নামাজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ এক রুকন বা ফরজ বিধান। পুরুষের জন্য দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ মসজিদে গিয়ে জামাতের সঙ্গে আদায় করা সুন্নতে মুআক্কাদা। তবে কোনো কোনো ইসলামবিষয়ক গবেষক ওয়াজিবও বলেছেন।
জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত: আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জামাতে নামাজের ফজিলত একাকী আদায়কৃত নামাজ অপেক্ষা সাতাশ গুণ বেশি।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬৪৫)
অলসতা আর অবহেলায় জামাত তরককারীর প্রতি নবী (সা.) এতটাই ক্ষুব্ধ যে, তিনি তাদের ঘরবাড়ি পর্যন্ত জ্বালিয়ে দিতে চেয়েছিলেন।
তবে এসব কঠোরতা ফরজ নামাজের ক্ষেত্রে। ফরজ ব্যতীত অন্যান্য নফল নামাজ নিজ ঘরে পড়াই উত্তম—যদি ঘরে নামাজ পড়ার পরিবেশ থাকে।
ঘরে নফল নামাজ পড়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান: হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, ‘ফরজ ব্যতীত তোমাদের বাড়িতে আদায়কৃত নামাজ সর্বোৎকৃষ্ট।’ (জামে তিরমিজি: ৪৫০)
ঘরে নফল নামাজ আদায়ের তাগিদ: হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, ‘তোমাদের বাড়িতেও নামাজ আদায় কর, তাঁকে কবরস্থানে পরিণত কর না।’ (জামে তিরমিজি: ৪৫১)
ঘরে নামাজ পড়ার উদ্দেশ্য এটা হতে পারে যে, নিজ আবাসস্থলও যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে বঞ্চিত না হয়। এবং শয়তানের প্রভাবমুক্ত থাকে।

নফল ইবাদত বান্দার আমলনামার সৌন্দর্য। নফল ইবাদতের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে আল্লাহ তাআলার অনেক কাছাকাছি পৌঁছানো যায়। তাঁর প্রিয় বান্দা হওয়া যায় অনেক সহজে। মুমিন যখন ফরজ ও সুন্নতে মুআক্কাদা পালন শেষে নফল ইবাদতে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে—প্রতিটি রুকু-সেজদা এবং তাসবিহের বিনিময়ে তার মর্যাদা বাড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
ইবাদত ও আমলকে গুরুত্বের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে বিন্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রধান ও বহুল চর্চিত পরিভাষা হলো ‘ফরজ’ ও ‘নফল’। ফরজ, ওয়াজিব কিংবা সুন্নতের মতো পরিভাষাগুলো সরাসরি আল্লাহ তাআলা বা তাঁর রাসুল (সা.) নির্ধারণ করে দিয়ে যাননি।
১২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৬ ঘণ্টা আগে
নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু) পাঠ করার পর দরুদ শরিফ পাঠ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা, আবার কোনো কোনো ফকিহের মতে তা ওয়াজিব। আমল ও ফজিলতের দিক থেকে নামাজের মধ্যে দরুদে ইবরাহিম পাঠ করা সবচেয়ে উত্তম ও সর্বজনবিদিত। কারণ, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সাহাবিদের নামাজে পাঠ করার জন্য বিশেষভাবে এই...
১ দিন আগে