মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা সন্তানের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। এটি এমন এক গুরুদায়িত্ব, যা বান্দাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে। আল্লাহর হকের পর মা-বাবার হক সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। কোরআন ও হাদিসে মা-বাবার সঙ্গে সদাচারের অসংখ্য ফজিলতের কথা উল্লেখ রয়েছে।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমার প্রতিপালক নির্দেশ দিয়েছেন, তাকে ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না, বাবা-মায়ের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো, মা-বাবার কোনো একজন কিংবা উভয়ে যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদের উফ্ পর্যন্ত বলো না এবং তাদের ধমক দিও না; বরং তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো। এবং তাদের প্রতি মমতাপূর্ণ আচরণের পাশাপাশি তাদের সামনে নিজেকে বিনয়াবনত করো এবং দোয়া করো—হে আমার প্রতিপালক, তারা যেভাবে আমার শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছেন, তেমনি আপনিও তাঁদের প্রতি রহমতের আচরণ করুন।’ (সুরা বনি ইসরাইল: ২৩-২৪)
অন্য আয়াতে এরশাদ হচ্ছে, ‘আমি তো মানুষকে তার বাবা-মায়ের প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। মা সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করেন এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। প্রত্যাবর্তন তো আমারই কাছেই।’ (সুরা লুকমান: ১৪)
মা-বাবার সঙ্গে সদাচার আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় আমল। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে প্রশ্ন করলাম, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি?’ তিনি বললেন, ‘সঠিক সময়ে নামাজ আদায় করা।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তারপর কোনটি?’ তিনি বললেন, ‘মা-বাবার প্রতি সদ্বব্যবহার করা।...’ (মুসলিম) অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, নবী (সা.) বলেন, ‘মা-বাবার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ হয় আর তাঁদের অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি রয়েছে।’ (তিরমিজি)
লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

কোরবানি একটি পবিত্র ইবাদত, যার মূল ভিত্তি হলো নিয়ত এবং তাকওয়া। বর্তমান সময়ে কেনাবেচাকে স্বচ্ছ ও সহজ করতে অনেক খামারি জীবন্ত পশুর ওজন মেপে প্রতি কেজির একটি দাম নির্ধারণ করে দেন।
২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
কোরবানি আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ইরশাদ করেছেন—‘আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না ওগুলোর (কোরবানির পশুর) মাংস ও রক্ত; বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা হজ: ৩৭)
১৫ ঘণ্টা আগে
রাগ মানুষের একটি আচরণগত দিক। এর মন্দ প্রভাবই বেশি। রাগী মানুষকে কেউ ভালোবাসে না। এ কারণে রাসুল (সা.) তাঁর উম্মতকে রাগ করতে নিষেধ করেছেন এবং রাগ সংবরণকারীকে শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে