মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা

নামাজের কাতারে ইমাম সাহেবের ঠিক পেছনে কে দাঁড়াবে—এ বিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ইমামের সরাসরি পেছনে এমন কারও দাঁড়ানো উচিত, যিনি কোরআন-হাদিসের জ্ঞান রাখেন, প্রয়োজনে ইমামের কোনো সমস্যা হলে তিনি ইমামতি করতে পারেন।
হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) নামাজের সময় আমাদের কাঁধ স্পর্শ করে বলতেন, তোমরা সোজা দাঁড়াও এবং আগে-পিছে ছিন্নভিন্ন হয়ে দাঁড়িয়ো না। অন্যথায় তোমাদের অন্তর মতভেদে লিপ্ত হয়ে পড়বে। বুদ্ধিমান, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী ব্যক্তিরা আমার কাছাকাছি দাঁড়াবে। এরপর এই গুণে যারা তাদের নিকটবর্তী তারা পর্যায়ক্রমে এদের কাছাকাছি দাঁড়াবে।’ (আবু দাউদ: ৮৫৮)
‘বুদ্ধিমান, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী’র ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কোরআন-হাদিসে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা ইমামের পেছনে দাঁড়াবে, যাতে ইমামের কোনো সমস্যা হলে জরুরি ভিত্তিতে পেছনের লোকটি সামনে এগিয়ে গিয়ে ইমামতি করে বাকি নামাজ শেষ করতে পারে। অথবা ইমাম সাহেবের তিলাওয়াতে কিংবা নামাজের কোনো রুকনে ভুল হলে সঠিকভাবে লুকমা দিতে পারে। (দরসে তিরমিজি: ১ / ৪৮৬)
তবে কোরআন-হাদিসের জ্ঞান নেই এমন কেউ ইমামের পেছনে দাঁড়িয়ে গেলে নামাজ হবে না—এমন কথা বলা যাবে না। আবার ইমাম যদি হাদিসের ওপর আমল করার স্বার্থে কোরআন-হাদিসে অজ্ঞ কোনো ব্যক্তিকে একটু সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন, তাহলে তা-ও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। (ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ৩ / ৩৯৮)
বরং নবীজি (সা.)-এর নির্দেশনাও এমনই। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর বিন খাত্তাব (রা.) নামাজে ইমামতি করা অবস্থায় খঞ্জরের আঘাতে আহত হয়েছিলেন। তখন তিনি পেছন থেকে আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.)-কে সামনে নিয়ে আসেন। এরপর আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.) মুসল্লিদের নিয়ে বাকি নামাজ সম্পন্ন করেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭০০)
মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

নামাজের কাতারে ইমাম সাহেবের ঠিক পেছনে কে দাঁড়াবে—এ বিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ইমামের সরাসরি পেছনে এমন কারও দাঁড়ানো উচিত, যিনি কোরআন-হাদিসের জ্ঞান রাখেন, প্রয়োজনে ইমামের কোনো সমস্যা হলে তিনি ইমামতি করতে পারেন।
হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) নামাজের সময় আমাদের কাঁধ স্পর্শ করে বলতেন, তোমরা সোজা দাঁড়াও এবং আগে-পিছে ছিন্নভিন্ন হয়ে দাঁড়িয়ো না। অন্যথায় তোমাদের অন্তর মতভেদে লিপ্ত হয়ে পড়বে। বুদ্ধিমান, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী ব্যক্তিরা আমার কাছাকাছি দাঁড়াবে। এরপর এই গুণে যারা তাদের নিকটবর্তী তারা পর্যায়ক্রমে এদের কাছাকাছি দাঁড়াবে।’ (আবু দাউদ: ৮৫৮)
‘বুদ্ধিমান, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী’র ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কোরআন-হাদিসে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা ইমামের পেছনে দাঁড়াবে, যাতে ইমামের কোনো সমস্যা হলে জরুরি ভিত্তিতে পেছনের লোকটি সামনে এগিয়ে গিয়ে ইমামতি করে বাকি নামাজ শেষ করতে পারে। অথবা ইমাম সাহেবের তিলাওয়াতে কিংবা নামাজের কোনো রুকনে ভুল হলে সঠিকভাবে লুকমা দিতে পারে। (দরসে তিরমিজি: ১ / ৪৮৬)
তবে কোরআন-হাদিসের জ্ঞান নেই এমন কেউ ইমামের পেছনে দাঁড়িয়ে গেলে নামাজ হবে না—এমন কথা বলা যাবে না। আবার ইমাম যদি হাদিসের ওপর আমল করার স্বার্থে কোরআন-হাদিসে অজ্ঞ কোনো ব্যক্তিকে একটু সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন, তাহলে তা-ও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। (ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ৩ / ৩৯৮)
বরং নবীজি (সা.)-এর নির্দেশনাও এমনই। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর বিন খাত্তাব (রা.) নামাজে ইমামতি করা অবস্থায় খঞ্জরের আঘাতে আহত হয়েছিলেন। তখন তিনি পেছন থেকে আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.)-কে সামনে নিয়ে আসেন। এরপর আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.) মুসল্লিদের নিয়ে বাকি নামাজ সম্পন্ন করেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭০০)
মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯ বা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। আসন্ন রমজান মাস সামনে রেখে ঢাকা জেলার সেহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ১৪৪৭ হিজরির এই ক্যালেন্ডার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিবের নেতৃত্বে দেশের শীর্ষ মুফতিরা চূড়ান্ত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জে মাত্র সাড়ে আট মাসে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে সাত বছর বয়সী শিশু মিজানুর রহমান। অদম্য মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সে এই গৌরব অর্জন করেছে। মিজানুর রহমান হবিগঞ্জ সদর উপজেলার জিল্লুর রহমানের ছেলে।
২ ঘণ্টা আগে
সুরা কাউসার পবিত্র কোরআনের ১০৮তম এবং সবচেয়ে ছোট সুরা। মাত্র তিন আয়াতের এই সুরা আকারে ছোট হলেও এর তাৎপর্য ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের এক কঠিন ও শোকাতুর মুহূর্তে আল্লাহ তাআলা সুরাটি নাজিল করে তাঁকে সান্ত্বনা ও মহিমান্বিত সুসংবাদ দান করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসলামে নফল ইবাদতের মধ্যে সালাতুত তাসবিহ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি নামাজ। হাদিস শরিফে এই নামাজ পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এই নামাজ সম্ভব হলে প্রতিদিন একবার, তা না পারলে প্রতি সপ্তাহে একবার, সম্ভব না হলে প্রতি মাসে একবার, তাও না হলে বছরে একবার অথবা অন্তত জীবনে একবার হলেও আদায়ের কথা হাদিসে বলা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে