মাহমুদ হাসান ফাহিম

পৃথিবীর শুরু থেকেই মানবজাতি এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার প্রয়োজন অনুভব করেছে, যার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা যায়। এই সম্মিলিত প্রয়োজন মেটাতেই আল্লাহ যুগে যুগে শরিয়তসহ নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। তাঁদের আনা দ্বীন বা ধর্মগুলোয় যেমন ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের পন্থা, তেমনি ছিল পার্থিব জীবনের যাবতীয় মূলনীতি।
এই পবিত্র আগমনী ধারাকে পূর্ণতা দিয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি বিশ্ববাসীকে পুনরায় ইসলামের দিকে ডেকেছেন এবং তাঁর আনা দ্বীনকে একটি নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ দ্বীন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইসলাম একদিকে যেমন পার্থিব জীবনব্যবস্থাকে সংশোধন করার ঘোষণা দিয়েছে, অন্যদিকে পারকালীন জীবনে অফুরন্ত সুখ-শান্তি লাভের উপায়গুলোর বিশদ বিবরণ দিয়ে তা পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধর্মই হচ্ছে ইসলাম। মানুষের ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি ইসলামেই নিহিত। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহর কাছে একমাত্র মনোনীত ধর্ম হচ্ছে ইসলাম।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৯)
ইসলামের এই পূর্ণতা সামগ্রিক। পূর্ববর্তী নবীদের দ্বীন তাঁদের নিজ নিজ যুগ ও জাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ হলেও তা সামগ্রিক ছিল না। কিন্তু ইসলাম কোনো বিশেষ যুগ, ভূখণ্ড বা জাতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটি কিয়ামত পর্যন্ত প্রতিটি যুগ ও জাতির জন্য একমাত্র পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ দ্বীন।
ইসলাম এমন একটি জীবনব্যবস্থা, যা মানুষকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবন পরিচালনার বিধান সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে। কিন্তু বর্তমানে আমরা ইসলামকে ব্যক্তিগত বিষয় মনে করি। অনেকে ব্যক্তিজীবনে ইসলাম মানলেও সমাজ ও জাতীয় জীবনে তা প্রয়োগ করতে আগ্রহী নই। আমরা ইসলামের কিছু অংশ বিশ্বাস করে মেনে নিই, আর কিছু অংশ অবিশ্বাস করে জীবনে বাস্তবায়ন করতে চাই না। কিন্তু ইসলাম এমন মন-চাওয়া জীবনব্যবস্থা নয়। ইসলামের কিছু বিধান খুব মন দিয়ে মেনে নেওয়া আর কিছু অংশ ছেড়ে দেওয়া—এ ধরনের খণ্ডিত ইসলাম আল্লাহর কাছে কখনো গ্রহণযোগ্য নয়।
লেখক: বাইতুল আকরাম মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স টঙ্গী, গাজীপুর

পৃথিবীর শুরু থেকেই মানবজাতি এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার প্রয়োজন অনুভব করেছে, যার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা যায়। এই সম্মিলিত প্রয়োজন মেটাতেই আল্লাহ যুগে যুগে শরিয়তসহ নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। তাঁদের আনা দ্বীন বা ধর্মগুলোয় যেমন ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের পন্থা, তেমনি ছিল পার্থিব জীবনের যাবতীয় মূলনীতি।
এই পবিত্র আগমনী ধারাকে পূর্ণতা দিয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি বিশ্ববাসীকে পুনরায় ইসলামের দিকে ডেকেছেন এবং তাঁর আনা দ্বীনকে একটি নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ দ্বীন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইসলাম একদিকে যেমন পার্থিব জীবনব্যবস্থাকে সংশোধন করার ঘোষণা দিয়েছে, অন্যদিকে পারকালীন জীবনে অফুরন্ত সুখ-শান্তি লাভের উপায়গুলোর বিশদ বিবরণ দিয়ে তা পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধর্মই হচ্ছে ইসলাম। মানুষের ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি ইসলামেই নিহিত। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহর কাছে একমাত্র মনোনীত ধর্ম হচ্ছে ইসলাম।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৯)
ইসলামের এই পূর্ণতা সামগ্রিক। পূর্ববর্তী নবীদের দ্বীন তাঁদের নিজ নিজ যুগ ও জাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ হলেও তা সামগ্রিক ছিল না। কিন্তু ইসলাম কোনো বিশেষ যুগ, ভূখণ্ড বা জাতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটি কিয়ামত পর্যন্ত প্রতিটি যুগ ও জাতির জন্য একমাত্র পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ দ্বীন।
ইসলাম এমন একটি জীবনব্যবস্থা, যা মানুষকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবন পরিচালনার বিধান সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে। কিন্তু বর্তমানে আমরা ইসলামকে ব্যক্তিগত বিষয় মনে করি। অনেকে ব্যক্তিজীবনে ইসলাম মানলেও সমাজ ও জাতীয় জীবনে তা প্রয়োগ করতে আগ্রহী নই। আমরা ইসলামের কিছু অংশ বিশ্বাস করে মেনে নিই, আর কিছু অংশ অবিশ্বাস করে জীবনে বাস্তবায়ন করতে চাই না। কিন্তু ইসলাম এমন মন-চাওয়া জীবনব্যবস্থা নয়। ইসলামের কিছু বিধান খুব মন দিয়ে মেনে নেওয়া আর কিছু অংশ ছেড়ে দেওয়া—এ ধরনের খণ্ডিত ইসলাম আল্লাহর কাছে কখনো গ্রহণযোগ্য নয়।
লেখক: বাইতুল আকরাম মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স টঙ্গী, গাজীপুর

মৃত্যু—এমন এক অনিবার্য বাস্তবতা, যা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। চাই সে মুসলমান হোক কিংবা অমুসলিম, ইমানদার হোক কিংবা বেইমান, আস্তিক হোক কিংবা নাস্তিক। তবে আশ্চর্যজনক বাস্তবতা হলো, সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ মৃত্যু থেকে পালানোর পথ খুঁজে বেড়িয়েছে অহর্নিশি। কেউ খুঁজেছে আবে হায়াত, কেউবা...
১ দিন আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে
মহান আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করাকে ভালোবাসেন। যারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে তাঁর কাছে ফিরে আসে, তিনি তাদের পরম আদরে গ্রহণ করেন। আল্লাহ চান, বান্দা তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে হাত তুলুক। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই...
২ দিন আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যা জ্ঞান অর্জনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছে। মহান আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করে তাকে অন্যান্য সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন মূলত জ্ঞানের মাধ্যমেই। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই জ্ঞান চর্চাকে ইমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
২ দিন আগে