নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী মাসের শেষে হতে পারে। আজ সোমবার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন।
তুহিন বলেন, সহকারী শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে হতে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, নিয়োগ পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েটে) অনুকূলে অর্থ ছাড় নিয়ে আপত্তি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সুরাহা করে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
জানা যায়, গুচ্ছভিত্তিক নিয়োগ হওয়ায় এবারই প্রথম সারা দেশে একযোগে নিয়োগ পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ করা হবে না। মোট তিন গুচ্ছে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রথম গুচ্ছে রয়েছে রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ। দ্বিতীয় গুচ্ছে খুলনা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগ। আর তৃতীয় গুচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ।
ডিপিই সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত নিয়োগের জন্য আট বিভাগের অনুমোদিত শূন্য পদের সংখ্যা ৭ হাজার ৪৬৩। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৩৬৫টি, আর সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে ৪১১টি। এ ছাড়া বরিশালে ৮৭১টি, রংপুরে ৯৮৮, খুলনায় ৯৪০, ময়মনসিংহে ৫৯৯, রাজশাহীতে ১ হাজার ৫৮টি এবং চট্টগ্রামে ১ হাজার ২৩১টি। তবে শূন্য পদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ডিপিই সূত্র জানিয়েছে।
সর্বশেষ ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। দুই বছরের বেশি সময় পর সেই নিয়োগ শেষ হয় গত জানুয়ারিতে। এতে ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত হন। তবে এর মধ্যে ২ হাজার ৫৫৭ জন চাকরিতে যোগ দেননি। ফলে এ পদগুলো শূন্য থেকে যায়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী মাসের শেষে হতে পারে। আজ সোমবার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন।
তুহিন বলেন, সহকারী শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে হতে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, নিয়োগ পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েটে) অনুকূলে অর্থ ছাড় নিয়ে আপত্তি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সুরাহা করে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
জানা যায়, গুচ্ছভিত্তিক নিয়োগ হওয়ায় এবারই প্রথম সারা দেশে একযোগে নিয়োগ পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ করা হবে না। মোট তিন গুচ্ছে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রথম গুচ্ছে রয়েছে রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ। দ্বিতীয় গুচ্ছে খুলনা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগ। আর তৃতীয় গুচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ।
ডিপিই সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত নিয়োগের জন্য আট বিভাগের অনুমোদিত শূন্য পদের সংখ্যা ৭ হাজার ৪৬৩। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৩৬৫টি, আর সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে ৪১১টি। এ ছাড়া বরিশালে ৮৭১টি, রংপুরে ৯৮৮, খুলনায় ৯৪০, ময়মনসিংহে ৫৯৯, রাজশাহীতে ১ হাজার ৫৮টি এবং চট্টগ্রামে ১ হাজার ২৩১টি। তবে শূন্য পদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ডিপিই সূত্র জানিয়েছে।
সর্বশেষ ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। দুই বছরের বেশি সময় পর সেই নিয়োগ শেষ হয় গত জানুয়ারিতে। এতে ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত হন। তবে এর মধ্যে ২ হাজার ৫৫৭ জন চাকরিতে যোগ দেননি। ফলে এ পদগুলো শূন্য থেকে যায়।

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির মডার্ন ট্রেড বিভাগের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ২৯ ডিসেম্বর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) বিভিন্ন পদের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত ৩০ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব রবীন্দ্র চাকমা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার-এটিইও’ (১০ম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ৭ জানুয়ারি এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
২ ঘণ্টা আগে
গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ১৩-২০ গ্রেডের ১৭ ক্যাটাগরির ১২৬টি শূন্যপদের নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ জানুয়ারির পরিবর্তে এই পরীক্ষা ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
২ ঘণ্টা আগে