সাদিয়া আফরিন হীরা

সিভি তৈরির সময় সামান্য ভুলও আপনার স্বপ্নের চাকরির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে আপনার স্বপ্নের চাকরি। প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরির বাজারে সফলতা পেতে হলে শুরুতেই প্রয়োজন একটি নিখুঁত, পরিপাটি ও প্রাসঙ্গিক সিভি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা অনেকেই সাধারণ কিছু ভুল করি, যা নিয়োগকর্তার চোখে আমাদের পেশাদারত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। চলুন জেনে নিই এমন ১০টি ভুল, যা এড়িয়ে চললে আপনার সিভি আরও কার্যকর হয়ে উঠবে:
বানান ভুল: ছোট ভুল, বড় প্রভাব
‘দু-একটি বানান ভুলে কিই-বা আসে যায়’—এমন ভাবনা অনেকেই পোষণ করেন। বাস্তবে একটি ছোট বানান ভুলও প্রমাণ করে আপনি নিজের কাজের প্রতি যত্নশীল নন। এটি আপনার মনোযোগের ঘাটতি এবং পেশাগত উদাসীনতার ইঙ্গিত দেয়। সঠিক বানান, বিরামচিহ্ন ও ব্যাকরণ ব্যবহার আপনার আত্মবিশ্বাস এবং পেশাদারত্বের ছাপ ফেলে।
সাধারণ, কপি-পেস্ট করা ক্যারিয়ার অবজেকটিভ
‘To work in a challenging environment...’ জাতীয় বাক্য প্রায় প্রতিটি সিভিতে দেখা যায়। এটি চাকরিপ্রার্থীর প্রকৃত উদ্দেশ্য বা দক্ষতার প্রতিফলন ঘটায় না। এ ধরনের ফর্মাল লাইনে আবেদন করা পদের প্রাসঙ্গিকতা থাকে না বললেই চলে। বরং সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট এবং নির্দিষ্ট অবজেকটিভ ব্যবহার করুন, যা আপনার আগ্রহ ও প্রাসঙ্গিক দক্ষতার পরিচয় দেয়।
রংচঙে ও অতিরিক্ত ডিজাইন করা সিভি
সিভিকে আকর্ষণীয় করতে গিয়ে অনেকে এটিকে যেন একটি ডিজাইন প্রজেক্টে পরিণত করেন—যেখানে রং ও গ্রাফিকসে তথ্য ঢাকা পড়ে যায়। অতিরিক্ত ফন্ট, অনুপযুক্ত রং এবং এলোমেলো বিন্যাস পাঠকের মনোযোগ বিঘ্ন করে। বরং পরিষ্কার বিন্যাস, সহজপাঠ্য ফন্ট ও প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করুন, যাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত ধরা পড়ে।
প্রাসঙ্গিক নয় এমন কোর্স বা সেমিনার উল্লেখ করুন
আপনার সিভিতে এমন কোর্স বা প্রশিক্ষণ যুক্ত করবেন না, যা পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে নিয়োগকর্তা বিভ্রান্ত হতে পারেন এবং আপনাকে অপ্রস্তুত মনে করতে পারেন। বরং যেসব প্রশিক্ষণ আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করে ও সংশ্লিষ্ট পদের জন্য মূল্যবান—শুধু সেগুলোই অন্তর্ভুক্ত করুন।
এটিএস ফ্রেন্ডলি না হওয়া
আজকের দিনে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে ‘অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম’ (এটিএস) ব্যবহৃত হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিভি স্ক্যান করে। আপনি যদি পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার না করেন, তাহলে আপনার সিভি হয়তো নিয়োগকর্তার চোখেই পড়বে না। তাই চাকরির বিবরণ পড়ে মিলিয়ে প্রয়োজনীয় শব্দ ও কাঠামো ব্যবহার করুন।

একই রকম বাক্যাংশের পুনরাবৃত্তি
সিভির অভিজ্ঞতা অংশে বারবার একধরনের শব্দ বা ফ্রেজ যেমন ‘Managed this’, ‘Responsible for that’—ব্যবহার করলে তা একঘেয়ে ও অমনোযোগী মনে হয়। এতে আপনার ভাষাগত দক্ষতা ও সৃজনশীলতা নিয়েও সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে।
অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান
অনেক প্রার্থী সিভিতে জন্মতারিখ, বয়স, জন্মস্থান, ধর্ম, জাতীয়তা, এমনকি মা-বাবার নাম ও পারিবারিক বিবরণ পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। আজকের চাকরির বাজারে এসব তথ্য সাধারণত প্রয়োজনীয় নয় এবং চাকরিদাতার সিদ্ধান্তে উল্লেখযোগ্য প্রভাবও ফেলে না। বরং এগুলো আপনার সিভিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ ও অপ্রাসঙ্গিক করে তোলে।
ফন্ট ও বিন্যাসের অসংগতি
সিভির ফন্ট এবং বিন্যাস যদি এলোমেলো হয়, তাহলে তা পাঠকের জন্য বিভ্রান্তিকর ও দৃষ্টিকটু হয়ে ওঠে। অনেকেই একেক অংশে একেক ধরনের ফন্ট (যেমন এক জায়গায় Arial, অন্যত্র Calibri), আবার কোথাও ১০, কোথাও ১৪ পয়েন্ট সাইজ ব্যবহার করেন। এ ধরনের অগোছালো বিন্যাস সিভিকে করে তোলে অপেশাদার ও অগুরুত্বপূর্ণ।
অপ্রাসঙ্গিক তথ্য সংযোজন
সিভিকে সংক্ষিপ্ত, প্রাসঙ্গিক এবং নির্ভুল রাখাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক সময় ব্যক্তিগত জীবনসম্পর্কিত এমন তথ্য যুক্ত করা হয়—যেমন পারিবারিক অবস্থা, ধর্ম, বা ভাইবোনের সংখ্যা, যা চাকরির প্রাসঙ্গিকতা রাখে না। এ ধরনের তথ্য শুধু জায়গা নষ্ট করে না; বরং আপনার পেশাদার মনোভাব নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
অনাকাঙ্ক্ষিত রেফারেন্স
সিভিতে রেফারেন্স উল্লেখের ক্ষেত্রে অনেকেই এমন ব্যক্তির নাম দেন, যাদের সঙ্গে সরাসরি পেশাগত সম্পর্ক নেই বা যাঁরা আপনার কর্মদক্ষতার সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত নন। আত্মীয়স্বজন বা পরিচিতজনের রেফারেন্স ব্যবহার করলে তা সিভির বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দিতে পারে। রেফারেন্স দিতে হলে সংশ্লিষ্ট পেশাগত ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে তা সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ করা ভালো। অন্যথায়, ‘রেফারেন্স অন রিকোয়েস্ট’ লেখা যথেষ্ট।
সূত্র: নোভো রিজুম ডটকম, টপ ইউনিভার্সিটিজ ডটকম

সিভি তৈরির সময় সামান্য ভুলও আপনার স্বপ্নের চাকরির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে আপনার স্বপ্নের চাকরি। প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরির বাজারে সফলতা পেতে হলে শুরুতেই প্রয়োজন একটি নিখুঁত, পরিপাটি ও প্রাসঙ্গিক সিভি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা অনেকেই সাধারণ কিছু ভুল করি, যা নিয়োগকর্তার চোখে আমাদের পেশাদারত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। চলুন জেনে নিই এমন ১০টি ভুল, যা এড়িয়ে চললে আপনার সিভি আরও কার্যকর হয়ে উঠবে:
বানান ভুল: ছোট ভুল, বড় প্রভাব
‘দু-একটি বানান ভুলে কিই-বা আসে যায়’—এমন ভাবনা অনেকেই পোষণ করেন। বাস্তবে একটি ছোট বানান ভুলও প্রমাণ করে আপনি নিজের কাজের প্রতি যত্নশীল নন। এটি আপনার মনোযোগের ঘাটতি এবং পেশাগত উদাসীনতার ইঙ্গিত দেয়। সঠিক বানান, বিরামচিহ্ন ও ব্যাকরণ ব্যবহার আপনার আত্মবিশ্বাস এবং পেশাদারত্বের ছাপ ফেলে।
সাধারণ, কপি-পেস্ট করা ক্যারিয়ার অবজেকটিভ
‘To work in a challenging environment...’ জাতীয় বাক্য প্রায় প্রতিটি সিভিতে দেখা যায়। এটি চাকরিপ্রার্থীর প্রকৃত উদ্দেশ্য বা দক্ষতার প্রতিফলন ঘটায় না। এ ধরনের ফর্মাল লাইনে আবেদন করা পদের প্রাসঙ্গিকতা থাকে না বললেই চলে। বরং সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট এবং নির্দিষ্ট অবজেকটিভ ব্যবহার করুন, যা আপনার আগ্রহ ও প্রাসঙ্গিক দক্ষতার পরিচয় দেয়।
রংচঙে ও অতিরিক্ত ডিজাইন করা সিভি
সিভিকে আকর্ষণীয় করতে গিয়ে অনেকে এটিকে যেন একটি ডিজাইন প্রজেক্টে পরিণত করেন—যেখানে রং ও গ্রাফিকসে তথ্য ঢাকা পড়ে যায়। অতিরিক্ত ফন্ট, অনুপযুক্ত রং এবং এলোমেলো বিন্যাস পাঠকের মনোযোগ বিঘ্ন করে। বরং পরিষ্কার বিন্যাস, সহজপাঠ্য ফন্ট ও প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করুন, যাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত ধরা পড়ে।
প্রাসঙ্গিক নয় এমন কোর্স বা সেমিনার উল্লেখ করুন
আপনার সিভিতে এমন কোর্স বা প্রশিক্ষণ যুক্ত করবেন না, যা পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে নিয়োগকর্তা বিভ্রান্ত হতে পারেন এবং আপনাকে অপ্রস্তুত মনে করতে পারেন। বরং যেসব প্রশিক্ষণ আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করে ও সংশ্লিষ্ট পদের জন্য মূল্যবান—শুধু সেগুলোই অন্তর্ভুক্ত করুন।
এটিএস ফ্রেন্ডলি না হওয়া
আজকের দিনে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে ‘অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম’ (এটিএস) ব্যবহৃত হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিভি স্ক্যান করে। আপনি যদি পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার না করেন, তাহলে আপনার সিভি হয়তো নিয়োগকর্তার চোখেই পড়বে না। তাই চাকরির বিবরণ পড়ে মিলিয়ে প্রয়োজনীয় শব্দ ও কাঠামো ব্যবহার করুন।

একই রকম বাক্যাংশের পুনরাবৃত্তি
সিভির অভিজ্ঞতা অংশে বারবার একধরনের শব্দ বা ফ্রেজ যেমন ‘Managed this’, ‘Responsible for that’—ব্যবহার করলে তা একঘেয়ে ও অমনোযোগী মনে হয়। এতে আপনার ভাষাগত দক্ষতা ও সৃজনশীলতা নিয়েও সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে।
অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান
অনেক প্রার্থী সিভিতে জন্মতারিখ, বয়স, জন্মস্থান, ধর্ম, জাতীয়তা, এমনকি মা-বাবার নাম ও পারিবারিক বিবরণ পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। আজকের চাকরির বাজারে এসব তথ্য সাধারণত প্রয়োজনীয় নয় এবং চাকরিদাতার সিদ্ধান্তে উল্লেখযোগ্য প্রভাবও ফেলে না। বরং এগুলো আপনার সিভিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ ও অপ্রাসঙ্গিক করে তোলে।
ফন্ট ও বিন্যাসের অসংগতি
সিভির ফন্ট এবং বিন্যাস যদি এলোমেলো হয়, তাহলে তা পাঠকের জন্য বিভ্রান্তিকর ও দৃষ্টিকটু হয়ে ওঠে। অনেকেই একেক অংশে একেক ধরনের ফন্ট (যেমন এক জায়গায় Arial, অন্যত্র Calibri), আবার কোথাও ১০, কোথাও ১৪ পয়েন্ট সাইজ ব্যবহার করেন। এ ধরনের অগোছালো বিন্যাস সিভিকে করে তোলে অপেশাদার ও অগুরুত্বপূর্ণ।
অপ্রাসঙ্গিক তথ্য সংযোজন
সিভিকে সংক্ষিপ্ত, প্রাসঙ্গিক এবং নির্ভুল রাখাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক সময় ব্যক্তিগত জীবনসম্পর্কিত এমন তথ্য যুক্ত করা হয়—যেমন পারিবারিক অবস্থা, ধর্ম, বা ভাইবোনের সংখ্যা, যা চাকরির প্রাসঙ্গিকতা রাখে না। এ ধরনের তথ্য শুধু জায়গা নষ্ট করে না; বরং আপনার পেশাদার মনোভাব নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
অনাকাঙ্ক্ষিত রেফারেন্স
সিভিতে রেফারেন্স উল্লেখের ক্ষেত্রে অনেকেই এমন ব্যক্তির নাম দেন, যাদের সঙ্গে সরাসরি পেশাগত সম্পর্ক নেই বা যাঁরা আপনার কর্মদক্ষতার সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত নন। আত্মীয়স্বজন বা পরিচিতজনের রেফারেন্স ব্যবহার করলে তা সিভির বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দিতে পারে। রেফারেন্স দিতে হলে সংশ্লিষ্ট পেশাগত ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে তা সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ করা ভালো। অন্যথায়, ‘রেফারেন্স অন রিকোয়েস্ট’ লেখা যথেষ্ট।
সূত্র: নোভো রিজুম ডটকম, টপ ইউনিভার্সিটিজ ডটকম

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটিতে রিটেইল ইউনিট, এফভিপি-ভিপি বিভাগের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ১৩ জানুয়ারি এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের ‘সহকারী পরিচালক’ (টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রশিক্ষণ) ও ‘সহকারী পরিচালক’ (টেলিভিশন প্রকৌশল প্রশিক্ষণ), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ‘চলচ্চিত্র পরিদর্শক’ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘উপসহকারী প্রকৌশলী’ পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অফিস সহায়ক পদের প্রাক্-যাচাই (এমসিকিউ) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৭ জানুয়ারি এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
কর্মক্ষেত্র মানেই সহযোগিতা, দায়িত্ব ভাগাভাগি ও লক্ষ্য অর্জনের যৌথ প্রয়াস। তবে একই সঙ্গে সেখানে মতভেদ ও দ্বন্দ্বের আশঙ্কাও অনিবার্য। কখনো সহকর্মীর সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝি, কখনো ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিশ্চয়তা; এ ধরনের পরিস্থিতি মনোবল নষ্ট করতে পারে, কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে, এমনকি চাকরি...
১৪ ঘণ্টা আগে