
সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ও বিশ্বখ্যাত আলেম শায়খ সালেহ আল-ফাওজান রহস্যজনকভাবে ইন্টারনেট থেকে তাঁর সমস্ত কর্মকাণ্ড ও উপস্থিতি সরিয়ে নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে তাঁর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, প্রায় ১০ লাখ ফলোয়ারবিশিষ্ট টুইটার (এক্স) অ্যাকাউন্ট এবং ১০ লক্ষাধিক সাবস্ক্রাইবারসম্পন্ন ইউটিউব চ্যানেল।
দীর্ঘদিন ধরে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত তাঁর কয়েক হাজার ফতোয়া, দরস (পাঠদান), জুমার খুতবা এবং লেকচারের এক বিশাল আর্কাইভ এখন আর অনলাইনে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
শায়খ ফাওজানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (alfawzan. af. org. sa) এখন আর সচল নেই। এ ছাড়া তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোও চিরতরে মুছে ফেলা হয়েছে। এর ফলে মুসলিম উম্মাহর জন্য উন্মুক্ত থাকা এক বিশাল ইলমি ভান্ডার অনলাইন থেকে হারিয়ে গেল। ডিলিট হওয়া কনটেন্টগুলোর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
দশকব্যাপী সংগৃহীত এই ধর্মীয় দিকনির্দেশনা ও ফতোয়াগুলো ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করত, যা এখন আর ইন্টারনেটে সহজলভ্য নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছিলেন, এই অ্যাকাউন্টগুলো হয়তো ভক্তদের দ্বারা পরিচালিত ছিল। তবে ইতিপূর্বে তাঁর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, শায়খ সালেহ আল-ফাওজান নিজেই এই অ্যাকাউন্টগুলোকে তাঁর দাপ্তরিক মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। বর্তমানে যার একটিও অনলাইনে সক্রিয় নেই।
কেন বা কী কারণে হঠাৎ করে সমস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে এই কনটেন্টগুলো সরিয়ে নেওয়া হলো, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। শায়খ আল-ফাওজান নিজেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য বিবৃতি দেননি। সব কটি প্ল্যাটফর্ম থেকে একই সঙ্গে তথ্যগুলো মুছে ফেলার বিষয়টি অনুসারীদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

মুমিনের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা। এটি এমন এক আমল, যা সরাসরি কোরআনের নির্দেশ এবং অসংখ্য সহিহ হাদিসে এর ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর দরুদ পাঠ করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৯ ঘণ্টা আগে
মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
১ দিন আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১ দিন আগে