শাব্বির আহমদ

ইসলামে পরিচ্ছন্নতা শুধু বাহ্যিক পরিধি বা স্বাস্থ্যবিধি নয়, বরং এটি ইমানের অপরিহার্য অংশ। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা করেছেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অর্ধেক।’ (সহিহ্ মুসলিম)। এটি প্রমাণ করে যে একজন মুমিনের জীবনে পবিত্রতার গুরুত্ব কতখানি।
ইসলামে পরিচ্ছন্নতাকে দুই ভাগ করা যায়; একটি হলো ‘তাহারাত’ বা পবিত্রতা, যা মলমূত্রের মতো নাপাক জিনিস থেকে মুক্ত হওয়া; অন্যটি হলো সাধারণ পরিচ্ছন্নতা, যেমন ঘরবাড়ি ঝাড়ু দেওয়া, কাপড় ধোয়া বা গোসল করা। পবিত্রতা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে নামাজ শুদ্ধ হওয়ার এটি পূর্বশর্ত। নামাজ যেমন জান্নাতের চাবি, তেমনি পবিত্রতা হলো নামাজের চাবি।
মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্রতা অর্জনকারীদের বিশেষভাবে ভালোবাসেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং ভালোবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদের।’ (সুরা বাকারা: ২২২)। অন্য আয়াতে আল্লাহ কুবা এলাকার লোকজনের প্রশংসা করে বলেন, ‘সেখানে এমন লোক আছে, যারা উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করতে ভালোবাসে। আর আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা তওবা: ১০৮)
ইসলামে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় নখ কাটা, গোঁফ ছোট করা, বগলের নিচের ও গোপনাঙ্গের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করাসহ দশটি বিষয়কে ‘ফিতরাত’ বা সহজাত স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দাঁত ও মুখের যত্নে মিসওয়াককে গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। চুলের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধানের গুরুত্বও হাদিসে এসেছে।
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায়ও জোর দেওয়া হয়েছে। হাদিসে ঘর ও উঠোন পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্রতাকে পছন্দ করেন। আল্লাহ পরিচ্ছন্ন, তিনি পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করেন।’ (জামে তিরমিজি)। একই সঙ্গে মানুষকে কষ্ট দেয় এমন কাজ; যেমন মানুষের চলাচলের রাস্তায় বা গাছের ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
এভাবে ইসলামে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা ব্যক্তি, গৃহ ও পরিবেশকে আচ্ছাদিত করে এক অনন্য জীবনবিধান প্রতিষ্ঠা করেছে; যা সুস্থতা, রুচিবোধ এবং ইমানের পূর্ণতার পরিচায়ক।

ইসলামে পরিচ্ছন্নতা শুধু বাহ্যিক পরিধি বা স্বাস্থ্যবিধি নয়, বরং এটি ইমানের অপরিহার্য অংশ। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা করেছেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অর্ধেক।’ (সহিহ্ মুসলিম)। এটি প্রমাণ করে যে একজন মুমিনের জীবনে পবিত্রতার গুরুত্ব কতখানি।
ইসলামে পরিচ্ছন্নতাকে দুই ভাগ করা যায়; একটি হলো ‘তাহারাত’ বা পবিত্রতা, যা মলমূত্রের মতো নাপাক জিনিস থেকে মুক্ত হওয়া; অন্যটি হলো সাধারণ পরিচ্ছন্নতা, যেমন ঘরবাড়ি ঝাড়ু দেওয়া, কাপড় ধোয়া বা গোসল করা। পবিত্রতা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে নামাজ শুদ্ধ হওয়ার এটি পূর্বশর্ত। নামাজ যেমন জান্নাতের চাবি, তেমনি পবিত্রতা হলো নামাজের চাবি।
মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্রতা অর্জনকারীদের বিশেষভাবে ভালোবাসেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং ভালোবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদের।’ (সুরা বাকারা: ২২২)। অন্য আয়াতে আল্লাহ কুবা এলাকার লোকজনের প্রশংসা করে বলেন, ‘সেখানে এমন লোক আছে, যারা উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করতে ভালোবাসে। আর আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা তওবা: ১০৮)
ইসলামে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় নখ কাটা, গোঁফ ছোট করা, বগলের নিচের ও গোপনাঙ্গের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করাসহ দশটি বিষয়কে ‘ফিতরাত’ বা সহজাত স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দাঁত ও মুখের যত্নে মিসওয়াককে গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। চুলের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধানের গুরুত্বও হাদিসে এসেছে।
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায়ও জোর দেওয়া হয়েছে। হাদিসে ঘর ও উঠোন পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্রতাকে পছন্দ করেন। আল্লাহ পরিচ্ছন্ন, তিনি পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করেন।’ (জামে তিরমিজি)। একই সঙ্গে মানুষকে কষ্ট দেয় এমন কাজ; যেমন মানুষের চলাচলের রাস্তায় বা গাছের ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
এভাবে ইসলামে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা ব্যক্তি, গৃহ ও পরিবেশকে আচ্ছাদিত করে এক অনন্য জীবনবিধান প্রতিষ্ঠা করেছে; যা সুস্থতা, রুচিবোধ এবং ইমানের পূর্ণতার পরিচায়ক।

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ ঘণ্টা আগে
মহান আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করাকে ভালোবাসেন। যারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে তাঁর কাছে ফিরে আসে, তিনি তাদের পরম আদরে গ্রহণ করেন। আল্লাহ চান, বান্দা তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে হাত তুলুক। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই...
৮ ঘণ্টা আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যা জ্ঞান অর্জনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছে। মহান আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করে তাকে অন্যান্য সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন মূলত জ্ঞানের মাধ্যমেই। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই জ্ঞান চর্চাকে ইমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে