
মুসাফির বা ভ্রমণকারীর জন্য ইবাদতের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা প্রদান করেছে ইসলাম। বিশেষ করে রমজান মাসে দীর্ঘ ভ্রমণে থাকলে রোজা রাখা না রাখার ব্যাপারে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি: মুসাফিরের জন্য রমজানে রোজা না রাখা জায়েজ। ভ্রমণকারী রোজা রাখতে সক্ষম হোন বা না হোন, সর্বাবস্থায় তিনি এই ছাড় পাবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘কিন্তু তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ বা মুসাফির হলে সে অন্য কোনো দিন (রোজা) গণনা করবে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৪)
সফর অবস্থায় রোজার বিধান: যদি সফর খুব বেশি কষ্টদায়ক না হয়, তবে রোজা রাখা উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) মক্কা বিজয়ের অভিযানে রোজা অবস্থায় রওনা হয়েছিলেন এবং পথে কাদিদ নামক স্থানে পৌঁছে ইফতার করেছিলেন। (সহিহ্ বুখারি: ৪২৭৬)। যদি কেউ মুসাফির অবস্থায় রোজা শুরু করেন, তাহলে বিনা ওজরে তা ভাঙা জায়েজ নয়। তবে যদি কেউ ভেঙে ফেলেন, তাঁর ওপর শুধু কাজা ওয়াজিব হবে, কাফফারা দিতে হবে না।
এ ছাড়া সফরে যদি তীব্র গরম বা তৃষ্ণার কারণে প্রাণনাশের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, তবে দ্রুত রোজা ভেঙে ফেলা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রেও পরবর্তী সময়ে কেবল কাজা আদায় করলেই চলবে।
অসুস্থ ব্যক্তির রোজার বিধান: অসুস্থ ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা বাধ্যতামূলক নয়। কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হলে এবং রোজা রাখলে তাঁর অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তখন রোজা ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে ইসলাম। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর এসব রোজা কাজা আদায় করতে হবে। (সুরা বাকার: ১৮৫)
অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য রোজার বিকল্প: যদি কোনো ব্যক্তি বার্ধক্য বা চিরস্থায়ী অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে না পারেন এবং ভবিষ্যতে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে, তবে তিনি ফিদিয়া প্রদান করবেন। ফিদিয়ার পরিমাণ হলো প্রতিটি রোজার জন্য একটি সদকাতুল ফিতরের সমপরিমাণ খাদ্য বা তার মূল্য। জাকাত ও সদকা পাওয়ার যোগ্য দরিদ্র ও অসহায়দের ফিদিয়া দেওয়া যায়।

মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর প্রথম হিজরিতে যখন নামাজের জন্য মানুষকে ডাকার উদ্দেশ্যে আজানের রীতি প্রবর্তিত হয়, তখন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এই পবিত্র ও গুরুদায়িত্ব পালনের জন্য সর্বাগ্রে বেছে নিয়েছিলেন এক কৃষ্ণাঙ্গ সাহাবিকে।
৫ মিনিট আগে
ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
৯ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৩ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
২১ ঘণ্টা আগে