
বিশ্বের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে রমজান মাস উপলক্ষে মানুষ একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান, যা মূলত বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য ও আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রতীক। এই শুভেচ্ছাগুলো দেশভেদে স্থানীয় ভাষায় ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রকাশ পায়।
রমজানের সবচেয়ে প্রচলিত শুভেচ্ছা হলো ‘রমজান মোবারক’ ও ‘রমজান কারিম’। রমজান মোবারক অর্থ—‘রমজান মাসটি আপনার জন্য বরকতময় হোক’। রমজান কারিম অর্থ—‘রমজান মাসটি উদার ও দয়ালু হোক’।
প্রতিটি দেশের মানুষ তাঁদের ভাষায় এই শুভেচ্ছা ব্যবহার করেন। আরব দেশগুলোতে ‘রমজান মোবারক’ বা ‘রমজান কারিম’ (আরবি: رمضان مبارك / رمضان كريم) বলা হয়।
তুরস্কে ‘রমজানিনিজ মুবারেক ওসলুন’ (Ramazanınız mübarek olsun) বলা হয়; যার অর্থ—‘আপনার রমজান মোবারকময় হোক’।
ইন্দোনেশিয়ায় ‘সেলামাত মেনজালানকান ইবাদাহ পুয়াসা’ (Selamat menjalankan ibadah puasa) বলা হয়। অর্থাৎ রোজা পালন শুভ হোক।
পাকিস্তান ও ভারতীয় উপমহাদেশে সাধারণত আরবি উচ্চারণে ‘রমজান মোবারক’ বা ‘রমজান কারিম’ বলা হয়। বাংলাদেশে ‘রমজান মোবারক’ সবচেয়ে প্রচলিত।
এই শুভেচ্ছাগুলো কেবল সামাজিক রীতি নয়, এগুলো মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহযোগিতা ও আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রতীক। রমজান মাসে এই শুভেচ্ছা বিনিময় মানুষকে একে অপরের প্রতি দয়াশীল ও সহমর্মী হতে প্রেরণা দেয়।
রমজানকে উদ্যাপন করার সময় এই শুভেচ্ছাগুলো দিয়ে পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে আত্মিক এবং সামাজিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
বাংলাদেশের সেহরি ও ইফতারের সময়সুচী জানুন

কোরবানি ইসলামের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার মূল লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাকওয়া অর্জন। কোরবানির পর সেই মাংস দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান বা অলিমা বা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে মেহমানদারি করা নিয়ে ইসলামি শরিয়তে কোনো বাধা নেই। তবে এখানে ‘নিয়ত’ বা উদ্দেশ্যের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২০ ঘণ্টা আগে
কোরবানি মহান আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন বা ‘শিআরুল্লাহ’। এই ইবাদতের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ও তাকওয়া। পশুর বিশেষ নামকরণের একটি বিষয় আমাদের সমাজে লক্ষ করা যায়। এ নিয়ে ইসলামি শরিয়তে যেমন অনুমোদন রয়েছে, তেমনি আছে কিছু সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ।
১ দিন আগে
মানবসমাজে ধর্ষণ একটি জঘন্য, ঘৃণিত ও ভয়াবহ অপরাধ। ধর্ষণ যেভাবে নারীর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে, তেমনি সমাজের শান্তিশৃঙ্খলা ও নৈতিক কাঠামো ভেঙে দেয়। ইসলাম, একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে নারী জাতিকে সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে এবং নারীর সম্মানহানি বা ইভটিজিংকে...
১ দিন আগে