ইসলাম ডেস্ক

মানুষ স্বভাবতই সমাজবদ্ধ জীব। একাকী জীবন মানব প্রকৃতির সঙ্গে যায় না। সমাজে টিকে থাকতে হলে একজন মানুষের জন্য অন্যের সহযোগিতা অপরিহার্য।
জীবনের চলার পথে নানা চ্যালেঞ্জ ও বিপদের সময় একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতা ও ধর্মীয় দায়িত্বের প্রতিচ্ছবি। বিশেষত, বিপদগ্রস্ত মানুষ যখন অসহায় হয়ে পড়ে, তখন তার জন্য একটি সহানুভূতির হাতই হয়ে উঠতে পারে বেঁচে থাকার আশা।
ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো—এই ধর্ম শুধু ইবাদত ও আচারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের প্রতি দয়াশীলতা ও সহযোগিতা করাকেও ইবাদতের মর্যাদায় উন্নীত করেছে। একজন মুমিনের ইমানের পূর্ণতা আসে তখনই, যখন সে অপর ভাইয়ের দুঃখে নিজেকে সম্পৃক্ত করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তার প্রতি দয়া করেন, যে তার বান্দাদের প্রতি দয়া করে।’ (সহিহ্ বুখারি: ১৭৩২)
অন্য এক হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়ায় অন্যের একটি প্রয়োজন পূরণ করবে, পরকালে আল্লাহ তার ১০০ প্রয়োজন পূরণ করবেন। আর বান্দার দুঃখ-দুর্দশায় কেউ যদি সহযোগিতার হাত বাড়ায়, আল্লাহ তার প্রতি করুণার দৃষ্টি দেন।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৫৬৬)
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা বান্দার সাহায্যে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৩১৪)
এই সব হাদিস আমাদের স্পষ্ট বার্তা দেয়—মানুষের পাশে দাঁড়ানো কেবল মানবতা নয়, বরং ইমান ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ।
একটি সভ্য, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকর সমাজ গঠনের জন্য দরকার সহানুভূতি, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা। বিপদে-আপদে, বিশেষত অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এক মহৎ গুণ, যা ইসলাম বারবার উৎসাহিত করেছে। এমনকি আল্লাহর সাহায্য পেতে চাইলে আমাদেরও অন্যের পাশে থাকতে হবে।
তাই আসুন, আমাদের চারপাশে যেসব মানুষ কষ্টে আছে—তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসি। এতে করে শুধু দুনিয়ার শান্তিই নয়, পরকালেও আল্লাহর অনুগ্রহ আমাদের সঙ্গী হবে, ইনশাআল্লাহ।

মানুষ স্বভাবতই সমাজবদ্ধ জীব। একাকী জীবন মানব প্রকৃতির সঙ্গে যায় না। সমাজে টিকে থাকতে হলে একজন মানুষের জন্য অন্যের সহযোগিতা অপরিহার্য।
জীবনের চলার পথে নানা চ্যালেঞ্জ ও বিপদের সময় একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতা ও ধর্মীয় দায়িত্বের প্রতিচ্ছবি। বিশেষত, বিপদগ্রস্ত মানুষ যখন অসহায় হয়ে পড়ে, তখন তার জন্য একটি সহানুভূতির হাতই হয়ে উঠতে পারে বেঁচে থাকার আশা।
ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো—এই ধর্ম শুধু ইবাদত ও আচারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের প্রতি দয়াশীলতা ও সহযোগিতা করাকেও ইবাদতের মর্যাদায় উন্নীত করেছে। একজন মুমিনের ইমানের পূর্ণতা আসে তখনই, যখন সে অপর ভাইয়ের দুঃখে নিজেকে সম্পৃক্ত করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তার প্রতি দয়া করেন, যে তার বান্দাদের প্রতি দয়া করে।’ (সহিহ্ বুখারি: ১৭৩২)
অন্য এক হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়ায় অন্যের একটি প্রয়োজন পূরণ করবে, পরকালে আল্লাহ তার ১০০ প্রয়োজন পূরণ করবেন। আর বান্দার দুঃখ-দুর্দশায় কেউ যদি সহযোগিতার হাত বাড়ায়, আল্লাহ তার প্রতি করুণার দৃষ্টি দেন।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৫৬৬)
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা বান্দার সাহায্যে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৩১৪)
এই সব হাদিস আমাদের স্পষ্ট বার্তা দেয়—মানুষের পাশে দাঁড়ানো কেবল মানবতা নয়, বরং ইমান ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ।
একটি সভ্য, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকর সমাজ গঠনের জন্য দরকার সহানুভূতি, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা। বিপদে-আপদে, বিশেষত অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এক মহৎ গুণ, যা ইসলাম বারবার উৎসাহিত করেছে। এমনকি আল্লাহর সাহায্য পেতে চাইলে আমাদেরও অন্যের পাশে থাকতে হবে।
তাই আসুন, আমাদের চারপাশে যেসব মানুষ কষ্টে আছে—তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসি। এতে করে শুধু দুনিয়ার শান্তিই নয়, পরকালেও আল্লাহর অনুগ্রহ আমাদের সঙ্গী হবে, ইনশাআল্লাহ।

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৪ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ আদায় করেন, তাই একে জুমার নামাজ বলা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঊর্ধ্বাকাশ ভ্রমণ মানব ইতিহাসের একটি অলৌকিক ঘটনা। এই সফরে নবীজি (সা.) সপ্তম আকাশ পেরিয়ে আল্লাহ তাআলার এত নিকটবর্তী হয়েছিলেন, যেখানে কোনো ফেরেশতা এমনকি জিবরাইল (আ.)-ও যেতে পারেননি। নবীজি (সা.)-এর এই মহাযাত্রা উম্মতের জন্য আল্লাহর কুদরতের বিশেষ নিদর্শন হয়ে আছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে আমাদের দোরগোড়ায় হাজির হচ্ছে পবিত্র মাস শাবান। এটি চান্দ্রবর্ষের অষ্টম মাস। আরবিতে এ মাসকে বলা হয় আশ-শাবানুল মুআজ্জাম। ইতিহাস বলে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের দেড় বছর পর পূর্বতন কিবলা ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাসের...
৭ ঘণ্টা আগে