Ajker Patrika

শিরক থেকে বেঁচে থাকতে নবীজির শেখানো দোয়া

ইসলাম ডেস্ক 
শিরক থেকে বেঁচে থাকতে নবীজির শেখানো দোয়া
নামাজের পর দোয়া করছেন এক মুসল্লি। ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি

ইসলামে সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ অপরাধ হলো শিরক। আল্লাহ তাআলা শিরকের গুনাহ তাওবা ছাড়া ক্ষমা করেন না। কোরআনুল কারিমে শিরককে মহা জুলুম বা সবচেয়ে বড় অন্যায় হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-কে নবীজি (সা.) সতর্ক করে বলেছিলেন, শিরক মানুষের মধ্যে পিপীলিকার পদধ্বনির চেয়েও সূক্ষ্মভাবে লুকিয়ে থাকে। অর্থাৎ মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারে না যে সে শিরকে লিপ্ত হচ্ছে। একে ‘শিরকে খফি’ বা গোপন শিরক বলা হয়।

শিরক কী?

সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলার সত্তা, গুণাবলি বা ইবাদতে অন্য কাউকে অংশীদার সাব্যস্ত করাকে শিরক বলা হয়। যে ব্যক্তি আল্লাহর ক্ষমতায় অন্য কারও অংশীদারত্ব মানে, তাকে বলা হয় মুশরিক।

কোরআনে শিরকের ভয়াবহতা

হজরত লোকমান হাকিম তাঁর সন্তানকে উপদেশ দেওয়ার সময় শিরকের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘হে বৎস, আল্লাহর সঙ্গে শরিক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা মহা জুলুম।’ (সুরা লোকমান: ১৩)

আল্লাহ তাআলা সুরা নিসায় ঘোষণা করেছেন, ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তাঁর সঙ্গে শিরক করাকে ক্ষমা করবেন না। তবে শিরক ছাড়া অন্যান্য গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন।’ (সুরা নিসা: ৪৮)

শিরক থেকে বাঁচার দোয়া

আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের ছোট-বড়, জানা-অজানা সব ধরনের শিরক থেকে বাঁচতে একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। এই দোয়াটি পাঠ করলে শিরকের ভয় থেকে মুক্ত থাকা যায়।

দোয়াটি হলো:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আলামু, ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা লা আলামু।

অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমার জানা অবস্থায় তোমার সঙ্গে শিরক করা হতে তোমারই কাছে আশ্রয় চাই। আর অজানা অবস্থায় (অনিচ্ছাকৃত) শিরক হয়ে গেলে তার জন্যও তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’ (মুসনাদে আহমাদ, আদাবুল মুফরাদ)

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত