শয়তান মানবজাতির চিরশত্রু। সৃষ্টিজগতের সূচনালগ্ন থেকে আজ অবধি মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবন ধ্বংস করতে সে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ফাঁদ পেতে চলেছে। তবে কিছু মানুষ বুঝে-না বুঝে নিজেদের কর্ম, চরিত্রে শয়তানের বন্ধু কিংবা সহচরে পরিণত হয়।
১. আল্লাহর জিকির থেকে বিমুখ ব্যক্তিরা: আল্লাহর স্মরণই মানুষের ইমান ও আমলের সর্বশ্রেষ্ঠ নিরাপত্তা। মানুষ যখন এই স্মরণ থেকে দূরে সরে যায়, তখন শয়তান তার হৃদয়ে আধিপত্য বিস্তার করে। এ বিষয়ে কোরআনে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি রহমানের জিকির (স্মরণ) থেকে বিমুখ হয়, আমি তার জন্য এক শয়তান নিয়োজিত করি; অতঃপর সে হয় তার সহচর।’ (সুরা জুখরুফ: ৩৬)
২. ইমানহীন ও কুফরিতে লিপ্ত জনগোষ্ঠী: যারা আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং আখিরাতকে বিশ্বাস করে না, তাদের অভিভাবকত্ব ও বন্ধুত্বের দায়িত্ব শয়তান নিজের কাঁধে তুলে নেয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি শয়তানদের তাদের বন্ধু বানিয়েছি, যারা ইমান আনে না।’ (সুরা আরাফ: ২৭)। অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, যারা কুফরি করে, তাদের বন্ধু বা অভিভাবক হলো ‘তাগুত’ বা শয়তান, যা তাদের আলো থেকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। (সুরা বাকারা: ২৫৭)
৩. লোকদেখানো দাতা ও অহংকারী: দান-সদকা ইসলামের একটি অন্যতম স্তম্ভ। কিন্তু এই মহৎ ইবাদতটি যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির বদলে লোকদেখানো বা সমাজে নিজের সুনাম কুড়ানোর উদ্দেশ্যে করা হয়, তখন তা শয়তানের অ্যাজেন্ডায় পরিণত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যারা লোকদেখানোর উদ্দেশ্যে তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে... (তারা শয়তানের সঙ্গী)। আর শয়তান যার সহচর (সঙ্গী) হয়, সে কতই-না নিকৃষ্ট সহচর!’ (সুরা নিসা: ৩৮)
৪. পাপে অন্ধ হয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা: যারা প্রতিনিয়ত পাপ করতে করতে অন্তরের আলো হারিয়ে ফেলে এবং অন্যায়কে ন্যায় মনে করতে শুরু করে, আল্লাহ তাদের ওপর শয়তানকে স্থায়ী সঙ্গী হিসেবে লেলিয়ে দেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমরা তাদের জন্য কিছু সহচর (শয়তান) নির্ধারিত করে দিয়েছিলাম, যারা তাদের অতীত ও ভবিষ্যৎকে তাদের সামনে সুশোভিত (আকর্ষণীয়) করে দেখিয়েছিল।’ (সুরা ফুসসিলাত: ২৫)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
মানবজীবনে অভাব-অনটন, দারিদ্র্য কিংবা অর্থনৈতিক সংকট আসে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে গেলে আল্লাহ তাআলা একসময় অভাব-অনটন থেকে মুক্তি দেন। এর জন্য প্রয়োজন চেষ্টার পাশাপাশি কিছু আমল এবং আল্লাহর দরবারে দোয়া-মোনাজাত। কোরআন ও হাদিসের আলোকে অভাব-অনটন থেকে মুক্তি এবং রিজিকে
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
বিপন্ন মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার ফজিলত অনেক। এর বিনিময়ে জান্নাতে অফুরন্ত নিয়ামত অর্জিত হবে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বস্ত্রহীনকে কাপড় পরাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবুজ রেশমি কাপড় পরাবেন। যে ব্যক্তি কোনো ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে আহার করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের ফল খাওয়াবেন।
২ দিন আগে