
ইসলামে সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ অপরাধ হলো শিরক। আল্লাহ তাআলা শিরকের গুনাহ তাওবা ছাড়া ক্ষমা করেন না। কোরআনুল কারিমে শিরককে মহা জুলুম বা সবচেয়ে বড় অন্যায় হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-কে নবীজি (সা.) সতর্ক করে বলেছিলেন, শিরক মানুষের মধ্যে পিপীলিকার পদধ্বনির চেয়েও সূক্ষ্মভাবে লুকিয়ে থাকে। অর্থাৎ মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারে না যে সে শিরকে লিপ্ত হচ্ছে। একে ‘শিরকে খফি’ বা গোপন শিরক বলা হয়।
সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলার সত্তা, গুণাবলি বা ইবাদতে অন্য কাউকে অংশীদার সাব্যস্ত করাকে শিরক বলা হয়। যে ব্যক্তি আল্লাহর ক্ষমতায় অন্য কারও অংশীদারত্ব মানে, তাকে বলা হয় মুশরিক।
হজরত লোকমান হাকিম তাঁর সন্তানকে উপদেশ দেওয়ার সময় শিরকের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘হে বৎস, আল্লাহর সঙ্গে শরিক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা মহা জুলুম।’ (সুরা লোকমান: ১৩)
আল্লাহ তাআলা সুরা নিসায় ঘোষণা করেছেন, ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তাঁর সঙ্গে শিরক করাকে ক্ষমা করবেন না। তবে শিরক ছাড়া অন্যান্য গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন।’ (সুরা নিসা: ৪৮)
আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের ছোট-বড়, জানা-অজানা সব ধরনের শিরক থেকে বাঁচতে একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। এই দোয়াটি পাঠ করলে শিরকের ভয় থেকে মুক্ত থাকা যায়।
দোয়াটি হলো:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আলামু, ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা লা আলামু।
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমার জানা অবস্থায় তোমার সঙ্গে শিরক করা হতে তোমারই কাছে আশ্রয় চাই। আর অজানা অবস্থায় (অনিচ্ছাকৃত) শিরক হয়ে গেলে তার জন্যও তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’ (মুসনাদে আহমাদ, আদাবুল মুফরাদ)

সিলেটের একটি ছিমছাম অফিস। একদিকে থরে থরে সাজানো বইপত্র, কি-বোর্ড, মাউস আর মেধা খাটিয়ে তৈরি করা নানান ডিজাইনের পোস্টার-ক্যালেন্ডার। অন্যদিকে নিজের হাতে আঁকা নানা রঙের ক্যালিগ্রাফি। মনোরম এই অফিসের এক কোণে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার স্ক্রিনে চলছে এআই প্রম্পটিংয়ের কারুকাজ।
১৮ ঘণ্টা আগে
আকাশে মেঘ জমে বৃষ্টি বর্ষিত হওয়া আল্লাহ তাআলার অসীম রহমতের অপূর্ব নিদর্শন। বৃষ্টি যেমন মৃত জমিনকে জীবিত করে তোলে, তেমনি মানুষের অন্তরেও এনে দেয় প্রশান্তি ও সজীবতা। বৃষ্টির সময় নবীজি (সা.) বিশেষ কিছু আমল ও কাজ করতেন, যা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও শিক্ষণীয় আদর্শ।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
আনাস (রা.) আরও বলেন, আল্লাহর কসম! পরের ছয় দিন আমরা সূর্য দেখিনি। পরের জুমায় ফের ওই ব্যক্তি যখন মসজিদে প্রবেশ করেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) খুতবা দিচ্ছিলেন। ওই ব্যক্তি আরজ করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, ধনসম্পদ সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পানিতে পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে, আল্লাহর কাছে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার দোয়া করুন।
২ দিন আগে