
রমজানের রোজা রাখা প্রতিটি সুস্থ, প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর ফরজ। কোনো শরয়ি কারণ ছাড়া রোজা ভঙ্গ করা কবিরা গুনাহ। তবে ইসলাম একটি সহজ ও মানবিক জীবনবিধান। তাই বিশেষ কিছু অবস্থায় শরীয়ত রোজা না রাখার বা ভেঙে ফেলার অনুমতি দিয়েছে।
১. মুসাফির বা ভ্রমণকারী: সফরের হালতে রোজা না রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে যদি অস্বাভাবিক কষ্ট না হয়, তবে রোজা রাখাই উত্তম।
২. অসুস্থ ব্যক্তি: রোজার কারণে যদি রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার বা রোগ দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে, তবে রোজা না রাখার অবকাশ আছে। এই আশঙ্কা অবশ্যই সুস্পষ্ট হতে হবে অথবা একজন অভিজ্ঞ ও দ্বীনদার চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আর সুস্থ হওয়ার পর এই রোজা কাজা করে নিতে হবে।
৩. গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা: সন্তান বা নিজের জীবনের নিরাপত্তা ইসলামের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোজা রাখলে যদি নিজের বা গর্ভের সন্তানের প্রাণহানি বা মারাত্মক স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা থাকে, তবে রোজা ভাঙা জায়েজ। এ ছাড়া দুগ্ধদানকারী মা রোজা রাখলে যদি সন্তান দুধ না পায় এবং বিকল্প কোনো খাবারেও অভ্যস্ত না হয়, তবে সন্তানের জীবনের স্বার্থে মা রোজা ভাঙতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে এগুলো কাজা করে নিতে হবে।
৪. নারীদের বিশেষ অবস্থা: পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব এবং সন্তান জন্মদানের পরবর্তী সময়ে (নেফাস) নারীদের জন্য রোজা রাখা জায়েজ নয়। তবে এই রোজা পরবর্তী সময়ে কাজা করতে হবে।
৫. অতি বৃদ্ধ ও অতি দুর্বল ব্যক্তি: বার্ধক্যের কারণে যারা রোজা রাখতে একেবারেই অক্ষম, তাদের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে। এমন ব্যক্তি প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন গরিবকে দুই বেলা পেটপুরে খাওয়াবেন অথবা পৌনে দুই কেজি গমের মূল্য সদকা করবেন। একে শরীয়তের পরিভাষায় ফিদইয়া বলা হয়।

ইতিহাসের পাতায় ‘ফেরাউন’ কোনো সাধারণ নাম নয়, বরং এটি চরম জুলুম, অহংকার ও খোদাদ্রোহিতার এক নিকৃষ্টতম প্রতীক। নিজেকে ‘সর্বোচ্চ প্রভু’ দাবি করা এই দুনিয়াবি খোদার পতন হয়েছিল অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে। লোহিতসাগরের উত্তাল ঢেউয়ে তাঁর সলিলসমাধি আজও বিশ্ববাসীর জন্য এক জাগ্রত সতর্কবার্তা।
২ ঘণ্টা আগে
পবিত্র কোরআনের ৩০তম পারায় অবস্থিত ৮৯ নম্বর সুরা হলো ‘সুরা ফাজর’ (سورة الفجر)। মক্কা নগরীতে অবতীর্ণ ৩০টি আয়াত, ১৩৯টি শব্দ ও ৫৭৩টি বর্ণসমৃদ্ধ এই সুরা নাজিল হওয়ার আদি ধারাক্রম অনুযায়ী দশম সুরা। মক্কায় নাজিল হওয়া অন্য অনেক সুরার মতো এটিও অত্যন্ত সুরময় ও ছন্দসমৃদ্ধ।
৪ ঘণ্টা আগে
কোরবানিদাতা কোরবানির পশু থেকে যে মাংস পান, সাধারণত তা থেকে কিছু অংশ গরিব-মিসকিন, আত্মীয়স্বজনকে দিয়ে দেন, কিছু অংশ নিজেরা খান আর কিছু অংশ সংরক্ষণ করে রাখেন। কেউ কেউ আবার কোরবানির কোনো মাংস সংরক্ষণ করে রাখেন না; সবটুকু দান করে দেন বা খেয়ে ফেলেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৯ ঘণ্টা আগে