শবে বরাত মহা পবিত্র রজনী। এ রাত ক্ষমা ও মুক্তির মোহনা। মহান আল্লাহ এই দিনে বান্দার প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন। তাই এই রাতে বেশি বেশি ইবাদত ও আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক কাজ করা মুমিনের একান্ত কর্তব্য। নবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’ (ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫; মিশকাত: ১৩০৬) হাদিসটি হাদিসবিশারদ সব আলেমের গবেষণা মতেই ‘সহিহ’ তথা সর্বোচ্চ মাত্রায় সঠিকভাবে প্রমাণিত।
এই রাতে মহান আল্লাহ অসংখ্য গুনাহগারকে ক্ষমা করে দেন। আয়েশা (রা.) বলেন, আমি এক রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে কাছে না পেয়ে খোঁজ করতে বের হলাম। হঠাৎ দেখলাম, তিনি বাকি কবরস্থানে অবস্থান করছেন। তিনি বললেন, ‘ (আয়েশা) তোমার কি এ আশঙ্কা হয় যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তোমার ওপর জুলুম করতে পারেন?’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহ রাসুল, আমার ধারণা হলো, আপনি অন্য কোনো স্ত্রীর কাছে গিয়েছেন।’ তিনি বললেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে দুনিয়ার আকাশে আসেন এবং কালব গোত্রের ভেড়ার পশমের চেয়েও অধিকসংখ্যক লোককে ক্ষমা করে দেন।’ (তিরমিজি: ৭৩৯)
অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন অর্ধ শাবানের রাত তোমাদের সামনে আসে, তখন তোমরা নামাজ পড়ো এবং পরের দিনে রোজা রাখো। আল্লাহ তাআলা এ রাতে সূর্যাস্তের পর প্রথম আসমানে অবতরণ করেন। এরপর তিনি এই বলে ডাকতে থাকেন—তোমাদের মধ্যে আছে কি কোনো ক্ষমাপ্রার্থনাকারী? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। তোমাদের মধ্যে আছে কি কোনো রিজিক অন্বেষণকারী? আমি তাকে রিজিক দান করব। তোমাদের মধ্যে আছে কি কোনো বিপদগ্রস্ত? আমি তার বিপদ দূর করে দেব। ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকে।’ (ইবনে মাজাহ: ১৩৮৮)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি ‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীন ১৪৪৮ হিজরি শিক্ষাবর্ষের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষার অনলাইনে ফি জমা শুরু হচ্ছে ৮ অক্টোবর থেকে। বিলম্ব ফি ছাড়া আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত ফি জমা দেওয়া যাবে। অন্যদিকে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
ইসলামে সব ধরনের নফল ইবাদতের মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত ও মর্যাদা সর্বাপেক্ষা বেশি। শেষ রাতের নিভৃত প্রহরে বান্দা যখন ঘুম ভেঙে আল্লাহর দরবারে সিজদাবনত হয়, তখন তার সঙ্গে মহান আল্লাহর সরাসরি সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই নামাজ কেবল শয়তানের কুমন্ত্রণা ও শত্রুর অপকারিতা থেকে রক্ষা করে এবং মানুষের আত্মার...
১৩ ঘণ্টা আগে
ইসলাম ধর্মে আত্মিক ও বাহ্যিক পবিত্রতা অর্জনের গুরুত্ব অপরিসীম। যেকোনো প্রকার ইবাদত, বিশেষ করে নামাজ আদায় ও পবিত্র কোরআন স্পর্শ বা তিলাওয়াতের জন্য প্রধান পূর্বশর্ত হলো পবিত্রতা অর্জন বা অজু করা। শারীরিক পবিত্রতা লাভের ক্ষেত্রে গোসলের পরই অজুর অবস্থান।
১৮ ঘণ্টা আগে