মানবজাতিকে আল্লাহ তাআলা অসংখ্য, অগণিত নিয়ামত দান করেছেন। এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অতুলনীয় দুটি নিয়ামত হলো—১. ইসলাম, ২. মহানবী (সা.)। এই দুই নিয়ামতের প্রভাব মানবজীবনে চিরস্থায়ী ও সর্বজনীন। তাই এই দুই নিয়ামত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরা হলো:
ইসলাম: ইসলামই একমাত্র পরিপূর্ণ জীবনবিধান ব্যবস্থা, যা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য অনন্য দান। ইসলাম মানুষকে সব সময় আল্লাহর একনিষ্ঠ আনুগত্যের কথা, সততা, দয়া, ধৈর্য ও পরকালের জবাবদিহির বিশ্বাসের কথা বলে থাকে। ইসলাম গ্রহণের ফলে পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যায়। (সহিহ্ মুসলিম: ১২১)
নবী মুহাম্মদ (সা.): মহানবী (সা.) মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ। আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত অতুলনীয় নিয়ামত। যে নিয়ামতের অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ মুমিনদের প্রতি (অতি বড়) অনুগ্রহ করেছেন, যখন তিনি তোমাদেরই মধ্য হতে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন, যে তাদের সামনে আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে, তাদের পরিশুদ্ধ করে এবং তাদের কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়, আর নিশ্চয়ই এর আগে তারা সুস্পষ্ট গোমরাহির মধ্যে ছিল।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৬৪)
মহানবী (সা.) শুধু মুসলমানদের জন্য নন, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘(হে নবী!) আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমত করেই পাঠিয়েছি।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)
নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মে উম্মতের জন্য রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘বস্তুত রাসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ—এমন ব্যক্তির জন্য, যে আল্লাহ ও আখিরাত দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করে।’ (সুরা আহজাব: ২১)
লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া কাশেফুল উলুম মাদ্রাসা, মধুপুর, টাঙ্গাইল

নফল ইবাদত বান্দার আমলনামার সৌন্দর্য। নফল ইবাদতের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে আল্লাহ তাআলার অনেক কাছাকাছি পৌঁছানো যায়। তাঁর প্রিয় বান্দা হওয়া যায় অনেক সহজে। মুমিন যখন ফরজ ও সুন্নতে মুআক্কাদা পালন শেষে নফল ইবাদতে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে—প্রতিটি রুকু-সেজদা এবং তাসবিহের বিনিময়ে তার মর্যাদা বাড়তে থাকে।
২ ঘণ্টা আগে
ইবাদত ও আমলকে গুরুত্বের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে বিন্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রধান ও বহুল চর্চিত পরিভাষা হলো ‘ফরজ’ ও ‘নফল’। ফরজ, ওয়াজিব কিংবা সুন্নতের মতো পরিভাষাগুলো সরাসরি আল্লাহ তাআলা বা তাঁর রাসুল (সা.) নির্ধারণ করে দিয়ে যাননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৭ ঘণ্টা আগে
নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু) পাঠ করার পর দরুদ শরিফ পাঠ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা, আবার কোনো কোনো ফকিহের মতে তা ওয়াজিব। আমল ও ফজিলতের দিক থেকে নামাজের মধ্যে দরুদে ইবরাহিম পাঠ করা সবচেয়ে উত্তম ও সর্বজনবিদিত। কারণ, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সাহাবিদের নামাজে পাঠ করার জন্য বিশেষভাবে এই...
১ দিন আগে