আসআদ শাহীন

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য অনুচর, ছিল রাজকীয় মহিমা ও বিলাসিতা। কিন্তু এক রাতে, যখন আকাশে চাঁদের আলো নেমে এসেছিল, তিনি চিন্তায় মগ্ন হলেন।
রাজপ্রাসাদের উঁচু মিনারে দাঁড়িয়ে তিনি গভীরভাবে ভাবতে লাগলেন—এ রাজ্য, এই ক্ষমতা, এই আভিজাত্য কি চিরস্থায়ী? তাঁর অন্তর কেঁপে উঠল। তিনি অনুভব করলেন, এ রাজসিক জীবন তাঁকে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তাই তিনি শাসন ও রাজত্ব ছেড়ে এমন এক জায়গায় চলে যান, যেখানে তাঁকে কেউ চেনে না। সেখানে তিনি কেবল আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকেন এবং নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিচে গল্পটি হাদিসের ভাষ্যে উপস্থাপন করা হলো—
হজরত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন—বনি ইসরাইলের এক বাদশা, যিনি হজরত মুসা (আ.)–এর পর শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন, এক রাতে বায়তুল মুকাদ্দাসের ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করছিলেন। চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত সেই রাতে তিনি তাঁর অতীত জীবনের বিভিন্ন ঘটনা স্মরণ করতে লাগলেন। গভীর চিন্তায় নিমগ্ন হয়ে তিনি উপলব্ধি করলেন যে, তাঁর রাজত্ব, ক্ষমতা—এসব কিছুই একদিন বিলীন হয়ে যাবে। তাঁর অন্তর উদ্বেগে কেঁপে উঠল।
অবশেষে, তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন—এই জগতের জৌলুস তাঁকে আর আটকে রাখতে পারবে না। এক নির্জন রাতে, কাউকে কিছু না জানিয়ে, তিনি এক রশির সাহায্যে নিচে নেমে এলেন। পরদিন সকালে দেখা গেল, সেই রশিটি মসজিদে ঝুলে আছে, কিন্তু তিনি সেখানে নেই। তিনি চলতে চলতে সমুদ্রের তীরে এসে পৌঁছালেন। সেখানে দেখলেন, একদল শ্রমিক ইট বানানোর কাজে ব্যস্ত। তিনি তাঁদের কাছে জানতে চাইলেন, তাঁরা কীভাবে উপার্জন করেন। শ্রমিকেরা তাঁকে তাঁদের পরিশ্রমের বিনিময়ে পাওয়া মজুরির কথা জানালে, তিনি তাঁদের দলে যোগ দিলেন।
নিজের হাতে পরিশ্রম করতে লাগলেন, কষ্টার্জিত উপার্জন দিয়ে আহার করতেন এবং বাকি অংশ দান করে দিতেন। যখন নামাজের সময় হতো, তিনি ইবাদতে মগ্ন হয়ে যেতেন। একসময় শ্রমিকেরা এই ব্যতিক্রমী মানুষটির কথা তাঁদের মহাজনের কাছে জানালেন। মহাজন বিস্মিত হলেন—এই সাধারণ জীর্ণশীর্ণ শ্রমিক আসলে কে? তিনি তাঁকে ডেকে পাঠালেন। কিন্তু তিনবার পাঠানো হলেও, তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানালেন।
অবশেষে, মহাজন নিজেই তাঁকে দেখতে এলেন। বাদশাহ যখন দেখলেন যে, কেউ তাঁকে খুঁজতে এসেছে, তখন তিনি পালিয়ে গেলেন। কিন্তু মহাজন তাঁর পিছু নিলেন এবং অবশেষে তাঁকে ধরে ফেললেন। তিনি বললেন, ‘একটু দাঁড়ান, আমি শুধু আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই।’
বাদশাহ থামলেন এবং ধীরে ধীরে নিজের কাহিনি বলতে লাগলেন, ‘আমি একসময়ের বাদশা ছিলাম, কিন্তু এক রাতে আমি উপলব্ধি করলাম, এই রাজ্য, এই ক্ষমতা—এসব কিছুই ক্ষণস্থায়ী। এগুলো আমাকে আমার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। আমি বুঝতে পারলাম, আমার আসল কর্তব্য হলো, আমার রবের ইবাদত করা। তাই আমি সবকিছু ছেড়ে চলে এসেছি, যেন কেবল আল্লাহর জন্য জীবন উৎসর্গ করতে পারি।’
মহাজন বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘আপনি যদি সব ছেড়ে আল্লাহর পথে আসতে পারেন, তবে আমি কেন পারব না?’ তিনিও বাহন থেকে নেমে এলেন এবং বাদশাহকে অনুসরণ করলেন। এরপর তাঁরা দুজন একসঙ্গে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হয়ে গেলেন। তাঁরা আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করলেন, ‘হে আমাদের রব, আমাদের মৃত্যু যেন এক সঙ্গেই হয়।’
অবশেষে, তাঁদের দোয়া কবুল হলো। তাঁরা একসঙ্গে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন এবং তাঁদের কবর মিসরের রুমাইলা নামক স্থানে পাশাপাশি রয়েছে।
হজরত আব্দুল্লাহ (রা.) বলেন, ‘যদি আমি মিসরের রুমাইলায় থাকতাম, তাহলে রাসুলুল্লাহ (সা.) যে বর্ণনা দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী আমি তাঁদের কবর তোমাদের দেখিয়ে দিতে পারতাম।’ (আল বাহরুজ জাখখার,৪ / ২৬৭, হাদিস: ৩৬৮৯, আল মুজামুল কাবির, ১০ / ২১৬, হাদিস: ১০৩৭০)
গল্প থেকে শিক্ষা
চিন্তা ও গভীর মননশীলতার উপকারিতা, যা মানুষকে সঠিক উপলব্ধি ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এটি সর্বোত্তম ফল ও কল্যাণকর পরিণতি এনে দেয়, যেমনটি এই দুই ব্যক্তি চিন্তা ও বিবেচনার মাধ্যমে অর্জন করেছিলেন।
দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্তি ও পরকালের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার মাহাত্ম্য। আল্লাহর কাছে যে অনন্ত পুরস্কার রয়েছে, তা কখনো ক্ষয়প্রাপ্ত হবে না, বরং স্থায়ী ও চিরকালীন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের কাছে যা কিছু আছে, তা ফুরিয়ে যাবে; আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা চিরস্থায়ী।’ (সুরা নাহল: ৯৬)
এটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও অবধারিত সত্য। কেননা কোরআন-হাদিসে বারবার দুনিয়ার মোহমুক্তির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং দুনিয়াকে তুচ্ছ মনে করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও তাঁর কথা, আচরণ ও কর্মের মাধ্যমে মানুষকে দুনিয়াবিমুখতার শিক্ষা দিয়েছেন।
পরকালীন সফলতার জন্য পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করা কোনোভাবেই দুনিয়াবিমুখতার (জুহদ) পরিপন্থী নয়। বরং দুনিয়াবিমুখতার বিরোধী হলো, বিলাসিতায় মত্ত হওয়া, ভোগবিলাসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়া, পরিপূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্য খোঁজা, দামি পোশাক-পরিচ্ছদ ও বাহন নিয়ে অতিরিক্ত আসক্ত হওয়া। এ দুই ব্যক্তি দুনিয়াবিমুখতা অবলম্বন করেছিলেন—তাঁরা কেবল প্রয়োজনীয় আহারের জন্য পরিশ্রম করতেন, কিন্তু ভোগবিলাসের পথে নিজেদের জড়াননি।

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য অনুচর, ছিল রাজকীয় মহিমা ও বিলাসিতা। কিন্তু এক রাতে, যখন আকাশে চাঁদের আলো নেমে এসেছিল, তিনি চিন্তায় মগ্ন হলেন।
রাজপ্রাসাদের উঁচু মিনারে দাঁড়িয়ে তিনি গভীরভাবে ভাবতে লাগলেন—এ রাজ্য, এই ক্ষমতা, এই আভিজাত্য কি চিরস্থায়ী? তাঁর অন্তর কেঁপে উঠল। তিনি অনুভব করলেন, এ রাজসিক জীবন তাঁকে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তাই তিনি শাসন ও রাজত্ব ছেড়ে এমন এক জায়গায় চলে যান, যেখানে তাঁকে কেউ চেনে না। সেখানে তিনি কেবল আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকেন এবং নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিচে গল্পটি হাদিসের ভাষ্যে উপস্থাপন করা হলো—
হজরত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন—বনি ইসরাইলের এক বাদশা, যিনি হজরত মুসা (আ.)–এর পর শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন, এক রাতে বায়তুল মুকাদ্দাসের ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করছিলেন। চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত সেই রাতে তিনি তাঁর অতীত জীবনের বিভিন্ন ঘটনা স্মরণ করতে লাগলেন। গভীর চিন্তায় নিমগ্ন হয়ে তিনি উপলব্ধি করলেন যে, তাঁর রাজত্ব, ক্ষমতা—এসব কিছুই একদিন বিলীন হয়ে যাবে। তাঁর অন্তর উদ্বেগে কেঁপে উঠল।
অবশেষে, তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন—এই জগতের জৌলুস তাঁকে আর আটকে রাখতে পারবে না। এক নির্জন রাতে, কাউকে কিছু না জানিয়ে, তিনি এক রশির সাহায্যে নিচে নেমে এলেন। পরদিন সকালে দেখা গেল, সেই রশিটি মসজিদে ঝুলে আছে, কিন্তু তিনি সেখানে নেই। তিনি চলতে চলতে সমুদ্রের তীরে এসে পৌঁছালেন। সেখানে দেখলেন, একদল শ্রমিক ইট বানানোর কাজে ব্যস্ত। তিনি তাঁদের কাছে জানতে চাইলেন, তাঁরা কীভাবে উপার্জন করেন। শ্রমিকেরা তাঁকে তাঁদের পরিশ্রমের বিনিময়ে পাওয়া মজুরির কথা জানালে, তিনি তাঁদের দলে যোগ দিলেন।
নিজের হাতে পরিশ্রম করতে লাগলেন, কষ্টার্জিত উপার্জন দিয়ে আহার করতেন এবং বাকি অংশ দান করে দিতেন। যখন নামাজের সময় হতো, তিনি ইবাদতে মগ্ন হয়ে যেতেন। একসময় শ্রমিকেরা এই ব্যতিক্রমী মানুষটির কথা তাঁদের মহাজনের কাছে জানালেন। মহাজন বিস্মিত হলেন—এই সাধারণ জীর্ণশীর্ণ শ্রমিক আসলে কে? তিনি তাঁকে ডেকে পাঠালেন। কিন্তু তিনবার পাঠানো হলেও, তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানালেন।
অবশেষে, মহাজন নিজেই তাঁকে দেখতে এলেন। বাদশাহ যখন দেখলেন যে, কেউ তাঁকে খুঁজতে এসেছে, তখন তিনি পালিয়ে গেলেন। কিন্তু মহাজন তাঁর পিছু নিলেন এবং অবশেষে তাঁকে ধরে ফেললেন। তিনি বললেন, ‘একটু দাঁড়ান, আমি শুধু আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই।’
বাদশাহ থামলেন এবং ধীরে ধীরে নিজের কাহিনি বলতে লাগলেন, ‘আমি একসময়ের বাদশা ছিলাম, কিন্তু এক রাতে আমি উপলব্ধি করলাম, এই রাজ্য, এই ক্ষমতা—এসব কিছুই ক্ষণস্থায়ী। এগুলো আমাকে আমার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। আমি বুঝতে পারলাম, আমার আসল কর্তব্য হলো, আমার রবের ইবাদত করা। তাই আমি সবকিছু ছেড়ে চলে এসেছি, যেন কেবল আল্লাহর জন্য জীবন উৎসর্গ করতে পারি।’
