মুফতি খালিদ কাসেমি

রমজান মাস পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস। এ মাসের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। লাওহে মাহফুজ থেকে এই মাসের এক বরকতময় রাতে পুরো কোরআন পৃথিবীর আসমানে একসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে। এরশাদ হচ্ছে, ‘আমি একে নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী।’ (সুরা দুখান: ৩) অন্য আয়াতে এরশাদ হচ্ছে, ‘রমজান মাস, এতে মানুষের দিশারি এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারীরূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৫)
ঐশী গ্রন্থ কোরআন মহান আল্লাহর বাণী। এর তিলাওয়াতে প্রতি হরফে ১০ নেকি লাভ হয়। নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পড়ল, তার জন্য রয়েছে একটি নেকি। আর একটি নেকি ১০ নেকি সমতুল্য। আমি বলছি না, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ।’ (তিরমিজি)
অন্য সময়ের তুলনায় রমজান মাসে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। কারণ, রমজান মাসের নফল ইবাদত অন্য মাসের ফরজ সমতুল্য। আর ফরজ ইবাদত অন্য মাসের ৭০টি ফরজ সমতুল্য।
রমজানের প্রত্যেক রাতে নবীজি (সা.) জিবরাইল (আ.)-এর কাছে পবিত্র কোরআন শোনাতেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘জিবরাইল (আ.) রমজানের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক রাতে নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং নবীজি তাঁকে পবিত্র কোরআন শোনাতেন।’ (বুখারি) এ হাদিস থেকে রমজানে অধিক পরিমাণে কোরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব বোঝা যায়।
কেয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য পবিত্র কোরআন সুপারিশ করবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজি (সা.) এরশাদ করেন, ‘রোজা ও কোরআন কেয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ)
মুফতি খালিদ কাসেমি, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

রমজান মাস পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস। এ মাসের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। লাওহে মাহফুজ থেকে এই মাসের এক বরকতময় রাতে পুরো কোরআন পৃথিবীর আসমানে একসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে। এরশাদ হচ্ছে, ‘আমি একে নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী।’ (সুরা দুখান: ৩) অন্য আয়াতে এরশাদ হচ্ছে, ‘রমজান মাস, এতে মানুষের দিশারি এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারীরূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৫)
ঐশী গ্রন্থ কোরআন মহান আল্লাহর বাণী। এর তিলাওয়াতে প্রতি হরফে ১০ নেকি লাভ হয়। নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পড়ল, তার জন্য রয়েছে একটি নেকি। আর একটি নেকি ১০ নেকি সমতুল্য। আমি বলছি না, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ।’ (তিরমিজি)
অন্য সময়ের তুলনায় রমজান মাসে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। কারণ, রমজান মাসের নফল ইবাদত অন্য মাসের ফরজ সমতুল্য। আর ফরজ ইবাদত অন্য মাসের ৭০টি ফরজ সমতুল্য।
রমজানের প্রত্যেক রাতে নবীজি (সা.) জিবরাইল (আ.)-এর কাছে পবিত্র কোরআন শোনাতেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘জিবরাইল (আ.) রমজানের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক রাতে নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং নবীজি তাঁকে পবিত্র কোরআন শোনাতেন।’ (বুখারি) এ হাদিস থেকে রমজানে অধিক পরিমাণে কোরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব বোঝা যায়।
কেয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য পবিত্র কোরআন সুপারিশ করবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজি (সা.) এরশাদ করেন, ‘রোজা ও কোরআন কেয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ)
মুফতি খালিদ কাসেমি, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২০ ঘণ্টা আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১ দিন আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে