কাউসার লাবীব

পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন এক মহামানবের ওপর নাজিল হয়েছে, যিনি ছিলেন উম্মি; যাঁর কোনো অক্ষরজ্ঞান ছিল না। এটিই প্রমাণ করে, এ গ্রন্থের চমকপ্রদ আলংকারিক ভাষা ও শৈলী কোনো নিরক্ষর মানুষের ব্যক্তিগত ভাষা হতে পারে না। এই মহাগ্রন্থের অলৌকিকতা বিশেষ করে এর সাহিত্য ও ভাষাশৈলীতে নিহিত। কোরআনকে গণ্য করা হয় মহানবী (সা.)-এর শ্রেষ্ঠতম মাজেজা হিসেবে।
উন্নত ভাষা ও সাহিত্যশৈলীর উৎকর্ষে আকৃষ্ট হয়ে তৎকালীন আরবের কাফির মুশরিকরা পবিত্র কোরআনকে কখনো কাব্য, আবার কখনো জাদু বলে আখ্যায়িত করত। আল-কোরআনের অনিন্দ্য সুন্দর ভাষা ও সাহিত্যশৈলীর উৎকর্ষের কারণেই এটি প্রাণবন্ত ও চিত্তস্পর্শী। প্রতিটি শব্দ ও বাণীর আবেদন মানবজীবনে চিরকালীন ও সর্বব্যাপী। কোরআনের সাহিত্য মান এতই ঊর্ধ্বে যে এর কোনো শব্দের বিকল্প হিসেবে অন্য শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
কোরআন যখন নাজিল হয়, আরবে তখন খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকের অভাব ছিল না। এতদসত্ত্বেও আল্লাহ যখন কোরআনের অনুরূপ একটি সুরা বা আয়াত রচনার চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করলেন, তখন তারা অপারগতা প্রকাশ করে বলতে বাধ্য হয়েছিল—‘লাইসা হাজা মিন কালামিল বাশার।’ অর্থাৎ, এটা কোনো মানব রচিত বাণী নয়। এর ভাষা, রচনাশৈলী ও বিন্যাস পদ্ধতি অত্যন্ত উঁচু মানের এবং পুরো কোরআনে তা সমভাবে বিস্তৃত।
কোরআনে শিক্ষণীয় বহু গল্পের অবতারণা করা হয়েছে, যা উন্নত মানের শিল্পসুষমায় ভরা। এই গল্পগুলো নিছক কল্পনাপ্রসূত কথাসাহিত্য নয়, বরং মানবজীবনের ইতিহাসে ঘটে যাওয়া বাস্তবতা। গল্পের মাধ্যমে আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ, নবী-রাসুলদের নবুওয়াতির প্রমাণ এবং আখিরাতের অবশ্যম্ভাবিতার প্রমাণপঞ্জি চমৎকার আঙ্গিক ও শৈলীতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোরআনের গল্পগুলোতে আরবের প্রচলিত রূপকথা বা কল্প-মিশ্রিত পৌরাণিক কাহিনির ধারা অনুপস্থিত। এর গল্প বলার শৈল্পিক এবং বিস্ময়কর ছন্দময়তা অনুভবকারীকে সহজেই আকৃষ্ট করে। যেমন সুরা ইউসুফে হজরত ইউসুফ (আ.)-এর জীবনের পুরো গল্পটি একটি অক্ষুণ্ন ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে।

পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন এক মহামানবের ওপর নাজিল হয়েছে, যিনি ছিলেন উম্মি; যাঁর কোনো অক্ষরজ্ঞান ছিল না। এটিই প্রমাণ করে, এ গ্রন্থের চমকপ্রদ আলংকারিক ভাষা ও শৈলী কোনো নিরক্ষর মানুষের ব্যক্তিগত ভাষা হতে পারে না। এই মহাগ্রন্থের অলৌকিকতা বিশেষ করে এর সাহিত্য ও ভাষাশৈলীতে নিহিত। কোরআনকে গণ্য করা হয় মহানবী (সা.)-এর শ্রেষ্ঠতম মাজেজা হিসেবে।
উন্নত ভাষা ও সাহিত্যশৈলীর উৎকর্ষে আকৃষ্ট হয়ে তৎকালীন আরবের কাফির মুশরিকরা পবিত্র কোরআনকে কখনো কাব্য, আবার কখনো জাদু বলে আখ্যায়িত করত। আল-কোরআনের অনিন্দ্য সুন্দর ভাষা ও সাহিত্যশৈলীর উৎকর্ষের কারণেই এটি প্রাণবন্ত ও চিত্তস্পর্শী। প্রতিটি শব্দ ও বাণীর আবেদন মানবজীবনে চিরকালীন ও সর্বব্যাপী। কোরআনের সাহিত্য মান এতই ঊর্ধ্বে যে এর কোনো শব্দের বিকল্প হিসেবে অন্য শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
কোরআন যখন নাজিল হয়, আরবে তখন খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকের অভাব ছিল না। এতদসত্ত্বেও আল্লাহ যখন কোরআনের অনুরূপ একটি সুরা বা আয়াত রচনার চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করলেন, তখন তারা অপারগতা প্রকাশ করে বলতে বাধ্য হয়েছিল—‘লাইসা হাজা মিন কালামিল বাশার।’ অর্থাৎ, এটা কোনো মানব রচিত বাণী নয়। এর ভাষা, রচনাশৈলী ও বিন্যাস পদ্ধতি অত্যন্ত উঁচু মানের এবং পুরো কোরআনে তা সমভাবে বিস্তৃত।
কোরআনে শিক্ষণীয় বহু গল্পের অবতারণা করা হয়েছে, যা উন্নত মানের শিল্পসুষমায় ভরা। এই গল্পগুলো নিছক কল্পনাপ্রসূত কথাসাহিত্য নয়, বরং মানবজীবনের ইতিহাসে ঘটে যাওয়া বাস্তবতা। গল্পের মাধ্যমে আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ, নবী-রাসুলদের নবুওয়াতির প্রমাণ এবং আখিরাতের অবশ্যম্ভাবিতার প্রমাণপঞ্জি চমৎকার আঙ্গিক ও শৈলীতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোরআনের গল্পগুলোতে আরবের প্রচলিত রূপকথা বা কল্প-মিশ্রিত পৌরাণিক কাহিনির ধারা অনুপস্থিত। এর গল্প বলার শৈল্পিক এবং বিস্ময়কর ছন্দময়তা অনুভবকারীকে সহজেই আকৃষ্ট করে। যেমন সুরা ইউসুফে হজরত ইউসুফ (আ.)-এর জীবনের পুরো গল্পটি একটি অক্ষুণ্ন ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে।

শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৬ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ আদায় করেন, তাই একে জুমার নামাজ বলা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঊর্ধ্বাকাশ ভ্রমণ মানব ইতিহাসের একটি অলৌকিক ঘটনা। এই সফরে নবীজি (সা.) সপ্তম আকাশ পেরিয়ে আল্লাহ তাআলার এত নিকটবর্তী হয়েছিলেন, যেখানে কোনো ফেরেশতা এমনকি জিবরাইল (আ.)-ও যেতে পারেননি। নবীজি (সা.)-এর এই মহাযাত্রা উম্মতের জন্য আল্লাহর কুদরতের বিশেষ নিদর্শন হয়ে আছে।
৯ ঘণ্টা আগে