মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে শান্তিতে বসবাস করার জন্য প্রতিবেশীর ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিবেশী হলো রক্তের সম্পর্কহীন সেই কাছের মানুষ, যারা আমাদের সুখ-দুঃখে সবার আগে এগিয়ে আসে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা যে ইমানের পূর্ণতার লক্ষণ, তা নবী করিম (সা.)-এর হাদিস থেকে স্পষ্ট। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ইমান রাখে এবং আখিরাতে বিশ্বাস রাখে, সে যেন নিজ প্রতিবেশীকে সম্মান করে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬০১৮)
ইসলামে প্রতিবেশীর শুধু কুশল বিনিময় নয়; বরং তার খাদ্যের অভাব আছে কি না তা দেখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘ওই ব্যক্তি মুমিন নয়, যে পেট পুরে খায় অথচ তার পাশের প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে।’ (আদাবুল মুফরাদ: ১১২)
অনেক সময় ছোটখাটো কারণে প্রতিবেশীর সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে। এ দূরত্ব ঘুচিয়ে হৃদ্যতা বাড়াতে হাদিয়া বা উপহার দেওয়া একটি চমৎকার সুন্নত। হাদিয়া মূল্যবান হতে হবে এমন নয়, সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য বস্তুও হতে পারে।
নবী করিম (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যেন প্রতিবেশীকে হাদিয়া দিতে সংকোচবোধ না করে; যদিও তা বকরির খুরের মতো সামান্য বস্তুও হয়।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬০১৭)
রান্নার ক্ষেত্রেও প্রতিবেশীর কথা মাথায় রাখতে শিখিয়েছেন বিশ্বনবী (সা.। তিনি আবু জর গিফারি (রা.)-কে বলেছিলেন, ‘হে আবু জর, তুমি ঝোল (তরকারি) রান্না করলে তার ঝোল বাড়িয়ে দিয়ো এবং তোমার প্রতিবেশীকে তাতে শরিক করো।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৬২৫)
প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষায় ৪ করণীয়
১. সদাচরণ করা: দেখা হলে সালাম দেওয়া এবং হাসিমুখে কথা বলা। ২. বিপদে পাশে দাঁড়ানো: অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া এবং আর্থিক বা মানসিক সহযোগিতা করা। ৩. কষ্ট না দেওয়া: উচ্চ শব্দে শব্দযন্ত্র বাজানো, ময়লা ফেলা বা এমন কোনো কাজ না করা, যাতে প্রতিবেশীর শান্তি বিঘ্নিত হয়। ৪. গোপনীয়তা রক্ষা করা: প্রতিবেশীর ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক না গলানো এবং তাদের দোষ গোপন রাখা।

মৃত্যু এক অনিবার্য ও চিরন্তন সত্য। এই ধরণির ক্ষণস্থায়ী সফর শেষ করে প্রত্যেক মানুষকে মৃত্যুর অমীয় স্বাদ গ্রহণ করতে হয় এবং প্রবেশ করতে হয় অনন্তকালের আবাসে। এই চিরসত্য মৃত্যুকে ঘিরে মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে মৃত্যু-পরবর্তী জীবনই হলো প্রকৃত জীবনের সূচনা।
৭ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১১ ঘণ্টা আগে
আমাদের মধ্যে অনেকের উপুড় হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস রয়েছে। ইসলামে এভাবে ঘুমানোকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন তুমি বিছানায় যাবে, তখন নামাজের অজুর মতো অজু করে নেবে। এরপর ডান পাশ হয়ে শুয়ে পড়বে।’ (সহিহ বুখারি: ২৪৭)
১ দিন আগে
সিলেটের একটি ছিমছাম অফিস। একদিকে থরে থরে সাজানো বইপত্র, কি-বোর্ড, মাউস আর মেধা খাটিয়ে তৈরি করা নানান ডিজাইনের পোস্টার-ক্যালেন্ডার। অন্যদিকে নিজের হাতে আঁকা নানা রঙের ক্যালিগ্রাফি। মনোরম এই অফিসের এক কোণে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার স্ক্রিনে চলছে এআই প্রম্পটিংয়ের কারুকাজ।
২ দিন আগে