ইসলামের মূল স্তম্ভগুলোর পঞ্চমটি হলো হজ। ইমান, নামাজ, জাকাত ও রোজার পরই হজের অবস্থান। সামর্থ্যবান মুসলিমদের ওপর হজ ফরজ। অনেকেই শারীরিক ও আর্থিক অপারগতার কারণে হজ করার সামর্থ্য রাখে না। হজে যেতে না পারলেও মুসলমানদের জন্য এমন কিছু আমল রয়েছে, যার মাধ্যমে সহজেই হজের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এক. ফজরের পর থেকে ইশরাক পর্যন্ত আল্লাহর জিকির করা। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায়ের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে আল্লাহর জিকির করে এবং সূর্যোদয়ের পর দুই রাকাত নামাজ আদায় করে, তবে আল্লাহ তাকে একটি সম্পূর্ণ হজ ও ওমরাহর সওয়াব দেবেন।’ (তিরমিজি)
দুই. জ্ঞান অর্জন করা। আবু উমামা বাহেলি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শুধু উত্তম বস্তু শেখার উদ্দেশ্যে মসজিদে যায় অথবা তা শেখাতে যায়, তবে সে একটি পূর্ণ হজের সওয়াব পাবে।’ (তাবারানি)
তিন. জামাতে নামাজ আদায় করা। আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ কি তোমাদের এশার নামাজ দেননি, যা জামাতে আদায় করলে হজের সমান সওয়াব এবং ফজরের নামাজ, যা জামাতে আদায় করলে ওমরাহর সমান সওয়াব?’ (মুসলিম)
চার. মা-বাবার খেদমত করা। আনাস (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সা.)-এর খেদমতে এসে বলল, ‘আমার জিহাদ করতে খুব আগ্রহ, কিন্তু সামর্থ্য নেই।’ নবী (সা.) বললেন, ‘তোমার মা-বাবা দুজনের কেউ জীবিত আছেন কি?’ বলল, ‘আমার মা জীবিত আছেন।’ নবীজি (সা.) বললেন, ‘তাহলে মায়ের সেবা করে আল্লাহর সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক স্থাপন করো। এটা যদি করতে পারো এবং তোমার মা সন্তুষ্ট থাকেন, তবে তুমি হজ, ওমরাহ ও জিহাদের সওয়াব পেয়ে যাবে। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো এবং মায়ের সেবা করো।’ (মুসনাদে আবু ইয়ালা)
আমজাদ ইউনুস, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

সামর্থ্যবান মুমিনের জন্য বাইতুল্লাহর সফর তথা হজ পালন করা ইসলামের এক অপরিহার্য বিধান। এটি শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতের এক অপূর্ব সমন্বয়। কোনো ব্যক্তি যদি প্রয়োজনীয় খরচ বাদে কাবা ঘরে যাওয়া-আসার সামর্থ্য রাখেন, তবে তার ওপর এই ফরজ অর্পিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আকিকা নবজাতক শিশুর আগমনে শুকরিয়া আদায়ের অন্যতম মাধ্যম। আকিকা ইসলামি ঐতিহ্যের অংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতও এটি। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নাতি হাসান ও হোসাইনের পক্ষ থেকে দুটি করে বকরি জবেহ করেছেন।’ (সুনানে আবু দাউদ)
৫ ঘণ্টা আগে
দাম্পত্যজীবনে অনেক সময় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে স্বামী-স্ত্রীর একত্রে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ইসলাম ধর্ম দাম্পত্যসম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিলেও একান্ত নিরুপায় অবস্থায় ‘তালাক’ বা বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
নামাজের শুরুতে তাকবিরে তাহরিমা বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বাঁধার পর প্রথম যে দোয়াটি পড়া হয়, তাকে ‘সানা’ বলা হয়। সানা পাঠ করা সুন্নতে মুআক্কাদা। একা নামাজ আদায়কারী, ইমাম ও মুক্তাদি—সবার জন্যই সানা পড়া সুন্নত।
৯ ঘণ্টা আগে