মুফতি আইয়ুব নাদীম

মানবজাতিকে আল্লাহ তাআলা অসংখ্য, অগণিত নিয়ামত দান করেছেন। এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অতুলনীয় দুটি নিয়ামত হলো—১. ইসলাম, ২. মহানবী (সা.)। এই দুই নিয়ামতের প্রভাব মানবজীবনে চিরস্থায়ী ও সর্বজনীন। তাই এই দুই নিয়ামত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরা হলো:
ইসলাম: ইসলামই একমাত্র পরিপূর্ণ জীবনবিধান ব্যবস্থা, যা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য অনন্য দান। ইসলাম মানুষকে সব সময় আল্লাহর একনিষ্ঠ আনুগত্যের কথা, সততা, দয়া, ধৈর্য ও পরকালের জবাবদিহির বিশ্বাসের কথা বলে থাকে। ইসলাম গ্রহণের ফলে পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যায়। (সহিহ্ মুসলিম: ১২১)
নবী মুহাম্মদ (সা.): মহানবী (সা.) মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ। আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত অতুলনীয় নিয়ামত। যে নিয়ামতের অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ মুমিনদের প্রতি (অতি বড়) অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তোমাদেরই মধ্য হতে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন, যে তাদের সামনে আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে, তাদের পরিশুদ্ধ করে এবং তাদের কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়, আর নিশ্চয়ই এর আগে তারা সুস্পষ্ট গোমরাহির মধ্যে ছিল।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৬৪)
মহানবী (সা.) শুধু মুসলমানদের জন্য নন, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘(হে নবী!) আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমত করেই পাঠিয়েছি।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)
নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মে উম্মতের জন্য রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘বস্তুত রাসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ—এমন ব্যক্তির জন্য, যে আল্লাহ ও আখিরাত দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করে।’ (সুরা আহজাব: ২১)
লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া কাশেফুল উলুম মাদ্রাসা, মধুপুর, টাঙ্গাইল

মানবজাতিকে আল্লাহ তাআলা অসংখ্য, অগণিত নিয়ামত দান করেছেন। এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অতুলনীয় দুটি নিয়ামত হলো—১. ইসলাম, ২. মহানবী (সা.)। এই দুই নিয়ামতের প্রভাব মানবজীবনে চিরস্থায়ী ও সর্বজনীন। তাই এই দুই নিয়ামত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরা হলো:
ইসলাম: ইসলামই একমাত্র পরিপূর্ণ জীবনবিধান ব্যবস্থা, যা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য অনন্য দান। ইসলাম মানুষকে সব সময় আল্লাহর একনিষ্ঠ আনুগত্যের কথা, সততা, দয়া, ধৈর্য ও পরকালের জবাবদিহির বিশ্বাসের কথা বলে থাকে। ইসলাম গ্রহণের ফলে পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যায়। (সহিহ্ মুসলিম: ১২১)
নবী মুহাম্মদ (সা.): মহানবী (সা.) মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ। আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত অতুলনীয় নিয়ামত। যে নিয়ামতের অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ মুমিনদের প্রতি (অতি বড়) অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তোমাদেরই মধ্য হতে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন, যে তাদের সামনে আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে, তাদের পরিশুদ্ধ করে এবং তাদের কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়, আর নিশ্চয়ই এর আগে তারা সুস্পষ্ট গোমরাহির মধ্যে ছিল।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৬৪)
মহানবী (সা.) শুধু মুসলমানদের জন্য নন, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘(হে নবী!) আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমত করেই পাঠিয়েছি।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)
নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মে উম্মতের জন্য রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘বস্তুত রাসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ—এমন ব্যক্তির জন্য, যে আল্লাহ ও আখিরাত দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করে।’ (সুরা আহজাব: ২১)
লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া কাশেফুল উলুম মাদ্রাসা, মধুপুর, টাঙ্গাইল

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২ ঘণ্টা আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১০ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ আদায় করেন, তাই একে জুমার নামাজ বলা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে