কোরবানি করার পর আমাদের সমাজে সাধারণত পশুর চামড়া বিক্রি করে দেওয়ার প্রচলন আছে। চামড়া বিক্রির টাকা গরিব-অসহায়ের মাঝে সদকা করে দেওয়া আবশ্যক। কোরবানির সেই চামড়া দিয়ে পোশাক, জুতা, বেল্ট, ব্যাগ ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
তবে ইদানিং পশুর চামড়ার খাওয়ারও প্রচলন শুরু হয়েছে। ইউটিউবসহ নানা মাধ্যমে চামড়ার তৈরি খাবারের রেসিপিও দেখা যায়। এসব দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—কোরবানির পশুর চামড়া খাওয়া কি ইসলাম সমর্থিত?
জেনে রাখার বিষয় হলো— কোরবানির পশুর ১. প্রবাহিত রক্ত, ২. অণ্ডকোষ, ৩. মাংসগ্রন্থি, ৪. মূত্রথলি, ৫. পিত্ত, ৬. পুরুষাঙ্গ, এবং ৭. স্ত্রীলিঙ্গ খাওয়া যাবে না।
এ ছাড়া কোরবানির পশুর ভুঁড়ি, চামড়া খাওয়া হালাল। কেউ যদি প্রক্রিয়াজাত করে হালাল পশুর চামড়া খেতে চায়, খেতে পারবে। ইচ্ছে করলে চামড়া দিয়ে বিছানা, জায়নামাজ ইত্যাদি বানিয়েও ব্যবহার করা যাবে।
আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা কোরবানির পশুর চামড়া দ্বারা উপকৃত হও; তবে বিক্রি করে দিও না।’ (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ: ৪/২৯)
আরও পড়ুন:

নামাজ মহান আল্লাহ তাআলার সঙ্গে বান্দার এক গভীর সংযোগের মাধ্যম। এই ইবাদত আদায়ের সময় আমাদের উচিত সর্বোচ্চ মনোযোগ ও বিনয় বজায় রাখা। তাই নামাজের মধ্যে কোনো কিছু বিঘ্ন ঘটলে তা থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য। হাই তোলা এমনই একটি বিষয়, যা নামাজে মনোযোগ নষ্ট করতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১০ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীতে প্রতিটি প্রাণীর জন্য মৃত্যু এক অবধারিত ও ধ্রুব সত্য। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৮৫)। মৃত্যু জীবনের সমাপ্তি নয়, বরং এটি এক নতুন জীবনের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হওয়া। এই চরম সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও জীবিতদের জন্য
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে