ভ্রমণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। চলতে-ফিরতে মানুষকে বিভিন্ন বাহনে চড়তে হয়। আধুনিক যুগে যানবাহনে বেশির ভাগ যাতায়াত হলেও আগের যুগে হেঁটে বা জীবজন্তুর পিঠে বা নৌকায় চড়ে মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেত। এখানে বাহনে চড়ার সময়ের কয়েকটি দোয়া তুলে ধরা হলো বাহনে চড়ার পর মহানবী (সা.) একটি দোয়া পড়তেন। দোয়াটি হলো বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুবহানাল্লাজি সাখখারালানা হাজা ওয়ামা কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুন কালিবুন।
অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি অত্যন্ত দয়ালু ও অশেষ করুণাময়। তিনি পূতপবিত্র ওই সত্তা যিনি বাহনকে আমার অধীন করে দিয়েছেন। আমাদের কাছে তাকে আয়ত্তে আনার ক্ষমতা ছিল না। অবশ্যই আমরা আমাদের প্রভুর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।
নৌকা বা জাহাজে ভ্রমণের সময় নবী (সা.) এই দোয়াটি পড়তেন, ‘বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়া মুরসা-হা, ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রহিম। অর্থ: আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি। আমার পালনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন, মেহেরবান। (সুরা হুদ: ৪১)
যাতায়াতের বিরতিতে মহানবী (সা.) আরেকটি দোয়া পড়ার কথা শিখিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘এই দোয়া পড়লে, ঘরে ফেরা পর্যন্ত কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারবে না। দোয়াটি হলো আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।’ (মুসলিম: ২৭০৮)। অর্থ: আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি।
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২৬ মিনিট আগে
স্রষ্টার এক অপূর্ব সৃষ্টি এই সুবিশাল মহাবিশ্ব। আর সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)। তিনি নির্দিষ্ট কোনো গোত্র, ভূখণ্ড বা সময়ের সীমারেখায় আবদ্ধ হয়ে আসেননি; বরং ধরণির বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন
১৭ ঘণ্টা আগে
ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল কিংবা মুস্তাহাব—এ পরিভাষাগুলো সরাসরি আল্লাহ তাআলা বা তাঁর রাসুল (সা.) নির্ধারিত করে যাননি। বরং কোরআন-সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস সম্পর্কে বিজ্ঞ ফকিহ ও মুজতাহিদ ইমামগণ গবেষণা করে এই পরিভাষাগুলো নির্ধারণ করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
মহানবী (সা.) আরবের সমাজে প্রচলিত বৈষম্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা আমূল বদলে দিয়েছিলেন। তিনি দরিদ্রদের দূর দূর না করে পরম স্নেহে বুকে টেনে নিয়েছিলেন, তাদের উপযুক্ত সামাজিক মর্যাদা দিয়েছেন এবং নিজেকেও চিরকাল তাদের কাতারে শামিল রাখতে ভালোবেসেছিলেন। হজরত জুলাইবিব (রা.) নামে এক সাধারণ সাহাবির জীবনের ঘটনাই এর বড়
১৯ ঘণ্টা আগে