ইসলামি জীবনদর্শনে ‘হিদায়াত’ শব্দটির গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিটি মুমিন বান্দা প্রতিদিন নামাজের প্রতি রাকাতে আল্লাহর কাছে ‘সিরাতুল মুস্তাকিম’ বা সরল পথের হিদায়াত প্রার্থনা করেন। হিদায়াত হলো মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন এক নুর বা আলো, যা মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসে।
‘হিদায়াত’ আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হলো পথপ্রদর্শন করা, সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া বা সরল পথে পরিচালনা করা। ইসলামি পরিভাষায়, আল্লাহ তাআলার দেওয়া ওই বিশেষ দিকনির্দেশনাকে হিদায়াত বলা হয়, যা মানুষকে সঠিক বিশ্বাস (ইমান) ও নেক আমলের ওপর অবিচল রাখে।
হিদায়াত আল্লাহর হাতে হলেও, এটি লাভের জন্য বান্দার পক্ষ থেকে আন্তরিক ইচ্ছা ও চেষ্টা থাকা জরুরি। যারা সত্যের সন্ধানে ব্যাকুল থাকে, আল্লাহ তাদের পথপ্রদর্শন করেন। হাদিসে কুদসিতে এসেছে, ‘বান্দা যদি আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই। যদি সে হেঁটে আমার দিকে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ)
১. আখিরাতমুখী হওয়া: হিদায়াতপ্রাপ্ত মানুষের প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো তিনি পরকালের জীবনকে দুনিয়ার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেবেন। তাঁর প্রতিটি কাজের মূল লক্ষ্য হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ করা।
২. দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করা: এর অর্থ এই নয় যে সংসার বা সমাজ ত্যাগ করতে হবে। বরং এর অর্থ হলো দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী ভোগ-বিলাসিতা ও মোহে অন্ধ না হয়ে নিজেকে আল্লাহর হুকুমের ওপর রাখা। হালাল উপায়ে জীবনযাপন করে অন্তরকে পার্থিব আসক্তি থেকে মুক্ত রাখাই হলো প্রকৃত ‘জুহুদ’ বা দুনিয়াবিমুখতা।
৩. মৃত্যুর জন্য আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা: মৃত্যুর সময় ও ক্ষণ কারও জানা নেই। তাই বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি, যে মৃত্যু আসার আগেই পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করে রাখে। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি, যে নিজের জীবনের হিসাব নেয় এবং মৃত্যু-পরবর্তী জীবনের জন্য আমল করে।’ (জামে তিরমিজি)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
১ দিন আগে
মহররম ও আশুরা উপলক্ষে আমাদের সমাজে বেশ কিছু কাজ প্রচলিত আছে। বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে শুনেছি—এসব কাজের মধ্যে অনেকগুলোই ইসলাম সমর্থন করে না। মহররম ও আশুরায় কী কী বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত? বিস্তারিত জানতে চাই।
২ দিন আগে