস্তিষ্কে বিষয়টি বেশি স্থায়ী হয়। তাই কাকেবোতে হাতে লেখার অভ্যাসই সবচেয়ে কার্যকর।
৪. খরচকে চার শ্রেণিতে ভাগ করুন: কাকেবোতে খরচ চার বিভাগে বিভক্ত—
■ আবশ্যিক খরচ: খাবার, ভাড়া, পরিবহন, বিল ইত্যাদি।
■ ইচ্ছাধীন খরচ: বাইরে খাওয়া, শখের কেনাকাটা, ভ্রমণ।
■ সাংস্কৃতিক খরচ: বই, সিনেমা, কোর্স।
■ অপ্রত্যাশিত বা জরুরি খরচ: চিকিৎসা, উপহার, উৎসব।
এই শ্রেণিবিন্যাসের ফলে বোঝা সহজ হয়, কোথায় টাকাটা বেশি যাচ্ছে, আর কোথায় কমানো সম্ভব।
৫. মাস শেষে হিসাব পর্যালোচনা করুন: মাস শেষে খাতা খুলে দেখুন, লক্ষ্য অনুযায়ী সঞ্চয় হয়েছে কি না।
ধরা যাক, আপনার আয় ২০,০০০ টাকা, সঞ্চয়ের লক্ষ্য ২,০০০; কিন্তু খরচ হয়েছে ২০,২০০ টাকা। অর্থাৎ আপনি ২,২০০ টাকার ঘাটতিতে আছেন। এখন ভাবুন, কোথায় কাটছাঁট করা যায়, কীভাবে পরের মাসে উন্নতি সম্ভব।
কেন এখনো জনপ্রিয় কাকেবো?
আমরা ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ ও ক্রেডিট কার্ডের যুগে বাস করছি। কিন্তু এত প্রযুক্তির মধ্যেও অনেকে সঞ্চয় করতে পারেন না। কারণ প্রযুক্তি হিসাব রাখে; কিন্তু সচেতনতা সৃষ্টি করে না। কাকেবো মানুষকে শেখায় নিজের অর্থনৈতিক আচরণ নিয়ে ভাবতে, লিখতে এবং সংশোধন করতে। এ কারণে শতাব্দী পেরিয়েও কাকেবো শুধু জনপ্রিয় নয়; বরং জাপানে এটি পারিবারিক শিক্ষার অংশ।
তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্কলাইফ

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়। ঠিক এ সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছিল জাপান শত বছর আগেই।
কাকেবো কী?
১৯০৪ সালে এক নারীর হাত ধরে জন্ম নেয় এক ব্যতিক্রমী আর্থিক দর্শন ‘কাকেবো’। শব্দটির অর্থ ‘পরিবারের হিসাবের খাতা’। আজও এটি জাপানিদের অর্থনৈতিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাকেবোর জনক জাপানের প্রথম নারী সাংবাদিক হানি মোতোকো। তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘সঞ্চয় কোনো কষ্টের বিষয় নয়; বরং তা একধরনের আনন্দ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও জীবনের ভারসাম্যের প্রতীক।’ মূলত কাকেবোতে নিজের আয়, ব্যয়, সঞ্চয় ও ভাবনাগুলো লিখে রাখা হয়। এই লেখালেখির মধ্য দিয়ে মানুষ নিজের অর্থনৈতিক আচরণকে চেনার সুযোগ পায়।
কাকেবো দর্শনের মূলকথা
কাকেবোর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ‘সঞ্চয় খরচের পরের বিষয় নয়; বরং খরচেরই অংশ।’ আমরা সাধারণত খরচ শেষে যা অবশিষ্ট থাকে, সেটিই সঞ্চয় হিসেবে ধরি। কিন্তু কাকেবো বলে প্রথমে সঞ্চয়ের পরিমাণ ঠিক করুন, তারপর খরচের পরিকল্পনা করুন।
উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার মাসিক আয় ২০,০০০ টাকা হয় এবং আপনি ২,০০০ টাকা সঞ্চয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, তাহলে বেতন হাতে পেয়েই সে টাকা আলাদা করে রাখুন। এখন আপনার হাতে থাকা ১৮,০০০ টাকাই আসল বাজেট।
এই মনস্তাত্ত্বিক ধাপটি ছোট মনে হলেও, এটি বদলে দিতে পারে আপনার অর্থ ব্যবস্থাপনার পুরো ধরন।
কাকেবো অনুসরণের পাঁচটি ধাপ
১. মাসিক আয় ও নির্দিষ্ট ব্যয় লিখে ফেলুন: বাড়িভাড়া, বাজার, বিল, স্কুল ফি, পরিবহন—এসব নির্দিষ্ট ব্যয় তালিকাভুক্ত করুন। এতে বোঝা যাবে, মাসের শুরুতে হাতে কত টাকা অবশিষ্ট থাকবে।
২. সঞ্চয়কে ধরুন ‘আবশ্যিক ব্যয়’ হিসেবে: অনেকে সঞ্চয়কে ঐচ্ছিক মনে করেন; কিন্তু কাকেবো শেখায় সঞ্চয়ও একধরনের প্রয়োজনীয় খরচ। খরচ শুরু করার আগে সঞ্চয়ের টাকা আলাদা করে রাখুন, যেন তা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার না হয়।
৩. প্রতিদিনের খরচ লিখে রাখুন: এটি কাকেবোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মোবাইল অ্যাপে নয়, কাগজে লিখুন প্রতিদিনের ব্যয়। যেমন ২ আগস্ট: কফি ২০০, বাজার ১,৫০০, বিদ্যুৎ বিল ৮০০ টাকা। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, হাতে লিখলে মস্তিষ্কে বিষয়টি বেশি স্থায়ী হয়। তাই কাকেবোতে হাতে লেখার অভ্যাসই সবচেয়ে কার্যকর।
৪. খরচকে চার শ্রেণিতে ভাগ করুন: কাকেবোতে খরচ চার বিভাগে বিভক্ত—
■ আবশ্যিক খরচ: খাবার, ভাড়া, পরিবহন, বিল ইত্যাদি।
■ ইচ্ছাধীন খরচ: বাইরে খাওয়া, শখের কেনাকাটা, ভ্রমণ।
■ সাংস্কৃতিক খরচ: বই, সিনেমা, কোর্স।
■ অপ্রত্যাশিত বা জরুরি খরচ: চিকিৎসা, উপহার, উৎসব।
এই শ্রেণিবিন্যাসের ফলে বোঝা সহজ হয়, কোথায় টাকাটা বেশি যাচ্ছে, আর কোথায় কমানো সম্ভব।
৫. মাস শেষে হিসাব পর্যালোচনা করুন: মাস শেষে খাতা খুলে দেখুন, লক্ষ্য অনুযায়ী সঞ্চয় হয়েছে কি না।
ধরা যাক, আপনার আয় ২০,০০০ টাকা, সঞ্চয়ের লক্ষ্য ২,০০০; কিন্তু খরচ হয়েছে ২০,২০০ টাকা। অর্থাৎ আপনি ২,২০০ টাকার ঘাটতিতে আছেন। এখন ভাবুন, কোথায় কাটছাঁট করা যায়, কীভাবে পরের মাসে উন্নতি সম্ভব।
কেন এখনো জনপ্রিয় কাকেবো?
আমরা ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ ও ক্রেডিট কার্ডের যুগে বাস করছি। কিন্তু এত প্রযুক্তির মধ্যেও অনেকে সঞ্চয় করতে পারেন না। কারণ প্রযুক্তি হিসাব রাখে; কিন্তু সচেতনতা সৃষ্টি করে না। কাকেবো মানুষকে শেখায় নিজের অর্থনৈতিক আচরণ নিয়ে ভাবতে, লিখতে এবং সংশোধন করতে। এ কারণে শতাব্দী পেরিয়েও কাকেবো শুধু জনপ্রিয় নয়; বরং জাপানে এটি পারিবারিক শিক্ষার অংশ।
তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্কলাইফ
সাব্বির হোসেন

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়। ঠিক এ সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছিল জাপান শত বছর আগেই।
কাকেবো কী?
১৯০৪ সালে এক নারীর হাত ধরে জন্ম নেয় এক ব্যতিক্রমী আর্থিক দর্শন ‘কাকেবো’। শব্দটির অর্থ ‘পরিবারের হিসাবের খাতা’। আজও এটি জাপানিদের অর্থনৈতিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাকেবোর জনক জাপানের প্রথম নারী সাংবাদিক হানি মোতোকো। তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘সঞ্চয় কোনো কষ্টের বিষয় নয়; বরং তা একধরনের আনন্দ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও জীবনের ভারসাম্যের প্রতীক।’ মূলত কাকেবোতে নিজের আয়, ব্যয়, সঞ্চয় ও ভাবনাগুলো লিখে রাখা হয়। এই লেখালেখির মধ্য দিয়ে মানুষ নিজের অর্থনৈতিক আচরণকে চেনার সুযোগ পায়।
কাকেবো দর্শনের মূলকথা
কাকেবোর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ‘সঞ্চয় খরচের পরের বিষয় নয়; বরং খরচেরই অংশ।’ আমরা সাধারণত খরচ শেষে যা অবশিষ্ট থাকে, সেটিই সঞ্চয় হিসেবে ধরি। কিন্তু কাকেবো বলে প্রথমে সঞ্চয়ের পরিমাণ ঠিক করুন, তারপর খরচের পরিকল্পনা করুন।
উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার মাসিক আয় ২০,০০০ টাকা হয় এবং আপনি ২,০০০ টাকা সঞ্চয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, তাহলে বেতন হাতে পেয়েই সে টাকা আলাদা করে রাখুন। এখন আপনার হাতে থাকা ১৮,০০০ টাকাই আসল বাজেট।
এই মনস্তাত্ত্বিক ধাপটি ছোট মনে হলেও, এটি বদলে দিতে পারে আপনার অর্থ ব্যবস্থাপনার পুরো ধরন।
কাকেবো অনুসরণের পাঁচটি ধাপ
১. মাসিক আয় ও নির্দিষ্ট ব্যয় লিখে ফেলুন: বাড়িভাড়া, বাজার, বিল, স্কুল ফি, পরিবহন—এসব নির্দিষ্ট ব্যয় তালিকাভুক্ত করুন। এতে বোঝা যাবে, মাসের শুরুতে হাতে কত টাকা অবশিষ্ট থাকবে।
২. সঞ্চয়কে ধরুন ‘আবশ্যিক ব্যয়’ হিসেবে: অনেকে সঞ্চয়কে ঐচ্ছিক মনে করেন; কিন্তু কাকেবো শেখায় সঞ্চয়ও একধরনের প্রয়োজনীয় খরচ। খরচ শুরু করার আগে সঞ্চয়ের টাকা আলাদা করে রাখুন, যেন তা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার না হয়।
৩. প্রতিদিনের খরচ লিখে রাখুন: এটি কাকেবোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মোবাইল অ্যাপে নয়, কাগজে লিখুন প্রতিদিনের ব্যয়। যেমন ২ আগস্ট: কফি ২০০, বাজার ১,৫০০, বিদ্যুৎ বিল ৮০০ টাকা। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, হাতে লিখলে মস্তিষ্কে বিষয়টি বেশি স্থায়ী হয়। তাই কাকেবোতে হাতে লেখার অভ্যাসই সবচেয়ে কার্যকর।
৪. খরচকে চার শ্রেণিতে ভাগ করুন: কাকেবোতে খরচ চার বিভাগে বিভক্ত—
■ আবশ্যিক খরচ: খাবার, ভাড়া, পরিবহন, বিল ইত্যাদি।
■ ইচ্ছাধীন খরচ: বাইরে খাওয়া, শখের কেনাকাটা, ভ্রমণ।
■ সাংস্কৃতিক খরচ: বই, সিনেমা, কোর্স।
■ অপ্রত্যাশিত বা জরুরি খরচ: চিকিৎসা, উপহার, উৎসব।
এই শ্রেণিবিন্যাসের ফলে বোঝা সহজ হয়, কোথায় টাকাটা বেশি যাচ্ছে, আর কোথায় কমানো সম্ভব।
৫. মাস শেষে হিসাব পর্যালোচনা করুন: মাস শেষে খাতা খুলে দেখুন, লক্ষ্য অনুযায়ী সঞ্চয় হয়েছে কি না।
ধরা যাক, আপনার আয় ২০,০০০ টাকা, সঞ্চয়ের লক্ষ্য ২,০০০; কিন্তু খরচ হয়েছে ২০,২০০ টাকা। অর্থাৎ আপনি ২,২০০ টাকার ঘাটতিতে আছেন। এখন ভাবুন, কোথায় কাটছাঁট করা যায়, কীভাবে পরের মাসে উন্নতি সম্ভব।
কেন এখনো জনপ্রিয় কাকেবো?
আমরা ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ ও ক্রেডিট কার্ডের যুগে বাস করছি। কিন্তু এত প্রযুক্তির মধ্যেও অনেকে সঞ্চয় করতে পারেন না। কারণ প্রযুক্তি হিসাব রাখে; কিন্তু সচেতনতা সৃষ্টি করে না। কাকেবো মানুষকে শেখায় নিজের অর্থনৈতিক আচরণ নিয়ে ভাবতে, লিখতে এবং সংশোধন করতে। এ কারণে শতাব্দী পেরিয়েও কাকেবো শুধু জনপ্রিয় নয়; বরং জাপানে এটি পারিবারিক শিক্ষার অংশ।
তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্কলাইফ

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়। ঠিক এ সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছিল জাপান শত বছর আগেই।
কাকেবো কী?
১৯০৪ সালে এক নারীর হাত ধরে জন্ম নেয় এক ব্যতিক্রমী আর্থিক দর্শন ‘কাকেবো’। শব্দটির অর্থ ‘পরিবারের হিসাবের খাতা’। আজও এটি জাপানিদের অর্থনৈতিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাকেবোর জনক জাপানের প্রথম নারী সাংবাদিক হানি মোতোকো। তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘সঞ্চয় কোনো কষ্টের বিষয় নয়; বরং তা একধরনের আনন্দ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও জীবনের ভারসাম্যের প্রতীক।’ মূলত কাকেবোতে নিজের আয়, ব্যয়, সঞ্চয় ও ভাবনাগুলো লিখে রাখা হয়। এই লেখালেখির মধ্য দিয়ে মানুষ নিজের অর্থনৈতিক আচরণকে চেনার সুযোগ পায়।
কাকেবো দর্শনের মূলকথা
কাকেবোর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ‘সঞ্চয় খরচের পরের বিষয় নয়; বরং খরচেরই অংশ।’ আমরা সাধারণত খরচ শেষে যা অবশিষ্ট থাকে, সেটিই সঞ্চয় হিসেবে ধরি। কিন্তু কাকেবো বলে প্রথমে সঞ্চয়ের পরিমাণ ঠিক করুন, তারপর খরচের পরিকল্পনা করুন।
উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার মাসিক আয় ২০,০০০ টাকা হয় এবং আপনি ২,০০০ টাকা সঞ্চয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, তাহলে বেতন হাতে পেয়েই সে টাকা আলাদা করে রাখুন। এখন আপনার হাতে থাকা ১৮,০০০ টাকাই আসল বাজেট।
এই মনস্তাত্ত্বিক ধাপটি ছোট মনে হলেও, এটি বদলে দিতে পারে আপনার অর্থ ব্যবস্থাপনার পুরো ধরন।
কাকেবো অনুসরণের পাঁচটি ধাপ
১. মাসিক আয় ও নির্দিষ্ট ব্যয় লিখে ফেলুন: বাড়িভাড়া, বাজার, বিল, স্কুল ফি, পরিবহন—এসব নির্দিষ্ট ব্যয় তালিকাভুক্ত করুন। এতে বোঝা যাবে, মাসের শুরুতে হাতে কত টাকা অবশিষ্ট থাকবে।
২. সঞ্চয়কে ধরুন ‘আবশ্যিক ব্যয়’ হিসেবে: অনেকে সঞ্চয়কে ঐচ্ছিক মনে করেন; কিন্তু কাকেবো শেখায় সঞ্চয়ও একধরনের প্রয়োজনীয় খরচ। খরচ শুরু করার আগে সঞ্চয়ের টাকা আলাদা করে রাখুন, যেন তা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার না হয়।
৩. প্রতিদিনের খরচ লিখে রাখুন: এটি কাকেবোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মোবাইল অ্যাপে নয়, কাগজে লিখুন প্রতিদিনের ব্যয়। যেমন ২ আগস্ট: কফি ২০০, বাজার ১,৫০০, বিদ্যুৎ বিল ৮০০ টাকা। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, হাতে লিখলে মস্তিষ্কে বিষয়টি বেশি স্থায়ী হয়। তাই কাকেবোতে হাতে লেখার অভ্যাসই সবচেয়ে কার্যকর।
৪. খরচকে চার শ্রেণিতে ভাগ করুন: কাকেবোতে খরচ চার বিভাগে বিভক্ত—
■ আবশ্যিক খরচ: খাবার, ভাড়া, পরিবহন, বিল ইত্যাদি।
■ ইচ্ছাধীন খরচ: বাইরে খাওয়া, শখের কেনাকাটা, ভ্রমণ।
■ সাংস্কৃতিক খরচ: বই, সিনেমা, কোর্স।
■ অপ্রত্যাশিত বা জরুরি খরচ: চিকিৎসা, উপহার, উৎসব।
এই শ্রেণিবিন্যাসের ফলে বোঝা সহজ হয়, কোথায় টাকাটা বেশি যাচ্ছে, আর কোথায় কমানো সম্ভব।
৫. মাস শেষে হিসাব পর্যালোচনা করুন: মাস শেষে খাতা খুলে দেখুন, লক্ষ্য অনুযায়ী সঞ্চয় হয়েছে কি না।
ধরা যাক, আপনার আয় ২০,০০০ টাকা, সঞ্চয়ের লক্ষ্য ২,০০০; কিন্তু খরচ হয়েছে ২০,২০০ টাকা। অর্থাৎ আপনি ২,২০০ টাকার ঘাটতিতে আছেন। এখন ভাবুন, কোথায় কাটছাঁট করা যায়, কীভাবে পরের মাসে উন্নতি সম্ভব।
কেন এখনো জনপ্রিয় কাকেবো?
আমরা ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ ও ক্রেডিট কার্ডের যুগে বাস করছি। কিন্তু এত প্রযুক্তির মধ্যেও অনেকে সঞ্চয় করতে পারেন না। কারণ প্রযুক্তি হিসাব রাখে; কিন্তু সচেতনতা সৃষ্টি করে না। কাকেবো মানুষকে শেখায় নিজের অর্থনৈতিক আচরণ নিয়ে ভাবতে, লিখতে এবং সংশোধন করতে। এ কারণে শতাব্দী পেরিয়েও কাকেবো শুধু জনপ্রিয় নয়; বরং জাপানে এটি পারিবারিক শিক্ষার অংশ।
তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্কলাইফ

