ইবাদত ও আমলকে গুরুত্বের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে বিন্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রধান ও বহুল চর্চিত পরিভাষা হলো ‘ফরজ’ ও ‘নফল’।
ফরজ, ওয়াজিব কিংবা সুন্নতের মতো পরিভাষাগুলো সরাসরি আল্লাহ তাআলা বা তাঁর রাসুল (সা.) নির্ধারণ করে দিয়ে যাননি। বরং কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস সম্পর্কে বিজ্ঞ ফকিহ ও মুজতাহিদ ইমামগণ গভীর গবেষণা করে মুসলিম উম্মাহর আমলের সুবিধার্থে এই পরিভাষাগুলো নির্ধারণ করেছেন।
ইসলামি শরিয়তের যেসব আদেশ অকাট্য দলিল (যেমন পবিত্র কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশ বা সুসংহত হাদিস) দ্বারা প্রমাণিত এবং যার মধ্যে প্রমাণের দিক থেকে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই, তাকে ফরজ বলা হয়।
ফরজ কাজ পালন করা প্রতিটি সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য আবশ্যিক ও বাধ্যতামূলক। শরিয়তসম্মত কোনো ওজর ছাড়া ইচ্ছাকৃত ফরজ ত্যাগকারী ব্যক্তি মারাত্মক গুনাহগার বা ‘ফাসিক’ হিসেবে গণ্য হয়। ফরজ বিধানকে সরাসরি অস্বীকারকারী ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ বা ‘কাফির’ বলে গণ্য হয়।
‘মুস্তাহাব’ শব্দের অর্থ হলো পছন্দনীয় বা উত্তম। আর শরিয়তের দৃষ্টিতে ফরজ ও ওয়াজিবের বাইরে অতিরিক্ত সব ভালো কাজই নফল বা মুস্তাহাবের অন্তর্ভুক্ত। আলেমদের মতে, নফল, মুস্তাহাব, মানদুব ও সুন্নতে জায়েদা মূলত প্রায় কাছাকাছি অর্থবোধক বিষয়।
নফল এমন একটি আমল, যা পালন করলে অফুরন্ত সওয়াব পাওয়া যায়, কিন্তু না করলে বা ছেড়ে দিলে কোনো গুনাহ হয় না কিংবা এর জন্য কোনো তিরস্কারও নেই। নফল হলো মূলত স্বেচ্ছায় আল্লাহর নৈকট্য ও ভালোবাসা অর্জনের জন্য অতিরিক্ত ইবাদত করা।
সহজ কথায়, ফরজ হলো একজন মুমিনের ইমান ও ইসলাম টিকে থাকার মূল ভিত্তি বা ন্যূনতম বাধ্যবাধকতা, আর নফল হলো মহান আল্লাহর আরও নৈকট্য লাভ ও অতিরিক্ত সওয়াব অর্জনের সিঁড়ি। একজন সচেতন মুসলিমের প্রথম দায়িত্ব হলো জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ফরজ বিধানগুলোকে যথাযথভাবে রক্ষা করা এবং এরপর নিজের আমলকে আরও সমৃদ্ধ করতে সাধ্যানুযায়ী নফল ইবাদতে মনোযোগী হওয়া।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু) পাঠ করার পর দরুদ শরিফ পাঠ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা, আবার কোনো কোনো ফকিহের মতে তা ওয়াজিব। আমল ও ফজিলতের দিক থেকে নামাজের মধ্যে দরুদে ইবরাহিম পাঠ করা সবচেয়ে উত্তম ও সর্বজনবিদিত। কারণ, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সাহাবিদের নামাজে পাঠ করার জন্য বিশেষভাবে এই...
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের ইবাদত কবুল হওয়ার প্রাথমিক শর্ত হলো পবিত্রতা। ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম না জানলে আমাদের নামাজসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত আদায় হবে না। গোসলের সময় যদি এই তিনটি কাজের কোনো একটি বাদ পড়ে, তবে গোসল শুদ্ধ হবে না এবং ব্যক্তি অপবিত্রই থেকে যাবেন: এক. ভালোভাবে মুখ ভরে পানি নিয়ে গড়গড়াসহকারে কুলি করা।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে