রমজান মাসের শেষ দশকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম হলো ইতিকাফ। নিচে ইতিকাফের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি মাসায়েল আলোচনা করা হলো:
১. পুরুষদের জন্য মসজিদে ইতিকাফ করা আবশ্যক। এক মহল্লায় একাধিক মসজিদ থাকলে সব কটিতে ইতিকাফ করা উত্তম, তবে জরুরি নয়। মহল্লার যেকোনো একটি মসজিদে কেউ ইতিকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট হবে।
২. কোনো গ্রামের মসজিদে অন্য গ্রামের লোক ইতিকাফ করলে ওই গ্রামের সবার পক্ষ থেকে সুন্নতে মুআক্কাদা কেফায়া আদায় হয়ে যাবে।
৩. প্রস্রাব-পায়খানা বা ফরজ গোসলের মতো প্রয়োজনে মসজিদ থেকে বের হওয়া জায়েজ।
৪. মসজিদের ভেতরে বায়ু নির্গমন করা ফেরেশতা ও মুসল্লিদের কষ্টের কারণ হতে পারে। তাই নির্ভরযোগ্য ফতোয়া অনুযায়ী, ইতিকাফকারী বায়ু নির্গমনের জন্য মসজিদের বাইরে যেতে পারবেন।
৫. ইতিকাফকারী মুয়াজ্জিন হোক বা না হোক, আজান দেওয়ার জন্য মসজিদের বাইরে যেতে পারবেন।
৬. ইতিকাফ অবস্থায় জানাজা বা রোগী দেখার উদ্দেশ্যে বের হওয়া জায়েজ নেই। তবে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে (যেমন টয়লেটে যাওয়া) বের হয়ে পথিমধ্যে রোগী দেখা বা জানাজায় শরিক হওয়া জায়েজ।
৭. ২০ রমজানের সূর্যাস্তের (মাগরিব) আগে মসজিদে প্রবেশ করতে হবে। মাগরিবের পর প্রবেশ করলে সেটি সুন্নত ইতিকাফ হবে না; বরং নফল ইতিকাফ হিসেবে গণ্য হবে।
৮. ইতিকাফের শেষ সময় হলো ঈদের চাঁদ দেখার দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত। ২৯ বা ৩০ রমজান যদি সূর্যাস্তের আগে চাঁদ দেখা যায়, তবুও সূর্য ডোবার আগে মসজিদ থেকে বের হওয়া যাবে না।
৯. ইতিকাফরত মসজিদে যদি জুমার ব্যবস্থা না থাকে, তবে শুধু জুমার নামাজ আদায়ের জন্য অন্য মসজিদে যাওয়া জায়েজ। এ ছাড়া খাবার পৌঁছে দেওয়ার লোক না থাকলে খাবার আনতে বের হওয়া যাবে।
১০. প্রাকৃতিক বা শরয়ি প্রয়োজনে বাইরে গিয়ে কাজ শেষে সামান্য সময়ও (আধা মিনিট) দেরি করা যাবে না। অহেতুক দেরি করলে ইতিকাফ নষ্ট হয়ে যাবে।

পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। সেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কারা? কেন তাদের ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছে? চলুন কোরআনের আয়াত থেকে জেনে নেওয়া যাক—
৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৯ ঘণ্টা আগে
মানবজীবন ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরকালের জীবন অনন্ত। সেই পরকালীন জীবনের একমাত্র সম্বল হলো দুনিয়ার সৎকর্ম বা আমল। পরকালে মুক্তি এবং জান্নাত লাভের যত সহজ ও বরকতময় মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে দান-সদকা অন্যতম। কোরআন ও হাদিসে গোপন ও প্রকাশ্যে দান-সদকা করার জন্য বারবার উৎসাহিত করা হয়েছে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, ইরান ও ইরাকের মতো কয়েকটি মুসলিমপ্রধান দেশের একাংশে প্রতিবছর সফর মাসের শেষ বুধবার ‘আখেরি চাহার সোম্বা’ পালিত হতে দেখা যায়। ফারসি এই বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ হলো—‘সফর মাসের শেষ বুধবার’ (ফারসি ‘আখেরি’ অর্থ শেষ, ‘চাহর’ অর্থ সফর মাস এবং ‘সোম্বা’ অর্থ বুধবার)।
১ দিন আগে