মানবজীবনে অন্যতম প্রধান উদ্বেগের নাম হলো ‘রিজিক’। ভবিষ্যতে কী হবে, কীভাবে সংসার চলবে—এই ভয় অনেক সময় আমাদের অস্থির করে তোলে। তবে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা রিজিকের ব্যাপারে বারবার অভয় দিয়েছেন এবং মানুষের দুশ্চিন্তা দূর করতে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
কোরআন মাজিদের ঘোষণা অনুযায়ী, পৃথিবীতে বিচরণশীল প্রতিটি জীবের রিজিকের দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহর। তিনি ইরশাদ করেন, ‘ভূপৃষ্ঠে বিচরণকারী এমন কোনো জীব নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই।’ (সুরা হুদ: ৬)
আল্লাহ আমাদের অভয় দিয়ে জানিয়েছেন যে, রিজিক আকাশ থেকে নির্ধারিত হয়। সুরা জারিয়াতের ২২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আসমানে রয়েছে তোমাদের রিজিক ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।’ অর্থাৎ মানুষের জন্য যা বরাদ্দ করা হয়েছে, তা সঠিক সময়ে তার কাছে পৌঁছাবেই।
ইসলাম কর্মবিমুখতাকে সমর্থন করে না। আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, ‘তোমরা জমিনের দিগ্বিদিক বিচরণ করো এবং আল্লাহর দেওয়া রিজিক থেকে আহার করো।’ (সুরা মুলক: ১৫)। অর্থাৎ নামাজ শেষে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে আল্লাহর অনুগ্রহ বা রিজিক তালাশ করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
রিজিক মানে কেবল খাদ্য বা টাকাপয়সা নয়, নেককার সন্তান, সুস্থতা, ইলম ও ইমান—সবই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর নানা মাধ্যম অছিলামাত্র, মূল রিজিকদাতা মহান আল্লাহ। তাঁর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে হালাল পথে প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলেই জীবনে বরকত ও প্রশান্তি লাভ সম্ভব। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভাষায়, ‘কেউ তার নির্ধারিত রিজিক পরিপূর্ণ না করে মৃত্যুবরণ করবে না।’ তাই অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখাই ইমানের দাবি।
কেবল ঘরে বসে থাকলেই রিজিক আসে না, এর জন্য প্রচেষ্টার পাশাপাশি কিছু বিশেষ আমলের কথা কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:

ইসলামি জীবনদর্শনে তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা করা মুমিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ। এই এক শক্তিই একজন ইমানদারকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও অবিচল রাখে। পার্থিব জীবনে যে ব্যক্তি তাওয়াক্কুলের শক্তি যত বেশি ধারণ করতে পেরেছে, তার আত্মবিশ্বাস ততখানিই মজবুত।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৭ ঘণ্টা আগে
সামাজিক জীব হিসেবে মানুষকে কথা বলতেই হয়। নিজের প্রয়োজন যেমন তাকে অন্যের কাছে ব্যক্ত করতে হয়, তেমনি অন্যের প্রয়োজনেও তাকে এগিয়ে আসতে হয়। এ ক্ষেত্রে কথা বলার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু কথা বলার ক্ষেত্রেও মুমিনকে কিছু আদব-কায়দা বা শিষ্টাচার মেনে চলার নির্দেশনা পবিত্র কোরআনে দেওয়া রয়েছে।
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২ দিন আগে