মহাজন বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘আপনি যদি সব ছেড়ে আল্লাহর পথে আসতে পারেন, তবে আমি কেন পারব না?’ তিনিও বাহন থেকে নেমে এলেন এবং বাদশাহকে অনুসরণ করলেন। এরপর তাঁরা দুজন একসঙ্গে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হয়ে গেলেন। তাঁরা আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করলেন, ‘হে আমাদের রব, আমাদের মৃত্যু যেন এক সঙ্গেই হয়।’
অবশেষে, তাঁদের দোয়া কবুল হলো। তাঁরা একসঙ্গে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন এবং তাঁদের কবর মিসরের রুমাইলা নামক স্থানে পাশাপাশি রয়েছে।
হজরত আব্দুল্লাহ (রা.) বলেন, ‘যদি আমি মিসরের রুমাইলায় থাকতাম, তাহলে রাসুলুল্লাহ (সা.) যে বর্ণনা দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী আমি তাঁদের কবর তোমাদের দেখিয়ে দিতে পারতাম।’ (আল বাহরুজ জাখখার,৪ / ২৬৭, হাদিস: ৩৬৮৯, আল মুজামুল কাবির, ১০ / ২১৬, হাদিস: ১০৩৭০)
গল্প থেকে শিক্ষা
চিন্তা ও গভীর মননশীলতার উপকারিতা, যা মানুষকে সঠিক উপলব্ধি ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এটি সর্বোত্তম ফল ও কল্যাণকর পরিণতি এনে দেয়, যেমনটি এই দুই ব্যক্তি চিন্তা ও বিবেচনার মাধ্যমে অর্জন করেছিলেন।
দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্তি ও পরকালের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার মাহাত্ম্য। আল্লাহর কাছে যে অনন্ত পুরস্কার রয়েছে, তা কখনো ক্ষয়প্রাপ্ত হবে না, বরং স্থায়ী ও চিরকালীন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের কাছে যা কিছু আছে, তা ফুরিয়ে যাবে; আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা চিরস্থায়ী।’ (সুরা নাহল: ৯৬)
এটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও অবধারিত সত্য। কেননা কোরআন-হাদিসে বারবার দুনিয়ার মোহমুক্তির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং দুনিয়াকে তুচ্ছ মনে করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও তাঁর কথা, আচরণ ও কর্মের মাধ্যমে মানুষকে দুনিয়াবিমুখতার শিক্ষা দিয়েছেন।
পরকালীন সফলতার জন্য পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করা কোনোভাবেই দুনিয়াবিমুখতার (জুহদ) পরিপন্থী নয়। বরং দুনিয়াবিমুখতার বিরোধী হলো, বিলাসিতায় মত্ত হওয়া, ভোগবিলাসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়া, পরিপূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্য খোঁজা, দামি পোশাক-পরিচ্ছদ ও বাহন নিয়ে অতিরিক্ত আসক্ত হওয়া। এ দুই ব্যক্তি দুনিয়াবিমুখতা অবলম্বন করেছিলেন—তাঁরা কেবল প্রয়োজনীয় আহারের জন্য পরিশ্রম করতেন, কিন্তু ভোগবিলাসের পথে নিজেদের জড়াননি।
আসআদ শাহীন

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য অনুচর, ছিল রাজকীয় মহিমা ও বিলাসিতা। কিন্তু এক রাতে, যখন আকাশে চাঁদের আলো নেমে এসেছিল, তিনি চিন্তায় মগ্ন হলেন।
রাজপ্রাসাদের উঁচু মিনারে দাঁড়িয়ে তিনি গভীরভাবে ভাবতে লাগলেন—এ রাজ্য, এই ক্ষমতা, এই আভিজাত্য কি চিরস্থায়ী? তাঁর অন্তর কেঁপে উঠল। তিনি অনুভব করলেন, এ রাজসিক জীবন তাঁকে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তাই তিনি শাসন ও রাজত্ব ছেড়ে এমন এক জায়গায় চলে যান, যেখানে তাঁকে কেউ চেনে না। সেখানে তিনি কেবল আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকেন এবং নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিচে গল্পটি হাদিসের ভাষ্যে উপস্থাপন করা হলো—
হজরত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন—বনি ইসরাইলের এক বাদশা, যিনি হজরত মুসা (আ.)–এর পর শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন, এক রাতে বায়তুল মুকাদ্দাসের ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করছিলেন। চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত সেই রাতে তিনি তাঁর অতীত জীবনের বিভিন্ন ঘটনা স্মরণ করতে লাগলেন। গভীর চিন্তায় নিমগ্ন হয়ে তিনি উপলব্ধি করলেন যে, তাঁর রাজত্ব, ক্ষমতা—এসব কিছুই একদিন বিলীন হয়ে যাবে। তাঁর অন্তর উদ্বেগে কেঁপে উঠল।
অবশেষে, তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন—এই জগতের জৌলুস তাঁকে আর আটকে রাখতে পারবে না। এক নির্জন রাতে, কাউকে কিছু না জানিয়ে, তিনি এক রশির সাহায্যে নিচে নেমে এলেন। পরদিন সকালে দেখা গেল, সেই রশিটি মসজিদে ঝুলে আছে, কিন্তু তিনি সেখানে নেই। তিনি চলতে চলতে সমুদ্রের তীরে এসে পৌঁছালেন। সেখানে দেখলেন, একদল শ্রমিক ইট বানানোর কাজে ব্যস্ত। তিনি তাঁদের কাছে জানতে চাইলেন, তাঁরা কীভাবে উপার্জন করেন। শ্রমিকেরা তাঁকে তাঁদের পরিশ্রমের বিনিময়ে পাওয়া মজুরির কথা জানালে, তিনি তাঁদের দলে যোগ দিলেন।
নিজের হাতে পরিশ্রম করতে লাগলেন, কষ্টার্জিত উপার্জন দিয়ে আহার করতেন এবং বাকি অংশ দান করে দিতেন। যখন নামাজের সময় হতো, তিনি ইবাদতে মগ্ন হয়ে যেতেন। একসময় শ্রমিকেরা এই ব্যতিক্রমী মানুষটির কথা তাঁদের মহাজনের কাছে জানালেন। মহাজন বিস্মিত হলেন—এই সাধারণ জীর্ণশীর্ণ শ্রমিক আসলে কে? তিনি তাঁকে ডেকে পাঠালেন। কিন্তু তিনবার পাঠানো হলেও, তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানালেন।
অবশেষে, মহাজন নিজেই তাঁকে দেখতে এলেন। বাদশাহ যখন দেখলেন যে, কেউ তাঁকে খুঁজতে এসেছে, তখন তিনি পালিয়ে গেলেন। কিন্তু মহাজন তাঁর পিছু নিলেন এবং অবশেষে তাঁকে ধরে ফেললেন। তিনি বললেন, ‘একটু দাঁড়ান, আমি শুধু আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই।’
বাদশাহ থামলেন এবং ধীরে ধীরে নিজের কাহিনি বলতে লাগলেন, ‘আমি একসময়ের বাদশা ছিলাম, কিন্তু এক রাতে আমি উপলব্ধি করলাম, এই রাজ্য, এই ক্ষমতা—এসব কিছুই ক্ষণস্থায়ী। এগুলো আমাকে আমার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। আমি বুঝতে পারলাম, আমার আসল কর্তব্য হলো, আমার রবের ইবাদত করা। তাই আমি সবকিছু ছেড়ে চলে এসেছি, যেন কেবল আল্লাহর জন্য জীবন উৎসর্গ করতে পারি।’
মহাজন বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘আপনি যদি সব ছেড়ে আল্লাহর পথে আসতে পারেন, তবে আমি কেন পারব না?’ তিনিও বাহন থেকে নেমে এলেন এবং বাদশাহকে অনুসরণ করলেন। এরপর তাঁরা দুজন একসঙ্গে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হয়ে গেলেন। তাঁরা আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করলেন, ‘হে আমাদের রব, আমাদের মৃত্যু যেন এক সঙ্গেই হয়।’
অবশেষে, তাঁদের দোয়া কবুল হলো। তাঁরা একসঙ্গে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন এবং তাঁদের কবর মিসরের রুমাইলা নামক স্থানে পাশাপাশি রয়েছে।
হজরত আব্দুল্লাহ (রা.) বলেন, ‘যদি আমি মিসরের রুমাইলায় থাকতাম, তাহলে রাসুলুল্লাহ (সা.) যে বর্ণনা দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী আমি তাঁদের কবর তোমাদের দেখিয়ে দিতে পারতাম।’ (আল বাহরুজ জাখখার,৪ / ২৬৭, হাদিস: ৩৬৮৯, আল মুজামুল কাবির, ১০ / ২১৬, হাদিস: ১০৩৭০)
গল্প থেকে শিক্ষা
চিন্তা ও গভীর মননশীলতার উপকারিতা, যা মানুষকে সঠিক উপলব্ধি ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এটি সর্বোত্তম ফল ও কল্যাণকর পরিণতি এনে দেয়, যেমনটি এই দুই ব্যক্তি চিন্তা ও বিবেচনার মাধ্যমে অর্জন করেছিলেন।
দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্তি ও পরকালের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার মাহাত্ম্য। আল্লাহর কাছে যে অনন্ত পুরস্কার রয়েছে, তা কখনো ক্ষয়প্রাপ্ত হবে না, বরং স্থায়ী ও চিরকালীন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের কাছে যা কিছু আছে, তা ফুরিয়ে যাবে; আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা চিরস্থায়ী।’ (সুরা নাহল: ৯৬)
এটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও অবধারিত সত্য। কেননা কোরআন-হাদিসে বারবার দুনিয়ার মোহমুক্তির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং দুনিয়াকে তুচ্ছ মনে করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও তাঁর কথা, আচরণ ও কর্মের মাধ্যমে মানুষকে দুনিয়াবিমুখতার শিক্ষা দিয়েছেন।
পরকালীন সফলতার জন্য পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করা কোনোভাবেই দুনিয়াবিমুখতার (জুহদ) পরিপন্থী নয়। বরং দুনিয়াবিমুখতার বিরোধী হলো, বিলাসিতায় মত্ত হওয়া, ভোগবিলাসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়া, পরিপূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্য খোঁজা, দামি পোশাক-পরিচ্ছদ ও বাহন নিয়ে অতিরিক্ত আসক্ত হওয়া। এ দুই ব্যক্তি দুনিয়াবিমুখতা অবলম্বন করেছিলেন—তাঁরা কেবল প্রয়োজনীয় আহারের জন্য পরিশ্রম করতেন, কিন্তু ভোগবিলাসের পথে নিজেদের জড়াননি।

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য অনুচর, ছিল রাজকীয় মহিমা ও বিলাসিতা। কিন্তু এক রাতে, যখন আকাশে চাঁদের আলো নেমে এসেছিল, তিনি চিন্তায় মগ্ন হলেন।
রাজপ্রাসাদের উঁচু মিনারে দাঁড়িয়ে তিনি গভীরভাবে ভাবতে লাগলেন—এ রাজ্য, এই ক্ষমতা, এই আভিজাত্য কি চিরস্থায়ী? তাঁর অন্তর কেঁপে উঠল। তিনি অনুভব করলেন, এ রাজসিক জীবন তাঁকে জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তাই তিনি শাসন ও রাজত্ব ছেড়ে এমন এক জায়গায় চলে যান, যেখানে তাঁকে কেউ চেনে না। সেখানে তিনি কেবল আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকেন এবং নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিচে গল্পটি হাদিসের ভাষ্যে উপস্থাপন করা হলো—
হজরত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন—বনি ইসরাইলের এক বাদশা, যিনি হজরত মুসা (আ.)–এর পর শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন, এক রাতে বায়তুল মুকাদ্দাসের ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করছিলেন। চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত সেই রাতে তিনি তাঁর অতীত জীবনের বিভিন্ন ঘটনা স্মরণ করতে লাগলেন। গভীর চিন্তায় নিমগ্ন হয়ে তিনি উপলব্ধি করলেন যে, তাঁর রাজত্ব, ক্ষমতা—এসব কিছুই একদিন বিলীন হয়ে যাবে। তাঁর অন্তর উদ্বেগে কেঁপে উঠল।
অবশেষে, তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন—এই জগতের জৌলুস তাঁকে আর আটকে রাখতে পারবে না। এক নির্জন রাতে, কাউকে কিছু না জানিয়ে, তিনি এক রশির সাহায্যে নিচে নেমে এলেন। পরদিন সকালে দেখা গেল, সেই রশিটি মসজিদে ঝুলে আছে, কিন্তু তিনি সেখানে নেই। তিনি চলতে চলতে সমুদ্রের তীরে এসে পৌঁছালেন। সেখানে দেখলেন, একদল শ্রমিক ইট বানানোর কাজে ব্যস্ত। তিনি তাঁদের কাছে জানতে চাইলেন, তাঁরা কীভাবে উপার্জন করেন। শ্রমিকেরা তাঁকে তাঁদের পরিশ্রমের বিনিময়ে পাওয়া মজুরির কথা জানালে, তিনি তাঁদের দলে যোগ দিলেন।
নিজের হাতে পরিশ্রম করতে লাগলেন, কষ্টার্জিত উপার্জন দিয়ে আহার করতেন এবং বাকি অংশ দান করে দিতেন। যখন নামাজের সময় হতো, তিনি ইবাদতে মগ্ন হয়ে যেতেন। একসময় শ্রমিকেরা এই ব্যতিক্রমী মানুষটির কথা তাঁদের মহাজনের কাছে জানালেন। মহাজন বিস্মিত হলেন—এই সাধারণ জীর্ণশীর্ণ শ্রমিক আসলে কে? তিনি তাঁকে ডেকে পাঠালেন। কিন্তু তিনবার পাঠানো হলেও, তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানালেন।
অবশেষে, মহাজন নিজেই তাঁকে দেখতে এলেন। বাদশাহ যখন দেখলেন যে, কেউ তাঁকে খুঁজতে এসেছে, তখন তিনি পালিয়ে গেলেন। কিন্তু মহাজন তাঁর পিছু নিলেন এবং অবশেষে তাঁকে ধরে ফেললেন। তিনি বললেন, ‘একটু দাঁড়ান, আমি শুধু আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই।’
বাদশাহ থামলেন এবং ধীরে ধীরে নিজের কাহিনি বলতে লাগলেন, ‘আমি একসময়ের বাদশা ছিলাম, কিন্তু এক রাতে আমি উপলব্ধি করলাম, এই রাজ্য, এই ক্ষমতা—এসব কিছুই ক্ষণস্থায়ী। এগুলো আমাকে আমার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। আমি বুঝতে পারলাম, আমার আসল কর্তব্য হলো, আমার রবের ইবাদত করা। তাই আমি সবকিছু ছেড়ে চলে এসেছি, যেন কেবল আল্লাহর জন্য জীবন উৎসর্গ করতে পারি।’
মহাজন বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘আপনি যদি সব ছেড়ে আল্লাহর পথে আসতে পারেন, তবে আমি কেন পারব না?’ তিনিও বাহন থেকে নেমে এলেন এবং বাদশাহকে অনুসরণ করলেন। এরপর তাঁরা দুজন একসঙ্গে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হয়ে গেলেন। তাঁরা আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করলেন, ‘হে আমাদের রব, আমাদের মৃত্যু যেন এক সঙ্গেই হয়।’
অবশেষে, তাঁদের দোয়া কবুল হলো। তাঁরা একসঙ্গে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন এবং তাঁদের কবর মিসরের রুমাইলা নামক স্থানে পাশাপাশি রয়েছে।
হজরত আব্দুল্লাহ (রা.) বলেন, ‘যদি আমি মিসরের রুমাইলায় থাকতাম, তাহলে রাসুলুল্লাহ (সা.) যে বর্ণনা দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী আমি তাঁদের কবর তোমাদের দেখিয়ে দিতে পারতাম।’ (আল বাহরুজ জাখখার,৪ / ২৬৭, হাদিস: ৩৬৮৯, আল মুজামুল কাবির, ১০ / ২১৬, হাদিস: ১০৩৭০)
গল্প থেকে শিক্ষা
চিন্তা ও গভীর মননশীলতার উপকারিতা, যা মানুষকে সঠিক উপলব্ধি ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এটি সর্বোত্তম ফল ও কল্যাণকর পরিণতি এনে দেয়, যেমনটি এই দুই ব্যক্তি চিন্তা ও বিবেচনার মাধ্যমে অর্জন করেছিলেন।
দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্তি ও পরকালের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার মাহাত্ম্য। আল্লাহর কাছে যে অনন্ত পুরস্কার রয়েছে, তা কখনো ক্ষয়প্রাপ্ত হবে না, বরং স্থায়ী ও চিরকালীন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের কাছে যা কিছু আছে, তা ফুরিয়ে যাবে; আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা চিরস্থায়ী।’ (সুরা নাহল: ৯৬)
এটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও অবধারিত সত্য। কেননা কোরআন-হাদিসে বারবার দুনিয়ার মোহমুক্তির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং দুনিয়াকে তুচ্ছ মনে করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও তাঁর কথা, আচরণ ও কর্মের মাধ্যমে মানুষকে দুনিয়াবিমুখতার শিক্ষা দিয়েছেন।
পরকালীন সফলতার জন্য পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করা কোনোভাবেই দুনিয়াবিমুখতার (জুহদ) পরিপন্থী নয়। বরং দুনিয়াবিমুখতার বিরোধী হলো, বিলাসিতায় মত্ত হওয়া, ভোগবিলাসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়া, পরিপূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্য খোঁজা, দামি পোশাক-পরিচ্ছদ ও বাহন নিয়ে অতিরিক্ত আসক্ত হওয়া। এ দুই ব্যক্তি দুনিয়াবিমুখতা অবলম্বন করেছিলেন—তাঁরা কেবল প্রয়োজনীয় আহারের জন্য পরিশ্রম করতেন, কিন্তু ভোগবিলাসের পথে নিজেদের জড়াননি।

আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২১ ঘণ্টা আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১ দিন আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগেইসলাম ডেস্ক

আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’ অর্থাৎ আয়াতুল কুরসি। তখন নবী (সা.) তাঁর বুকে হাত রেখে বললেন, ‘আবুল মুনজির, এই জ্ঞানের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।’ (সহিহ মুসলিম)
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, শয়তান সারা রাত তার কাছে আসবে না।’ (সহিহ বুখারি)। অন্য হাদিসে, ‘যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।’ (সুনানে নাসায়ি)
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম। লা তা খুজুহু সিনাতু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান জাল্লাজি ইয়াশ ফাউ ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতুনা বিশাই ইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিইয়ুল আজিম।
আল্লাহ—তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রা-নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না। আসমান-জমিনে যা কিছু আছে, সব তাঁরই। তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে কে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে-পেছনে কী আছে, তিনি জানেন। তিনি যা চান, তা ছাড়া কেউ তাঁর জ্ঞানের কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর সিংহাসন আসমান-জমিন বেষ্টন করে আছে এবং তা হেফাজত করতে তাঁর কষ্ট হয় না। আর তিনিই সর্বোচ্চ ও মহান।

আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’ অর্থাৎ আয়াতুল কুরসি। তখন নবী (সা.) তাঁর বুকে হাত রেখে বললেন, ‘আবুল মুনজির, এই জ্ঞানের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।’ (সহিহ মুসলিম)
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, শয়তান সারা রাত তার কাছে আসবে না।’ (সহিহ বুখারি)। অন্য হাদিসে, ‘যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।’ (সুনানে নাসায়ি)
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম। লা তা খুজুহু সিনাতু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান জাল্লাজি ইয়াশ ফাউ ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতুনা বিশাই ইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিইয়ুল আজিম।
আল্লাহ—তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রা-নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না। আসমান-জমিনে যা কিছু আছে, সব তাঁরই। তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে কে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে-পেছনে কী আছে, তিনি জানেন। তিনি যা চান, তা ছাড়া কেউ তাঁর জ্ঞানের কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর সিংহাসন আসমান-জমিন বেষ্টন করে আছে এবং তা হেফাজত করতে তাঁর কষ্ট হয় না। আর তিনিই সর্বোচ্চ ও মহান।

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন।
১৭ মার্চ ২০২৫
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২১ ঘণ্টা আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১ দিন আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগেইসলাম ডেস্ক

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।
প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।
আজ শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ০৩ মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ২৭ রজব ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় | ০০: ০০ | ০৫: ২২ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ২৩ মিনিট | ০৬: ৪২ মিনিট |
| জোহর | ১২: ০৯ মিনিট | ০৩: ৫৭ মিনিট |
| আসর | ০৩: ৫৮ মিনিট | ০৫: ৩৪ মিনিট |
| মাগরিব | ০৫: ৩৫ মিনিট | ০৬: ৫২ মিনিট |
| এশা | ০৬: ৫৩ মিনিট | ০৫: ২২ মিনিট |
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:
বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।
প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।
আজ শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ০৩ মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ২৭ রজব ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় | ০০: ০০ | ০৫: ২২ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ২৩ মিনিট | ০৬: ৪২ মিনিট |
| জোহর | ১২: ০৯ মিনিট | ০৩: ৫৭ মিনিট |
| আসর | ০৩: ৫৮ মিনিট | ০৫: ৩৪ মিনিট |
| মাগরিব | ০৫: ৩৫ মিনিট | ০৬: ৫২ মিনিট |
| এশা | ০৬: ৫৩ মিনিট | ০৫: ২২ মিনিট |
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:
বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন।
১৭ মার্চ ২০২৫
আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১ দিন আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগেইসলাম ডেস্ক

শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই। বিশেষ করে শবে মিরাজের নির্দিষ্ট নামাজ ও রোজা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে।
শবে মিরাজের বিশেষ নামাজ
সাধারণত সমাজে প্রচলিত আছে, শবে মিরাজ উপলক্ষে ১২ রাকাত বা কমবেশি বিশেষ নফল নামাজ আদায় করতে হয়। কিন্তু বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের গবেষণা অনুযায়ী, রজব মাসে বা শবে মিরাজ উপলক্ষে বিশেষ কোনো নামাজ শরিয়ত দ্বারা প্রমাণিত নয়।
ইসলামবিষয়ক গবেষকদের মতে, রজব মাসের বিশেষ নামাজসমূহ (যেমন সালাতুর রাগায়েব) সম্পর্কিত হাদিসগুলো বাতিল ও ভিত্তিহীন। বিখ্যাত আলেম আবু ইসমাইল আনসারি, ইবনুল জাওজি এবং আবুল ফজল ইবনে নাসির প্রমুখ স্পষ্টভাবে একে বিদআত আখ্যা দিয়েছেন। ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, হিজরি ৪০০ সালের পরে এই প্রথাগুলো সমাজে আবিষ্কৃত হয়েছে, যার কোনো অস্তিত্ব সাহাবায়ে কেরাম বা তাবেয়িদের যুগে ছিল না।
শবে মিরাজের রোজা
অনেকে শবে মিরাজের পরের দিনের রোজাকে আশুরা বা আরাফাতের দিনের রোজার মতো বিশেষ ফজিলতপূর্ণ মনে করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, রজব মাসের নির্দিষ্ট কোনো দিনের রোজার বিশেষ ফজিলত রাসুল (সা.)-এর হাদিস কিংবা সাহাবিদের আমল থেকে প্রমাণিত নয়। (লাতায়িফুল মাআরিফ: ১৩১)
শবে মিরাজে ইবাদত
শবে মিরাজ উপলক্ষে কোনো বিশেষ পদ্ধতি বা নির্ধারিত রাকাত সংখ্যা না থাকলেও এই রাতে নফল ইবাদত করতে কোনো বাধা নেই। একজন মুসলিম চাইলে অন্য যেকোনো সাধারণ রাতের মতো এই রাতেও নফল নামাজ পড়তে পারেন, কোরআন তিলাওয়াত বা জিকির করতে পারেন। ইসলামের দৃষ্টিতে—
অর্থাৎ এই রাতকে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদতের জন্য আবশ্যক বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ মনে না করে সাধারণ নফল ইবাদত হিসেবে আমল করা যেতে পারে।
রমজানের প্রস্তুতি ও রজব মাস
পুরো রজব মাসই একটি বরকতময় সময়। রাসুল (সা.) এই মাস থেকেই পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি শুরু করতেন। তিনি দোয়া করতেন—‘হে আল্লাহ, রজব ও শাবান মাসে আমাদের বরকত দিন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।’ সুতরাং এই মাসে আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি বেশি নফল ইবাদত এবং তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে আসন্ন রমজানের জন্য নিজেকে তৈরি করা।

শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই। বিশেষ করে শবে মিরাজের নির্দিষ্ট নামাজ ও রোজা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে।
শবে মিরাজের বিশেষ নামাজ
সাধারণত সমাজে প্রচলিত আছে, শবে মিরাজ উপলক্ষে ১২ রাকাত বা কমবেশি বিশেষ নফল নামাজ আদায় করতে হয়। কিন্তু বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের গবেষণা অনুযায়ী, রজব মাসে বা শবে মিরাজ উপলক্ষে বিশেষ কোনো নামাজ শরিয়ত দ্বারা প্রমাণিত নয়।
ইসলামবিষয়ক গবেষকদের মতে, রজব মাসের বিশেষ নামাজসমূহ (যেমন সালাতুর রাগায়েব) সম্পর্কিত হাদিসগুলো বাতিল ও ভিত্তিহীন। বিখ্যাত আলেম আবু ইসমাইল আনসারি, ইবনুল জাওজি এবং আবুল ফজল ইবনে নাসির প্রমুখ স্পষ্টভাবে একে বিদআত আখ্যা দিয়েছেন। ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, হিজরি ৪০০ সালের পরে এই প্রথাগুলো সমাজে আবিষ্কৃত হয়েছে, যার কোনো অস্তিত্ব সাহাবায়ে কেরাম বা তাবেয়িদের যুগে ছিল না।
শবে মিরাজের রোজা
অনেকে শবে মিরাজের পরের দিনের রোজাকে আশুরা বা আরাফাতের দিনের রোজার মতো বিশেষ ফজিলতপূর্ণ মনে করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, রজব মাসের নির্দিষ্ট কোনো দিনের রোজার বিশেষ ফজিলত রাসুল (সা.)-এর হাদিস কিংবা সাহাবিদের আমল থেকে প্রমাণিত নয়। (লাতায়িফুল মাআরিফ: ১৩১)
শবে মিরাজে ইবাদত
শবে মিরাজ উপলক্ষে কোনো বিশেষ পদ্ধতি বা নির্ধারিত রাকাত সংখ্যা না থাকলেও এই রাতে নফল ইবাদত করতে কোনো বাধা নেই। একজন মুসলিম চাইলে অন্য যেকোনো সাধারণ রাতের মতো এই রাতেও নফল নামাজ পড়তে পারেন, কোরআন তিলাওয়াত বা জিকির করতে পারেন। ইসলামের দৃষ্টিতে—
অর্থাৎ এই রাতকে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদতের জন্য আবশ্যক বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ মনে না করে সাধারণ নফল ইবাদত হিসেবে আমল করা যেতে পারে।
রমজানের প্রস্তুতি ও রজব মাস
পুরো রজব মাসই একটি বরকতময় সময়। রাসুল (সা.) এই মাস থেকেই পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি শুরু করতেন। তিনি দোয়া করতেন—‘হে আল্লাহ, রজব ও শাবান মাসে আমাদের বরকত দিন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।’ সুতরাং এই মাসে আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি বেশি নফল ইবাদত এবং তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে আসন্ন রমজানের জন্য নিজেকে তৈরি করা।

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন।
১৭ মার্চ ২০২৫
আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২১ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগেইসলাম ডেস্ক

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।
প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।
আজ শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ০২ মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ২৬ রজব ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় | ০০: ০০ | ০৫: ২২ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ২৩ মিনিট | ০৬: ৪২ মিনিট |
| জোহর | ১২: ০৯ মিনিট | ০৩: ৫৬ মিনিট |
| আসর | ০৩: ৫৭ মিনিট | ০৫: ৩৩ মিনিট |
| মাগরিব | ০৫: ৩৪ মিনিট | ০৬: ৫২ মিনিট |
| এশা | ০৬: ৫৩ মিনিট | ০৫: ২২ মিনিট |
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:
বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।
প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।
আজ শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ০২ মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ২৬ রজব ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় | ০০: ০০ | ০৫: ২২ মিনিট |
| ফজর | ০৫: ২৩ মিনিট | ০৬: ৪২ মিনিট |
| জোহর | ১২: ০৯ মিনিট | ০৩: ৫৬ মিনিট |
| আসর | ০৩: ৫৭ মিনিট | ০৫: ৩৩ মিনিট |
| মাগরিব | ০৫: ৩৪ মিনিট | ০৬: ৫২ মিনিট |
| এশা | ০৬: ৫৩ মিনিট | ০৫: ২২ মিনিট |
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:
বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

সহিহ হাদিসে এমন কিছু বিস্ময়কর ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং শিক্ষণীয়। কেননা ক্ষমতার লোভ বা ইচ্ছে সবারই থাকে, কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করা কল্পনাতীত বিষয়। তেমনি এক বাদশাহর গল্প, যিনি ছিলেন এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজা—সমৃদ্ধি, ক্ষমতা ও জৌলুসে পরিপূর্ণ যাঁর জীবন।
১৭ মার্চ ২০২৫
আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২১ ঘণ্টা আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১ দিন আগে