কাউসার লাবীব

দাম্পত্যজীবন আল্লাহর বিশেষ উপহার। আর বৈবাহিক জীবনে সচেতন স্ত্রী পাওয়া পরম সৌভাগ্য। একজন সহানুভূতিশীল স্ত্রী কেবল জীবনসঙ্গিনী নন, স্বামীর জন্য তিনি নির্ভরতার জায়গা। এমন স্ত্রীর উপস্থিতি একটি ঘরে এনে দেয় স্থিরতা ও ভালোবাসার উষ্ণতা।
সংসারের খুঁটিনাটি কাজে তাঁর যত্ন, সন্তান লালনে তাঁর নিষ্ঠা এবং স্বামীর প্রতি তাঁর সহযোগিতা সংসারকে করে সহজ ও সুখকর। সংসারের ছন্দ, জীবনের ভারসাম্যও আসে তাঁর অনুরণনে।
মানবসভ্যতার ইতিহাসের প্রথম ও ঘনিষ্ঠতম সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন। আল্লাহ তাআলা যখন হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন, তখন তাঁর হৃদয়ের প্রশান্তির জন্য বানালেন হজরত হাওয়াকে।
পবিত্র কোরআনে তিনি বলেন, ‘হে মানবকুল, তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদের একটি মাত্র ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তাঁর জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এরপর সেই দুজন থেকে বহু নর-নারীর বিস্তার ঘটিয়েছেন।’ (সুরা নিসা: ১)
দাম্পত্যজীবনের বন্ধনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তিনিই পানি থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। এরপর মানুষের মাঝে বংশীয় সম্পর্ক ও বৈবাহিক আত্মীয় সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। তোমার প্রতিপালক সবকিছু করতে সক্ষম।’ (সুরা ফুরকান: ৫৪)।
ক্ষণস্থায়ী এই জীবনে স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সহায়ক ও পরিপূরক। কোরআনের ভাষায়, ‘তারা তোমাদের আবরণ এবং তোমরা তাদের আবরণ।’ (সুরা বাকারা: ১৮৭)।
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে নিজেদের সঠিক বোঝাপড়া জীবনে এনে দেয় প্রশান্তি ও প্রেমের ছায়া। বেলা শেষে স্বামীর উপস্থিতি স্ত্রীর জন্য হয় আশ্রয়ের মতো। আর দিনভর হাজারো চাপে পুরুষ যখন ক্লান্ত, তখন তার মনে প্রশান্তির বাতাস বয়ে যায় স্ত্রীর সংস্পর্শে।
পবিত্র কোরআনে তা এসেছে এভাবে, ‘তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন—যাতে তোমরা তার কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো। আর তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। (সুরা রুম: ২১)

দাম্পত্যজীবন আল্লাহর বিশেষ উপহার। আর বৈবাহিক জীবনে সচেতন স্ত্রী পাওয়া পরম সৌভাগ্য। একজন সহানুভূতিশীল স্ত্রী কেবল জীবনসঙ্গিনী নন, স্বামীর জন্য তিনি নির্ভরতার জায়গা। এমন স্ত্রীর উপস্থিতি একটি ঘরে এনে দেয় স্থিরতা ও ভালোবাসার উষ্ণতা।
সংসারের খুঁটিনাটি কাজে তাঁর যত্ন, সন্তান লালনে তাঁর নিষ্ঠা এবং স্বামীর প্রতি তাঁর সহযোগিতা সংসারকে করে সহজ ও সুখকর। সংসারের ছন্দ, জীবনের ভারসাম্যও আসে তাঁর অনুরণনে।
মানবসভ্যতার ইতিহাসের প্রথম ও ঘনিষ্ঠতম সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন। আল্লাহ তাআলা যখন হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন, তখন তাঁর হৃদয়ের প্রশান্তির জন্য বানালেন হজরত হাওয়াকে।
পবিত্র কোরআনে তিনি বলেন, ‘হে মানবকুল, তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদের একটি মাত্র ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তাঁর জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এরপর সেই দুজন থেকে বহু নর-নারীর বিস্তার ঘটিয়েছেন।’ (সুরা নিসা: ১)
দাম্পত্যজীবনের বন্ধনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তিনিই পানি থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। এরপর মানুষের মাঝে বংশীয় সম্পর্ক ও বৈবাহিক আত্মীয় সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। তোমার প্রতিপালক সবকিছু করতে সক্ষম।’ (সুরা ফুরকান: ৫৪)।
ক্ষণস্থায়ী এই জীবনে স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সহায়ক ও পরিপূরক। কোরআনের ভাষায়, ‘তারা তোমাদের আবরণ এবং তোমরা তাদের আবরণ।’ (সুরা বাকারা: ১৮৭)।
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে নিজেদের সঠিক বোঝাপড়া জীবনে এনে দেয় প্রশান্তি ও প্রেমের ছায়া। বেলা শেষে স্বামীর উপস্থিতি স্ত্রীর জন্য হয় আশ্রয়ের মতো। আর দিনভর হাজারো চাপে পুরুষ যখন ক্লান্ত, তখন তার মনে প্রশান্তির বাতাস বয়ে যায় স্ত্রীর সংস্পর্শে।
পবিত্র কোরআনে তা এসেছে এভাবে, ‘তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন—যাতে তোমরা তার কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো। আর তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। (সুরা রুম: ২১)

ইসলামের ইতিহাসে সাহাবিরা হলেন নবীজি (সা.)-এর নুরানি পরশ পাওয়া অনন্য জামাত। তাঁরা ছিলেন নবীজির সহচর। ইসলামের সুমহান সত্য প্রচারে নিজেদের জীবন ও সম্পদ উৎসর্গ করেছিলেন তাঁরা। সাহাবিদের জীবন আমাদের জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা এবং চিরন্তন অনুপ্রেরণার উৎস।
৩ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবন বৈচিত্র্যে ভরপুর; কখনো সুখের হাসি, কখনো দুঃখের প্লাবন। বিপদ-আপদ বা অসুস্থতা এলে আমরা অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ি; কিন্তু মুমিনের জীবনে রোগব্যাধি কেবল কষ্ট নয়, বরং তা কখনো আল্লাহর বিশেষ পরীক্ষা ও ভালোবাসার নিদর্শন।
৯ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১৬ ঘণ্টা আগে
গিবত অর্থ পরনিন্দা, দোষচর্চা বা কুৎসা রটনা করা। বর্তমান সমাজে গিবত একটি ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। আড্ডা, বিনোদন কিংবা সামান্য রাগের বশে আমরা অন্যের অনুপস্থিতিতে এমন অনেক কথা বলে ফেলি, যা তার সামনে বললে সে কষ্ট পেত।
১ দিন আগে