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির রিটেল ফিন্যান্স সেন্টারের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ৮ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘শোরুম ম্যানেজার’ পদে ৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ১০ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৩ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
১ দিন আগেচাকরি ডেস্ক

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির রিটেল ফিন্যান্স সেন্টারের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: ক্রেডিট অ্যানালিস্ট, (রিটেল ফিন্যান্স সেন্টার)।
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ।
অন্যান্য যোগ্যতা: এমএস এক্সেল, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, আর্থিক মডেলিং এবং ডেটা বিশ্লেষণের উপর ভালো জ্ঞান। ক্রেডিট প্রস্তাব, প্রতিবেদন এবং মূল্যায়নের জন্য চমৎকার ইংরেজি লেখার দক্ষতা।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৪ বছর।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় প্রার্থীরা এই নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই।
কর্মস্থল: যেকোনো স্থানে।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।
সুযোগ–সুবিধা: বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও সুযোগ–সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫।
সূত্র: বিজ্ঞপ্তি।

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির রিটেল ফিন্যান্স সেন্টারের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: ক্রেডিট অ্যানালিস্ট, (রিটেল ফিন্যান্স সেন্টার)।
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ।
অন্যান্য যোগ্যতা: এমএস এক্সেল, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, আর্থিক মডেলিং এবং ডেটা বিশ্লেষণের উপর ভালো জ্ঞান। ক্রেডিট প্রস্তাব, প্রতিবেদন এবং মূল্যায়নের জন্য চমৎকার ইংরেজি লেখার দক্ষতা।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৪ বছর।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় প্রার্থীরা এই নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই।
কর্মস্থল: যেকোনো স্থানে।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।
সুযোগ–সুবিধা: বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও সুযোগ–সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫।
সূত্র: বিজ্ঞপ্তি।

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়।
০৮ নভেম্বর ২০২৫
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ৮ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘শোরুম ম্যানেজার’ পদে ৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ১০ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৩ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
১ দিন আগেচাকরি ডেস্ক

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ৮ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারছেন।
পদের নাম ও সংখ্যা: কম্পিউটার অপারেটর, ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ শব্দ এবং ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: ক্যাশিয়ার, ২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: ওয়্যারলেস অপারেটর (বেতার যন্ত্রচালক), ১৯টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সরকারি অনুমোদিত টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট অথবা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ১১৮টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে ২০ শব্দ বাংলা এবং ২০ শব্দ ইংরেজিতে গতি থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: সার্ভেয়ার, ২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: গাড়িচালক, ১১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি বা জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ ভারী বা হালকা যানবাহন চালনায় ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহায়ক, ১৭টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: নিরাপত্তাপ্রহরী, ১৮টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি বা জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়
৯ জানুয়ারি, ২০২৬।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ৮ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারছেন।
পদের নাম ও সংখ্যা: কম্পিউটার অপারেটর, ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ শব্দ এবং ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: ক্যাশিয়ার, ২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: ওয়্যারলেস অপারেটর (বেতার যন্ত্রচালক), ১৯টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সরকারি অনুমোদিত টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট অথবা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বেতন: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ১১৮টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে ২০ শব্দ বাংলা এবং ২০ শব্দ ইংরেজিতে গতি থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: সার্ভেয়ার, ২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: গাড়িচালক, ১১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি বা জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ ভারী বা হালকা যানবাহন চালনায় ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: অফিস সহায়ক, ১৭টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: নিরাপত্তাপ্রহরী, ১৮টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি বা জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়
৯ জানুয়ারি, ২০২৬।

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়।
০৮ নভেম্বর ২০২৫
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির রিটেল ফিন্যান্স সেন্টারের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘শোরুম ম্যানেজার’ পদে ৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ১০ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৩ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
১ দিন আগেচাকরি ডেস্ক

জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘শোরুম ম্যানেজার’ পদে ৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
পদের নাম: শোরুম ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ৩ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন।
প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা: ন্যূনতম ২৭ বছর হতে হবে।
কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
বেতন: ২০,০০০-৪০,০০০ টাকা।
সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, টিএ বিল, মোবাইল বিল, পারফরম্যান্স বোনাস ও বছরে ২টি উৎসব ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
সূত্র: বিজ্ঞপ্তি।

জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘শোরুম ম্যানেজার’ পদে ৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
পদের নাম: শোরুম ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ৩ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন।
প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা: ন্যূনতম ২৭ বছর হতে হবে।
কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
বেতন: ২০,০০০-৪০,০০০ টাকা।
সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, টিএ বিল, মোবাইল বিল, পারফরম্যান্স বোনাস ও বছরে ২টি উৎসব ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
সূত্র: বিজ্ঞপ্তি।

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়।
০৮ নভেম্বর ২০২৫
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির রিটেল ফিন্যান্স সেন্টারের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ৮ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ১০ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৩ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
১ দিন আগেচাকরি ডেস্ক

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ১০ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৩ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস হতে হবে অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নিবন্ধনভুক্ত।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (প্যাথলজি), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (চক্ষু), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (নাক, কান ও গলা), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: মেডিকেল অফিসার, ৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস ডিগ্রিসহ বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত হতে হবে।
বেতন: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী প্রোগ্রামার, ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: সিনিয়র স্টাফ নার্স, ৩২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং সায়েন্স ও মিডওয়াইফারি অথবা বিএসসি-ইন-নার্সিং থাকতে হবে।
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিককরে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে আবেদনও করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫।
সূত্র: বিজ্ঞপ্তি।

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ১০ ক্যাটাগরির শূন্য পদে মোট ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ৩ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস হতে হবে অথবা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নিবন্ধনভুক্ত।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (প্যাথলজি), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (চক্ষু), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট (নাক, কান ও গলা), ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস পাস।
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: মেডিকেল অফিসার, ৫টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস ডিগ্রিসহ বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত হতে হবে।
বেতন: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী প্রোগ্রামার, ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
পদের নাম ও সংখ্যা: সিনিয়র স্টাফ নার্স, ৩২টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং সায়েন্স ও মিডওয়াইফারি অথবা বিএসসি-ইন-নার্সিং থাকতে হবে।
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিককরে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে আবেদনও করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫।
সূত্র: বিজ্ঞপ্তি।

প্রতিটি মাসের শুরুতে আমরা যেন নতুন এক আশার বীজ বুনি। এই মাস থেকে নিয়ম করে টাকা জমাব; কিন্তু বেতন হাতে এলে দেখা যায়, সে প্রতিজ্ঞা রাখা যায় না। টাকার হিসাব মেলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, ছোট ছোট খরচই নিঃশেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সম্ভাবনা। ছোট ছোট খরচই মাস শেষে বড় অঙ্কে দাঁড়ায়।
০৮ নভেম্বর ২০২৫
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির রিটেল ফিন্যান্স সেন্টারের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অধিদপ্তরের ৮ ক্যাটাগরির পদে মোট ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘শোরুম ম্যানেজার’ পদে ৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
২১ ঘণ্টা আগে