সহনশীলতা একটি মহৎ গুণ। সহনশীলতা অর্থ সহ্য করার ক্ষমতা। প্রতিকূল অবস্থায় আবেগ-উচ্ছ্বাস নিয়ন্ত্রণ করা এবং শক্তি থাকা সত্ত্বেও প্রতিশোধ না নিয়ে ধৈর্য ধরাই সহনশীলতা। প্রত্যেক নবী-রাসুলই সহনশীল ও ক্ষমাশীল ছিলেন। মহান আল্লাহ বিভিন্ন পরীক্ষায় ফেলে তাঁদের সহনশীল ও ধৈর্যশীল করে তুলেছেন।
সহনশীলতা এক অনুপম আদর্শ। মানবজীবনে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সার্বিক উন্নতির জন্য সহনশীলতা খুবই প্রয়োজন। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘মানুষ যখন জুলমের প্রতিশোধ গ্রহণ না করে ক্ষমা করে দেয়, তখন আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন।’ মহানবী (সা.) বলেন, ‘প্রকৃত মুসলমান ওই ব্যক্তি, যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।’ (মুসলিম)
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা সহনশীলতা অবলম্বন করো। আল্লাহ সহনশীলদের সঙ্গেই থাকেন।’ (সুরা আনফাল: ৪৬)।
ইমাম গাজালি (রহ.) বলেন, ‘ইমানের পর বিবেকের দাবি হলো, মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা, প্রত্যেক সৎ ও অসৎ লোকের প্রতি অনুগ্রহ করা, সবার সঙ্গে হাসি-খুশি থাকা এবং নম্রভাবে কথা বলা।’
মহানবী (সা.) সাহাবিদের প্রশ্ন করলেন, ‘তোমরা কি জানো, জাহান্নাম কার জন্য হারাম?’ তারা বললেন, ‘আল্লাহ ও রাসুলই ভালো জানেন।’ তিনি বললেন, ‘তার জন্য জাহান্নাম হারাম, যিনি ভদ্র ও নম্র আচরণ করেন।’
সহনশীলতার পুরস্কার প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘কেবল সহনশীলদেরই তাদের প্রতিদান কোনো হিসাব ছাড়া পূর্ণরূপে দেওয়া হবে।’ (সুরা যুমার: ১০)
মহানবী (সা.) বলেন, ‘সহনশীলতার প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।’
লেখক: অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

কোরবানি ইসলামের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার মূল লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাকওয়া অর্জন। কোরবানির পর সেই মাংস দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান বা অলিমা বা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে মেহমানদারি করা নিয়ে ইসলামি শরিয়তে কোনো বাধা নেই। তবে এখানে ‘নিয়ত’ বা উদ্দেশ্যের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২০ ঘণ্টা আগে
কোরবানি মহান আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন বা ‘শিআরুল্লাহ’। এই ইবাদতের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ও তাকওয়া। পশুর বিশেষ নামকরণের একটি বিষয় আমাদের সমাজে লক্ষ করা যায়। এ নিয়ে ইসলামি শরিয়তে যেমন অনুমোদন রয়েছে, তেমনি আছে কিছু সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ।
১ দিন আগে
মানবসমাজে ধর্ষণ একটি জঘন্য, ঘৃণিত ও ভয়াবহ অপরাধ। ধর্ষণ যেভাবে নারীর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে, তেমনি সমাজের শান্তিশৃঙ্খলা ও নৈতিক কাঠামো ভেঙে দেয়। ইসলাম, একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে নারী জাতিকে সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে এবং নারীর সম্মানহানি বা ইভটিজিংকে...
১ দিন আগে